
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে স্মার্ট ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কন্ট্রোলিং সিস্টেম প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে মেহেরপুরের গাংনীর সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
দেশব্যাপী ৮ হাজার ২৯টি স্টলের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৫৪৬টি প্রকল্প বাছাই করা হয়। পরে জেলা পর্যায়ের ১০১টি সেরা প্রকল্পের মধ্য থেকে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পায় নির্বাচিত প্রকল্পগুলো। প্রতিযোগিতায় ৭২ নম্বর প্রকল্প হিসেবে অংশ নিয়ে সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজ জাতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ।
মেহেরপুর জেলার অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার মান, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করে আসছে।
প্রকল্পটির গাইড শিক্ষক ছিলেন আইসিটি বিভাগের প্রভাষক সাজ্জাদ হোসেন সবুজ এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক আবু বক্কর সিদ্দিক। প্রকল্পটি তৈরি ও উপস্থাপনায় অংশ নেয় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী নওরীন জাহান, আবির রোশান লাবিব ও জুনায়েদ পারভেজ।
সোমবার চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তাঁর সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমান বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় দুই গাইড শিক্ষককে ৩০ হাজার টাকা করে এবং তিন শিক্ষার্থীকে ২০ হাজার টাকা করে প্রাইজমানি, সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহাদী আমিন, শিক্ষা সচিব আব্দুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজের এ সাফল্যে গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, সন্ধানী সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আবু জাফর, প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমানসহ জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক এ সাফল্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।