
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার বিভিন্ন দোকান ও মার্কেটে অভিযান চালিয়ে তিন প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।
রোববার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত পৌরসভার জুতাপট্টি, ফলপট্টি ও কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় পণ্যের মূল্য, মান ও মেয়াদ এবং দোকানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হয়।
অভিযানে জমজম মার্কেটের নাহিদা কসমেটিকস কর্নারে অবৈধ ও পুরোনো ভারতীয় প্রসাধনী পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোছা. নাহিদা খাতুনকে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৫(ক) ধারায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ফলপট্টির রুবেল ফল ভান্ডারের মালিক মো. মতিয়ার রহমানকে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করায় একই আইনের ৩৮(ক) ধারায় ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া কাঁচাবাজারের ইসহাক বীজ ভান্ডারের মালিক মো. মাসুদ রানাকে মেয়াদোত্তীর্ণ বীজ বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের মূল্যতালিকা হালনাগাদ করে দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন, যৌক্তিক মূল্যে পণ্য বিক্রি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ, নিম্নমানের ও অননুমোদিত পণ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিশেষ করে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, বীজ ও শিশু খাদ্য বিক্রির বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান।
তিনি বলেন, “ভোক্তা-অধিকার সুরক্ষায় নিয়মিত বাজার তদারকি করা হচ্ছে। মূল্যতালিকা প্রদর্শন, সঠিক মূল্যে পণ্য বিক্রি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ও নিম্নমানের পণ্য বিক্রি বন্ধে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
অভিযানে জেলা বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির কর্মকর্তা সালমা জাহান নিপা, জেলা পুলিশ ও আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে। এ সময় চুয়াডাঙ্গা ভোক্তা-অধিদফতরের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এনামুল হক উপস্থিত ছিলেন।