
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব, ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ মাহফুজুর রহমান মিল্টন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৪ বছর।
গতকাল শনিবার বিকাল ৩টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাঁকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে রেফার করেন। পরিবারের সদস্যরা অ্যাম্বুলেন্সযোগে কুষ্টিয়ায় নেওয়ার পথে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মাহফুজুর রহমান মিল্টন দামুড়হুদা উপজেলার পাটাচোরা গ্রামের মৃত শফিউদ্দীনের পুত্র। ১০ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন চতুর্থ। ব্যক্তিজীবনে তিনি এক কন্যা সন্তানের জনক। তাঁর মেয়ের নাম নওশীন (৬)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাহফুজুর রহমান মিল্টন এলাকায় অত্যন্ত সুনামধন্য, ত্যাগী ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো সব ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন সক্রিয় ও জনপ্রিয়। তাঁর অকাল মৃত্যুতে পরিবারসহ পুরো দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আজ রবিবার সকাল ৯টায় দামুড়হুদা স্টেডিয়াম মাঠে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সকাল ১০টায় নিজ গ্রাম পাটাচোরায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হবে।
এদিকে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন (এমপি) গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
শোকবার্তায় নেতৃদ্বয় বলেন, “মাহফুজুর রহমান মিল্টন ছিলেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক। রাজপথের সকল আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁর সাহসী ভূমিকা সর্বমহলে প্রশংসিত। তাঁর মতো ত্যাগী নেতার অভাব সহজে পূরণ হওয়ার নয়।”
নেতৃদ্বয় মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, দলীয় নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

