
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ -৩ আসনে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন (হাতপাখা) প্রতিকের সারোয়ার হোসেন ও গণঅধিকার পরিষদ (ট্র্যাক) প্রতিকের সুমন কবির।
ওই দুই প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন এ আসনের ধানের শীর্ষ ও দাঁড়ি পাল্লা প্রতিকের প্রার্থীদের সঙ্গে। ভোটে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন তারা।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা প্রহল্লাদ বলেন,ঝিনাইদহ-৩ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৩১ হাজার ১৫ জন। এর মধ্যে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৩ লাখ২৭ হাজার ১৬৬ টি। যা মোট ভোটারের ৭৫ দশমিক ৯১ শতাংশ। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ, অর্থাৎ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হয়। সেই হিসাবে এই আসনে জামানত রক্ষা করতে প্রয়োজন ছিল ৪০ হাজার ৮ শ ৯৬ ভোট। কিন্তু ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতিকের সারোয়ার পেয়েছেন মাত্র ৩ হাজার ৭০ ভোট। যা মোট বৈধ ভোটের প্রায় ১ দশমিক ১৫ শতাংশ। আর গণঅধিকার পরিষদ (ট্র্যাক) প্রতিকের সুমন কবির পেয়েছেন ৩ শ ৬৮ ভোট। যা বৈধ ভোটের শূন্য দশমিক ১১ শতাংশ।
এ আসনে ৪ জন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করেন,যার মধ্যে ছিলেন বিএনপির ধানের শীর্ষের মেহেদী হাসান রনি। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮ শ ২১ ভোট। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়ি পাল্লা প্রতিকের মাওলানা মতিয়ার রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮ শ ৫৭ ভোট পেয়ে। হাতপাখা ৩ হাজার ৭০ ভোট ও ট্র্যাক ৩ শ ৬৮ ভোট।
উপজেলা নির্বাহী ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এনামুল হাসান জানান, জামানত বাঁচাতে প্রার্থীকে মোট ভোটের একটা নিদিষ্ট শতাংশ পেতে হবে। সে তুলনায় এ আসনে দুই জন প্রার্থী খুবই কম ভোট পেয়েছেন। তবে জামানত বাজেয়াপ্ত জানতে হলে আপনাকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।