
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার ইব্রাহিমপুর এলাকায় ইয়াবাসহ দুই মাদকসেবীকে আটক করেছে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ। পরে তাদের সংক্ষিপ্ত বিচার আদালতে হাজির করা হলে পৃথক মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত। আটককৃতরা হলো দামুড়হুদা উপজেলার ইব্রাহিমপুর
কুলবিলা গুচ্ছগ্রামের জুড়োন আলীর ছেলে আজাবুল হক (২২) এবং চুয়াডাঙ্গা সদরের পীরপুর গ্রামের রেজাউল হকের ছেলে রিয়াজ হোসেন (২৯)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেসবাহ্ উদ্দিন এর তত্ত্বাবধানে এসআই প্রদীপ বিশ্বাস মঙ্গলবার ২১ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাত ১০টা ৪০ মিনিটে বিষ্ণুপুর বাজার এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে মোবাইল ফোনে খবর পান যে, ইব্রাহিমপুর কুলবিলা গুচ্ছগ্রাম কবরস্থানের সামনে দুই ব্যক্তি মাদক সেবন করায় স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে রেখেছে।
খবর পেয়ে এসআই প্রদীপ বিশ্বাস সঙ্গীয় ফোর্সসহ রাত ১০টা ৫০ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আজাবুল হক এবং রিয়াজ হোসেন কে পুলিশের হেফাজতে নেন।পরে তাদের দেহ তল্লাশিকালে আজাবুল হকের জিন্স প্যান্টের ডান পকেট থেকে সাদা পলিথিনে মোড়ানো একটি ইয়াবা ট্যাবলেট এবং রিয়াজ হোসেনের জিন্স প্যান্টের বাম পকেট থেকে সাদা পলিথিনে মোড়ানো একটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামত বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকার মাধ্যমে জব্দ করা হয়।
পরবর্তীতে এসআই প্রদীপ বিশ্বাস আটক দুই আসামিকে সংক্ষিপ্ত বিচারের জন্য বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সংক্ষিপ্ত বিচার আদালত) এ উপস্থাপন করলে আদালত আজাবুল হককে ১৫ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়া রিয়াজ হোসেনকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ১,০০০ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
এবিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শেখ মেসবাহ্ উদ্দিন জানান, গতকালই দুজনকে চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের বিশেষ অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।