
মেহেরপুর সদর উপজেলার গহরপুর গ্রামে মহিলা জামায়াতের নেত্রীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে জামাত ইসলাম।
আজ শনিবার বিকালে মেহেরপুর জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য রাখেন জেলা জামাতের রাজনৈতিক সেক্রেটারি রুহুল আমিন।
তিনি বলেন, বিএনপি কর্মী আলিহিম ৭ দিন পূর্বে হুমকি দিয়ে বলেন এলাকায় কোন মহিলা জামায়াত নেত্রী ভোট চাইতে পারবেনা। ভোট চাইলে তাদের ঠ্যাং ভেঙ্গে দেওয়া হবে। চোরের অপবাদ দিয়ে পেটানো হবে। কোন মহিলাকে গ্রামে ঢুকতে দেওয়া হবেনা। সাধারণ মানুষ যারা জামায়াত সমর্থক তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। ভোট কেন্দ্রে যাইতে দেবেনা। তার জের ধরে শনিবার সকাল ১১টার দিকে গহরপুর গ্রামে মহিলা জামায়াতের নেতা কর্মীরা নির্বাচনী কাজে গেলে আলিহিম ও হায়দারের নেতৃত্বে ৭-৮ জনের সন্ত্রাসীরা মহিলাদের উপর হামলা করে ও গালিগালাজ করে। এক পর্যায়ে কুরআন দিয়ে শপথ করাচ্ছে এমন মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তাদের হাসুয়া দেখিয়ে জোর পূর্বক একটি বাড়িতে আটকিয়ে জিম্মি করে রাখে।
রুহুল আমিন আরো বলেন, মহিলাদের উপর হামলা ও জিম্মি করে রাখার খবর পেয়ে তাদের উদ্ধারের জন্য স্থানীয় জামায়াত কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছালে আলিহিম ও হায়দারসহ ৭-৮ জনের সন্ত্রাসী টিম জামায়াত কর্মীদের উপরে হামলা করে। এতে আনছারুল, আশরাফুল ও সোহেল রানা নামের তিনজন জামায়াত কর্মী আহত হয়।
হামলার খবর শুনে জামায়াতের নির্বাচনী টহল টিম ঘটনাস্থলে পৌছলে তাদের উপরও হামলা করে এবং তাদের ২ জনকে আহত করে।
প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, অবিলম্বে প্রকৃত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যাক্তিদের আইনের আওতায় নিয়ে বিচার করতে হবে ও নির্বাচনী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে, অন্যথায় কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য প্রশাসন দায়ী থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইকবাল হোসেন, নির্বাচন সচিব আব্দুর রহমান ও তার সেক্রেটারি খাইরুল বাশার, সদর উপজেলা আমির সোহেল রানা উপস্থিত ছিলেন।