
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৪ আসনে (কালীগঞ্জ ও সদর উপজেলার একাংশ) মোট ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও শেষ পর্যন্ত ৯ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পদকের পদ থেকে পদত্যাগ করে রাশেদ খান বিএনপিতে যোগদান করে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।
তার দাখিলকৃত হলফনামা বিশ্লেষণে আয় ও সম্পদের বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে।
বিএনপির প্রার্থী রাশেদ খাঁন তার নির্বাচনী হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, তার মূল পেশা রাজনীতি ও ব্যবসা। আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। তার এই ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তার নিজের নামে ৩০ ভরি এবং স্ত্রীর নামে ১০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে, যা দুজনই উপহার হিসেবে পেয়েছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করেন।
রাশেদ খাঁনের নামে নগদ অর্থ রয়েছে ৩৫ লাখ ৪৫ হাজার ৮৭৫ টাকা এবং তার স্ত্রীর নগদ রয়েছে ৩০ হাজার টাকা। বাড়ির আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রীসহ বর্তমানে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৮১ লাখ ৪৮ হাজার ৪১২ টাকা এবং স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
এছাড়া তার নামে মোট ৫টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে ৩টি চলমান এবং ২টি খারিজ হয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিএনপি’র এই প্রার্থীর হলফনামায় কৃষি জমি বা কৃষি আয়ের কোনো তথ্য উল্লেখ করা নেই।


