
দর্শনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল হক পিপুলের ওপর হামলার প্রতিবাদে দর্শনা প্রেসক্লাবে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার ইফতার মাহফিল শেষে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আওয়াল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
ইকরামুল হক পিপুল জানান, প্রয়াত সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লিয়াকত আলীর ছেলে টুটুল শাহ তাকে গালিগালাজ ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘ওসি-এসপি আমার পকেটে থাকে’ বলেও হুমকি দেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, শ্যামপুর গ্রামের শিলনের ছেলে ইমনকে (১৫) এসির তার চুরির অভিযোগে টুটুল শাহ দর্শনা থানায় নিয়ে যান। তবে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ না থাকায় পুলিশ সামাজিকভাবে মুচলেকা নিয়ে তাকে তার দাদা ফয়েজ উদ্দিনের কাছে হস্তান্তর করে। একই সঙ্গে তাকে দর্শনা ছেড়ে তার মামার বাড়ি ফরিদপুরে চলে যাওয়ার শর্ত দেওয়া হয়। এ সময় ইকরামুল হক পিপুল উপস্থিত ছিলেন।
পরে এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে টুটুল শাহ ও তার চাচাতো ভাইরা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল হক পিপুলের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
এ ঘটনায় দর্শনা থানায় মৌখিক অভিযোগ করা হয়েছে। পরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে বলে জানান ইকরামুল হক পিপুল ও প্রেসক্লাবের সদস্যরা।
প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন দর্শনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান ধীরু, সভাপতি ইকরামুল হক পিপুল, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান সুমন, সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব মামুন, চঞ্চল হেমমুদ, ওয়াসিম রয়েল, সাংবাদিক রাজিব মল্লিক, ইমতিয়াজ রয়েল, হাসমত আলী, মোস্তাফিজুর রহমান কচি, কামরুজ্জামান যুদ্ধ, রিফাত রহমান, শ্রী সুকমল বাঁধন, সাব্বির আলিম, ফারাদ হোসেন ও আব্দুল হান্নান।
এ বিষয়ে দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসান জানান, ইমনকে থানায় আনা হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ইকরামুল হক পিপুলের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনার বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে ইমনের দাদা ফয়েজ উদ্দিন তাকে থানায় দিলে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

