
মেহেরপুর সদর উপজেলার ঝাউবাড়িয়া গ্রামের নওদা পাড়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ঘুমন্ত বাবাকে কুপিয়ে হত্যার করার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে।
আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত হাবেল শেখ (৭০) মৃত সামসুদ্দিন শেখের ছেলে। অভিযুক্ত হাবেল শেখেরে ছেলে সাহাবুল শেখকে পুলিশকে আটক করেছে।
জানা গেছে, ঘটনার সময় ঝাউবাড়িয়া গ্রামের নিজ শয়নকক্ষে হাবেল শেখ ঘুমিয়ে ছিলে। ঘুমন্ত অবস্থায় বৃদ্ধ বাবা হাবেল শেখকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে তাঁর একমাত্র ছেলে সাহাবুল শেখ।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হাবেল শেখের গলা ও বাম হাতের একটি অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সাহাবুল শেখকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
হাবেল শেখের ভাতিজা শাহাবাজ উদ্দিন বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে তাদের সংসারে ঝামেলা লেগেই আছে। বাবা ও ছেলের মধ্যে কোন মিল নেই। গতকাল হাবিল শেখ একটা গাছ বিক্রি করেছে ছেলেকে না জানিয়ে এ সূত্রপাত হতে পারে।
অভিযুক্ত সাহাবুল শেখকে পুলিশ আটকের সময় তিনি বলেন, “তাঁর বাবা সবকিছু থেকে তাকে বঞ্চিত করে আসছে। নিজের জমিতে অন্য জন সার ছিটাচ্ছে দেখে আমার মাথা গরম হয়ে গেছিলো, তাই সহ্য করতে না পেরে মেরেছি। আমার ফাঁসি হলেও সমস্যা নেই।”
মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনুর রহমান খান বলেন, ‘ঝাউবাড়িয়া নওদাপাড়া গ্রামে বাবাকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলেকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ সুপার আমরা পুলিশের টিম নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল বাবা ও ছেলের মধ্যে। তার জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।