
স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও মেহেরপুর সদর ও গাংনী উপজেলার মানুষের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথে নির্মাণ হয়নি স্থায়ী সেতু।
ভৈরব নদীর ওপর বাঁশের সাঁকোই এখনো দুই উপজেলার মানুষের একমাত্র ভরসা। ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হচ্ছে কৃষক, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে। দ্রুত সেতু নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর।
প্রতিবছর সাঁকোটি ভেঙে গেলে স্থানীয়দের উদ্যোগে বাঁশ দিয়ে আবারও সংস্কার করতে হয়। এতে একদিকে যেমন বাড়তি খরচ হচ্ছে, অন্যদিকে ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার করতে হচ্ছে কৃষক, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে।
বর্ষা মৌসুমে সাঁকোটি পানিতে ডুবে গেলে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। কৃষকদের ফসল পরিবহন ও শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতেও তৈরি হয় চরম ভোগান্তি। দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।
এলাকাবাসীর দাবি, স্বাধীনতার এত বছর পরও বাঁশের সাঁকোর ওপর নির্ভরশীলতা থেকে মুক্তি দিতে দ্রুত ব্রিজ নির্মাণ করা হোক।
কুতুবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান বলেন, “ব্রিজ না থাকার কারণে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে দেরি হয়। ঝুঁকি নিয়ে তাদের পারাপার করতে হয়। নিরাপদ যাতায়াতের জন্য এখানে দ্রুত একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করা প্রয়োজন।”
মেহেরপুর জেলা প্রকৌশলী, এলজিইডির মো. আরিফউদ্দৌলা জানান, গাড়াবাড়িয়া-হিতিমপাড়া ব্রিজ নির্মাণের বিষয়ে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন হলে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষে কাজ শুরু হবে।