দর্শনায় কর্মচারীকে শায়েস্তা করতে মালিকের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের মামলা করার অভিযোগ উঠেছে মজনু মিয়ার বিরুদ্ধে। মামলাটি মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন মামলায় অভিযুক্ত ডা. আব্দুল হান্নান ও আলতা বানু।
জানা গেছে, মজনু মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী আলতা বানুকে তালাক দেন মজনু মিয়া। এ ঘটনায় গত ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে মজনু মিয়ার বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা জজ আদালতে মামলা করেন আলতা বানু। যার মামলা নম্বর-৯০০।
অসহায় আলতা বানুর পাশে দাঁড়ান তার কর্মস্থলের মালিক ডা. আব্দুল হান্নান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মজনু মিয়া ওই চিকিৎসকসহ আলতা বানুর ভাই বশির উদ্দিনের ছেলে বিপ্লব ও আলতা বানুর ছোট জামাই মিলনের বিরুদ্ধে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গা জজ আদালতে মামলা করেন। মামলাটির নম্বর-সিআর ৮৭৯/২৬।
মামলায় মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের অভিযোগ করা হলেও অভিযুক্তদের দাবি, কথিত ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেলটি মজনু মিয়ার প্রথম স্ত্রীর ছেলে রাফিজুল ইসলাম (২৩) ব্যবহার করছেন।
তাদের দাবি, গতকাল রাফিজুল ইসলাম মোটরসাইকেলটি নিয়ে ঈশ্বরচন্দ্রপুর মাঠে যান। এ সময় সাংবাদিকরা রাফিজুল ইসলামের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির ছবি তোলেন। মোটরসাইকেলটির নম্বর চুয়াডাঙ্গা-ল-১২-৫৪৩৯। এ সময় ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের কাউন্সিলর আসির উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি মোটরসাইকেলটি রাফিজুল ইসলামের কাছে দেখতে পান বলে দাবি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় ফার্মেসি মালিক আব্দুর রাজ্জাক, বাড়ির মালিক সাইফুল ইসলাম, হক মেশিনারিজের মালিক ফজলুল হক ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আসির উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।
তবে মামলার অভিযোগ ও মোটরসাইকেল নিয়ে ওঠা এসব দাবির বিষয়ে মজনু মিয়ার বক্তব্য জানা যায়নি।