
মেহেরপুর হোটেল বাজার জামে মসজিদের ইমাম রোকনুজ্জামানের বিরুদ্ধে করা অভিযোগকে মিথ্যা ও মানহানিকর দাবি করে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।
রোববার বিকেলে মেহেরপুর শহরে নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ইমাম রোকনুজ্জামান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ইমাম রোকনুজ্জামান বলেন, মাসুদ খান এর আগে যে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, সেখানে তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, মাসুদ খানের বড় ভাই তার ছাত্র ছিলেন। এ সূত্রে তাদের পরিবারের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের পরিচয় ও যাতায়াত ছিল। ২০১০ সালে তিনি ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডে খণ্ডকালীন কাজ করতেন। ওই সময় মাসুদ খানের বড় ভাই জাসদ খান শাহিনের অনুরোধে তার একটি অ্যাকাউন্ট খুলে দেন। পরে তার ছোট ভাইয়েরও একটি অ্যাকাউন্ট করে দেন। তারা তাদের প্রাপ্য টাকা পেয়েছেন।
রোকনুজ্জামান আরও বলেন, এর প্রায় পাঁচ বছর পর মাসুদ খান বিদেশে থাকাকালে তার স্ত্রী তাকে মাসুদের জন্যও একটি অ্যাকাউন্ট করে দেওয়ার অনুরোধ করেন। তার অনুরোধে অ্যাকাউন্টটি খুলে দেওয়া হয়। ওই অ্যাকাউন্টে মাসুদ খান আটটি কিস্তি জমা দিয়েছেন।
এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কোম্পানির কাছেই রয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, আগের সংবাদ সম্মেলনে ৪ লাখ ৪১ হাজার ২০০ টাকা জমা এবং ৫ লাখ ৩৬ হাজার ৫৮০ টাকা পাওনা থাকার যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, সেগুলো কোম্পানির দেওয়া হিসাব। এখানে তার কোনো ব্যক্তিগত অর্থের বিষয় নেই। তিনি শুধু মধ্যস্থতা করে অ্যাকাউন্টটি খুলে দিয়েছিলেন।
ইমাম রোকনুজ্জামান বলেন, পারিবারিক সম্পর্কের কারণে মাসুদ খান আর্থিকভাবে কষ্টে থাকায় তাকে সহযোগিতার জন্য সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা ধার দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। তবে তিনি সেই প্রস্তাব গ্রহণ না করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, এসব অভিযোগের কারণে সাধারণ মানুষ তাকে ভুল বুঝছেন। তিনি কারও সঙ্গে অন্যায় করেননি, কারও হক নষ্ট করেননি এবং কোনো আমানতের খেয়ানত করেননি।
তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগকে মিথ্যা দাবি করে তিনি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।