
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের লিগ্যাল এডুকেশন কমিটির চেয়ারম্যান ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী বলেছেন, “মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।
শুধু সহযোগিতা দিয়ে কাউকে সাময়িকভাবে স্বস্তি দেওয়া নয়, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মানুষকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে। বিশেষ করে নারীদের স্বাবলম্বী করতে বিনামূল্যে সেলাই প্রশিক্ষণের মতো উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের নওদাপাড়া চৌদুয়ার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে সেলাই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ এবং হতদরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরণ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “একটি সমাজের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন সেখানে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, মানবিক সহায়তা ও পরিবেশ রক্ষার উদ্যোগ একসঙ্গে এগিয়ে যায়। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি আমাদের সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।”
অনুষ্ঠানে বিনামূল্যে সেলাই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনের পাশাপাশি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নিম, আমলকি ও সফেদা গাছের চারা রোপণ করা হয়। পরে এলাকার দুস্থ ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়।
স্মাইল ফর অল স্বেচ্ছাসেবী যুব সংস্থার এসএফএ প্রেক্ষাপট প্রকল্পের নবম ব্যাচের বাস্তবায়নে এবং আলোর কাফেলার আয়োজনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলোর কাফেলা সংস্থার প্রধান উপদেষ্টা ও কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. এস. এম. মূসা কবির, মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মারফত আফ্রিদি, আলোর কাফেলা সংস্থার উপদেষ্টা ও নওদাপাড়া চৌদুয়ার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলাম মাস্টার, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও আলোর কাফেলা সংস্থার প্রধান উপদেষ্টা রুহুল আমিন, পরিচালক ইমতিয়াজ ইসলাম জীবন এবং স্মাইল ফর অল স্বেচ্ছাসেবী যুব সংস্থার সিনিয়র এক্সিকিউটিভ আল বুখারী অনিক।
এ সময় এসএফএ ও আলোর কাফেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, বিনামূল্যে সেলাই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় নারীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষিত করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করাই এ কার্যক্রমের অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তার মাধ্যমে সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।