প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২০, ২০২৬, ১১:৫৮ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ২০, ২০২৬, ৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ
গাংনীর সাহারবাটিতে বিএনপি নেতাকে গুলি, মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রাম বিএনপির সহসভাপতি মুকুল হোসেনকে গুলি করেছে দূর্বৃত্তরা।
আজ সোমবার ভোর পাঁচটার সময় কাথুলি সড়কের সাহারবাটি ও ভাটপাড়ার মাঝামাঝি কাশেম মোড় নামক স্থানে এই গুলির ঘটনা ঘটে।
মুকুল হোসেন সাহারবাটি ইউনিয়ন বিএনপির ও ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক ও সাহারবাটি গ্রামের নেক মহাম্মদের ছেলে।
তার বুকে ও পিঠে পাঁচটি গুলি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শিরা। তাকে মূমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসা চলছে।
ঘটনার পরপরই গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাসের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌছেছে।
ঘটনাস্থল থেকে গুলির চারটি খোসা উদ্ধার করেছে।
স্থানীয়রা জানান, ফজরের আযানের পর রাস্তায় হাটতে বের হন মুকুল। সাাহারবাটী বাংগালপাড়া কাশেম মোড়ে পৌছালে মুকুলের ওপর গুলি করতে থাকে তিনজন। এসময় তাদের সাথে মুকুলের ধস্তাধস্তি হয়। পরে মুকুল মাটিতে লুটিয়ে পড়লে চিৎকার দেয় মুকুল। এসময় স্থানীরা তাকে উদ্বার করে হাসপাতালে নেয়া হয়। বর্তমানে তার অবস্থা আশংকাজনক।
সাবেক ইউপি সদস্য ফরমান আলী জানান, ভোরে শুনতে পাই মুকুলকে ৫ টি গুলি করা হয়েছে। ঘটনা স্থলে গিয়ে দেখি মুকুলের শরীরের বিভিন্ন অংশে গুলি করা হয়েছে। তাকে উদ্বার করে হাসপাতালে নেয়া হয়।
স্থানীয় বিএনপি নেতা বক্কার আলী জানান, বিএনপি নেতা মুকুলের ওপর এর আগেও একাধিকার বোমা হামলা করে হত্যা চেষ্টা করা হয়। এবারও তাকে হত্যার জন্য ৫ টি গুলি করা হয়েছে। এতে অন্যান্য নেতাকর্মীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
সাাহারবাটীর আবুল কাশেম বলেন, আমরা ফজরের নামাজের জন্য মসজিদে যাচ্ছিলাম, আমাদের সামনে দিয়ে মুকুল হাটতে বের হয়। কিছ্ক্ষণ পরে শুনছি মুকুলকে গুলি করা হয়েছে।
মুকুল হোসেনকে এর আগেও দুই দফায় বোমা হামলা চালিয়েছিল দূর্বৃত্তরা।
ওসি উত্তম কুমার দাস জানান, গুলির ঘটনা জানতে পেরে আমিসহ পুলিশের একটি টীম ঘটনাস্থলে এসে চারটি গুলির খোসা উদ্বার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
© ২০২৫ মেহেরপুর প্রতিদিন। সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।