
নির্বাচনের আগেই সংবিধান সংশোধন করতে হবে, তা না হলে আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে আরও একটি গণঅভ্যূত্থান হবে এমন মন্তব্য করেছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার।
তিনি বলেন, এখন যে ভূল হয়েছে আগামীতে নিশ্চিত সে ভূলগুলো আর হবে না। নির্বাচনের আগে সংস্কার না হলে যে বিষয়গুলো সকল রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছেন সেগুলোও দিমত হয়ে যাবে।
গতকাল রোববার দুপুরে জেলা পরিষদের হলরুমে জেলা উপজেলা সমন্বয়ক কমিটির সদস্যদের নিয়ে সাংগাঠনিক সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার একথা বলেন।
তিনি আরোও বলেন, যে কোন মূল্যে নির্বাচনের আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। জুলাই সনদ পরবর্তী নির্বাচিত সরকার বাস্তবায়ন করবে না। এটার ভিত্তিতেই নির্বাচন হবে। পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের কাছে জুলাই সনদ দেয়ার অর্থ হচ্ছে শিয়ালের কাছে মুরগি বন্দক দেয়া ছাড়া কিছুই না।
ঢাকায় নুরুল হক নুরের ওপর হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, এই হামলার সঙ্গে জড়িত সেনা ও পুলিশ সদস্যদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। সেনাবাহিনীকে যারা বিতর্কিত করার চেষ্টা করছেন তাদের খুঁজে বের করার দাবি জানান তিনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত আপনারা ঠিক করতে পারেননি। তাই এখনই সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরে যাক। প্রয়োজনে নির্বাচনের সময় আবারও সেনাবাহিনীকে মাঠে নামানো হোক।
সংস্কারের আগেই কিভাবে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, কিভাবে নির্বাচন হবে, কোন পদ্ধতিতে হবে তা এখনও আলোচনার টেবিলে। অথচ প্রধান নির্বাচন কমিশনার রোডম্যাপ ঘোষণা করে দিয়েছেন। এই কমিশনের পক্ষে কখনই সুষ্ঠু নির্বাচন দেয়া সম্ভব নয়, তাই দ্রুত নির্বাচন কমিশন সংস্কারের দাবি জানান তিনি।
সমস্যা হলেও ড. ইউনূস সব রাজনৈতিক দলগুলোকে ডেকে পাঠান, এ নাটক বন্ধ করেন। এই সরকার জানেই না তারা সরকার। কোন ঘটনা ঘটলে সরকার তীব্র প্রতিবাদ জানান। অথচ সরকারের কাজ পদক্ষেপ নেয়া।
এছাড়াও কর্মশালায় এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোল্লা রহমতুল্লাহ, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শাকিল আহম্মেদ, সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সোহেল রানা, এনসিপি মেহেরপুর জেলা শাখার যুগ্ম সমন্বয়কারী আশিক রাব্বি, সদস্য হাসনাত জামান সৈকত, ইমতিয়াজ আহমেদসহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।