
মেহেরপুরে তীব্র শীতের মধ্যে কঠোর নিয়ম-কানুনের মধ্যেই চলছে স্কুল কার্যক্রম এমন মন্তব্য করেছেন কয়েকজন অভিভাবক। দিনের পর দিন তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশা থাকলেও এখনো পর্যন্ত স্কুল ছুটি ঘোষণা সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা না থাকায় বিপাকে পড়েছেন ছোট শিশুদের অভিভাবকরা।
সকালের কনকনে ঠান্ডা ও কুয়াশার কারণে শিশুদের স্কুলে পাঠাতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তারা। অনেক অভিভাবক জানান, ছোট বাচ্চাদের শরীর ঠান্ডা সহ্য করতে না পারায় জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। তবুও নিয়মের বাধ্যবাধকতায় সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে হচ্ছে।
এক অভিভাবক বলেন, “চরম নিয়মের মধ্যে চলছে সবকিছু। শীতের তীব্রতা বাড়লেও স্কুল ছুটির কোনো নির্দেশনা নেই। ছোট বাচ্চাদের নিয়ে আমরা খুব দুশ্চিন্তায় আছি।” আরেক অভিভাবকের অভিযোগ, শীতের কারণে শিশুদের উপস্থিতি কমে গেলেও স্কুল কর্তৃপক্ষ উপস্থিতি নিয়ে চাপ সৃষ্টি করছে।
আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারী) মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলে সর্বনিম্ন ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। শীতের তীব্রতা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অভিভাবকরা শিশুদের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে প্রাথমিক ও কিন্ডারগার্টেন পর্যায়ে সাময়িক ছুটি বা ক্লাসের সময়সূচিতে পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিস্থিতি বিবেচনা করে দ্রুত নির্দেশনা দেওয়া জরুরি। অন্যথায় শীতজনিত অসুস্থতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে মেহেরপুর জেলা শিক্ষা অফিসার মো: আবদুর রাহীম বলেন, কেন্দ্র থেকে এখনো স্কুল বন্ধ সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। কেন্দ্রের নির্দেশনা ছাড়া জেলা পর্যায়ে বিদ্যালয় বন্ধ করার সুযোগ নেই।
এদিকে চিকিৎসকরা বলেন শীতের কারণে আবহাওয়া জনিত যে সমস্ত রোগ বিশেষ করে নিউমোনিয়া, ঠান্ডা কাশি ও জ্বরের হাত থেকে রক্ষা পেতে পরিবারের শিশু ও বয়োজ্যিষ্ঠদের সাবধানে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন প্রচন্ড শীতের কারনে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে প্রচন্ড কষ্ট হচ্ছে, বিশেষ করে যারা সকালের শিফটে পড়াশোনা করে তাদের জন্য হয়ে উঠেছে অত্যান্ত কষ্টকর।

