গাংনীতে অবৈধ পথে আসা সাড়ে ৫শ কেজি জিরা উদ্ধার

মেহেরপুরের গাংনীতে অবৈধভাবে পাচার হয়ে আসা সাড়ে ৫শ কেজি জিরা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে গাংনী উপজেলার ব্রজপুর গ্রামের সড়ক থেকে বস্তাবোঝাই এসব জিরা উদ্ধার করে ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্প।

গাংনীর ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আব্দুল করিম জানান, ভারতীয় পণ্য পাচার হয়ে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার রামনগর-ব্রজপুর সড়কে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় সড়কে বস্তাবোঝাই করে আসা একটি শ্যালোইঞ্জিনচালিত আলগামন থামানো হয়। পরে গাড়িটির বস্তা খুলে বিপুল পরিমাণ জিরা উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত সাড়ে ৫শ কেজি জিরাসহ অবৈধ পণ্য বহনের দায়ে চালক ও গাড়িটি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মামলা শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




দামুড়হুদায় গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে আমের সোনালি মুকুল

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় বসন্তের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে আমগাছগুলোতে দেখা মিলছে প্রচুর আমের মুকুল। মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত হয়ে উঠেছে দামুড়হুদা উপজেলার গ্রাম-গঞ্জ। মুকুল থেকে মৌমাছির মধু সংগ্রহের উৎসবে যেন মেতে উঠেছে প্রকৃতি।

উপজেলার সদরসহ সকল গ্রামের আমগাছগুলো এখন মুকুলে ভরপুর। গাছে গাছে উঁকি দিচ্ছে আমের সোনালি মুকুল। বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে মুকুলের মিষ্টি সুবাস। মুকুল যেন নষ্ট না হয়, সে জন্য ইতোমধ্যে বাগান মালিকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন বাগান পরিচর্যায়।

চারদিকে শোনা যাচ্ছে কোকিলের মিষ্টি কুহু কুহু ডাক আর মৌমাছির গুনগুন শব্দ। মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণ যেন জাদুর মতো কাছে টানছে ভ্রমরদের। গাছের প্রতিটি শাখা-প্রশাখায় চলছে ভ্রমরের সুরের ব্যঞ্জনা। বসন্তের স্নিগ্ধ আবহে শোভা ছড়াচ্ছে স্বর্ণালি মুকুল।

উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, বাগানসহ অনেক বাড়ির উঠানেও আমগাছে শোভা পাচ্ছে মুকুল। বাতাসে মুকুলের সুবাসিত পাগল করা ঘ্রাণ। গাছের আমপাতার সবুজ বিছানায় মুকুলের সোনালি রেণু যেন ফাগুনকে ফুলশয্যায় সাজিয়ে তুলেছে। এর সঙ্গে সঙ্গে বিদায় নিচ্ছে শীতকাল।

তবে আমের ফলন অনেকটাই আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি বছর আমের ফলন ভালো হবে বলে আশা করছেন আমচাষিরা। বাগান মালিকরা জানান, আগাম মুকুল দেখে তারা অনেক খুশি। এই মুকুল টিকে থাকলে এবার বাম্পার ফলন পাওয়া যাবে। তবে ঘন কুয়াশা পড়লে মুকুল পচে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

দামুড়হুদার জয়রামপুর মল্লিকপাড়ার আম ব্যবসায়ী কাওছার আলী বলেন, “গত বছর ১২ বিঘা জমিতে আমার আম বাগান ছিল। ঝড়ের কারণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল, এতে আমি বড় অঙ্কের লোকসানে পড়ি। এ বছর সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ৬ দাগে মোট ১৭ বিঘা জমিতে আম বাগান নিয়েছি। বর্তমানে আমগাছে যেন কোনো পোকার আক্রমণ না হয় বা মুকুল নষ্ট না হয়, সে জন্য নিয়মিত ওষুধ প্রয়োগ করে পরিচর্যা করছি। মুকুলের পরিমাণ মোটামুটি ভালো আছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর গত বছরের ক্ষতি পুষিয়ে লাভবান হতে পারব।”

দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানান, “আমরা সব সময় আমচাষিদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করে আসছি। প্রয়োজনে সব সময় তাদের পাশে আছি। চলতি বছর উপজেলায় ৭৯৫ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে।”




হারিণাকুণ্ডুতে নিখোঁজের ১২ ঘন্টা পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নে নিখোঁজের ১২ ঘন্টা পর জসিম উদ্দিন (৩০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে উপজেলার টেংরাখালির মাঠের একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত জসিম উদ্দিন দৌলতপুর গ্রামের মোক্তার আলীর ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরের দিকে ঘাস কাটার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন জসিম উদ্দিন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তিনি বাড়িতে ফিরে না আসায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

ওই দিন রাত পোনে ১২টার দিকে টেংরাখালির মাঠের একটি ভুট্টাক্ষেতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহতের প্রতিবেশী জহিরুল ইসলাম জহির জানান, মরদেহের গলায় ফাঁসের দাগ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। স্থানীয়দের ধারণা, তাকে মারধর করে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

হরিণাকুণ্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া হাসান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকান্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত জানা যাবে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান।




হরিণাকুণ্ডুতে সরকারী কর্মচারীদের মানববন্ধন

বৈষম্যহীন ৯ম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন ও বাস্তবায়নের দাবীতে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে সরকারী কর্মচারীদের মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রয়ারি) সকালে উপজেলার দোয়েল চত্বরে বাংলাদেশ কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচী পালন করা হয়।

এতে সংগঠনটির উপজেলা শাখার সভাপতি মীর জাহাঙ্গীর হোসেন, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম ও জিয়াউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইমদাদুল হকসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

সেসময় বক্তারা জাতীয় নির্বাচনের আগেই পে-স্কেল ঘোষণা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। দ্রুত দাবী মানা না হলে কর্ম বিরতিসহ কঠোর আন্দোলনের কর্মসুচী পালনের ঘোষণার হুশিয়ারি দেন বক্তারা।




মেহেরপুরে নিঃসন্তান গৃহবধূকে ধর্ষণ, কবিরাজের যাবজ্জীবন

মেহেরপুরে নিঃসন্তান এক গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে মুজা শেখ ওরফে মুজা কবিরাজ (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

গত মঙ্গলবার দুপুরে মেহেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আলী মাসুদ শেখ এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মুজা শেখ মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর গ্রামের শেখপাড়ার মৃত হযরত আলীর ছেলে।

রায় ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন বলেন, নিঃসন্তান এক গৃহবধূ চিকিৎসা নিতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন। সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত এই মামলায় চূড়ান্ত রায় দিয়েছেন। এ রায়ের মাধ্যমে সমাজে ধর্ষণের মতো অপরাধ কমবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ৩ মার্চ চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা উপজেলার চিতল গ্রামের এক নিঃসন্তান দম্পতি সন্তান লাভের আশায় কবিরাজ মুজা শেখের কাছে চিকিৎসা নিতে মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর গ্রামে আসেন। এ সময় কবিরাজ চিকিৎসা দেওয়ার কথা বলে স্বামী-স্ত্রীকে একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে ওষুধ দেওয়ার নাম করে স্বামীকে অজ্ঞান করে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন তিনি।

ঘটনার পরদিনই ভুক্তভোগী দম্পতি মেহেরপুর সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ঘটনার সত্যতা পায়।

পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মেহেরপুর সদর থানার সাবেক ওসি শাহ দারা খান ২০২১ সালের ১৯ নভেম্বর কবিরাজ মুজা শেখকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত অভিযুক্তকে সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
রায় ঘোষণার সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিয়াজান আদালতে উপস্থিত ছিলেন।




মেহেরপুরে ডাকাত দলের আক্রমণ, দুই নারীসহ আহত ৪

মেহেরপুর-মুজিবনগর সড়কের পিটিআই ও নতুনগ্রামের মাঝামাঝি স্থানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসময় সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের হামলায় শিশু সহ ৫ জন আহত হয়েছে।

আহতরা হলো-আব্দুর রশিদ (৩০), সোহানি জামান (২৭), উবসন (৪০), ৩ বছরের শিশু আয়ান ও অটোচালক রাজা মিয়া (৩৭)। আহতদের মধ্যে ২জন মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। বাকীরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে। বুধবার দিনগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা জানায়, মুজিবনগর উপজেলার মোনাখালি গ্রাম থেকে রাতে আব্দুর রশিদের স্ত্রী সোহানি জামানকে নিয়ে অটোরিক্সাতে করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আসছিল পরিবারের সদস্যরা। রাস্তায় আসার সময় পিটিআই ও নতুনগ্রামের মাঝামাঝি স্থানে এসে পৌছালে সেখানে এক দল ডাকাত রাস্তায় গাছ ফেলে অটোরিকশার গতি রোধ করে।

পরে অটোরিক্সাতে থাকা সকলকে মারধর করে মহিলাদের কাছে থেকে কানের দুল, ২টা মোবাইল এবং নগদ কিছু টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং আটোচালক ও আরো একজন রোগির স্বজনকে মারধর করে যখম করে।

এসময় মুজিবনগর থেকে যাত্রী নামিয়ে দিয়ে আসা জে আর পরিবহনের একটি বাস তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। আহত আব্দুর রশিদ ও অটোরিক্সা চালক রাজা মিয়া বর্তমানে মেহেরপুর ২৫০ বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছে।

মেহেরপুর সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবি জানান এ ঘটনায় পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।




আলমডাঙ্গায় ব্যাবসায়ীদের সাথে নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় এ্যাড. রাসেল

আলমডাঙ্গা বিজনেস ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ব্যাবসায়িদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়েছে।

গতকাল রাত ৮ টার সময় আলমডাঙ্গা জেস টাওয়ারের হলরুমে বিজনেস ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোঃ বিল্লাল হুসেইনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের এমপি প্রার্থী এ্যাড. মাসুদ পারভেজ রাসেল। ব্যাবসায়িদের কথা আমি শুনেছি, আপনাদের সকলের দাবী নিরাপত্তা, আমি কথা দিচ্ছি যদি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হই তাহলে ব্যাবসার পরিবেশ ফিরে আসবে ইনশাআল্লাহ।

আমি আলমডাঙ্গার সন্তান,আপনাদের সকলের কথা অনুযায়ী চাঁদাবাজি করতে দেব না। আপনারা সকলে স্বাধীনভাবে ব্যাবসা করবেন আমি কথা দিচ্ছি, সকল মানুষ স্বস্তিতে থাকবেন এটাও আমার ওয়াদা, আলমডাঙ্গার সকল ব্যাবসায়ি সমিতির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন, আলমডাঙ্গা বনিক সমিতির সাধারন সম্পাদক খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মামুন, ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা উপজেলা জামায়াতের আমির শফিউল আলম বকুল, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তা বেসিক ব্যাংকের পরিচালক ড. আবু সালেহ মোস্তাফা কামাল, সাবেক চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা দারুস সালাম, জামায়ত নেতা নুর মোহাম্মদ হুসাইন টিপু, সার ব্যাবসায়ি সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব হারুনার রশিদ, জুয়েলারি সমিতির সভাপতি দিলিপ কুমার চৌধুরী, বনিক সমিতির সদস্য কাচলাম ব্যাবসায়ি তোতা মিয়া, হাজী আব্দুল খালেক, হ্যামলেট ক্যাফের স্বত্বাধিকারী মুসাব আলী, ডেন্টিস্ট সজিব, হাজী মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ তোফাজ্জেল হোসেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, জাকির হোসেন, মো: জাহাঙ্গীর হোসেন, মোঃ আকতার আশরাফ তুষার, দেলোয়ার হোসেন, শেখ শহিদুল ইসলাম দুলু, মনিরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম শিবলী, আশরাফুল হক লুলু, দুলু মিয়া, শেখ রোকনোজ্জামান রোকন, আমানুল্লাহ আমান

মো: আকুল, মো: মাসুম, বাবলু, রনি, আব্দুল জলিল, ইমরুল কায়েস, সাইদুর রহমান বকুল, আব্দুল মজিদ, অমল কুমার অধিকারী আকবর হোসেন আকু, ফরজ আলি, তরিকুল ইসলাম সুমন, জোসেফ, ফিরোজ, মিজানুর রহমান, আব্দুল লতিফ লালটু প্রমুখ।




আলমডাঙ্গায় জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদে হাতুড়িপিটিয়ে জখম

আলমডাঙ্গার হাউসপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদে জমির মাপজোখের সময় হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করলো প্রতিপক্ষরা।

জানা গেছে, আলমডাঙ্গা হাউসপুর গ্রামের বিশিষ্ট   ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের শিলু ও ভাই জিকুর সাথে একই গ্রামের নিকবার আলির ছেলে জাহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম ডুবুরি, ওহিদুল ইসলামের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলমান। আহত শিলুর বড় ভাই জিকু তার জমির অংশ থেকে নিকবার আলির ছেলেদের কাছে জমি বিক্রয় করে এবং জিকুর দেখানো জমির অংশে নিকবার আলির ছেলেরা দুইতলা বিশিষ্ট ঘর নির্মাণ করেছে।

আব্দুল কাদের শিলুর অভিযোগ হলো ৫ শতক ক্রয়কৃত জমির অংশে বাড়ি তৈরি করেনি বরং ১৩ শতক জমি দখল করে তারা বসতবাড়ি তৈরি করেছে।

এবিষয় নিয়ে আলমডাঙ্গা থানা থেকে শুরু করে স্থানীয় নেতৃবৃন্দর মাধ্যমে বহুবার বিচার শালিসের মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

গতকাল সকাল ১০ টার সময় যৌথ বাহিনীর আদেশ মোতাবেক দুইজন আমিন সাথে নিয়ে শিলু ও তার লোকজন জমি মাপজোখ করতে যায়। এই সময় নিকবার আলির তিন ছেলে শিলুকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মাথায় জখম করে।

স্থানীয় লোকজন শিলুকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। হসপিটাল ও শিলুর পরিবার সুত্রে জানা গেছে, আহত শিলুর মাথায় জখম স্থানে ৭টি সেলাই দিয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।




চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার সাংবাদিকদের নিয়ে দুইদিনব্যাপী নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণ

আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচনে রিপোর্টিং বিষয়ে চুয়াডাঙ্গায় দুইদিনব্যাপী নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার অর্ধশতাধিক সাংবাদিক।

গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে দশটায় চুয়াডাঙ্গা সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে ( তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) এর পক্ষ থেকে এই প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।

দুই দিনব্যাপী অর্থাৎ ৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারী এই প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করেন, চুয়াডাঙ্গা প্রেস ক্লাবের সভাপতি নাজমুল হক স্বপন।

প্রশিক্ষণে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, মেহেরপুর জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি তোজাম্মেল আযম।

প্রশিক্ষণে প্রথম পর্বে “জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও এআই ভেরিফিকেশন টুলস এবং ইনফরমেশন ইন্টপগ্রিটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন সাংবাদিক ও ইউল্যাব এর নাজিয়া আফরিন মনামী। প্রশিক্ষণে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, পিআইবির প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণের সমন্বয়ক সাহানোয়ার সাইদ শাহীন।




মেহেরপুরের মুজিবনগরে বোমা সাদৃশ বস্তু উদ্ধার

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার দারিয়াপুরে পাঁচ দিনের ব্যবধানে এবার লাল টেপ মোড়ানো বোমা সাদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার দারিয়াপুর ইউনিয়নের কদমতলা রোড এলাকা থেকে বস্তুটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত ৩১শে জানুয়ারি সকালে এবং বিকেলে দারিয়াপুরের দুটি জায়গা থেকে লাল টেপ মোড়ানো ককটেল সাদৃশ বস্তু উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দারিয়াপুর গ্রামের আকামত আলীর ছেলে আল আমিন এর বাড়ির পাশে পাকা রাস্তার ড্রেনের মধ্যে লাল কসটেপ দ্বারা পেচানোে একটি বোমা সাদৃশ বস্তু যার তিনমূখী তার সংযুক্ত এবং তিনটি অংশ কালো কসটেপ দিয়ে পেচানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দারিয়াপুর গ্রামে কদম তলা রোডে আকামত আলীর ছেলে আল আমীন এর বাড়ির দক্ষিণ পাশে পাকা রাস্তার ড্রেনের মধ্যে বোমা সাদৃশ বস্তুটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা মুজিবনগর থানা পুলিশকে খবর দেয়। মুজিবনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তুটি উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করার উদ্দেশ্যে থানায় নিয়ে যায়।

মুজিবনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং বস্তুটি উদ্ধার করে। এটি আসলেই কোনো বিস্ফোরক কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ওসি বলেন, ‘কে বা কারা, কী উদ্দেশ্যে এটি সেখানে রেখেছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।’