
❝হাসবো মোরা প্রাণ খুলে,থাকবো বেঁচে সবাই মিলে❞ এই স্লোগানে ❝ওরা বন্ধু সংঘ❞ দামুড়হুদার উদ্যোগে বিধবা, অসহায়, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে শীতবস্ত্র উপহার (কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে।
গতকাল রোববার বিকেল ৪ টার সময় উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের পীরপুরকুল্লা গ্রামে এই শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়।
সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মুরশেদ বীন ফয়সাল (তানজির)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,দেশ ব্রিক্সের স্বত্বাধিকারী বিশিষ্ট সমাজসেবক, হাজী. আব্দুল কাদির।
সংগঠনের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম মিরাজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইঞ্জিনিয়ার আক্তারুল ইসলাম। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উজ্জল হোসেন সুমন, জহুরুল ইসলাম সহ উপকারভোগীগণ।
প্রধান অতিথি "ওরা বন্ধু সংঘ" দামুড়হুদার বন্ধু হতে পেরে আনন্দিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, সহমর্মিতা আর মানবিকতা দিয়েই একটি সুন্দর সমাজ গঠন করা সম্ভব। এমন মানবিক কর্মসূচির আওতায় সমাজের প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত মানুষ যেন কোনভাবেই উপেক্ষিত না থাকে-এ লক্ষ্যেই সংগঠনটি প্রত্যন্ত এলাকায় সরাসরি উপকারভোগীদের খোঁজ নিয়ে সহায়তা প্রদান করেন। কাজেই সংগঠনের সকল কার্যক্রম জনকল্যাণমূলক, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
সাংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুরশেদ বীন ফয়সাল (তানজির) বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া অসহায় মানুষের কল্যাণে পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। আজকের এই উদ্যোগ কেবলি একটি বস্ত্র বিতরনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি মানুষের প্রতি আমাদের ভালোবাসা আর সহমর্মিতার বহি:প্রকাশ। সর্বোপরি তিনি উপস্থিত উপকার ভোগিদের কাছে সংগঠনসহ যে সকল গুটিকয়েক মানুষের সহযোগিতায় সংগঠনটি এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেণনা পেয়েছেন তাদের জন্য দোয়া ও সুস্থতা কামনা করেন।
প্রসঙ্গত: "ওরা বন্ধু সংঘ" দামুড়হুদায় ২০০৩ সালের ১২ই মার্চ যাত্রা শুরু করেন। প্রথম থেকে বিভিন্ন খেলাধুলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও। পরবর্তীতে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সংগঠনের সিদ্ধান্ত নেয়,খেলাধুলার সাথে সাথে সমাজের মানুষের নানা উন্নয়নে কাজের।
মূলত:সে থেকেই সমাজের অসহায়, বিধবা, প্রতিবন্ধী, এতিম, দিনমজুর সহ নিম্নবিত্ত পরিবারের একটু উপকৃত তথা কল্যাণে কাজ করে আসছেন। সংগঠনের মানবিক বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য দামুড়হুদায় একটি বিশ্বস্ত ও পরিচিতি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে ইতোমধ্যেই পরিচিতি লাভ করেছেন। কাজেই মানবসেবাকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতেও এই ধরনের কার্যক্রম আরো জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্ট সকলেই।