
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মেহেরপুর জেলা যুবদল ও ছাত্রদলের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য মিছিল, পুষ্পমাল্য অর্পণ এবং দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকালে মেহেরপুর শহরের বোসপাড়া বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে যুবদল ও ছাত্রদলের একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলেজ মোড় এলাকায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিসৌধে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে শহীদদের স্মরণে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মেহেরপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ অরুন বলেন, ১৭ বছর গুম, খুন, জুলুম, নির্যাতন সর্বশেষ জুলাইয়ে রক্তাক্ত গণজাগরণের মধ্য দিয়ে আমরা ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটাতে পেরেছিলাম। ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর দীর্ঘ সময় অনেক তালবাহানার মধ্য দিয়ে একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের বিএনপি এদেশের জাতীয়তাবাদী দল তারেক রহমানের নেতৃত্বে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ১২ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকার ক্ষমতায় এসেছে।
ভাইয়েরা আমার চোখ কান খোলা রাখবেন সরকারকে ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্র চলছে। সরকারকে আধিপত্যবাদী শক্তি ভারতীয় দালাল অনুচল আজকে আবারো মাঠে নামার পায়তারা চালাচ্ছে। একটাই উদ্দেশ্য আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণে বাধা দিতে চান। কেউ কেউ বলছেন বিএনপিকে ফেলে দিতে ৭২ ঘণ্টার বেশি সময় লাগবে না। ১৭ বছর হাসিনা চেষ্টা করেছে বন্দুক ঠেকিয়ে বিএনপি'র কর্মীরা রাজপথ ছাড়েনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মারুফ আহমেদ বিজন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আকিব জাভেদ সেনজির, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আহসান হাবীব সোনা, জেলা তাঁতি দলের সভাপতি আরজুল্লাহ মাস্টার বাবলু, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রোকন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদুর সুজন, মুজিবনগর উপজেলা যুবদলের সভাপতি আবুল হাসান এবং পৌর যুবদলের সদস্য সচিব নওশেল আহমেদ রনিসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
অনুষ্ঠানের শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করা ব্যক্তিদের সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।