
কোটচাঁদপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দের স্বেচ্ছাচারিতা এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দকে অবমূল্যায়নের অভিযোগে প্রতিবাদ সভা করেছেন দলের ১১টি অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। গত শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় প্রিজন ক্লাবে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কোটচাঁদপুর পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আবুল হোসেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আশরাফুজ্জামান খান মুকুল, সদস্য সচিব মাহফুজুল আলম মামুন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম (শান্ত), পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শাহানুর রহমান (শাহান), উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান সিদ্দিক, সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দীন লিওয়ন, সদস্য সচিব হুমায়ুন কবির হীরা, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক বাধন রাজবীর (নিশু), সদস্য সচিব ফজলে রাব্বী, উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, সদস্য সচিব আবুল কাশেম (বাবু) এবং পৌর কৃষক দলের আহ্বায়ক ফিরোজ উদ্দিন (মানিক)।
বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন দলের পক্ষে কাজ করে আমরা হামলা-মামলার শিকার হয়েছি। এখন ৫ আগস্টের পরের নেতাকর্মীদের ভিড়ে আমাদের খুঁজে পাওয়া কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তারা বলেন, আমরা বেশ কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি, নেতৃবৃন্দ আমাদের বাদ দিয়ে একটি দলের সঙ্গে ভাগাভাগিতে ব্যস্ত রয়েছেন। আমরা তাদের বলতে চাই, আপনারা এমনটি করবেন না। আমাদের কোনো সমস্যা থাকলে আমাদের ডাকুন এবং বসে সমস্যার সমাধান করুন।
উল্লেখ্য, এর আগে নেতৃবৃন্দের সঙ্গে অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের কিছু বিষয় নিয়ে দূরত্ব সৃষ্টি হয়, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটে শুক্রবার অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলের সঙ্গে স্থানীয় সুধী সমাজের মতবিনিময় সভাকে কেন্দ্র করে। ওই দিন অনুষ্ঠানে যথাযথ মূল্যায়ন না পেয়ে দলের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও এলাঙ্গী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, অনুষ্ঠানের আগে আমি ব্যক্তিগতভাবে অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেছি। এখন তারা যে অভিযোগ করছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। অঙ্গসংগঠনের ওই নেতাকর্মীরা এসব করে দলের মধ্যে বিভেদ তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছেন।