দামুড়হুদায় তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শন মেলা উদ্বোধন

যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শন মেলা-২০২৬ উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী একটি কৃষি মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ মেলার আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার বেলা ১২টায় উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালি শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শন মেলার শুভ উদ্বোধন করেন আলমগীর বিশ্বাস, অতিরিক্ত পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, যশোর অঞ্চল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, উত্তম কৃষি চর্চা ও আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণের ফলে আগে যেখানে বিঘা প্রতি ৮-১০ মন ধান উৎপাদন হতো, সেখানে বর্তমানে ২০-২৫ মন পর্যন্ত উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে। প্রযুক্তির ব্যবহারে উৎপাদন খরচ কমে আসছে এবং ফলন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তবে কৃষকদের এসব প্রযুক্তি সম্পর্কে জানাতে ও বোঝাতে হবে, কারণ মাঠ পর্যায়ে কাজ করেন তারাই। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির কারণে এ অঞ্চলে কৃষি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সফল ও উন্নত হয়েছে। মেলায় কৃষকদের মতামত গ্রহণের জন্য একটি মতামত বই রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা সকল দর্শনার্থী ও কৃষকদের অন্তত দুই-এক লাইন মতামত লেখার আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে কৃষি কার্যক্রম আরও উন্নত করা যায়।

চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ মাসুদুর রহমান সরকার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যশোর অঞ্চলের টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক জনাব রবিউল ইসলাম এবং দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ উবায়দুর রহমান সাহেল।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এবং অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের সভাপতি শামসুজ্জোহা পলাশসহ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

তিন দিনব্যাপী এ কৃষি মেলায় মোট ১৬টি প্রদর্শনী স্টল রয়েছে, যার মধ্যে ৫টি উদ্যোক্তা স্টল। মেলায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, যন্ত্রপাতি, উন্নত বীজ, সার ব্যবস্থাপনা ও টেকসই কৃষি চর্চা বিষয়ে কৃষকদের হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা অভিজিৎ কুমার বিশ্বাস। এ সময় বিপুল সংখ্যক কৃষক ও কৃষাণী মেলায় উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে কৃষি সচেতনতা বিষয়ক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।




দেশের সংস্কার চাইলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর বিকল্প নেই

অন্তর্বর্তী সরকারের সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ বলেছেন, গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়া মানে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে যাওয়া। ‘না’ ভোট দেওয়া মানে স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণভোটের প্রচার এবং ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গণভোটের বিষয়ে সরকারের নিরপেক্ষতার জায়গা নেই। হয় আমি গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে, এই ছেলেমেয়েদের পক্ষে, জুলাই শহিদদের পক্ষে, হয় আমি হাদির পক্ষে, হয় আমি নতুন বাংলাদেশ চাই, অথবা চাই না। আমার দেশে এরকম কিছু মানুষ আছে হয়তো, যারা বিগত ফ্যাসিস্ট রেজিমের উপকারভোগী; তারা হয়তো গণভোটে ‘না’-এর পক্ষে। তারা মূলত পরিবর্তনটা চায় না। তারা নতুন বাংলাদেশ চায় না।

উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ বলেন, এই গণভোটের মাধ্যমে আপামর সাধারণ জনগণ যদি ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোট দেয়, তাহলে সংস্কারের দ্বার খুলে যাবে। আমরা গণঅভ্যুত্থানের সরকার। কাজেই আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। আমরা গণভোটের পক্ষে, ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষেই আমাদের অবস্থান। আমরা চাইছি, মানুষ বুঝুক গণভোট কেন তাদের জন্য দরকার। বুঝে-শুনে তারা ‘হ্যাঁ’ এর কাছেই আসুক।

এর আগে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণভোট ও নির্বাচনে জনমত গঠন শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদের সভাপতিত্বে সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুর রহমান, সুবীর কুমার দাশ, নির্মল কান্তি তালুকদারসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।




জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে দেশসেরা রোভার চুয়াডাঙ্গার আল মুতাকাব্বির সাকিব

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মধ্যে শ্রেষ্ঠ রোভার ক্যাটাগরিতে জাতীয় পর্যায়ে দেশসেরা রোভার স্কাউটের খ্যাতি অর্জন করেছে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ও চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ রোভার স্কাউটস গ্রুপের সিনিয়র রোভার মেট আল মুতাকাব্বির সাকিব।

খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের পর এবার জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন তিনি। গত সোমবার ঢাকা টিটি কলেজে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং মঙ্গলবার ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার।

এ সময় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শ্রেষ্ঠ রোভার আল মুতাকাব্বির সাকিবের হাতে গোল্ড মেডেল, ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট এবং নগদ অর্থ পুরস্কার তুলে দেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর বি. এম. আব্দুল হান্নান।

আল মুতাকাব্বির সাকিব চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হায়দারপুর গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাবেক মেম্বার শহিদুল ইসলামের পুত্র। তার এই সাফল্যের পেছনে তার বাবা-মা, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এ. কে. এম. সাইফুর রশীদ, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জাহিদুল হাসান ও চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজসহ সকল শিক্ষাগুরুর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।




মেহেরপুরে এনসিপি প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে মেহেরপুর-১ আসনে এনসিপি প্রার্থী ইঞ্জি. সোহেল রানা তাঁর মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এর ফলে মেহেরপুর-১ আসনে ৪ জন এবং মেহেরপুর-২ আসনে ৩ জন চূড়ান্ত প্রার্থী থাকলেন।

মঙ্গলবার বিকেলে এনসিপি প্রার্থীর পক্ষে এনসিপি সদস্য হাসনাত জামান সৈকতের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবীরের হাতে প্রত্যাহারের আবেদন তুলে দেন।

এর ফলে মেহেরপুর-১ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থীরা হলেন বিএনপি প্রার্থী মাসুদ অরুণ, জামায়াত প্রার্থী তাজ উদ্দিন আহমেদ, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুল হামিদ এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রার্থী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান।

মেহেরপুর-২ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থীরা হলেন বিএনপি প্রার্থী মো. আমজাদ হোসেন, জামায়াত প্রার্থী নাজমুল হুদা এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুল বাকি।




মেহেরপুরে হারানো ৯২টি মোবাইল ও ৫৫ হাজার টাকা মালিকের হাতে তুলে দিল পুলিশ

মেহেরপুর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের উদ্যোগে উদ্ধারকৃত হারানো মোবাইল ফোন ও অনলাইনে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত নগদ অর্থ প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরপুর জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এ হস্তান্তর করা হয়। উদ্ধারকৃত ৯২টি মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ ভুক্তভোগীদের হাতে তুলে দেন পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়।

পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় সাইবার সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে আমরা কেউই অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও সাইবার স্পেসের বাইরে নই। তাই নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সবাইকে আরও সচেতন ও সতর্ক হতে হবে। তিনি পুরাতন মুঠোফোন কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই মোবাইলের বক্স ও ক্যাশ মেমো সংগ্রহের পরামর্শ দেন। পাশাপাশি অনলাইনে প্রতারণা এড়াতে বিকাশ, নগদ বা অন্যান্য মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপের ওটিপি কারও সঙ্গে শেয়ার না করার আহ্বান জানান। অনলাইনে কোনো কিছু ক্রয়ের আগে অভিজ্ঞজনের সঙ্গে পরামর্শ করার কথাও বলেন তিনি।

পুলিশ সুপার আরও জানান, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশের এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। একটি সুষ্ঠু, নিরাপদ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে যেকোনো ধরনের অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে স্থানীয় পুলিশকে সহায়তা করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডিসেম্বর ২০২৫ মাসে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, মেহেরপুর জেলার তিন থানায় সাধারণ ডায়েরিভুক্ত সর্বমোট ৯২টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। পাশাপাশি ভুলবশত অন্য নম্বরে চলে যাওয়া এবং প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত নগদ ও বিকাশের মোট ৫৫ হাজার টাকা উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট প্রকৃত মালিকদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও ১৩টি ফেসবুক আইডি রিকোভারি করা হয় এবং বিভিন্ন থানায় নিখোঁজ ব্যক্তি ও ভিকটিম উদ্ধারে সহায়তা দিয়ে ৪ জন ভিকটিম উদ্ধার করা হয়।

সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল বিভিন্ন ক্রুপেস মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। হারানো মোবাইল উদ্ধার করে ভুক্তভোগীদের মুখে হাসি ফোটাতে সেলটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অ্যাডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স) মোহাম্মদ আতিকুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ জামিনুর রহমান খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ মেহেদি হাসান দিপু, ওসি (ডিবি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরীসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা।




সাভারে ৫ মাসে ছয় খুনে জড়িত সিরিয়াল কিলার সম্রাট গ্রেপ্তার, আসল পরিচয় প্রকাশ

ঢাকার সাভারে পরিত্যক্ত পৌরসভা কমিউনিটি সেন্টারে একের পর এক মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে।

ভবঘুরের ছদ্মবেশে ছয়টি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মশিউর রহমান খান সম্রাট (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। মশিউর এসব হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। গতকাল সোমবার দুপুর ১২টায় সাভার মডেল থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস্ ও ট্রাফিক উত্তর) আরাফাতুল ইসলাম।

পুলিশ জানায়, পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টার থেকে সম্প্রতি উদ্ধার হওয়া জোড়া মরদেহের ঘটনায় তদন্তে পাওয়া সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজন একজনকে শনাক্ত করা হয়। ফুটেজে ওই ব্যক্তির চলাফেরা, অবস্থান ও সময়ের মিল পাওয়ায় তাকে নজরদারিতে আনা হয়। পরবর্তী সময়ে অভিযান চালিয়ে মশিউর রহমান খান সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার সম্রাট কমিউনিটি সেন্টারে পাওয়া সর্বশেষ জোড়া মরদেহসহ ছয়টি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে বলে দাবি পুলিশের।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম জানান, গত পাঁচ মাসে সাভার এলাকায় ধারাবাহিকভাবে ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ঘটনার ধরন ও আলামত বিশ্লেষণ করে একই ব্যক্তির সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়। অবশেষে সিসিটিভি ফুটেজই হত্যাকারীকে শনাক্ত করতে বড় ভূমিকা রাখে। গ্রেপ্তার মশিউর রহমান খান সম্রাট সাভারের ব্যাংক কলোনি এলাকার মৃত সালামের ছেলে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট পরিত্যক্ত কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার দুই হাত গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল। পরে একই বছরের ১১ অক্টোবর ওই ভবনের দ্বিতীয় তলার বাথরুমের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যার মাথা ও গলায় কাটা জখমের চিহ্ন ছিল।

এরপর ১৯ ডিসেম্বর একই ভবনের বাথরুম থেকে আগুনে পোড়া ও গলিত অবস্থায় আরেকটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সর্বশেষ গত ১৮ জানুয়ারি একই ভবনের দ্বিতীয় তলার বাথরুমের ভেতর থেকে এক পুরুষ ও এক কিশোরীর আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ছাড়া ২০২৫ সালের ৪ জুলাই সাভার মডেল মসজিদের পাশে একটি চায়ের দোকানের কাছ থেকে অজ্ঞাত এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ধারণা করছে, এ ঘটনাটিও একই সিরিজ হত্যাকাণ্ডের অংশ।

পুলিশ জানায়, ধারাবাহিক এসব ঘটনার পর সাভার মডেল থানা ও ডিবি যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। জোড়া মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার পরপরই ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। রিমান্ড মঞ্জুর হলে হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য, অন্য কেউ জড়িত আছে কি না এবং আরও কোনো অপরাধের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা জানা যাবে। তিনি আরও জানান, অভিযুক্তের দেওয়া ঠিকানায় অভিযান চালিয়েও তার স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মাফলার ও আগুন লাগানোর কাজে ব্যবহৃত একটি দেশলাই আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশ আশা করছে, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে সাভারের এই ভয়াবহ সিরিয়াল কিলিংয়ের পেছনের পূর্ণ রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।

 

সূত্র: কালবেলা




আলমডাঙ্গায় বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া 

আলমডাঙ্গার হারদী ইউনিয়নে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়নে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত রবিবার বাদ মাগরিব হারদী ইউনিয়নের কেশবপুর প্রাইমারি স্কুল মাঠ প্রাঙ্গনে ২নং হারদী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড (কেশবপুর ও লক্ষীপুর) বিএনপি’র উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বেগম খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তাঁর সংগ্রাম এবং দেশ ও জাতির জন্য তাঁর অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

হারদী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা-০১ আসনের বিএনপি মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেত্রী নন, তিনি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতীক। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তাঁর আপসহীন ভূমিকা ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আজ দেশ এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই সংকট উত্তরণে বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি শহিদুল কাওনাইন টিলু। এছাড়াও বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাচন সমন্বয়ক বোরহান উদ্দিন (উপজেলা সাবেক সভাপতি, কৃষকদল), গোলাম মোস্তফা (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, উপজেলা বিএনপি), ছানোয়ার হোসেন লাড্ডু (সাবেক চেয়ারম্যান, ভাংবাড়িয়া ইউনিয়ন), বিএনপি নেতা আব্দুল মজিদ।

আরও উপস্থিত ছিলেন হারদী বিএনপির সমন্বয়ক মহিনুল ইসলাম (সাবেক সভাপতি, হারদী ইউনিয়ন), মনিরউদ্দিন মনির (ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, হারদী ইউনিয়ন বিএনপি), শফিকুল ইসলাম (সাধারণ সম্পাদক, হারদী ইউনিয়ন বিএনপি), তারদীল খান ডিকো খান, আব্দুস সাত্তার (হারদী), জাকির হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল হক (ওসমানপুর), নাসির (হারদী), জমিরউদ্দীন, শহিদুল মেম্বার, আব্দুল হান্নান, নাসির, সাত্তার (সাংগঠনিক সম্পাদক, হারদী ইউনিয়ন বিএনপি), জেড এম তৌফিক খান, বাবুল আক্তার, ময়েন, ছাত্রদল সভাপতি শিপন, লতিফ মিয়া সহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, হারদী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম।




আলমডাঙ্গা পৌরসভার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে ইউনও

আলমডাঙ্গা পৌরসভাকে মডেল পৌরসভা বিনির্মাণে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সরাসরি ভূমিকা রাখছেন আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পান্না আকতার।

আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার অন্যতম দর্শনীয় স্থান আলমডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধণ কার্যক্রম সরজমিনে পরিদর্শন করেছেন আলমডাঙ্গা পৌরসভার সুযোগ্য প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট জনাবা পান্না আক্তার।

পরিদর্শনকালে তিনি স্টেশন চত্বরের সার্বিক পরিবেশ, যাত্রীদের চলাচলের সুবিধা, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার বর্তমান অবস্থা এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং জনসাধারণের জন্য স্টেশন এলাকাকে আরও পরিচ্ছন্ন, সুশৃঙ্খল ও দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তোলার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

ইউএনও পান্না আক্তার বলেন, আলমডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন শুধু একটি যাতায়াত কেন্দ্র নয়, এটি পৌর এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান। এখানকার পরিবেশ পরিস্কার ও সুন্দর থাকলে যাত্রীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছেও ইতিবাচক বার্তা পৌঁছাবে। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। এসময় পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনের মাধ্যমে চলমান কার্যক্রমে আরও গতি আসবে এবং আলমডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন একটি পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক রূপ লাভ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।

আলমডাঙ্গা পৌরসভার পাশাপাশি তদারকিতে ভূমিকা রাখছে আলমডাঙ্গা নাগরিক কমিটি।




শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে মেহেরপুরে দোয়া ও আলোচনা সভা

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর-উত্তমের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মেহেরপুরে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুবদল নেতা আলমগীর হোসেনের উদ্যোগে গতকাল সোমবার বিকেলে শহরের পুরাতন বাস স্ট্যান্ড এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

দোয়া ও আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে যুবদল নেতা আলমগীর হোসেন বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার নিভৃত পল্লী বাগবাড়িতে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন জনপ্রিয় রাষ্ট্রনায়ক, অসাধারণ দেশপ্রেমিক, অসম সাহসী ও সহজ-সরল ব্যক্তিত্বের প্রতীক। তাঁর নেতৃত্ব ও অবদানে বাংলাদেশের ইতিহাস সমৃদ্ধ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৮১ সালে কিছু বিপথগামী সামরিক কর্মকর্তার হাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে মর্মান্তিকভাবে শহীদ হন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তবে তাঁর আদর্শ ও দেশপ্রেম নতুন প্রজন্মের মাঝে আজও প্রেরণা জোগায়।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন নবীন দলের সভাপতি আনোয়ার শেখ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, জেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হক সোহাগ, বিএনপি নেতা রোকনুজ্জামানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।

শেষে শহীদ জিয়াউর রহমানের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।




মেহেরপুরে পাঁচ ইটভাটায় সাড়ে ১১ লাখ টাকা জরিমানা

মেহেরপুর জেলায় অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনার দায়ে পাঁচটি ইটভাটায় সাড়ে ১১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গতকাল সোমবার পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগমের নেতৃত্বে পরিবেশ অধিদপ্তর মেহেরপুর জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বাংলাদেশ ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) অনুযায়ী মেহেরপুর জেলার তিনটি উপজেলায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তর মেহেরপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শেখ কামাল মেহেদীসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউশন প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক টিপু সুলতান।

অভিযানকালে মেহেরপুর সদর উপজেলার গোভীপুর গ্রামের মেসার্স আলিফ ব্রিকসের মালিক চঞ্চলকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং ভাটার আংশিক কিলন ভেঙে দেওয়া হয়।

মুজিবনগর উপজেলার মেসার্স এল এল এম ব্রিকসের মালিক, মোনাখালী গ্রামের লাভলুকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং ভাটার আংশিক কিলন ভেঙে দেওয়া হয়।

গাংনী উপজেলার পশ্চিম মালসাদহ গ্রামের মেসার্স সোনালী ব্রিকসের মালিক জয়নাল আবেদীনকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই এলাকার মেসার্স সুপার ব্রিকসের মালিক হাজী গোলাম মোস্তফাকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এছাড়া গাংনী উপজেলার হাড়িয়াদহ গ্রামের মেসার্স ঢাকা ব্রিকস (জিগজ্যাগ) এর মালিক আক্তারুজ্জামানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এ সময় ভাটায় কিছু পরিমাণ কাঠ মজুদ পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে জ্বালানি হিসেবে কয়লা ব্যবহার করবেন মর্মে তিনি মুচলেকা প্রদান করেন।

অভিযানে মেহেরপুর জেলা পুলিশ ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সহযোগিতা করেন। পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান পরিবেশ অধিদপ্তরের ওই কর্মকর্তা।