পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ

জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন বিচার বিভাগীয় কর্মচারীরা।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করে বিচার বিভাগীয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন। এতে সংগঠনটির জেলা শাখার সভাপতি সুব্রত কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক আসাফুদ্দোলা মাসুম, যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, রবিউল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

এ সময় বক্তারা জাতীয় নির্বাচনের আগেই পে-স্কেল ঘোষণা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। দ্রুত দাবি মানা না হলে কলম বিরতিসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

সমাবেশ শেষে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি জেলা জজ আদালত চত্বর থেকে শুরু হয়ে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বর প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।




দর্শনা শতাধিক আওয়ামী লীগ সমর্থিত শ্রমিক বিএনপিতে যোগদান

দর্শনা পৌর এলাকার রেল ইয়ার্ডের সরদার মনু মিয়াসহ শতাধিক আওয়ামী লীগ সমর্থিত শ্রমিক বিএনপিতে যোগদান করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে লেবার সরদার মনু মিয়ার নেতৃত্বে এসব শ্রমিক আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন।

যোগদান অনুষ্ঠানে দর্শনা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সমন্বয়ক হাজী খন্দকার শওকত আলী এবং হাবিবুর রহমান বুলেট নবাগতদের হাতে হাত রেখে দলে স্বাগত জানান।

এ সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, চুয়াডাঙ্গা-২ নির্বাচনী এলাকায় আমরা একজন ভালো মানুষ পেয়েছি, যিনি সৎ, নির্ভীক এবং দলের কাছে তাঁর কোনো ব্যক্তিগত চাওয়া নেই। তিনি একজন সেবক হিসেবে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম মিঠু, আপু সুলতান, জিয়াউল হক শাহিন, যুবদল নেতা সেলিম মেহবুব লিটন, সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রদল নেতা সেলিম মাহফুজ মিলটনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

সবশেষে বিএনপির নেতাকর্মীরা নবযোগদানকারী শ্রমিকদের হাতে ধানের শীষের ব্যাজ পরিয়ে দেন।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন দর্শনা পৌর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল।




চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের তিন প্রার্থী এক মঞ্চে, জাকের পার্টির শান্তি সমাবেশে মিলনমেলা

চুয়াডাঙ্গা-২ সংসদীয় আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাকের পার্টির উদ্যোগে “শান্তি সমাবেশ” অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় চুয়াডাঙ্গা দর্শনা মুক্তমঞ্চে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের তিন প্রধান রাজনৈতিক দলের সংসদীয় প্রার্থী। তাঁরা হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী রুহুল আমিন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী হাসানুজ্জামান সজিব।

সমাবেশে তিনজন প্রার্থীই চুয়াডাঙ্গার সার্বিক উন্নয়নে দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

বিএনপি প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, চুয়াডাঙ্গা একটি কৃষি ও সম্ভাবনাময় জেলা হলেও দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো খাতে পিছিয়ে রয়েছে। নির্বাচনে যে-ই বিজয়ী হোক না কেন, চুয়াডাঙ্গার মানুষের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক বিভাজন ভুলে গিয়ে মানুষের উন্নয়নকে প্রাধান্য দিতে হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে সকল রাজনৈতিক দলের জনপ্রতিনিধি ও সুধীজনদের নিয়ে একটি সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেব। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী রুহুল আমিন বলেন, চুয়াডাঙ্গার মানুষ শান্তি ও স্থিতিশীলতা চায়। সহিংস রাজনীতি নয়, তারা উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করে। এজন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, কৃষি, ক্ষুদ্র শিল্প ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে চুয়াডাঙ্গাকে একটি মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের কল্যাণে আমরা সব ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী হাসানুজ্জামান সজিব বলেন, রাজনীতি মানুষের কল্যাণের জন্য, ক্ষমতার জন্য নয়। আমরা একটি দুর্নীতিমুক্ত, নৈতিক ও মানবিক সমাজ গড়তে চাই, যেখানে জনগণের অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে। তিনি আরও বলেন, চুয়াডাঙ্গার উন্নয়নের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ধর্মীয় মূল্যবোধভিত্তিক সমাজ গঠন এবং তরুণদের কর্মসংস্থানে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাই। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জাকের পার্টির জেলা সভাপতি আব্দুল লতিফ খান যুবরাজ এবং কেন্দ্রীয় পরিষদের জাকের পার্টি ছাত্র ফ্রন্টের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জিয়াউর রহমান জিয়া।

তাঁরা বলেন, এই শান্তি সমাবেশের মূল উদ্দেশ্য হলো রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে শান্তি, সহাবস্থান ও উন্নয়নের বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

সমাবেশে জাকের পার্টির নেতাকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থক, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।




দামুড়হুদায় পুষ্টি ও পরিবেশ সচেতনতা বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ

দামুড়হুদায় স্কুল মিল্ক ফিডিং কর্মসূচির আওতায় স্কুল শিক্ষক, ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য ও অভিভাবকদের জন্য ‘পুষ্টি ও পরিবেশ সচেতনতা’ বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে এবং প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে পুরাতন বাস্তবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

দামুড়হুদা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নীলিমা আক্তার হ্যাপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উবায়দুর রহমান সাহেল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে দুধের ভূমিকা অপরিসীম। স্কুল মিল্ক ফিডিং কর্মসূচির মাধ্যমে কোমলমতি শিশুদের স্কুলমুখী করা এবং তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা হচ্ছে। এই ধরনের প্রশিক্ষণ অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু হাসান, দামুড়হুদা প্রেসক্লাব সভাপতি শামসুজ্জোহা পলাশ, পুরাতন বাস্তবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসমতারা খাতুন এবং স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আসিকুল ইসলাম প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নীলিমা আক্তার হ্যাপি বলেন, শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা হলে তাদের শেখার আগ্রহ ও বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি পায়। দুধ একটি পরিপূর্ণ খাদ্য, যা শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। স্কুল মিল্ক ফিডিং কর্মসূচির ফলে বর্তমানে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

প্রশিক্ষণে প্রজেক্টরের মাধ্যমে দুধের উপকারিতা, পুষ্টিগুণ এবং স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন সম্পর্কে বিস্তারিত উপস্থাপন করেন প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. কমলাকান্ত পাল।




মেহেরপুরে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল

শেরপুরে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে এক জামায়াত নেতা নিহত হওয়ার ঘটনায়, নারী কর্মীদের হেনস্তা ও হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামী মেহেরপুর জেলা শাখা।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জেলা মডেল মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। পরে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মেহেরপুর জেলা প্রেস ক্লাবের সামনে গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা “রেজাউল ভাই মরলো কেন, তারেক জিয়ার জবাব চাই”, “প্ল্যান প্ল্যান কোন প্ল্যান, মানুষ খুনের মাস্টারপ্ল্যান”, “হ্যাঁ মানে হাদি, না মানে মোদি” ইত্যাদি স্লোগান দেন।

পরে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা রাজনৈতিক সেক্রেটারি রুহুল আমিন।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা নায়েবে আমির মাহবুব উল আলম, সদর উপজেলা আমির সোহেল রানা, পৌর আমির সোহেল রানা ডলার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গাফ্ফার, মুজিবনগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির খান জাহান আলী, এবি পার্টির আহ্বায়ক রফিকুজ্জামান এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি আব্দুস সালাম প্রমুখ।




মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বিএনপির দুই নেত্রী

মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোছা. রোমানা আহমেদ ও বিএনপি নেত্রী সাবিহা সুলতানা সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন।

সড়ক দুর্ঘনায় আহতের বিষয়টি আড়াল করে একটি মহল ‘জামায়াতের হামলায় আহত’ বলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। এ নিয়ে নেটদুনিয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ শুরু হয়।

জানা গেছে, মেহেরপুর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাসুদ অরুনের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা শেষে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় রিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোছা. রোমানা আহমেদ ও বিএনপি নেত্রী সাবিহা সুলতানা। আমঝুপি ও চাঁদবিলের মাঝামাঝি এলাকায় পৌঁছালে একটি কুকুরের সঙ্গে তাদের রিকশার ধাক্কা লাগে। এসময় রিকশাটি উল্টে যায়। এতে রোমানা আহমেদ ও সাবিহা সুলতানা আহত হন।

ঘটনার পর রোমানা আহমেদ এবং সাবিহা সুলতানার স্বামী শফিক সেন্টু তাদের নিজ নিজ ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দুর্ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে পোস্ট করেন। অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোতেও ঘটনাটি একটি সাধারণ সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবেই প্রকাশিত হয়।

তবে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এই দুর্ঘটনাকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা চালায় হয়। ফেসবুকে দাবি করা হয়, ধানের শীষের প্রচারণা শেষে ফেরার পথে জামায়াত-শিবিরের হামলার শিকার হন রোমানা ও সাবিহা।

তবে আহত বিএনপি নেত্রী রোমানা আহমেদ বলছেন, সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি ঠিক হচ্ছে না।

জেলা জামায়াতের রাজনৈতীক সেক্রেটারি মো. রুহুল আমিন বলেন, এভাবে দুর্ঘটনার খবর জামায়তের ঘাড়ে চাপিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাওয়া বিএনপির দেউয়ালিয়াত্ব প্রমাণ করে। এটা নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের সামিল। তিনি প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদের প্রতি অনুরোধ জানান, দোষীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় হোক।

এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আহত নেত্রীদের প্রতি সহমর্মিতা জানাতে জামায়তের নেতারা ছুটে যান।

আহত রোমানা আহমেদ তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে জানান, যারা দুর্ঘটনা নিয়ে বিএনপির জামায়াতের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন তারা ঠিক করছেন না।

সেখানে এ নেত্রী দুর্ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে জামায়াতের উপর দোষ চাপানো বন্ধ করার আহ্বান জানান।




সাংবাদিকদের কার্ড অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে ইসি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহের পেশাগত দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের কার্ড ও গাড়ির স্টিকার সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে ম্যানুয়ালি কার্ড ইস্যু করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

ম্যানুয়ালি কার্ড ইস্যু করার প্রক্রিয়া কেমন হবে—জানতে চাইলে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, এ বিষয়ে খুব শিগগির জানিয়ে দেওয়া হবে। যারা অনলাইনে আবেদন করেছেন, তারা তো করেছেন, তবে যারা অনলাইনে আবেদন করেননি, তাদের আর তা করা লাগবে না।

তারা সশরীরে নির্বাচন ভবনে এসে কার্ড ইস্যু করতে পারবেন।

এর আগে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের জন্য সাংবাদিক কার্ড ও গাড়ির স্টিকার নিতে অনলাইনে আবেদনের আহ্বান জানায় ইসি। তবে এই ‘প্রক্রিয়াটি ইউজার ফ্রেন্ডলি না’ জানিয়ে দ্রুত এর সমাধানের আশ্বাস দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

এদিকে, আগামী রবিবারের (১ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে সাংবাদিক কার্ড ও গাড়ির স্টিকার সংক্রান্ত জটিলতা সমাধানে ইসিকে আলটিমেটাম দেন সাংবাদিক নেতারা।

এরপরই অনলাইনে কার্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে ইসি।




শৈলকুপায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ২০ জন আহত

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০জন আহত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সাধুখালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, সাধুখালী গ্রামের শহিদুল মাস্টারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল একই এলাকার নূর আলী ও বাদশার।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে নূর আলী ও বাদশার লোকজন ওই জমি দখল নিতে গেলে শহিদুল মাস্টারের পক্ষের লোকজন বাধা দেয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল ও শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে শৈলকুপা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
শৈলকুপা থানার ওসি হুমায়ন কবির মোল্লা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।




হরিণাকুণ্ডুতে দেশীয় অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ মাদকসহ নারী গ্রেফতার

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে মাদক ও বিপুল সংখ্যক দেশীয় অস্ত্রসহ তাছলিমা আক্তার(৩৫) নামে এক নারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬।
গ্তকাল বুধবার রাত ১টার দিকে হরিণাকুন্ড পৌরসভার চটকাবাড়িয়া গ্রামের নিজ বাড়ী থেকে তাকে আটক করা হয়। হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি (তদন্ত) অসিত কুমার রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতারকৃত তাছলিমা আক্তার ওই গ্রামের হোসেন আলীর স্ত্রী। র‌্যাব-৬ এর কম্পানী কমান্ডার এএসপি মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে হরিণাকুণ্ডু পৌরসভার চটকাবাড়িয়া গ্রামের চিহ্নিত মাদক কারবারী হোসেন আলীর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। হোসেন আলী ওই গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে।

এ সময় দুই কেজি গাঁজা ও ৮টি রাম দা-সহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ তাছলিমা আক্তারকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-৬।
র‍্যাবের কর্মকর্তা আরও বলেন, এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হোসেন আলী পলাতক রয়েছেন। সে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।

পলাতক আসামীকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় থানায় মামলা করা হয়েছে।

হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি (তদন্ত) অসিত কুমার রায় বলেন, র‍্যাব-৬ এর পক্ষ থেকে হরিণাকুণ্ডু থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গ্রেফতার নারীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।




মুজিবনগরে মসজিদের দখলকৃত খাস জমির একমালিকানা হস্তক্ষেপ ঠেকাতে মানববন্ধন

মেহেরপুরের মুজিবনগরে ৬০ বছর ধরে মসজিদের কাজে ব্যাবহিত খাস জমির উপর একমালিকানা হস্তক্ষেপ ঠেকাতে মানববন্ধন করেছে গৌরীনগর দক্ষিনপাড়া জামে মসজিদ কমিটি ও মুসল্লীগণ।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টার দিকে মুজিবনগর উপজেলা পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় তার বলেন,মসজিদের সাথে একটি ডোবা খাস জমি ৬০ বছর ধরে মসজিদ কমিটি মসজিদের কাজে ব্যাবহার করে আসছে।
বর্তমানে গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে সামাদুল এবং আনারুল ইসলামের ছেলে সুমন নামের দুইজন মিটিকে জোর পূর্বক দখল করার চেষ্টা করছে।

মসজিদ কমিটির সভাপতি বলেন, মসজিদের সাথে একটি ডোবা খাস জমি ৬০ বছর ধরে মসজিদ কমিটি মসজিদের কাজর ব্যাবহার করে আসছে। তবে জমিটি বর্তমানে মসজিদের পশ্চিম পাশের সামাদুল ও সুমন নামের দুইজন জমিটিকে জোর পূর্বক দখল করার চেষ্টা করছে।

তাই জমিটির দখল ঠেকাতে এবং জমিটি মসজিদের নামে আইন অনুযায়ী লিজ দেয়ার জন্য আমরা উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আজকে মানববন্ধন করছি। মানববন্ধনে মসজিদ কমিটির সদস্য এবং শত শত মুসুল্লী অংশ নেয়।

এ বিষয়ে মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, মানববন্ধনের পরে উভয়পক্ষ আমার কাছে এসেছিলেন। উভয়পক্ষের আমিন ও সরকারি আমিন দিয়ে মেপে মিমাংসা করার বিষয়ে উভয়পক্ষ মত দিয়েছেন।