
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মাধবখালী গ্রামে কবরস্থানের গেট নির্মাণকে কেন্দ্র করে এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে যে কোনো সময় আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার মাগরিবের নামাজের পর মাধবখালী গ্রামের মণ্ডলপাড়া ও খানপাড়ার লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। কবরস্থানের গেট নির্মাণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল বলে স্থানীয়রা জানান।
খবর পেয়ে জীবননগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষই জীবননগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে বুধবার জামিনের জন্য দুই পক্ষ চুয়াডাঙ্গা আদালতে গেলে সেখানে আবারও বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। এ সময় মণ্ডলপাড়ার দুর্জয় খানপাড়ার বাঁধনকে হাত কেটে নেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বাঁধন বলেন, কবরস্থানের গেট নির্মাণ নিয়ে থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পর থেকেই দুর্জয় তাকে একাধিকবার মোবাইলে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। বুধবার আদালতে জামিনের জন্য গেলে দুর্জয় তার ওপর হামলার চেষ্টা করেন। সঙ্গে লোকজন থাকায় তিনি সেখান থেকে সরে যান। এতে তারা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলে জানান তিনি।
অভিযোগ অস্বীকার করে দুর্জয় বলেন, তিনি কাউকে হুমকি দেননি; বরং প্রতিপক্ষই তাদের ওপর হামলা করেছে।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ সোলায়মান শেখ সাংবাদিকদের জানান, মাধবখালী গ্রামের কবরস্থানের গেট নির্মাণকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগগুলো আদালতে পাঠানো হয়েছে।