
আলমডাঙ্গার কেশবপুর গ্রামের রানা তার শশুরবাড়ি মালিহাদ গ্রামে খুন হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন সাইফুল ইসলামকে মীরপুর থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ’র ছেলে রানা(৩৫) কে নিজ শশুরবাড়ি মালিহাদ গ্রামে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, আলমডাঙ্গার কেশবপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ’র ছেলে রানা বেশ কয়েক বছর থেকে পার্শ্ববর্তী জেলা কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মালিহাদ গ্রামে আহসান আলীর কন্যাকে বিয়ে করে ঘর জামাই থাকেন। সেখানে তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন।
মঙ্গলবার রাতে দুর্বৃত্তরা তাকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। মরদেহ শ্বশুর বাড়ির অদূরে আলি হোসেনের বাড়ির পাশে পাওয়া যায়।
আলি হোসেনের বাড়ি সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করে দেখা গেছে, ইটের গাথুনী দেওয়া বাড়িতে এখনো মেঝে প্লাস্টার হয়নি। মেঝেতে বালু থাকায় বালির ওপর ধ্বস্তাধস্তির চিহ্ন দেখা গেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রানা ছেলে হিসেবে খুব ভালো ছিল। সকলের সঙ্গে ভালো ব্যাবহার করতো।তবে রানা খুব ঋনগ্রস্থ ছিল।
মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সঠিক তথ্য না পাওয়া গেলেও পরকীয়া প্রেমের জেরে রানা খুন হতে পারে বলে স্থানীয়দের দু একজন ধারণা করেছেন।
এ ব্যাপারে কুষ্টিয়ার মীরপুর থানা মৃতদেহ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করেন। এব্যাপারে আলি হোসেনের জামাই সাইফুল ইসলামকে মীরপুর থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
মৃত রানার স্ত্রী জানিয়েছেন যে, এশার আজানের পর সাইফুল ইসলাম রানা কে চায়ের দোকান থেকে ডেকে নিয়ে আলি হোসেনের বাড়িতে খুন করে রাস্তায় ফেলে দিয়েছে।
বাদ মাগরিব কেশবপুর গ্রামের জানাজা নামাজ শেষে দাফনকাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।


