
দামুড়হুদা উপজেলার কালিয়াবকরি গ্রামের হারুন অর রসিদের ১৫ কাঠা জমির ফলন্ত শিম গাছ কেটে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। গত মঙ্গলবার রাতে কালিয়াবকরি গ্রামের দোয়ার মাঠে এই শিম গাছ কেটে দেয়।
পরে আজ বুধবার বেলা ১২টার দিকে হারুন অর রসিদ বাদি হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
অভিযোগ সৃত্র থেকে জানাযায়,দামুড়হুদা উপজেলার কালিয়াবকরি গ্রামের মৃত খোদাবক্স মন্ডলের ছেলে হারুন অর রসিদ দোয়ার মাঠে ১৫ কাঠা জমির ফলন্ত শিম গাছ লাগায়।শিম গাছগুলি ফুলে ফুলে ভরে গেছে। শিম বিক্রয়ের সৃয় চলে এসেছে এমন সময় রাতের আধারে কে বা কাহারা ১৫ কাঠা জমির ফলন্ত শিম গাছ কেটে দিয়েছে।এতে প্রায় ২ লক্ষ ৫০হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় জমির মালিক।
এই মর্মে হারুন অর রসিদ বাদি হয়ে কালিয়াবকরি গ্রামের মজিবর,আজিমউদ্দিন, আঃ রহমানসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
অভিযোগে আরোও উল্লেখ করে যে একই রাতে জমিতে থাকা জনৈক বকুল এর ইঞ্জিন চালিত স্যালো মেশিন পুড়িয়ে দিয়ে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করিয়াছে, যাহার ক্ষতির পরিমান ৭হাজার- টাকা হইবে।
হারুন অর রসিদ বলেন শত্রুতামূলকভাবে আমার ১৫ কাঠা জমির ফলন্ত শিম ক্ষেত ও স্যালো মেশিনের এই ক্ষয়-ক্ষতি করিয়াছে।
এ দিকে কালিয়াবকরি গ্রামের মজিবর বলেন,আমার চাচাতো ভাইয়ের স্যালো মেশিন খোলা যাচ্ছিল না। তাই আমার চাচাতো ভাই আগুন ধরিয়ে হুজপাইপ খুলেছে।এখানে মেশিন পুড়ানো কোথায় পেলো।আমার মত লোক ওর শিম গাছ কাটতে যাব এ লজ্জা রাখবো কোথায়।
হারুনরা নিজের শিম গাছ নিজে কেটে আমাদের দোষারোপ করছে।এটা একেবার মিথা কথা। জমি জায়গা নিয়ে আমার সাথে বিরোধ চলছে তাই মিথ্যা বদনাম রটাচ্ছে।
দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শেখ মেজবাহ উদ্দিন বলেন, শিম কাটার একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত-পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।