
খুচরা সার বিক্রেতা আইডি কার্ড বহাল রাখা, টিও লাইসেন্স চালু রাখা এবং সার সংরক্ষণ নীতিমালা-২০২৫ সংশোধনের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ মেহেরপুর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা।
রবিবার বিকেল ৩টায় মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। কর্মসূচি শেষে খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন মেহেরপুর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কাছে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।
সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন মেহেরপুর জেলা শাখার সভাপতি শাহিনুল ইসলাম শাহীনের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। সভাপতিত্বের বক্তব্যে তিনি বলেন, আপনারা যে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেটা কি কখনো বুঝতে পেরেছেন এর দ্বারা কি হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ , এদেশে কিছু যদি সচল না থাকে কোন কিছুই সচ্ছল থাকবে না। আপনার এত বড় একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমার মনে হয় বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে এত বড় আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত এ পর্যন্ত কোন সরকার নিয়েছে বলে আমার জানা নাই। কারণ এই লাইসেন্স নিয়ে যারা ব্যবসা করেছে মেহেরপুরবাসী জানে এই খুচরা ডিলার, কার্ড ধারী ডিলার এটা কত বড় লাঞ্ছিত এই বিসিআইসি ডিলারদের কাছ থেকে । দুর্নীতি যদি করে থাকে সিন্ডিকেট যদি করে থাকে তারা করেছে।
মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রধান উপদেষ্টার কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি সার সংরক্ষণ নীতিমালা-২০২৫ অবিলম্বে সংশোধন করুন। এই নীতিমালা বহাল থাকলে সারা দেশের ৪৫ হাজার খুচরা সার বিক্রেতা পরিবার এবং তাদের সঙ্গে জড়িত হাজার হাজার কর্মচারীর পরিবারের সন্তানেরা পথে বসবে। যারা সিন্ডিকেট করেছে, কেবল তাদেরই শাস্তি দিন। নীতিমালা সংশোধন না হলে কৃষক ও আমাদের পরিবারকে নিয়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সহ-সাধারণ সম্পাদক হুসাইন এরশাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল করিম, গাংনী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান প্রমুখ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা মাসুদ রানা, ইলিয়াস হোসেন, মুজিবনগর উপজেলা সভাপতি বিপ্লব হোসেন, কলিমুদ্দিনসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত শত শত খুচরা সার বিক্রেতা ও নেতৃবৃন্দ।


