
মেহেরপুরে ফেনসিডিল রাখার অভিযোগে মিন্টু মিয়া ও সুমন বিশ্বাস নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ১২ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার বিকেলে মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ গোলাম কবির এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার অপর আসামি লাল্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে বেকসুর খালাস দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মিন্টু মিয়া গাংনী উপজেলার হাড়াভাঙ্গা সেন্টারপাড়ার রুহুল মিয়ার ছেলে এবং সুমন বিশ্বাস একই উপজেলার হাড়াভাঙ্গা মোল্লাপাড়ার মজিবর রহমানের ছেলে। খালাসপ্রাপ্ত লাল্টু সহড়াতলা গ্রামের কেরামত আলীর ছেলে। তবে সাজাপ্রাপ্ত মিন্টু ও সুমন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২০ সালের ১২ জানুয়ারি গাংনী থানার এসআই আব্দুল হকের নেতৃত্বে পুলিশ বালিয়াঘাট গ্রামে ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রলিকে চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় ট্রলিতে থাকা তিনজন পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ মিন্টু ও সুমনকে আটক করে। পরে ট্রলির নিচ থেকে ৪২৬ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(১)(গ)/৩৮/৪১ ধারায় তিনজনকে আসামি করে গাংনী থানায় মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং-৮, জি আর কেস নং-৮/২০২০, এস সি নং-২২৭/২০২১)। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে এবং মামলায় মোট ৮ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন।
সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত মিন্টু মিয়া ও সুমন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর নজরুল ইসলাম এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী হিসেবে অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান, অ্যাডভোকেট মীর আলমগীর ইকবাল ও অ্যাডভোকেট এস. এম. আমানুল্লাহ আল আমান মামলা পরিচালনা করেন।

