
আলমডাঙ্গা বাদেমাজু গ্রামের সুকুমার দাশ আর নেই। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। স্ত্রীসহ চার পুত্রের জনক সুকুমার দাশ সংগীত জগতের এক অতি পরিচিত মুখ ছিলেন। তাঁর দরাজ কণ্ঠের ভাবসংগীত আজও অমর হয়ে আছে।
হারমোনিয়াম ও ফ্লুট বাঁশির সুরে দুই বাংলার মেলবন্ধনে তাঁর ভূমিকা ছিল অপরিসীম। এই বৃহত্তর জনপদে ফ্লুট বাঁশির প্রকৃত সুর আর শোনা যাবে না।
সদা হাস্যোজ্জ্বল মানুষটি ভক্তির রসে আপামর আবাল-বৃদ্ধ-বণিতার কাছে ছিলেন মনের মতো মানুষ।
তিনি ১৯৬০ সালের ১৫ই কার্তিক আলমডাঙ্গা বাদেমাজু গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পেশায় তিনি গ্রামপুলিশ ছিলেন। কাজের ফাঁকে বিভিন্ন সংগীত অনুষ্ঠানে তাঁর অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। তাঁর হাতে গড়া অসংখ্য বাদ্যকার শিল্পী আজ জাতীয় পর্যায়ে সাফল্যের সঙ্গে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন।
গতকাল শুক্রবার ভারতের পালপাড়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ একাডেমির সহকারী পরিচালক সাইমুম জাকারিয়া, সৃজনী তানিয়া, আব্দুল লতিফ শাহ, বেতার শিল্পী রইচ উদ্দিন, বাংলাদেশের সনামধন্য বাউল শিল্পী সফি মণ্ডল, ডলি মণ্ডল, রত্না পারভিন, রজনী খাতুন, বাউল শাহাবুদ্দিন, আলমডাঙ্গার সিনিয়র সাংবাদিক শাহ আলম মন্টু, হামিদুল ইসলাম আজম, রহমান মুকুল, প্রশান্ত বিশ্বাস, ফিরোজ ইফতেখার, আতিক বিশ্বাস, তানভির সোহেল, আলমডাঙ্গা কলাকেন্দ্রের পরিচালক ইকবাল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি আশরাফুল হক, ওস্তাদ রেজাউল করিম, কমলকান্তি চক্রবর্তী, আশরাফুল আলম মন্টু, সুশীল কর্মকার, বংশীবাদক মনোয়ার হোসেন খোকন, স্বপন বৈরাগী, সানোয়ার দেওয়ান, কবি গোলাম রহমান চৌধুরীসহ অনেকে।

