
ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় মনিকা খাতুন (২১) নামে দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূর গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে শহরের কামারকুন্ডু উত্তরপাড়ায় তাঁর বাবার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। মনিকার পরিবারের অভিযোগ, স্বামী ও শাশুড়ির নির্যাতনের কারণে মানসিক চাপে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পর জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত মনিকা ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ছোট কামারকুন্ডু উত্তরপাড়ার মতিউর রহমানের মেয়ে।
পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে অসুস্থ চাচিকে দেখতে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে স্বামীর সঙ্গে মনিকার কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় হাটগোপালপুর বাজারে তাঁর স্বামী নিশান তাঁকে মারধর করেন বলে অভিযোগ পরিবারের। পরে মনিকা তাঁর চাচির কাছে গিয়ে নিজের কষ্টের কথা জানান এবং তাঁকে ক্ষমা করে দিতে বলেন বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাবার বাড়িতে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মনিকাকে পাওয়া যায়।
পরিবারের আরও অভিযোগ, নিশান দীর্ঘদিন ধরে অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। এ বিষয়টি নিয়ে মনিকাকে বিভিন্ন সময় নির্যাতন করা হতো বলেও দাবি তাঁদের। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, “মৃত্যুর ঘটনাটি শুনেছি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।”