
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে দলের নারী শাখার প্রচার কার্যক্রমে বিভিন্ন স্থানে বিএনপি'র বাধা দেওয়ার ইঙ্গিত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বেয়াদবি করলে আগুনের ফুলকি দেখানো হবে।
তিনি বলেছেন, ‘দিশেহারা কেউ কেউ জনগণের ভোটে পরাজিত হওয়ার ভয়ে ১১ দলের পক্ষে যে-সব মা-বোনেরা নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে যাচ্ছেন, তাদের সাথে অমানবিক আচরণ করছে, অভদ্র আচরণ করছে। আমাদের নতুন করে সুড়সুড়ি দিও না, আমাদের পরীক্ষা করার কিছুই নেই। জামায়াতের কর্মীরা এক আল্লাহ ছাড়া, হিমালয়ের সামনেও মাথানত করে না। আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিও না। সুতরাং বেয়াদবি করলে আগুনের ফুলকি দেখানো হবে।’
চুয়াডাঙ্গায় গতকাল সোমবার এক নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। এদিন বিকেল ৫টার দিকে শহরের টাউন ফুটবল মাঠে আয়োজিত এ জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত হলে জনপ্রতিনিধি ও তাঁর স্বজনদের সম্পদের হিসাব প্রতিবছর প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের যে-সব জনপ্রতিনিধি জয়ী হবেন, তাঁরা কখনো সম্পদের পাহাড় বানাবে না। তাঁদের সম্পদ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়বে না। প্রতিবছরে তাঁদের এবং স্বজনদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবে।’
বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিয়ে যুবসমাজের হাতকে দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে গড়তে চান জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আজকের যুবসমাজ সেই বস্তাপচা রাজনীতি দেখতে চায় না। ৫৪ বছরে যে রাজনীতি বাংলাদেশকে অন্ধকার গলিতে ঢুকিয়ে দিয়েছে, অন্য রাষ্ট্রকে তাঁবেদারি করেছে সেই রাজনীতি আমরাও চাই না।’
জেলা জামায়াতের আমির রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য দেন, দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ মোবারক হোসাইন, ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিগবাতুল্লাহ্, জাপা’র মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মোল্লা ফারুক এহসান, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।