
মেহেরপুরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা উদযাপন করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, সরকারি উচ্চ বালক বিদ্যালয়, মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজসহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ উপলক্ষে পূজা ও ‘বাণী অর্চনা’ অনুষ্ঠিত হয়।
“আরো আলো আরো আলো, এই নয়নে প্রভু ঢালো” এই উক্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিদ্যার দেবীর কাছে জ্ঞান ও আলোর প্রার্থনা জানান।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, ঊনবিংশ শতাব্দীতে পাঠশালায় প্রতি মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে ধোয়া চৌকির ওপর তালপাতার তাড়ি ও দোয়াত-কলম রেখে পূজা করার প্রথা ছিল। গ্রামাঞ্চলে এই প্রথা বিংশ শতাব্দীতেও প্রচলিত ছিল। ‘সরস্বতী’ শব্দের অর্থ জনবতী বা নদী অনেক পণ্ডিতের মতে দেবী সরস্বতী প্রথমে ছিলেন নদী, পরে তিনি জ্ঞান ও চেতনার দেবী হিসেবে পূজিত হন। মাঘ মাসের পঞ্চমী তিথিতে তাঁর পূজা হয়, যা বসন্তপঞ্চমী বা শ্রীপঞ্চমী নামেও পরিচিত।
মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজে মঙ্গল প্রদীপ জ্বেলে সরস্বতী পূজার উদ্বোধন করেন, কলেজের উপাধ্যক্ষ আবদুল্লাহ আল আমিন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুপালি বিশ্বাস, শিক্ষার্থী পল্লবী কুন্ডু, ঐতিহ্য সাকারি ও অনিন্দিতা সরকার।
জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আনন্দঘন পরিবেশে দিনব্যাপী পূজা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন সম্পন্ন হয়।