
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা যুবলীগের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই কমিটির ১১ নেতা পদত্যাগ করেছেন।
ব্যক্তিগত কারণ ও তাদেরকে না জানিয়ে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে গতকাল সোমবার রাতে যুবলীগের কেন্দ্রীয়
সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর তারা পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত পৌর যুবলীগের কোন সদস্য পদত্যাগ করেনি বলে জানা গেছে।
পদত্যাগ পত্রের অনুলিপি জেলা যুবলীগের আহ্বায়ককেও দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পদত্যাগপত্রের কপি সাংবাদিকদের কাছেও সরবরাহ করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত সোমবার দুপুরে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মকবুল হোসেনের ছেলে অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবিরকে সভাপতি এবং গাংনী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭১ সদস্যবিশিষ্ট গাংনী উপজেলা যুবলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে, গাংনী পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মানিককে সভাপতি এবং সাবেক যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক জুবায়ের হোসেন উজ্জ্বলকে সাধারণ সম্পাদক করে গাংনী পৌর যুবলীগের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটিও ঘোষণা করা হয়েছে।
উপজেলা কমিটি ঘোষণার পরপরই পদত্যাগ করা নেতাদের মধ্যে রয়েছেন—সহ-সভাপতি আনোয়ার পাশা, মজিরুল ইসলাম, আবুল বাশার ও আব্দুল আলীম; ত্রাণ সম্পাদক সুজন আলী; সমাজকল্যাণ সম্পাদক আশিকুর রহমান আকাশ; ক্রীড়া সম্পাদক সজিবুর রহমান; মাজহারুল ইসলাম; সদস্য আলমগীর হোসেন; সহ-সম্পাদক লিখনউদ্দিন। পদত্যাগকারীদের তালিকায় মোট ১২ জনের নাম রয়েছে। এদিকে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা যুবলীগের উপজেলা ও পৌর কমিটি গঠন এবং ঘোষণার পরপরই একাধিক নেতার পদত্যাগের ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে মেহেরপুর জেলা যুবলীগ ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গাংনী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট হুমায়ূন কবিরের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল দেয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি।