
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও আলোচিত ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজা বলেছেন, “মেডিকেল এবং সদর হাসপাতাল নিয়ে কিছু অভিযোগ আমার কাছে লিখিত আছে। আমি জানিয়েছি এগুলো পাল্টাতে হবে। ওনারাও প্রথমে অন্তত ভুল স্বীকার করেছে এবং ক্ষমা চেয়েছে, আর বলেছে, এটা আমাদের কন্ট্রোলের বাইরে ছিল এবং উপরওয়ালার দোষ দেয়। মনে হচ্ছে উপরওয়ালা কুষ্টিয়ায় কেউ নেই, উপরওয়ালা এখন আমি। সুতরাং যা কিছু হবে আমাকে জানাবেন।”
বৃহস্পতিবার দুপুরে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “যে বিভিন্ন স্পিডম্যানির কথা বলা হয় এবং কালো কিছু হাত আছে, এই হাতগুলোর কথাও গোপনে কেউ কেউ জানিয়েছে। আমি সরাসরি জানিয়েছি, ২ নম্বরী যদি কেউ করতে চায় সরাসরি বলবেন যে মাওলানার কাছে টাকা দেওয়া আছে। আপনারা উনার কাছে যান। এত ক্ষমতা নিয়ে কে কুষ্টিয়ায় চলে, আমি দেখব।”
আমির হামজা বলেন, “আমাদের আবেগের জায়গা কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতাল। এটা আমরা পুনরায় চালু করতে চাই। কয়েকটা বিভাগ চালু আছে, পূর্ণাঙ্গভাবে যেন চালু হয় সে বিষয়ে আজকের মিটিং ছিল। আমরা প্রায় দুই থেকে আড়াই ঘন্টা আলোচনা করেছি এবং কয়েকটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই নিয়েছি। আপনারা দোয়া করুন, আগামী কিছুদিনের মধ্যে অন্তত একটা সুখবর শুনতে পারবেন। শুনলে আনন্দ পাবেন।”
তিনি আরও বলেন, “বিশেষ করে কুষ্টিয়ার আশপাশের চার-পাঁচটা জেলার মানুষের সেবার জন্য আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি। এটাই মূলত আমাদের লক্ষ্য। আজকের মিটিংয়ে দুইটি বিষয় সমাধান হয়েছে। বাকিগুলোও ইনশাআল্লাহ শীঘ্রই হবে।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।