চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের আমীর মোঃ রুহুল আমিন বলেছেন, ইসলামী আন্দোলনের সফলতার মূলমন্ত্র হলো পরিশ্রম করা। আগামী নির্বাচনে নতুন প্রজন্মের প্রথম ভোট দাড়িপাল্লার পক্ষে নেয়ার জন্য গ্রামে গ্রামে মহল্লায় মহল্লায় আমাদের ছড়িয়ে পড়তে হবে।
তরুণ প্রজন্মের কাছে তাদের সমস্যা জানতে হবে এবং তাদের সমস্যা সমাধানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তাদের ভোট দাড়িপাল্লার পক্ষে আনতে হবে। আমরা যাই বলি, যাই করি প্রকৃত পক্ষে আমরা স্বপ্ন দেখি তোমাদের মতো তরুণদের নিয়ে। তোমরা আমাদের ভবিষ্যত, তোমরা আমাদের অনুপ্রেরণা। তোমাদের এগিয়ে যাওয়া, তোমাদের সফলতা আমাদের খুশির কারণ। বাংলার এই জমিন ত্রুটি মুক্ত, বৈষম্য মুক্ত, চাঁদাবাজ মুক্ত তোমরা করতে চাও। বাংলার জমিন অপসাংস্কৃতির ছয়লাব থেকে বাঁচানোর জন্য তোমরা সবার আগে এগিয়ে যেতে চাও। সুতরাং তোমাদের প্রত্যেকটি পদক্ষেপ আলী এবং উমরের উত্তসূরীর মতো হতে হবে। তোমাদের প্রতিটি কথা যেন মুক্তার মালার মতো হতে হবে। তোমরা এগিয়ে আসো, আমরা তোমাদের অপেক্ষায় আছি।
তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ছাত্রসমাবেশে এ কথা বলেন।
গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় দর্শনা পৌর অডিটোরিয়াম-কাম কমিউনিটি সেন্টারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের আমীর ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াত ঘোষিত সংসদ সদস্য প্রার্থী বিশিষ্ট আয়কর আইনজীবি মোঃ রুহুল আমিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের নির্বাচন পরিচালক মাওলানা আজিজুর রহমান এবং জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের জেলা প্রশিক্ষন সম্পাদক মোঃ জিয়াউল হক, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি মোঃ মাহফুজুর রহমান, সাবেক জেলা সভাপতি হাফেজ মহাসিন, জামায়াতের দামুড়হুদা থানা আমীর নায়েব আলী, দর্শনা থানা আমীর মাওলানা রেজাউল করিম, দর্শনা পৌর আমীর সাহিকুল আলম অপু, ইসলামী ছাত্রশিবিরের চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজ শাখার সভাপতি পাভেজ আলম, দামুড়হুদা থানা সভাপতি আল ফাহাদ সবুজ, জীবননগর থানা সভাপতি রাসেল আহমেদ, দর্শনা পৌর সভাপতি লোকমান হোসেন প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান উপস্থাপন করেন শিবিরের জেলা সেক্রেটারী হাফেজ আমিরুল ইসলাম।