বঙ্গবন্ধু

মেহেরপুরে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম নিয়ে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

মেহেরপুর জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের ওপর ক্ষুদ্র পরিসরে সামাজিক দূরত্ব এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনলাইন চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

সদর উপজেলার সম্মেলন কক্ষে গতকাল বেলা ১১ টায় পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা তথ্য অফিসার জনাব মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন ।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর সদর উপজেলার সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মাসুদুল আলম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)এর, মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি দিলরুবা খাতুন , বাংলাদেশ টেলিভিশনের  জেলা প্রতিনিধি আলামিন হোসেন।

অনুষ্ঠানে দুই গ্রুপে প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান অধিকারী ৬ জন পুরস্কার বিজয়ীদের হাতে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী সহ আকর্ষণীয় পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এবং জেলা তথ্য অফিসারের পূর্বোক্ত ঘোষণার ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের উপর শিক্ষার্থীদের আরো বেশি বেশি আগ্রহী করে তুলতে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক শিক্ষার্থীকেই (৫০ জনকে) শুভেচ্ছা পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে জেলা তথ্য অফিসার জানান যে, করোনার এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম নিয়ে অনুশীলনের মাধ্যম হিসেবে আমরা অনলাইন চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। তিনি আরো বলেন, দেশকে বিশ্বের বুকে সুন্দর, সমৃদ্ধ এবং অনুকরণীয় করে তুলতে হলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে শিশুমনে অঙ্কিত করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করে আজকের শিশু আগামী দিনের বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক সৈনিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মাসুদুল আলম বলেন, শিক্ষার্থীদের মহান স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জানতে হবে উপযুক্ত চর্চার মাধ্যমে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করে বলেন তোমরা বঙ্গবন্ধুর লেখা অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়া চীন ইত্যাদি গ্রন্থ পাঠ করার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত সত্তাকে চিনতে পারবে।

তিনি আরো বলেন কোভিডের কারণে কঠিন বাস্তবতায় যেখানে আমরা মানুষকে নিরাপদে থাকার জন্য নিজ গৃহে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়েও ঘরে রাখতে পারছি না সেখানে বঙ্গবন্ধু তার জীবনের সবচেয়ে সোনালী দিনগুলো কারাগারে কাটিয়েছেন। যেখানে পরিবারের সাথেই মানুষ ঘরে থাকতে অপারগ সেখানে বাংলার মানুষের জন্য বঙ্গবন্ধু নির্জন কারাগারে কাটিয়েছেন ৪৬৮২ দিন। বঙ্গবন্ধু সেই ত্যাগের মহিমাকে সমুন্নত রাখতে তিনি শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানান।