
ত্রয়োাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হয়েছেন মেহেরপুরের কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট রাফিজা আলম লাকি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
এলাকার উন্নয়ন সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিনি সকলের আন্তরিক দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জেলাবাসীর আস্থা, পরামর্শ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টাই মেহেরপুরকে আরো সমৃদ্ধ ও এগিয়ে নেওয়ার প্রেরণা।
ছাত্র জীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী দলের সাথে সম্পৃক্ত। সেন্ট্রাল ’ল’ কলেজে অধ্যয়ন কালেও তিনি আইন ছাত্র ফোরামের এর সদস্য ছিলেন। ২০০৬ সালে আইন পেশায় যুক্ত হয়েও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য। ২০১১-১২ সালে ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোটে সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৪-১৫ সালে সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে কমিটি সফলভাবে পরিচালনা করেন। জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর মাধ্যমে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানা কমিটি দক্ষভাবে গঠন করেন।
বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ঘোষিত সকল আন্দোলনে মাঠ পর্যায়ে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। সুপ্রীম কোর্টের সামনে জলকামান ও লাল গরম পানির বাধা সত্বেও অংশ গ্রহণ করেন এবং দলের নেত্রীর বিরুদ্ধে অন্যায় রায়ের প্রতিবাদে পুলিশের লাঠি চার্জের মুখে রাস্তাায় নেমে আন্দোলন করেন। একদফা আন্দোলনে পুলিশের আঘাতে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন যার খোঁজখবর দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও শীর্ষ নেতৃবৃন্দ নেন। জাসাসের মিছিল ও মিটিংয়ে সক্রিয় অংশগ্রহণ, প্রতিবাদী গান পরিবেশন ও ব্যঙ্গ নাটকে অভিনয় করেন।
২০১৪ সালের নির্বাচনে মেহেরপুর-১ আসন থেকে দলীয় মনোনয়নের জন্য প্রার্থী ছিলেন। জেলা আহ্বায়ক, সাধারণ সম্পাদক ও তৃণমূল নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বিভিন্ন আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন এবং ৩১দফা প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর প্রচারণায় সহযোগিতা এবং অন্যান্য মহিলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কার্যক্রম করেন।
তিনি স্পষ্টবাদী, বলিষ্ঠ ও আপোষহীন আইনজীবী। মামলা সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে আইনের আলোকে দ্রুত পদক্ষেপ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম। দলের প্রতি তিনি নির্ভীক আনুগত্যশীল।
১৯৯৮ সাল থেকে আইন ছাত্র ফোরামের সদস্য, ২০০৬ সাল থেকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য এবং যুগ্ম আহ্বায়ক, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস), মহানগর উত্তর।
সংরক্ষিত নারী আসনে কেমন নারী দেখতে চাই দেশবাসী।
জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এখানে শিক্ষিত, মার্জিত, নীতিবান, দক্ষ অভিজ্ঞ, নেতৃত্বের গুণাবলি সম্পন্ন, সমাজ সংস্কারক, নারীর অধিকার ও মানবাধিকার বিষয়ে সচেতন। এক্ষেত্রে অ্যাডভোকেট রাফিজা আলম লাকী যথেষ্ট যোগ্য বলে জনগণ মনে করেন।