মেহেরপুরের গাংনী থানাধীন ঢেপা গ্রামে স্বামীর অধিকার পেতে শ্বশুর বাড়ি এসে দিনভর অনশন করেছে তাজমিনা খাতুন(২২) নামের এক বধু।
গতকাল রবিবার বেলা ১১ টার দিকে ঢেপা গ্রামের আউব আলীর বাড়ীতে স্ত্রীর মর্যাদা পেতে সারাদিন অবস্থান করে ঐ পুত্রবধু। তাজমিনা গাংনী থানাধীন আজান গ্রামের আবদুল শেখের বড় মেয়ে।
অপর দিকে ছেলে মাজেদুল ইসলাম (২১) গাংনী থানাধীন ঢেপা গ্রামের আউব আলীর ছেলে।
তাজমিনা বলেন, এগারো মাস আগে মাজেদুলের সাথে তার পরিচয় হয়। তারপর থেকে ফোনে ও ম্যাসেঞ্জারে আমাদের কথা হতো। এক পর্যায়ে তারা প্রেমজ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। পাঁচ মাস আগে তারা গোপনে রাধাকান্তপুর গ্রামের এক কাজির বাড়িতে গিয়ে বিয়ে করে। এরপর স্বামী স্ত্রীর পরিচয় দিয়ে তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জায়গায় রাত্রি যাপন করে। এরই মাঝে গত ১১ তারিখ থেকে মাজেদুল তার সাথে যোগাযোগ বিছিন্ন করে দেয়।
তাজমিনা আরও বলেন, মাজেদুল তার পরিবারের চাপে আমার সাথে যোগাযোগ বিছিন্ন করে বর্তমানে গা ঢাকা দিয়ে আছে। তাই আমি স্ত্রীর মর্যাদা পেতে আমার স্বামীর বাড়ীতে অবস্থান নিয়েছি। অপর দিকে ছেলের বড় ভাই আরিফ জানায়, তারা গোপনে বিয়ে করেছে বিষয় টি আমরা জানতাম না।
তাছাড়া মাজেদুলের চাইতে মেয়ের বয়স বেশি এবং মেয়েটির এর আগে বিয়ে হয়েছিলো। পূর্বের বিয়ের বিষয় টি গোপন করায় আমার পরিবার এ বিয়ে মেনে নিচ্ছে না। কিন্তু তাজমিনা জানায়, আমার সবকিছু জেনেই মাজেদুল আমাকে বিয়ে করেছে।
এ বিষয়ে রাতে স্হানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সালিসে বসলে মেয়ের পরিবারের লোকজন না আসায় ও ছেলে আত্নগোপনে থাকায় বিষয় টি অমীমাংসিত থেকে যায়।