
ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে ইজিবাইক শ্রমিক ও বাস শ্রমিকদের মধ্যে বিরোধকে কেন্দ্র করে একের পর এক ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার থেকে দুপুর পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করে।
স্থানীয় শ্রমিকদের কাছ থেকে জানা গেছে, ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কের ১৮ মাইল মাইল নামক স্থানে ঝিনাইদহ জেলা বাস মিনিবাস সমিতির পক্ষ থেকে একটি চেকপোস্ট বসানো হয়। সেখানে ইজিবাইক শ্রমিক ও বাস শ্রমিকদের মধ্যে তর্কবিতর্কের সূত্রপাত হয়।
একপর্যায়ে বাস শ্রমিকদের কয়েকজন চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে বাস রেখে প্রতিবাদ জানাতে গেলে সেখানেও উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এ সময় বাস শ্রমিকদের কয়েকজন ইজিবাইক ভাঙচুর করছে বলে অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ে।
পরে এ খবরে রাস্তায় উত্তেজনা আরও বাড়তে থাকে। ইজিবাইক শ্রমিকরা ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কের বৈডাঙ্গা পুরাতন ইটভাটার সামনে সড়কের ওপর গাছের খড়ি রেখে বাস চলাচলে বাধা দেন। এ সময় একটি বাস থামিয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থল থেকে দুজন ইজিবাইক চালককে আটক করে পুলিশ।
এদিকে বৈডাঙ্গা পুরাতন ইটভাটার সামনে গাছের খড়ি পড়ে থাকা এবং বারবার ওই খড়ি দিয়ে মহাসড়ক অবরোধের বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ছোটখাটো বিষয় নিয়ে প্রায়ই মহাসড়কে এ ধরনের অবরোধ, ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। এতে একদিকে যেমন সাধারণ যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়ছেন, অন্যদিকে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বাস ও ইজিবাইক চলাচল না করায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রিরা। তারা ভ্যান বা রিকসা যোগে তাদের গন্তব্যে পৌছানের চেষ্টা করছেন।
এবিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান সংঘর্ষের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন সকালে ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা সড়কে বাস ও ইজিবাইক চালকদের মধ্যে রাস্তায় যাতায়াত নিয়ে কথা কাটাকাটি ও পরবর্তিতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। ঘটনা মিমাংশার চেষ্টা চলছে।