মেহেরপুরের পিরোজপুরে তাজউদ্দিন খানের নির্বাচনী প্রচারণা ও সমাবেশ

মেহেরপুরের পিরোজপুর গ্রামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির তাজ উদ্দিন খানের নির্বাচনী প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাদ আসর থেকে গ্রামের প্রধান সড়কগুলোতে ব্যাপকভাবে প্রচারণা চালানো হয়। নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মাইকিং, লিফলেট বিতরণ এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচার করে জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। প্রচারণা শেষে গ্রামের একটি স্থানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করা হয়, যেখানে স্থানীয় নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তাজ উদ্দিন খান বলেন, “ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনই আমাদের মূল লক্ষ্য। দল-মত নির্বিশেষে, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে নিয়ে আমরা এ দেশ গড়তে চাই। আমরা দুর্নীতিমুক্ত রাখবো এ দেশকে, আর দুর্নীতিমুক্ত থাকবো আমরা নিজেরা। জনগণের বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতিদান আমরা সততা ও সেবার মাধ্যমে দিতে চাই।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা মাহবুবুল আলম, জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুর রউফ মুকুল, জেলা শিবিরের সভাপতি আব্দুল সালাম, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির সোহেল রানা, সেক্রেটারি ও আমঝুপি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জাব্বারুল ইসলামসহ ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।




মেহেরপুরের দুটি ওয়ার্ডে মাসুদ অরুনের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা

মেহেরপুরের ৫ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাসুদ অরুনের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বিকেলে এ দুই ওয়ার্ডে পৃথকভাবে এ প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

৫ নম্বর ওয়ার্ডে পৌর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুস সামাদের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত প্রচারণায় অংশ নেন পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক ভিপি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস। এ সময় জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শিমুল বিশ্বাসসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অপরদিকে, ২ নম্বর ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী প্রচারণায় উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক ভিপি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর ছাত্রদলের সভাপতি তৌফিক এলাহী, জেলা যুবদলের সভাপতি জাহিদুল হক জাহিদসহ বিএনপি ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

প্রচারণাকালে নেতাকর্মীরা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন।




ঝিনাইদহে দিনব্যাপী চাকুরী মেলা ও দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক সেমিনার

ঝিনাইদহে বেকার যুবদের কর্মসংস্থান ও তাদের দক্ষতা উন্নয়নে দিনব্যাপী চাকুরী মেলা ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার (২ফেব্রুয়ারি) সকালে ঝিনাইদহ টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের আয়োজনে কলেজ ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের উব্দোধন করেন ঝিনাইদহ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন। কলেজের অধ্যক্ষ আনিচুর রহমান মৃধার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মতিয়ার রহমান, শৈলকুপা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী আলাউদ্দিন, , সিও’র ডাইরেক্টর ড. মেহেদী হাসান, আইডিইবির চেয়ারম্যান ইয়াসিন আলী, সিনিয়র ইনেষ্টেটর মাহমুদুল হাসান ও নাসরিন আক্তার প্রমূখ।

আয়োজকরা জানায়, দিনব্যাপী মেলায় বেসরকারি ও বিভিন্ন সংস্থার ২০ টি স্টলে বেকার যুবদের জীবনবৃত্তান্ত গ্রহণ ও সরাসরি ভাইভা গ্রহণ করে শতাধিক বেকারের চাকরির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া সিভি দেখে চাহিদা অনুযায়ী যুবদের চাকুরী দেওয়া হবে। এবার এই মেলা থেকে ২ শতাধিক যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের আশা করছেন আয়োজকরা।




প্রতিশ্রুতিগুলো কাগজেই রয়ে গেছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মেহেরপুর-মুজিবনগরে আবারও শোনা যাচ্ছে পরিচিত সব প্রতিশ্রুতি, চাকরি, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও আধুনিক উন্নয়ন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, গত দেড় যুগে এই এলাকার বাস্তবতায় কী বদলেছে, আর কোন প্রতিশ্রুতিগুলো কাগজেই রয়ে গেছে? সরেজমিন বাস্তবতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মেহেরপুর ও মুজিবনগরে দৃশ্যমান উন্নয়ন প্রধানত অবকাঠামোকেন্দ্রিক। সড়ক, ভবন, প্রশাসনিক স্থাপনা ও স্মৃ়সৌধ উন্নয়নের কাজ হয়েছে।

তবে এসব উন্নয়ন স্থানীয় মানুষের আয় ও কর্মসংস্থানে কতটা প্রভাব ফেলেছে- সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। নির্বাচনী ইশতেহার ও সভা-সমাবেশে বারবার শিল্পায়নের কথা বলা হলেও বাস্তবে বড় কোনো শিল্প কারখানা গড়ে ওঠেনি। ফলে শিক্ষিত যুবকদের জন্য বেসরকারি চাকরির সুযোগ খুবই সীমিত। স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা কিছু ছোট ব্যবসা ও দোকান কর্মসংস্থানের সামান্য সুযোগ তৈরি করলেও তা ক্রমবর্ধমান কর্মপ্রত্যাশীদের তুলনায় নগণ্য।

মেহেরপুরের প্রগতিশীল মানুষ মাহবুবুল হক মন্টু বলেন, মেহেরপুরে বিভিন্ন সময়ে রেল লাইন, কৃষি গবেষণা ও কৃষি ইন্সটিটিউট, ফল ও সবজি প্রক্রিয়াজাতকরণ, কৃষিভিত্তিক শিল্প, কোল্ড স্টোরেজ বা খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র, মেডিকেল কলেজ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতির কথা ছিল। কিন্তু পরিকল্পনার অভাব ও উদ্যোগহীনতায় তা হয়নি। অধিকাংশ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় বাইরের ঠিকাদার ও শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হয়। ফলে স্থানীয় শ্রমজীবী মানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কাজের সুযোগ তৈরি হয় না। কাজ শেষ হলে কর্মসংস্থানও শেষ হয়ে যায়। মানুষ এবার যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনের কথা বলছেন।

মুজিবনগরের দিনমজুর রমজান আলী বলেন, রাস্তা বানানোর সময় কয়েক মাস কাজ পাই, তারপর আবার বেকার। এতে বোঝা যায়, উন্নয়ন প্রকল্পগুলো কর্মসংস্থানমুখী না হওয়ায় স্থায়ী আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে না।

নারী কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও বাস্তবতা হতাশাজনক। সরকারি প্রশিক্ষণ বা ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম থাকলেও তা পর্যাপ্ত নয়। অধিকাংশ নারী এখনো ঘরকেন্দ্রিক অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমেই সীমাবদ্ধ। সমাজকর্মী তৃপ্তি কনা বিশ্বাসের ভাষায়, নারীদের জন্য আলাদা শিল্প এলাকা, প্রশিক্ষণ ও বাজার সংযোগ ছাড়া টেকসই পরিবর্তন আসবে না। এবারও যারা এসব পরিবর্তণের প্রতিশ্রুতি দেবেন তাদেরকেই চাচ্ছি।

মানবাধিকারকর্মী দিলারা জাহান বলেন, নারীর জন্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ও নিরাপদ কর্মক্ষেত্র ছাড়া উন্নয়ন অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

এছাড়া সংখ্যালঘু ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। এই মানবাধিকার কর্মীর মতে, নির্বাচনের সময় সবাই সমতার কথা বললেও বাস্তবে বৈষম্য থেকেই যাচ্ছে। আমরা নারীদের উৎসাহ যোগাচ্ছি যারা কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরী করবেন তাদেরকে ভোট প্রদানের জন্য।

মুজিবনগরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও পর্যটন ও গবেষণাভিত্তিক কর্মসংস্থান গড়ে ওঠেনি। স্মৃতিসৌধকেন্দ্রিক আয়োজন বছরে নির্দিষ্ট কিছু দিনে সীমাবদ্ধ। নিয়মিত পর্যটন অর্থনীতি গড়ে না ওঠায় স্থানীয় ব্যবসা ও কর্মসংস্থানও স্থায়ী রূপ পায়নি। এই বাস্তবতার আলোকে ভোটারদের প্রশ্ন বদলেছে। তারা জানতে চাইছেন— আগের প্রতিশ্রুতি কেন বাস্তবায়িত হয়নি, নতুন প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপরেখা কী এবং কোন সময়ে কত কর্মসংস্থান হবে। মুজিবনগরের ভোটারদের কাছে এবারের নির্বাচন তাই আবেগের নয়, জবাবদিহিতা ও সক্ষমতার পরীক্ষা। ইতিহাসের গৌরব নয়, তারা এখন চাইছে বাস্তব জীবনের নিরাপত্তা, কাজ, আয় ও সম্মানের নিশ্চয়তা।




গাংনীতে দুই সার ডিলারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধানখোলা ও বাওট বাজারে সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির দায়ে দুই সার ডিলারকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গতকাল রবিবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও গাংনী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিদ হোসেন এ জরিমানা আদায় করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ধানখোলা বাজারের মেসার্স কাদের স্টোর এবং বাওট বাজারের মেসার্স শরিফ অ্যান্ড সন্স অনিয়মতান্ত্রিকভাবে সার মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছিল।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কৃষি বিপণন আইন–২০১৮ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান দুটিকে পৃথকভাবে ২০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানের সময় গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মতিয়র রহমানসহ পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।




আ.লীগের নেতাকর্মীদের ভোটে পাশ করতে চান রাশেদ খান

ঝিনাইদহ-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের সবাই অপরাধ করে নাই। গণঅভ্যুত্থাণের মধ্য দিয়ে ক্ষমতার পালা বদল হয়েছে। আমি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বলবো, যে আপনারা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করুন। এবারের নির্বাচন স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির এবং স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তির নির্বাচন।’

গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় কালীগঞ্জের বগেরগাছী বাজারে নির্বাচনী সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের যারা অন্যায় করে নাই, অপরাধ করে নাই তারা বিএনপি’র কাছে নিরাপদ। আমি বারবার বলছি আওয়ামী লীগের সবাই তো অপরাধ করে নাই। গণঅভ্যুত্থাণের পর আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আনার সাহেবের মার্কেট দখল করা হয়েছে। যারা আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান-মেম্বার ছিল তাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করা হয়েছে। কালীগঞ্জের হাট-বাজার দখল টেন্ডারবাণিজ্য কারা করেছে আপনারা খোঁজ নেন।’

রাশেদ খান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থাণের পর ঝিনাইদহ-৪ আসনে ৫ জন মানুষ হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছে। এসব হত্যার দায়-দায়িত্ব কারা নিবে। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে আপনারা তাদের চিনেন। আজ যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন তাদের নেতাকর্মীরা এসব ঘটনা ঘটিয়েছে। সুতরাং আমরা মনে করি এই খুনিদের জনগণ কোনোভাবেই আশ্রয় দিবে না।




আলমডাঙ্গা উদ্ভাস সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাহিত্য সন্মাননা প্রদান

আলমডাঙ্গা উদ্ভাস সাহিত্য পরিষদের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়েছে।

গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার সময় উদ্ভাস সাহিত্য পরিষদের সভাপতির অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, সভাপতি কহন কুদ্দুস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আলমডাঙ্গার কৃতি সন্তান গবেষক ড,খন্দকার মুশফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, উদ্ভাস সাহিত্য পরিষদের কাছে আমি ঋনি, প্রতিষ্ঠা কাল থেকে আমি জড়িত ছিলাম, আলমডাঙ্গা সাহিত্যাঙ্গনের পরিচিত নাম। আজ এই প্রতিষ্ঠানের ২২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দীর্ঘ চলার পথ পরিক্রমায় আজ সংগঠনটি সকলের প্রিয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। আজ আমার সহধর্মিণী মাফরুহা আলমকে সাহিত্য সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

মাফরুহার জন্ম উত্তরের জনপদ রংপুরে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর, লেখালেখির চর্চা স্কুল জীবন থেকেই। স্কুল জীবনের প্রথম লেখা ছাপা হয় দেয়াল পত্রিকায়। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। দীর্ঘ এ কর্মজীবনে তিনি লিখেছেন আমার ব্যবস্যা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও ব্যবস্যা ব্যবস্থপনা, নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক উন্নয়ন, মৌলিক ব্যবস্যা ব্যবস্থাপনা, হিসাব ব্যবস্থাপনা, কর্ম পরিবেশের শৃঙ্খলা ও বন্ধুত্বপূর্ণ কর্ম পরিবেশ তৈরি, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, বসত বাড়িতে সবজি চাষ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিকরণ সচেতনতা বৃদ্ধি, সিটিজেন চার্টার, শিশু অধিকার ও শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ ও যৌতুক, নির্যাতন ও আইন সহায়তা, সুরক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, আর্থিক শিক্ষার গুরুত্ব, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আলমডাঙ্গা সাহিত পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার হামিদুল ইসলাম আজম, আলমডাঙ্গা হারদী মীর শামসুদ্দীন আহমেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক বিশিষ্ট সাহিত্যক কবি আনোয়ার রশিদ সাগর, কবি ও লেখক ইমদাদুল হক, লেখক ও গবেষক ড. হেলাল উদ্দিন, আলাউদ্দিন আহমেদ পাঠাগারের পরিচালক কবি গোলাম রহমান চৌধুরি, প্রভাষক ও সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম, সিনিয়র শিক্ষক কবি ও ছড়াকার মানোয়ার হোসেন, ব্যাংকার কবি মোস্তাফিজুর রহমান ফারায়েজি, কবি সিদ্দিকুর রহমান, প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশীদ, কবি কাজল আহমেদ প্রমুখ।

সভায় আলমডাঙ্গা কলেজপাড়ার খন্দকার বাড়ির বৌ বিশিষ্ট লেখক, কবি ও গবেষক মাফরুহা আলমকে সাহিত্য সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।




আলমডাঙ্গায় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় শরিফ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার হাটবোয়ালিয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল রবিবার সকাল ১০টার সময় হাটবোয়ালিয়া বাজারে অবস্থিত ১ নং ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সমিতির কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপজেলা সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিস উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি মনোনীত চুয়াডাঙ্গা–১ (আলমডাঙ্গা) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— বীর মুক্তিযোদ্ধা জেলা আহ্বায়ক ইউনিট কমান্ড আবেছ উদ্দিন, হাজী আব্দুল মাবুদ, সাবেক জেলা কমান্ড, চাঁদ আলী, সদস্য জেলা ইউনিট কমান্ড,

বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিসুর রহমান (দামুড়হুদা উপজেলা), সাবেক ইউনিট কমান্ডার ইসমাইল হোসেন (বেল্টু), আঃ মালেক, আলতাফ হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক, আলমডাঙ্গা উপজেলা কমান্ড, মতিউর রহমান, আহ্বায়ক, আলমডাঙ্গা উপজেলা কমান্ড, মহিলা মুক্তিযোদ্ধা মোমেনা বেগম (হারদী)।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা সদস্য জিন্নাত আলী, গিয়াস উদ্দিন, আবুল হাসেম, রইস উদ্দিনসহ আরও অনেকে। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান ধুনা, সোয়োব উদ্দিন, খোসদেল আলম, মজনু, নাসির উদ্দিন, বাশির উদ্দিন, মারফোত আলী এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান রাসেল হুদা, হাসান আলী, চঞ্চলসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান জাতি কখনো ভুলবে না। আপনাদের রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়েই আজ আমরা স্বাধীন দেশে কথা বলতে পারছি। মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান, তাঁদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সকলের।”

তিনি আরও বলেন, “বিএনপি সবসময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করে এসেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করলে আমি মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এবং আলমডাঙ্গাসহ চুয়াডাঙ্গা-১ আসনকে একটি শান্তিপূর্ণ ও উন্নয়নসমৃদ্ধ আসনে রূপান্তর করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করবো।”




দামুড়হুদায় মাহমুদ হাসান খান বাবু’র ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা ও গণসংযোগ 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গতকাল রবিবার সন্ধ্যার পরে দামুড়হুদা উপজেলার হাউলী ইউনিয়নের বিভন্ন ওয়ার্ডে মাহমুদ হাসান খান বাবুর ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা ও গণসংযোগ করেন।

এসময় তিনি হাউলী ইউনিয়নের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে পাড়ায় মহল্লায় ধানের শীষের পক্ষে ভোট চান। তার উপস্থিতিতে ওয়ার্ডের প্রত্যেকটি নেতাকর্মীর মনে আবেগ প্রবল হয়ে ধানের শীষের পক্ষে জোর প্রচারণা চালায়। প্রিয় নেতাকে কাছে পেয়ে স্থানীয় নেতাকর্মী তাদের ওয়ার্ডের চাওয়া পাওয়া বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

তারা বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আমল থেকে আমাদের ০১নম্বর ওয়ার্ডে আজ পর্যন্ত কোথাও কোনো পিচের রাস্তা করা হয়নি। এ সময় মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, আল্লাহ পাক যদি আমাকে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে এমপি হিসাবে কবুল করেন তাহলে আমি আপনাদের এক নম্বর ওয়ার্ডের পিচের রাস্তা করার ব্যবস্থা করে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। এসময় হাউলী ইউনিয়ন বিএনপি’র নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি ও ২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু।

উক্ত নির্বাচনী পথসভায় উপস্থিত ছিলেন, হাওলি ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক নাফিজ আক্তার সিদ্দিকী সহ বিএনপি ও তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




দর্শনায় পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও স্বর্ণ পাচার চক্রের সদস্য গ্রেফতার

দর্শনা থানা পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও স্বর্ণ পাচার চক্রের সদস্য জয়নগরের মারুফকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গত শনিবার রাতে দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে অভিযান চালায় দর্শনা পৌরসভার জয়নগর গ্রামে। এ সময় দর্শনা থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্সসহ জিআর মামলার -৪৩/২৪ ও ১৭০/২৫  আসামী জয়নগর গ্রামের জাম্বু হোসেনের ছেলে মারফ হোসেনকে (২৫) গ্রেফতার করে।

তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক ব্যবসায়ী ও স্বর্ণ পাচারের মামলা রয়েছে। গতকালই মারুফকে চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।