কোটচাঁদপুরে দুই দোকানে ২৬ হাজার টাকা জরিমানা

কোটচাঁদপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে কোটচাঁদপুর পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

এ সময় দুইজন দোকান মালিককে মোট ২৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। কার্তিক কুন্ডুকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৩৮ ধারা মোতাবেক ১৭ হাজার টাকা এবং মামুন কনফেকশনারিকে একই আইনে ৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযান পরিচালনা করেন কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এনামুল হাসান এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা। এ সময় উপজেলা ভূমি অফিসের সার্টিফিকেট পেশকার সুব্রত মণ্ডলসহ কোটচাঁদপুর মডেল থানা পুলিশের একটি চৌকস দল উপস্থিত ছিলেন।




আলমডাঙ্গায় দুই প্রতিষ্ঠানে ৫ হাজার টাকা জরিমানা

আলমডাঙ্গা পৌর বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে দুইটি মুদিখানা প্রতিষ্ঠানে মোট ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে।

মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে পৌর বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পান্না আক্তার।

অভিযানে শিশু খাদ্যের উত্তোলিত মূল্য তালিকা সংরক্ষণ না করা এবং নির্ধারিত মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫১ ধারায় দুইটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

অভিযানে ‘সুবল স্টোর’-কে ২ হাজার টাকা এবং বড় মসজিদের পাশে অবস্থিত ‘বাবুল স্টোর’-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়েছে।

অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোঃ মাহফুজুর রানা। প্রশাসনিক সহযোগিতায় ছিল আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম।

এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত বাজারের কাঁচাবাজার, ফলপট্টি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকানগুলোতে বিশেষ মনিটরিং ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। ব্যবসায়ীদের যথাযথভাবে মূল্য তালিকা প্রদর্শন এবং নির্ধারিত দামে পণ্য বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বাজার এলাকা ফুটপাতমুক্ত রাখার বিষয়েও সতর্ক করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




দর্শনায় নাগরিক সেবা বৃদ্ধি ও ঈদ উৎসব পালনের প্রস্তুতি সভা 

দর্শনা পৌরসভার নাগরিক সেবা বৃদ্ধি ও আসন্ন ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গলবার পৌরসভার হলরুমে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পৌর প্রশাসক জনাব মোঃ সাহিন আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পৌর নাগরিকদের সেবা কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়, সে বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলররা নিজ নিজ ওয়ার্ডের সমস্যা ও সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে ছিল পৌরসভার ঈদগাহ মাঠ প্রস্তুতকরণ, রাস্তা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, সড়কবাতি সচল রাখা এবং নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা। এছাড়া পৌরসভার আয় বৃদ্ধি লক্ষ্যে হোর্ডিং ট্যাক্স ও ট্রেড লাইসেন্স আদায় জোরদারসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন পৌর সচিব সাজেদুল আলম, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা রকিবুল ইসলাম, সমবায় সমিতির কর্মকর্তা মোঃ হারুন অর রশিদ, থানা শিক্ষা অফিসার জিয়াউর রহমান, থানা প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম, কৃষি কর্মকর্তা মুকুল হোসেন এবং সমাজসেবা কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান সহকারী শাহ আলম, কর নির্ধারক জাহিদুল ইসলাম, হিসাবরক্ষক আরিফিন হোসেন, লাইসেন্স পরিদর্শক মমিনুল ইসলাম, কার্যসহকারী হারুন অর রশিদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।




কর্মকর্তাদের প্রতি অবৈধ সুপারিশ গ্রহণ না করার আহবান

মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির তাজ উদ্দিন খান বলেছেন, জনগণের জন্য যেসব কাজ করা সম্ভব, সেগুলো কোনো ধরনের অবৈধ তদবির (সুপারিশ) বা ফোন ছাড়াই সম্পন্ন করার জন্য কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মুজিবনগর উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মুজিবনগর উপজেলার সকল অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা এমপির সামনে ‍তুলে ধরেন।

এমপি বলেন, মেহেরপুর একটি কৃষিপ্রধান এলাকা। কৃষি খাতকে এগিয়ে নিতে আপনাদের সহযোগীতা নিয়ে এখাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবেন বলে জানান।

মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিভিন্ন অধিদপ্তরের প্রধানরা তাদের দপ্তরের সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন।

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ইকবাল হোসেন, মুজিবনগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমির খানজাহান আলী ও সেকেটারি খাইরুল বাশার।

এর আগে সংসদ সদস্য উপজেলায় পৌঁছালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সকল কর্মকর্তা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন।




গাংনীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবীর জেল-জরিমানা

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বাওট গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বেদ আলী (৫০) নামের এক মাদকসেবীকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী হাকিম ও গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসেন এ দণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত বেদ আলী বাওট গ্রামের মোল্লাপাড়ার মৃত করিম মণ্ডলের ছেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, বেদ আলী নিজ বাড়িতে মাদক সেবন করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেহেরপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি টিম সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানে এক পুরিয়া গাঁজা ও গাঁজা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়। সাজাপ্রাপ্ত বেদ আলীকে তাৎক্ষণিকভাবে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।




মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের বাজার মনিটরিং ও জরিমানা আদায় 

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজারমূল্য ভোক্তাদের সহনীয় পর্যায়ে রাখতে আজ মুজিবনগর উপজেলায় বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরাফাত হোসেনের নেতৃত্বে উপজেলার কেদারগঞ্জ এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় সবজি ও মাছের বাজারে খুচরা পর্যায়ে কাঁচকলা, বেগুন, কাঁচা মরিচ, শসা, বেসন, ছোলার ডাল, ছোলা, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লেবু, মাছ, মুরগির মাংস ও খাসির মাংসসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকানে তদারকি করা হয়।

অভিযানকালে দোকানিদের ক্রয়-বিক্রয়ের পাকা ভাউচার সংরক্ষণ, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি না করা এবং মূল্য তালিকা প্রদর্শনের বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় বিএসটিআইয়ের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ তৌহিদুল কবীরের নেতৃত্বে হোটেল বাজার এলাকায় পৃথক মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৩৯ ধারায় ৪টি পৃথক মামলায় মোট ৪ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

জেলা প্রশাসন জানায়, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




আলমডাঙ্গায় অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে জনতার হাতে আটক দুইজন

আলমডাঙ্গা উপজেলায় মধ্যরাতে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

সোমবার মধ্যরাতে আলমডাঙ্গা উপজেলার কুমারী ইউনিয়নের পারদুর্গাপুর গ্রামে জব্বার আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আটককৃতরা হলেন পারদুর্গাপুর গ্রামের আইজুদ্দিনের ছেলে জিনারুল (৪০) এবং একই গ্রামের জব্বার আলীর স্ত্রী নুরজাহান খাতুন (৪০)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত নুরজাহান খাতুন তার স্বামী জব্বার আলীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জব্বার আলী দীর্ঘদিন প্রবাসে অবস্থান করে উপার্জিত প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা স্ত্রীর কাছে পাঠান। অভিযোগ রয়েছে, ওই অর্থের একটি বড় অংশ জিনারুলকে দেওয়া হয়েছে।

মধ্যরাতে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি কক্ষের ভেতরে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় জনতা তাদের আটক করে। পরে খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের হেফাজতে নেয়।

পুলিশ জানায়, আটক দুইজন বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।




জামায়াত কর্মী হত্যার প্রতিবাদে আলমডাঙ্গায় বিক্ষোভ মিছিল

আলমডাঙ্গায় জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমান হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমান হত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আলমডাঙ্গা উপজেলা শাখার উদ্যোগে গতকাল সোমবার বিকেলে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

মিছিলটি আলমডাঙ্গা উপজেলা গেট থেকে শুরু হয়ে চারতলা মোড় ঘুরে আলিফউদ্দিন রোড মোড়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে উপজেলা জামায়াতের আমীর প্রভাষক শফিউল আলম বকুলের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মামুন রেজার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুব বিভাগের সভাপতি শেখ নূর মোহাম্মদ হুসাইন টিপু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আইন-আদালত বিষয়ক সম্পাদক দারুস সালাম।

সমাবেশে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকার গঠন করার পর দেশে ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, খুন ও সহিংসতা বেড়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রবাস জীবন শেষে দেশে এসে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন এবং এভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করলে ১৭ মাসও সরকার টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।

বিশেষ অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় বিএনপির সন্ত্রাসীদের হামলায় জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমান নিহত হয়েছেন। এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তিনি আরও বলেন, প্রশাসন যদি গাফিলতি করে, তবে তা অত্যন্ত দুঃখজনক হবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা পৌর আমীর মাহের আলী, উপজেলা নায়েবে আমীর ইউসুফ আলী মাস্টার, সেক্রেটারি মামুন রেজা, পৌর নায়েবে আমীর মাওলানা জুলফিকার আলী এবং পৌর সেক্রেটারি মুসলিম উদ্দিনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

সমাবেশ শেষে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি শেষ হয়।




জীবননগরে জামায়াত কর্মী হত্যা মামলার মূল আসামি মেহেদীসহ তিনজন গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ এলাকায় জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষে জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমান হত্যার ঘটনায় মামলার মূল পরিকল্পনাকারীসহ তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

গত শনিবার জীবননগর থানা পুলিশ মামলার দুই আসামি আব্দুস সালাম ও জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর গতকাল সোমবার ভোরে চুয়াডাঙ্গা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর আশরাফের নেতৃত্বে একটি দল দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি হাসাদাহ বাজারপাড়ার জসিমউদ্দিনের ছেলে মেহেদী হাসানকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবি পুলিশ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার মেহেদী হাসানকে সোমবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

হাফিজুর রহমান হত্যা মামলায় নিহতের ভাই আমির হোসেন মোট ৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।




আলমডাঙ্গায় পুলিশের অভিযানে চোরাই মোটরসহ চোর আটক

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চোরাই পানির মোটর উদ্ধারসহ এক চোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জানা গেছে, আলমডাঙ্গা পৌরসভার এক্সচেঞ্জপাড়ার ইসরাফিল হোসেনের বাসায় গত রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে অজ্ঞাতনামা চোরচক্র বাড়ির সীমানা প্রাচীর টপকে টিউবওয়েলের সঙ্গে লাগানো গাজী কোম্পানির এক হর্সপাওয়ারের একটি মোটর চুরি করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় এক্সচেঞ্জপাড়ার রিন্টু হোসেনের ভাড়াটিয়া, খাসকররা গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে মো. ইসরাফিল হোসেন (৩৩) বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন।

এজাহারের ভিত্তিতে আলমডাঙ্গা থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. হাবিবুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। গত ২ মার্চ রাত আনুমানিক ২টার দিকে আলমডাঙ্গা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের এক্সচেঞ্জপাড়ায় মো. বসির আহম্মেদের বসতবাড়ির সামনে ইটের রাস্তা থেকে মামলার আসামি গোবিন্দপুর গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে শওনকে (৩০) চুরি যাওয়া পানির মোটরসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।