
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের দামুড়হুদা থানা এলাকার পোলিং এজেন্টদের নিয়ে এক নিবিড় প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার সকাল ১১টায় চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে দুই শিফটে থানা এলাকার ছয়টি ইউনিয়নের পোলিং এজেন্টদের নিয়ে এই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু নিজে উপস্থিত থেকে এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন এবং এজেন্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত এজেন্টদের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কার্যক্রম এবং ভোটকেন্দ্রের সার্বিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিশদ ধারণা দেওয়া হয়। নির্বাচনের দিন একজন পোলিং এজেন্টের দায়িত্ব, ভোট গণনার সময় সতর্কতা এবং আইনগত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।
কর্মশালায় প্রধান ট্রেনার ও নির্বাচনী প্রধান এজেন্ট ড. আব্দুস সবুর পোলিং এজেন্টদের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়গুলো নিয়ে সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন প্রদান করেন। ড. সবুর বলেন, “ভোটের দিন প্রতিটি কেন্দ্রে এজেন্টদের অতন্দ্র প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করতে হবে, যাতে জনগণের ভোটের সঠিক প্রতিফলন ঘটে।”
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সহকারী ট্রেনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক মোকাররম হোসেন। তিনি হাতে-কলমে নির্বাচনী ফরম পূরণ ও কারিগরি বিষয়গুলো এজেন্টদের বুঝিয়ে বলেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি ও ধানের শীষের প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু তাঁর বক্তব্যে বলেন, “সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে পোলিং এজেন্টদের ভূমিকা অপরিসীম। কেন্দ্রে কোনো প্রকার অনিয়ম হতে দেওয়া যাবে না। সাহসের সঙ্গে আইন অনুযায়ী আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু ও উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ছালমা জাহান পারুলসহ দামুড়হুদা থানার ছয়টি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ। কর্মশালায় দামুড়হুদা থানার ছয়টি ইউনিয়নের কয়েকশ পোলিং এজেন্ট অংশগ্রহণ করেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ধানের শীষের কর্মীরা নির্বাচনী মাঠে আরও দক্ষ ও সজাগ ভূমিকা পালন করতে পারবেন।

