
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতির জনক Samuel Hahnemann-এর ২৭১তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ডা.মুন্সী মোজাম্মেল হক, সঞ্চালনা করেন ডা.মো: সাহারুল ইসলাম অনুষ্ঠান শুরু হয় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কুররআন তেলাওয়াত করেন ডা.মোঃ শহিদুল ইসলাম। সভাপতির স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে মুল পর্ব শুরু হয় এ সময় অতিথিদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন, জেলা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক কল্যাণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক ডা.মো:আবুল কাশেম এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ডা.মোঃ মফিজুল ইসলাম ডা.মুন্সি জাহাঙ্গীর জিন্নাত, ডা.এ এইচ এম মান্নান, ডা.মোঃ খসরু আলম, ডা.মো: এম আর আলম, ডা.মো: হায়দার আলী, ডা.মোঃ মুন্সী এ এইচ এম রাশেদুল হক।
হ্যানিম্যানের জীবন, কর্ম ও মানবকল্যাণে তাঁর অবদানের উপর আলোকপাত করেন। বক্তারা বলেন, ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যান ১৭৫৫ সালের ১০ এপ্রিল জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে হোমিওপ্যাথি পদ্ধতির সূচনা করেন। তাঁর উদ্ভাবিত “Similia Similibus Curentur” নীতির মাধ্যমে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসে, যা আজও বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।
আলোচনায় আরও উল্লেখ করা হয়, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতি নিরাপদ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত এবং তুলনামূলকভাবে ব্যয় সাশ্রয়ী হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে এর গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলে এই চিকিৎসা পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বক্তারা হ্যানিম্যানের আদর্শ অনুসরণ করে রোগীদের সেবায় নিয়োজিত থাকার আহ্বান জানান এবং হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাকে আরও বিস্তৃত ও আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও হোমিওপ্যাথি অনুরাগীরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং বিশ্ব মানবতার কল্যাণে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।