
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটী গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চারুশিল্প গোলাম মোস্তফা ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রজিউন।
আজ শুক্রবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ঢাকার আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
গোলাম মোস্তফার ইন্তেকালের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর ভাতিজা তামজিদুর রহমান মুক্তি। মৃত্যুর আগ মুহুর্তে আয়ু পেয়েছিলেন ৮২ বছর। দুই কন্যা শুভ্রা ও প্রভা এবং স্ত্রী মেহেরন নেছাসহ অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেলেন।
তামজিদুর রহমান মুক্তি জানিয়েছেন, জীবদ্দশাতেই তিনি মানবতার প্রতি অনন্য দায়বদ্ধতার পরিচয় দিয়ে নিজের চোখসহ দেহ ঢাকা মেডিকেল শিক্ষার উদ্দেশ্যে দান করে গেছেন। জীবনভর শিল্পে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এবং মানুষের কল্যাণে নিবেদিত এই মানুষটি মৃত্যুর পরও জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে যাওয়ার পথ বেছে নিয়েছিলেন। তিনি ১৯৭৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চারুকলা বিভাগ থেকে পাশ করেন। তিনি ছিলেন দেশ বরেণ্য চারুশিল্পী জয়নুল আবেদিনের ছাত্র। তাঁর মরদেহ ঢাকা মেডিকেলে দেয়ার প্রস্তুতি চলছে।
পারিবারিক ভাবে জানানো হয়েছে গোলাম মোস্তফার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। আজ সন্ধায় তাঁর নিজ গ্রামের সামাজিক কবরস্থানে। জানাজা শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
মেহেরপুরের সর্ব স্তরের মানুষ শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও গভীর কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করছে এই মানুষটিকে।