
যশোরে মাথায় গুলি করে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন (৫৫) কে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত আলমগীর হোসেন যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নগর বিএনপির সাবেক সদস্য ছিলেন। তিনি যশোর শহরের শংকরপুর এলাকার বাসিন্দা।
এ ঘটনায় দুর্বৃত্তরা গুলি চালানোর পর যাতে অপরাধীরা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যেতে না পারে, সে লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
জানা গেছে, রবিবার ভোর আনুমানিক সকাল ৭টার দিকে ৬ বিজিবি সতর্কতা জারি করে। ঘটনার পরপরই চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবির অধিনায়ক তার দায়িত্বপূর্ণ জেলার সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও পাহারা জোরদার করেন এবং অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, অপরাধীদের দেশত্যাগ ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় নিশ্ছিদ্র নজরদারি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত টহলের পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় টহল কার্যক্রম দ্বিগুণ করা হয়েছে।
এছাড়া সীমান্ত দিয়ে চলাচলকারী সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করে দুষ্কৃতকারীদের আটকের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানানো হয়।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান বলেন, “এই জঘন্য অপরাধে জড়িতরা যাতে কোনোভাবেই সীমান্ত অতিক্রম করতে না পারে, সে জন্য দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন, যশোর বিজিবির নির্দেশনায় সব ধরনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”


