
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হিন্দা গ্রামের বাসিন্দা তানজিলা খাতুনের ছেলে ফিরোজ উদ্দিন প্রায় চার মাস ধরে সৌদি আরবে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। উন্নত জীবনের আশায় তাকে সৌদি আরবে পাঠিয়েছিলেন তার পরিবার। এ কাজে স্থানীয় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ফজলুর রহমান।
তানজিলা খাতুন জানান, তিন মাস অতিবাহিত হলেও ফজলুর রহমান তার ছেলের কোনো কাজের ব্যবস্থা করতে পারেননি। এরই মধ্যে চার মাস ধরে তার ছেলে সৌদি আরবে নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় তানজিলার অভিযোগের প্রেক্ষিতে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গাংনী থানার সাব-ইন্সপেক্টর রবিউল ইসলামের হস্তক্ষেপে একটি মীমাংসা হয়।
মীমাংসা অনুযায়ী, দালাল ফজলুর রহমান দুই দিনের মধ্যে ফিরোজ উদ্দিনকে দেখানোর অথবা আকামার পরিবর্তে দুই লাখ টাকা প্রদান করার কথা বলেন। টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত একটি গরু জামানত হিসেবে তানজিলার বাড়িতে রেখে দেওয়া হয়।
তবে পরে ফজলুর রহমান তানজিলা খাতুন ও তার স্বামী কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে চুরির মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে গত সোমবার সকালে তদন্ত কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর শিমুল তানজিলার বাড়িতে যান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে তার বাড়িতে যাওয়া স্বাভাবিক।
এদিকে তানজিলা খাতুনের দাবি, তার ছেলেকে জীবিত অথবা মৃত যেভাবেই হোক দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়া হোক। ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আশায় তানজিলার স্বামী কামাল হোসেন বাদী হয়ে ফজলুর রহমান ও তার ছেলে শিহাবের বিরুদ্ধে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন ২০১৩ অনুযায়ী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।