
মেহেরপুরের কৃতী সন্তান, বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক ও সংগঠক সৈকত রুশদী কানাডায় বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
কানাডার টরন্টো শহরে অনুষ্ঠিত ‘টরন্টো বাংলা বইমেলা ২০২৬’ এর দুই দশক পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে এই বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। মহানগরীর স্কারবরোতে জৈন সোসাইটি অব টরন্টোর মিলনায়তনে আয়োজিত বইমেলার দ্বিতীয় দিনে উদ্যোক্তা ও আহ্বায়ক সাদী আহমেদ, টরন্টো বাংলা বইমেলার উদ্যোক্তা, তাঁর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।
সম্মাননা গ্রহণ করে সৈকত রুশদী জানান, লেখক হিসেবে নয়, বরং বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির একজন সংগঠক হিসেবে এই স্বীকৃতি পাওয়াকে তিনি বিশেষভাবে মূল্যবান মনে করেন। সম্মাননাপত্রে উল্লেখ করা হয়, ‘টরন্টো বাংলা বইমেলা এবং কানাডায় বাংলা সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রবর্তনা স্মারক সৈকত রুশদীকে প্রদান করা হলো।’
দীর্ঘ ৪৭ বছরের কর্মজীবনে তিনি মূলত মুদ্রণ ও সম্প্রচারমাধ্যমে সাংবাদিকতা, গণমাধ্যম বিশ্লেষণ এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষণের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পাশাপাশি প্রবাসে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশে নীরবে কাজ করে চলেছেন।
এবারের সম্মাননায় আরও ভূষিত হন নাট্যজন মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ দুলাল, চলচ্চিত্র আন্দোলনের পুরোধা মনীষ রফিক, সাংবাদিক গাজী সালাহউদ্দীন মাহমুদ মীম, বাচিকশিল্পী ও সংগঠক এলিনা মিতা এবং বাচিকশিল্পী হিমাদ্রী রায়। এছাড়া সম্মাননা পায় টরন্টো ফিল্ম সোসাইটি ও বাচনিক।
সম্মাননা প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় সৈকত রুশদী বলেন, এই স্বীকৃতি শুধু তাঁর ব্যক্তিগত অর্জন নয়; বরং প্রবাসে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির চর্চা ও বিকাশে যারা নিরলসভাবে কাজ করছেন, তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টারই স্বীকৃতি।
মেহেরপুরবাসীর পক্ষ থেকে সৈকত রুশদীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। তাঁর এই অর্জন প্রবাসে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশে কর্মরত সকলের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।