
মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে অসহায় এক পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন দি কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক ও কুষ্টিয়া পৌরসভার মেয়র প্রার্থী ও সমাজসেবক মো. আখতারুজ্জামান কাজল মাজমাদার।
গতকাল শনিবার সকালে কুষ্টিয়া শহরের তুলাপট্টি এলাকায় বসবাসরত অসুস্থ সন্ধ্যা দে ও তাঁর মেয়ে শম্পা (সোমা) দের বাসায় যান তিনি। এ সময় পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের হাতে খাদ্যসামগ্রী ও চিকিৎসা ব্যয়ের জন্য নগদ অর্থ তুলে দেন।
পাশাপাশি শম্পা দিদির জন্য একটি স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন সন্ধ্যা দে ও তাঁর মেয়ে। পরিবারের কোনো নিয়মিত আয়ের উৎস নেই। সম্প্রতি দুর্ঘটনায় সন্ধ্যা দের হাত ভেঙে যায়। একটি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হলেও চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আরও একটি অপারেশন প্রয়োজন। এছাড়া বয়সজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ায় নিয়মিত ওষুধ সেবন করতে হচ্ছে, যার ব্যয় বহন করা পরিবারটির পক্ষে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে।
অন্যদিকে, মায়ের সেবাযত্ন করতে গিয়ে শম্পা দিদি দীর্ঘদিন চাকরি করলেও বর্তমানে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। ফলে চিকিৎসা ও সংসারের ব্যয় নির্বাহে পরিবারটি চরম সংকটে দিন কাটাচ্ছে।
এ সময় মো. আখতারুজ্জামান কাজল মাজমাদার বলেন, "আমি সবসময়ই অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। সমাজের সামর্থ্যবান মানুষ যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানবিক দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে অনেক অসহায় পরিবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারবে। শম্পা দিদির জন্য একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে আমি আন্তরিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাব।"
তিনি আরও বলেন, "মানুষ মানুষের জন্য। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় মানবিক কাজ আর হতে পারে না। সবাইকে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাই।"
এ সময় সন্ধ্যা দে ও শম্পা দিদি তাদের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য মো. আখতারুজ্জামান কাজল মাজমাদারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্থানীয়রাও তাঁর এই মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং সমাজের বিত্তবানদের এ ধরনের কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
এসময় দি কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির অন্যান্য পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।