
দর্শনা বড় বলদিয়া গ্রামে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা জোরপূর্বক পাঁকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল স্বরেজমিনে গিয়ে উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে জানা যায়, একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বড়বলদিয়া গ্রামের ফকির মিস্ত্রী ছেলে আবুল হাসেম জানান, বড়বলদিয়া গ্রামের মাঝপাড়ার মৃত কিতাব আলীর স্ত্রী রাহাতন খাতুনের কাছ থেকে একটা দলিলে ৩৫ শতক আর একটা দলিলে ১০ শতক আর একটা দলিলে ১০৫৩ দাগে আমার শশুর ১২ শতক জমি ক্রয় করে।
দাউদ ও নুরুল হক ঐ ১০৫৩ দাগে ২১ শতক জমি ক্রয় করে। দাউদ ও নুর হকের নামে ভুলক্রমে করে ১০৫৩ দাগে রের্কড হয় ৪৯ শতক। এর মধ্যে আমার শশুরের কাছে ১৯৭৪ সালে ১২ শতক জমি বিক্রী করে। এরপর তার জমি থাকে ৯শতক। সেই ৯শতক দাউদের এখনো নিজের দখলে আছে। থাকার পর রের্কডে বেশী জমিটুকু ঐ বেশী রের্কডটুকু মৃত কিতাব আলীর ছেলে জামাল উদ্দিন ও আব্দুল বলে আমাদের জমি। কিন্তু তার জামাল ও আব্দুলের মা ঐ জমি অনেক আগেই ঐ জমি বিক্রী করে দিয়েছে। তার মার নামে রের্কড হয়নি। জামাল ও আব্দুল দাউদকে বলে ঐ ভুল রের্কডের বেশি জমিটুকু আমাদের কাছে বিক্রী করে দাও। তখন রের্কড বিহীন জমি দাউদ ঐ ভুল রের্কডের জমি জামালের নিকট বিক্রী করে দেয়। তারা বলে জামাল ও আব্দুল বেশী ভুল রের্কডের ঐ জমি ৫ আগষ্টের পর ৯ তারিখে আমার ২৪শতক জমি জোরপূর্বক দখল করে নেয়। আমি বাঁধা দিতে গেলে আমাকে মারধর করে হুমকি-ধামকি দিয়ে দখল ঘরবাড়ি নিমার্ন করছে। এটা দলিয়ভাবে দখল করেছে। ঐ জমি আমার ৩ ফুফু শাশুড়ী আছে তাদের ওয়ারেশ সুত্রে তাদের অংশ আছে। মোট ৭৪ শতক জমি আমাদের। ঐ ৭৪ শতকের মধ্যে এ জমির মধ্যে ২৪ শতক জমি নিয়ে দখল করে করে ঘরবাড়ি করছে। আমরা আদালতে মামলা করি। যার মামলা নং ১৯৩৮।
এ মামলায় ওরা আমাদের বিরুদ্ধে ১০টা মামল করে। সে মামলা গুলোই আমাদের পক্ষে রায় হয়। এরপর ওরা এ জমির উপর ইনজাংশন জারি করে। সেটা্ও আমাদের পক্ষে রায় হয়। এরপরও এ জমির উপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এরপরও জোরপূর্বক ঐ জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণ করার চেষ্টা করে।
এ বিষয়ে জামাল ও আব্দুল বলেন, বর্তমান আমাদের জমি হচ্ছে সাড়ে ১০ বিঘা জমি আমারা ৫বিঘা জমি নিয়ে লড়ছি। ১৫ কাঠ জমি তো এ দাগে। আরো বাদবাকি দাগেতো আমরা যায়নি। ১২ শতক জমি ওর কেনা আছে। আমি ছেড়ে দিয়েছি। আমার মা যে ওদের কাছে জমি বিক্রী সে কাগজে আমার মার কোন টিপসই নেই। লেখাপড়া জানলেও আপনার বুড়ো আঙ্গুলে ছাপ নেই। আসল কাগজ দেখাতে পারছে না। আজ ৫/৭ বছরের মধ্যে তারা কাগজ দেখাতে পারেনি। আমার মা ২ বিঘা জমি বিক্রী করেছে। এ জমির কাগজপত্র সব আমাদের আছে। জোর করে তো সবকিছু হয়না।