
পবিত্র মাহে রমজান শুরু হতে আর একদিন বাকি। রোজাকে ঘিরে মেহেরপুর, গাংনী ও মুজিবনগরের বিভিন্ন ফলের দোকানে বেড়েছে খেজুরের চাহিদা। ইফতারের প্রধান অনুষঙ্গ হওয়ায় বাজারে এখন সবচেয়ে বেশি ভিড় খেজুরের দোকানগুলোতেই।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রকার ও মানভেদে বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে নানা জাতের খেজুর। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী বিভিন্ন মান ও প্রকারভেদে লুলু/বরই ৫০০ টাকা, মেডজুল ১,০০০ থেকে ১,৪০০-২,২০০ টাকা, মরিয়ম ১,২০০, আজওয়া ১,২০০, মাবরুম ১,২০০, মাশরুখ ৫০০, মাশরুম ১০০, দাবাশ ৫০০, খালাস ৩৫০, জিহাদি ৩০০, বারারি ৪৫০, ফরিদা ৫০০, আদম ১,২০০ ও রেজিজ ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারের এক খেজুর বিক্রেতা আলী জানান, রমজান এলেই খেজুরের চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। আমরা চেষ্টা করছি ভালো মানের খেজুর সংগ্রহ করে ক্রেতাদের হাতে তুলে দিতে। কিছু আমদানিকৃত খেজুরের দাম বেশি হলেও স্থানীয় ও সাধারণ মানের খেজুর সাশ্রয়ী দামে রয়েছে।
অন্য এক দোকানি বলেন, মেডজুল ও আজওয়া খেজুরের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। অনেকে আগেভাগেই কিনে রাখছেন যাতে রমজানে সংকট না হয়।
খেজুর কিনতে আসা বামন পাড়ার ফখরুল ক্রেতা জানান, রমজানে প্রতিদিন ইফতারে খেজুর লাগে। দাম কিছুটা বেশি মনে হলেও ধর্মীয় গুরুত্বের কারণে আমরা ভালো মানের খেজুরই কেনার চেষ্টা করি।
রমজানকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই মেহেরপুরের বাজারে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। ইফতারের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।