
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদহ বাজারে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত জামায়াত নেতা মফিজুর রহমানের দাফন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার বিকেল ৩টায় তাঁর নিজ গ্রাম সুটিয়া ঈদগাহ ময়দানে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সুটিয়া কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় জামায়াতের নেতা-কর্মীসহ এলাকার শত শত মানুষ অংশ নেন।
বিএনপির হামলায় বড় ভাই হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ১০ দিন পর মারা যান ছোট ভাই মফিজুর রহমান। তিনি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়নের জামায়াতের আমীর ছিলেন।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদহ বাজারে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিএনপির হামলায় বাঁকা ইউনিয়ন আমীরসহ ৪ জন গুরুতর আহত হন। এদের মধ্যে জীবননগর উপজেলার সুটিয়া গ্রামের ওয়াহেদ মিয়ার ছেলে বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মফিজুর রহমান (৩২) ও তার বড় ভাই হাফিজুর রহমান (৪৬) আহত হন। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরে তাদের ঢাকা অরোরা হাসপাতালে নেওয়া হলে রবিবার (১ মার্চ) রাত ১টায় হাফিজুর রহমান মারা যান।
২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বাঁকা ইউনিয়ন আমীর মফিজুর রহমান একই হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দশ দিন চিকিৎসার পর তিনি মারা যান। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১২টায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এই সংঘর্ষের ঘটনায় হাফিজুর রহমান নিহতের পর ২ মার্চ জীবননগর থানায় নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ৮ জনের নাম উল্লেখ ও ৮ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পুলিশ মাত্র দু’জনকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছে।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ সোলাইমান শেখ জানান, আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে।