
কুষ্টিয়ায় গ্যাসবাহী লরির সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কা লেগে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার বেলা দেড়টার দিকে কুষ্টিয়া বাইপাস সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার খাজানগর গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের দুই স্ত্রী আমেনা খাতুন (৭৫) ও কমেলা খাতুন (৭০), আমেনার জামাতা রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চক রাজাপুর গ্রামের জাকারিয়া এবং খাজানগর এলাকার আশরাফুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী শিরিন খাতুন।পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা দেড়টার দিকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা বাইপাস সড়ক ধরে বটতৈল এলাকায় যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে একটি গ্যাসবাহী লরি পাবনার দিকে যাচ্ছিল। একপর্যায়ে কুষ্টিয়া স্টোর পাম্পের সামনে নিয়ন্ত্রণ হারান অটোরিকশার চালক। এতে অটোরিকশাটি উল্টে গিয়ে লরির সঙ্গে ধাক্কা লাগে এবং অটোরিকশাটি দুমড়ে–মুচড়ে যায়। এতে অটোরিকশায় থাকা পাঁচজনের মধ্যে ঘটনাস্থলে তিনজন মারা যান। অন্য দুজনকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে সেখানে তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
আমেনা খাতুনের এক স্বজন প্রথম আলোকে বলেন, রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় জাকারিয়ার মেয়ের বিয়ের আয়োজন ছিল। সেই আয়োজন শেষে নিজেই সিএনজি চালিয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে খাজানগর ফিরছিলেন। পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এদিকে দুর্ঘটনাটির খবর পেয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে যান জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেন। তিনি নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের সান্ত্বনা দেন। তাঁদের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়।
চৌড়হাস হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জয়দেব বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত লরিটি জব্দ করা হয়েছে। তবে এর চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছেন।ফলো করুন
কুষ্টিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত হওয়ার খবরে মর্গে যান এক স্বজন। সেখানে তাঁকে আহাজারি করতে দেখা যায়।
কুষ্টিয়ায় গ্যাসবাহী লরির সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কা লেগে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার বেলা দেড়টার দিকে কুষ্টিয়া বাইপাস সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার খাজানগর গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের দুই স্ত্রী আমেনা খাতুন (৭৫) ও কমেলা খাতুন (৭০), আমেনার জামাতা রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চক রাজাপুর গ্রামের জাকারিয়া এবং খাজানগর এলাকার আশরাফুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী শিরিন খাতুন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা দেড়টার দিকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা বাইপাস সড়ক ধরে বটতৈল এলাকায় যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে একটি গ্যাসবাহী লরি পাবনার দিকে যাচ্ছিল। একপর্যায়ে কুষ্টিয়া স্টোর পাম্পের সামনে নিয়ন্ত্রণ হারান অটোরিকশার চালক। এতে অটোরিকশাটি উল্টে গিয়ে লরির সঙ্গে ধাক্কা লাগে এবং অটোরিকশাটি দুমড়ে–মুচড়ে যায়। এতে অটোরিকশায় থাকা পাঁচজনের মধ্যে ঘটনাস্থলে তিনজন মারা যান। অন্য দুজনকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে সেখানে তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
আমেনা খাতুনের এক স্বজন বলেন, রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় জাকারিয়ার মেয়ের বিয়ের আয়োজন ছিল। সেই আয়োজন শেষে নিজেই সিএনজি চালিয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে খাজানগর ফিরছিলেন। পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এদিকে দুর্ঘটনাটির খবর পেয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে যান জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেন। তিনি নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের সান্ত্বনা দেন। তাঁদের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়।
চৌড়হাস হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জয়দেব বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত লরিটি জব্দ করা হয়েছে। তবে এর চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছেন।
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি জানান
ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রাকের ধাক্কায় শাহরিয়ার রহমান শান্ত এবং টোটন হোসেন নামে দুই যুবক নিহত হয়েছে।
গত শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে ঝিনাইদহ শহরের পবহাটি কলার হাটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
শাহরিয়ার রহমান শান্ত (৩২) শহরের আরাপপুর পাড়ার দুখি মাহমুদ সড়কের শাহিনের ছেলে এবং টোটন ঝিনাইদহ পৌরছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক এবং ব্যাপারী পাড়ার আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আরাপপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ছেড়ে আসা একটি মোটরসাইকেলে শান্ত এবং টোটন টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিলেন এসময় অপরদিক থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাকের সাতে তাদের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটর সাইকেল চালক গুরতর আঘাত প্রাপ্ত হয়ে দুর্ঘটনা স্থলেই মৃত্যু বরণ করে এবং মোটর সাইকেলের আরহী টোটনকে দ্রুত ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এরপর পর টোটনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়। পরে শনিবার ভোর ৪ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টোটনের মৃত্যু হয়।
ঝিনাইদহ হাইওয়ে থানার ওসি মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস দুর্ঘটনায় মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। টোটন ও শান্তর মৃত্যুতে ঝিনাইদহ জেলা ছাত্র দলের সভাপতি সোমেনুজ্জামান সোমেন শোক প্রকাশ করেছেন। নিহত দুই পরিবারে চলছে শোকের মাতম।

