
চুয়াডাঙ্গা-দর্শনা মহাসড়কের দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কাছে এক মোটরসাইকেল আরোহীকে গতিরোধ করে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে।
৮ থেকে ১০ সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ চক্র এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। এ সময় তাঁর কাছ থেকে নগদ টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন লুট করা হয়।
ভুক্তভোগী জুনায়েদ আহমেদ (২২) দর্শনা থানাধীন দক্ষিণ চাঁদপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি দামুড়হুদা মডেল থানার আওতাধীন লোকনাথপুর খেলার মাঠসংলগ্ন সৌদিয়ান রিসোর্টের ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য ও থানায় দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৪ অক্টোবর) নিজ কর্মস্থল থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন জুনায়েদ। পথে লোকনাথপুর ও দর্শনা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় পৌঁছালে রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকা ৬ থেকে ৭ জন ব্যক্তি তাঁর পথরোধ করেন। এরপর তাঁকে মারধর করে সঙ্গে থাকা নগদ ৭৫ হাজার ২৩৫ টাকা এবং দুটি মোবাইল ফোন নিয়ে তাঁরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
লুট হওয়া মোবাইল ফোন দুটির মধ্যে একটি আইফোন ১৬ প্রো ম্যাক্স, যার মূল্য ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যটি ভিভো ভি-২৯ মডেলের স্মার্টফোন, যার মূল্য ৪৫ হাজার টাকা বলে দাবি করা হয়েছে। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তদের পরনে ফুল প্যান্ট ও টি-শার্ট ছিল এবং তাঁদের মুখে মাস্ক পরা ছিল। তাঁদের একজনের হাতে ব্রেসলেট ছিল বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নিজেই দামুড়হুদা মডেল থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) প্রভাস কুমার বসু জানান, ভুক্তভোগী বুধবার রাতে একটি এজাহার দায়ের করেছেন। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে, মহাসড়কে সন্ধ্যার পর এমন ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাঁদের দাবি, চুয়াডাঙ্গা-দর্শনা গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ও ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কাছাকাছি এলাকায় এ ধরনের ঘটনা মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তাঁরা মহাসড়কে নিরাপত্তা জোরদার ও নিয়মিত নজরদারির দাবি জানান।

