তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র উযায়ের আযমানের কৃতিত্ব

মেহেরপুর জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি আয়োজিত মহান স্বাধীনতা  ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত চিত্রাংকন ও কবিতা আবৃতি প্রতিযোগিতায় ক বিভাগে  উযায়ের আযমান প্রথম হয়েছে।

এছাড়াও জেলা প্রশাসন মেহেরপুর আয়োজিত ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদ কার্ড বানানো প্রতিযোগিতায় সে প্রথম হয়েছে। উযায়ের আযমান মেহেরপুর জিনিয়াস ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজর তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র। মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবীর, পুলিশ সুপার উজ্জল কুমার রায় উপস্থিত থেকে উযায়ের আযমান সহ বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।




আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার-২

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ২০ পিচ টাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার ২। গত বুধবার রাত ১০ টার সময় এই অভিযান পরিচালিত হয়।

আলমডাঙ্গা থানার এসআই(নিঃ) মোঃ আলমগীর কবীর ও সংগীয় অফিসার ফোর্সসহ তদন্ত কেন্দ্র এলাকায় বিশেষ অভিযানে আলমডাঙ্গা থানাধীন বেলগাছি গ্রামের কাশিপুর কেদারনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এর মাঠের বট গাছের নিচে হতে আনিসুল রহমানের ছেলে মোঃ মনিরুল ইসলাম (৩৫) ও মোশারিফ আলির ছেলে মোঃ সুজন(৩০) গ্রেফতার করা হয়। তাদের হেফাজত হতে সর্বমোট ২০পিচ মাদকদ্রব্য টাপেন্টাডল ট্যাবলেট, মাদক বিক্রয়ের নগদ সর্বমোট ৯৩০ টাকা, মাদক বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ০১টি কালো রংয়ের স্যামফনি বাটন ফোন উদ্ধার করা হয় ।

গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানার মামলা নং-৩২, তাং-২৫/০৩/২০২৬ খ্রিঃ ধারা- ২০১৮ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন ৩৬(১) সারণির ২৯(ক) মামলা রুজু করা হয়েছে।




মেহেরপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে মেহেরপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রজনীগন্ধার ফুলের স্টিক দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. শেখ বখতিয়ার উদ্দীন, পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তরিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদ, সিভিল সার্জন ডা. আবু সাঈদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম সোনা, ক্যাপ্টেন (অব.) বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস হোসেন প্রমূখ।




আলমডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

আলমডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্যদিয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়েছে। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচীর সুচনা করা হয়।

সকালে সরকারী ও বেসরকারী ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৯টায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মাজারে পুস্পমাল্য অর্পন শেষে আলমডাঙ্গা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মাজারে ফাতেহা পাঠ ও মুনাজাত করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পান্না আক্তার, বীরমুক্তি যোদ্ধা এ্যাডঃ আব্দুর রশিদ,আলমডাঙ্গা মুক্তি যোদ্ধা সংসদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান ,বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউদ্দিন,বীর মুক্তিযোদ্ধা নবাব আলী ,বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াজেদ আলী,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান ধুনা,বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার শাহাবুদ্দিন, ওসি বানি ইসরাইল, উপজেলা প্রকৌশলী তাওহিদ, শিক্ষা অফিসার আলাউদ্দিন, জনস্বাস্থ প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জিয়াউল হক, আইসিটি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

এছাড়াও পুস্পমাল্য অর্পন করেন আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজ, মহিলা কলেজ, ওজোপাডিকো, এমসবেদ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, পল্লিবিদ্যুত, আলমডাঙ্গা থানা, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পৌরসভা, উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন।

পরে উপজেলা চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পতাকা উত্তোলন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পান্না আক্তার ও ওসি বানি ইসরাইল।স্বাধীনতা দিবসের বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পান্না আক্তার। শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে হয় এবং বেলুন ওড়ানো হয়। এরপর কুজকাওয়াজ পরিচালনা করেন, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, আনছার ভিডিপি, সরকারি পাইলট মাধ্যমিক স্কুল, মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, এরশাদপুর একাডেমি, আলমডাঙ্গা ব্যামাগার, এম সবেদ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আলমডাঙ্গা একাডেমি, ব্রাইট মডেল স্কুল, গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,জেএন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,গোবিন্দপুর এরশাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

বেলা ১১ টায় উপজেলা মঞ্চে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পান্না আক্তার । উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার সাজ্জাদ হোসেনের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড,আব্দুর রশিদ ,বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউদ্দিন,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার শারমিন আক্তার , থানার অফিসার ইনচার্জ বানি ইসরাইল।আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দদুল কুদ্দদুস, আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি খন্দকার শাহ আলম মন্টু,সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার হামিদুল ইসলাম আজম,বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলাম, সমাজ সেবা কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন,উপজেলা শিক্ষা অফিসার আলাউদ্দিন,প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মাহবুবুর রহমান,মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জিয়াউল হক,আইসিটি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান,জনস্বাস্থ প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ,ভিডিপি কর্মকর্তা আজিজুল হক,তথ্য কর্মকর্তা স্নিগ্ধা দাস প্রমুখ।

অন্যদিকে আলমডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে সকাল ১০টায় দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন ও শহীদ জিয়ার প্রতিকৃতিতে মাল্যদান শেষে র‍্যালি সহকারে শহীদ মাজারে গিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান পিন্টু।সাংগাঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আক্তার হোসেন, সাধারন সম্পাদক আমিনুল হক রোকন,,উপজেলা বিএনপির সাংগাঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন,পৌর বিএনপির সাংগাঠনিক সম্পাদক কাজী আলী আসগার সাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রাশেদুল ইসলাম ,সহ-সাংগাঠনিক সম্পাদক খন্দকার হাসিবুল ইসলাম,যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল হক মাষ্টার,মখলেছুর রহমান মিলন,আসিফ আল নুর,নির্বাহী সদস্য খন্দকার রুবায়েত ফেরদৌস বাপ্পি,উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মীর আসাদুজ্জামান উজ্জল,সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক নাজিম মোল্লা।




কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশন প্ল্যাটফর্ম উন্নয়নের দাবিতে মানববন্ধন

কুষ্টিয়ায় রেলওয়ে স্টেশনে জনভোগান্তি নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

‘আন্তরিক কুষ্টিয়া’র ব্যানারে ব্যাবসায়ী, রাজনীতিবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যাক্তি-সহ কুষ্টিয়ার সবস্তরের মানুষ এই মানববন্ধনে অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই রেল স্টেশনের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। এজন্য দ্রুত সময়ের মধো স্টেশন সম্প্রসারণ ও প্ল্যাটফর্ম উঁচু করা এখন সময়ের দাবি। বর্তমানে এক্সপ্রেস ট্রেনগুলোর মোট ১২টি বগির সবগুলোর উচ্চতা বেশি। সামনে ও পিছনে তিনটি করে বগি প্লাটফর্ম থেকে বাইরে দাঁড়ানোর কারণে যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

তারা বলেন, ট্রেনের বগি প্রায় ৬ ফুট উচ্চতা থেকে নিচে নামতে যাত্রীদের জীবন ও নিরাপত্তা বাধাগ্রস্থ হচ্ছে, কখনো আবার দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে বৃদ্ধ, শিশু ও নারীদের বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের সিটিজেন চার্টারে উল্লেখ করা সেবাসমূহের কোনোটিই কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে নেই।

মানববন্ধন শেষে বর্তমান কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনের দৈর্ঘ বর্ধিতকরণ ও সংস্কারের জন্য কুষ্টিয়াবাসীর পক্ষে ‘আন্তরিক কুষ্টিয়া’র প্রতিনিধিরা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেন।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন হাসান বলেন, ‘দুর্ভোগের বিষয়টি আমি শুনেছি। আমাদের কাজই জনদুর্ভোগ লাঘব করা। তবে যেহেতু আমি নতুন তাই একটু সময় দেওয়া লাগবে। দ্রুতই আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেব।’

আয়োজকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম নিচু থাকায় যাত্রীদের উঠানামায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের জন্য বিষয়টি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাদের দাবি, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন ও দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত প্ল্যাটফর্ম উঁচুকরণ ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে এ দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।




মেহেরপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জেলা বিএনপির শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মেহেরপুর জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ১১টায় জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসানের নেতৃত্বে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। শহরের পাথর গেট থেকে শুরু হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শোভাযাত্রাটি শহরের কলেজ মোড়ে অবস্থিত শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পৌঁছায়।

সেখানে দলীয় নেতাকর্মীরা শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক ও পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

প্রথমে জেলা বিএনপি, সদর উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি তারপর জেলা মহিলা দলের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে একে একে বিএনপির সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব জাভেদ মাসুদ মিল্টন বলেন, “মহান স্বাধীনতা আমাদের জাতির গৌরবের অর্জন। শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতার চেতনাকে সমুন্নত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান বলেন, “স্বাধীনতার প্রকৃত চেতনা প্রতিষ্ঠা করতে হলে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফয়েজ মোহাম্মদ, সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি লতিফ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইহান উদ্দিন মনা, মুজিবনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আখেরুজ্জামান, রোমানা আহমেদ, ওমর ফারুক লিটন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আলমগীর খান ছাতু, সাবেক সদস্য মীর গোলাম ফারুক, সাবেক পিপি ও জেলা বিএনপির সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসিম, জেলা জাসাসের সদস্য সচিব এ বাকাবিল্লাহসহ অনেকে।




দামুড়হুদায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস (২৬ মার্চ) উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। একই সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা করা হয় দামুড়হুদা মডেল থানা চত্বরে।

সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে শহীদদের স্মরণে উপজেলার নাটুদাহের আটকবর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে দামুড়হুদা মিনি স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমিন।

সকাল ১০টায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান সাহেল। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু, দর্শনা থানা বিএনপির সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসনাত সহ মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবার পরিজন উপস্থিত ছিলেন।

দুপুর ১২টায় মিনি স্টেডিয়ামে উপজেলা প্রশাসন বনাম ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।এছাড়াও সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও এতিমদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয় এবং দেশের শান্তি, সুখ-সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার সকল বিনোদন কেন্দ্র ও পার্ক শিশুদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।




মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনলেন শুভসংঘের বন্ধুরা

মেহেরপুরে ৫৫ তম মহান স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণমূলক গল্প শুনলেন শুভসংঘের সদস্যরা। আজ বৃহস্পতিবার বিকালে স্থানীয় দৈনিক মেহেরপুর প্রতিদিন পত্রিকার কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শুভ সংঘের মেহেরপুর জেলা শাখার সভাপতি রফিকুল আলম বকুলের সভাপতিত্বে মুক্তিযুদ্ধের স্মুতিচারণ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা (অব.) ক্যাপ্টেন আব্দুল মালেক।

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধে কারণে ৩ বার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। শুধুমাত্র একটি স্বাধীন দেশের জন্য আমরা মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাঁজি রেখে যুদ্ধ করেছি। কোন কিছু পাওয়ার আশায় নয়।’

তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানীদের অস্ত্র ও ক্ষমতার কাছে আমাদের কিছুই ছিলনা। আমাদের ছিল অদম্য মনোবল আর কৌশল। তোমরা যারা তরুণ আছো দেশকে ভালোবাসো।’

আক্ষেপ করে তিনি বলেন, ‘মেহেরপুর জেলায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কমবেশি ৩৫০ জন। কিন্তু বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতা এসে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়েছে। সেগুলো মিলে বর্তমানে ৬৫০ জন মুক্তিযোদ্ধা হয়ে গেছে। বর্তমান সরকারের কাছে দাবী জানাই , উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত করে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের রেখে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হোক।’

আলোচনা সভায় কালের কণ্ঠর মেহেরপুর প্রতিনিধি ইয়াদুল মোমিন, শুভসংঘের যুগ্ম সম্পাদক সাজিদ হোসেন, রাকিবুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম তুহিন, কোষাধাক্ষ ইয়াসির ইউসুব ইমন, সদস্য রাফি হাসান, কামরুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম পাতা, লাওহে মাহফুজা ইশরা।




হরিণাকুণ্ডুতে বিএনপির বিক্ষোভ, জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার কাপাশহাটিয়া ইউনিয়ন কৃষকদলের নেতা নিহতের ঘটনায় হরিণাকুণ্ডু উপজেলা বিএনপি উদ্যোগে হরিণাকুণ্ডুতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সমাবেশে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তাইজাল হোসেন কাসেম হত্যা সাথে জড়িত জামায়াতের নেতা-কর্মীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

এদিকে কাশেমের মৃত্যুর খবর শুনার সাথে সাথে বুধবার রাতেই জামায়াতের নেতা কর্মীদের দুইটি দোকানসহ অন্তত ০৮/ ১০টি বাড়ি ঘরে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ চালায় বিএনপির কর্মী সমর্থকরা।

এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনেন আয়োজ করে। সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা জামায়াতের আমীর বাবুল হোসেন বলেন গত কাল বুধবার ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসের মন্তব্য কে কেন্দ্র করে জামায়াত এবং বিএনপির কর্মীদের মধ্যে বাক বিতন্ডার তৈরি হয় এক পর্যায়ে বিএনপি কর্মীরা জামায়াতের কর্মীদের গায়ে হাত দিলে তারা দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনার মধ্যে আবুল কাশেম দুর থেকে দড়িয়ে এসে এই ঘটনা ঠেকানোর চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং হাসপতালে আনার পথে ষ্ট্রোক জনিত কারণে মৃত্যু বরণ করে। তার গায়ে কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। এই মৃত্যুতে জামায়াত শোক প্রকাশ করেছে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতে বিএনপির নেতাকর্মীরা জামায়াতের ৮ নেতা কর্মীর বাড়ি ঘরে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটায়।

এতে কুল্ল্যাগাছা ভাতুড়িয়া গ্রামের আব্দুল আজিজ তার বড় ভাই মেশাররফ হোসেন, নায়েব আলী, আবুল কালাম আজাদ, মাসুদুর রহমান, মিটুল হোসেন, গোলাম মোস্তফা, মতিয়ার রহমান লিটন ও মাজিজ মন্ডলসহ অনেকের বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এরমধ্যে জামায়াত নেতা মোস্তফা, মিটুল, আজিজ ও মতিয়ার রহমানের বাড়ি, দোকান ও খড়ের গাদায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে রাতেই ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।

মতিয়ার রহমান লিটন নামে এক জামায়াত সমর্থক দাবি করেন, বুধবার সংঘর্ষ নিহত হবার পর রাত ১১ টার দিকে তাদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। অথচ তিনি সংঘর্ষের সময় বাড়িতে ছিলেন না, কিছুই জানেন না।

এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে নিহতের ছেলে মেহেদি হাসান ১২ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ১৩ জনকে আসামী করে হরিণাকুণ্ডু থানায় হত্যা মামলা দিয়েছে। তবে পুলিশ এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে ফেসবুকের একটি স্ট্যাটাসের কমেন্ট করাকে কেন্দ্র করে নিহত কৃষকদল নেতা ও তার চাচা নাজের আলী, বিএনপি সমর্থক মন্টু, এনামুল ও সেলিমসহ কয়েকজনের সাথে জামায়াত নেতা রিমন হোসেন ও আব্দুল আজিজের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়।

এ নিয়ে বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে ফের তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয় এবং এক পর্যায়ে একটি চায়ের দোকানে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

কুল্ল্যাগাছা ভাতুড়িয়া গ্রামের এক প্রত্যক্ষদর্শী এনামুল হক জানান, উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের একপর্যায়ে আবুল কাসেম মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান।

বাহারন নামে ওই গ্রামের এক নারী জানান, কাসেমকে কেউ মারেনি লোকজনের মারামারি দেখে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে পরে হার্ট এ্যটাকে তার মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় তাদের বাড়িতে হামলা করে তাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে বিএনপির লোকজন।

উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সাইদুর রহমান বিটু জানান, বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে আবুল কাশেমকে জামায়াত সমর্থিত লোকজন ঐক্যবদ্ধ হয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেণ। কাপাশহাটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শরাফুদ্দৌলা ঝন্টু জানান, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তবে পরিবারটি বিএনপি জামায়াতে বিভক্ত। রাতে এ ঘটনার জেরে অনেকের বাড়িঘরে হামলা করা হয়েছে। ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এম এ মজিদ বলেন, জামায়াত ফ্যাসিস্ট আ’লীগকে সঙ্গে নিয়ে একের পর এক বিএনপি নেতাকর্মীদের হত্যা করছে। এটা ভালো লক্ষন নয়। এভাবে চলতে থাকলে বিএনপি ঘরে বসে থাকবে না। তিনি এ হত্যার বিচার দাবী করেন।

এ ব্যাপারে হরিণাকুণ্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া হাসান বৃহস্পতিবার দুপুরে জানান,নিহতের ছেলে বাদি হয়ে ১৪জনের নামে মামলা করেছে। রাতেই কুল্ল্যাগাছা ভাতুড়িয়া গ্রামে পুলিশ পাঠানো হয়েছিলো। সঙ্গে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও টহলে ছিল। একটা রান্নাঘরে সামান্য একটু আগুন দিয়েছে বড় কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বর্তমানে ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং বৃহস্পতিবার বিকাল ৩.৩০ ঘটিকায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে।




দর্শনায় পৃথক ভাবে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

দর্শনায় পৃথক পৃথক ভাবে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। এ দিবসটির শ্রদ্ধার সাথে স্বরন করতে দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান বুলেট ও ব্রাইটের নেতৃত্বে, রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদদের স্বরনে দর্শনা কেরু সৃতি সৌধে পুষ্পমাল্য অর্পন করেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর বিএনপির সমন্বয়ক লুৎফর রহমান, সোয়েব।

অন্যদিকে, দর্শনা পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শহীদ বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পন করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টার দিকে দর্শনা পৌর বিএনপির অন্যতম সমন্বয়ক আলহাজ্ব মশিউর রহমানের নেতৃত্বে দর্শনা পুরাতন বাজার বিএনপির দলীয় কার্যলয় থেকে বর্ণাঢ্য র‍্যালিটি দর্শনা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পন করে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাবু, দর্শনা পৌর বিএনপির অন্যতম সমন্বয়ক ও ঐতিহ্যবাহী মেমনগর বিডি হাইস্কুল পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মশিউর রহমান,মাহবুবুল ইসলাম খোকন, মহিদুল ইসলাম, দর্শনা থানা ছাত্রদলের সভাপতি আরাফাত হোসেন, দর্শনা থানা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোরশেদুর রহমান লিঙ্কন, দর্শনা পৌর ছাত্রদল নেতা আব্দুর রহিম মুন্না, আঃ রাজ্জাক শাহীন প্রমুখ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন দর্শনা রেলবাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি বিএনপি নেতা তোফাজ্জল হোসেন, হাজী মোখলেছুর রহমান, দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয়ক রেজাউল ইসলাম, নাসির উদ্দিন খেদু, বিএনপি নেতা আজিজুল ইসলাম, আব্দুল কাদের, তোফাজ্জল ইসলাম তুফোন, আজিজুল হক প্রমুখ।অপরদিকে দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয়ক এনামুল হক শাহ মুকুলের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য র‍্যালি শেষে মুক্তিযোদ্ধা শহীদ বেদীতে পুষ্প মাল্য অর্পণ করেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন,দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয় কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন,মালেক মোল্লা,দর্শনা পৌর যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক অপু সুলতান,সাবেক কমিশনার সাইফুল ইসলাম মুকুল,জলিল, সামসুল, আলমগীর,রবিউল ইসলাম রবি, দর্শনা পৌর কলেজ কলেজ ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন, অপরদিতে দর্শনা কেরু উচ্চ বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যদার সাথে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে।

অন্যদিকে, দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর ব্যাবস্থাপনা পরিচালকের নেতৃত্বে সকাল ৭ টায় জাতীয় পতাকা ও মুক্তিযোদ্ধা শহীদ বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পন করেন।দর্শনা পৌরসভা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ,অংকুর আদর্শ বিদ্যালয়,এ ছাড়া,মৌচাক সমাজ কল্যান স্ংস্থা, সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সামাজিক রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত করা হয়।এর আগে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।