জীবননগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী রুহুল আমিন

চুয়াডাঙ্গা-২ (জীবননগর-দামুড়হুদা) আসনের জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ও চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোঃ রুহুল আমিন রোববার দুপুরে জীবননগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন। জীবননগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজের নির্বাচনী অঙ্গীকার, উন্নয়ন ভাবনা এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন।

মোঃ রুহুল আমিন বলেন, জনগণের কল্যাণে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, চ্যাংখালী স্থলবন্দর প্রতিষ্ঠা, জনগণের অধিকার নিশ্চিতকরণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে তিনি কাজ করতে চান। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের ভূমিকা ও সহযোগিতার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আজিজুর রহমান, জীবননগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম. আর. বাবু, সাপ্তাহিক জীবননগর বার্তার সম্পাদক শামসুল আলম, দৈনিক চুয়াডাঙ্গা পত্রিকার সম্পাদক শেখ আব্দুল আজিজ, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মফিজ জোয়ার্দার, জীবননগর সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আতিয়ার রহমান, জীবননগর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, সাংবাদিক আকিমুল ইসলাম, মিঠুন মাহমুদ, মুন্সী রায়হান, জামাল হোসেন খোকন, হুমায়ুন, এম আই মুকুল, রিপন হোসেন, মুতাসিন বিল্লাহ, তুহিনুজ্জামান, কাজল হোসেন, তারেক, আব্দুল্লাহ, রমজান আলী, আহমেদ সগীর, রকি, অনিকসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

উক্ত অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জীবননগর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মাজেদুর রহমান লিটন।




দামুড়হুদায় রবি প্রণোদনার বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন

দামুড়হুদায় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন করা হয়েছে।

রোববার বেলা ১১টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিসার শারমিন আক্তারের সভাপতিত্বে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের রবি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বোরো উফশী ও বোরো হাইব্রিড ধানের বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তিথী মিত্র।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার উপজেলার ২৫০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ২ কেজি উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড জাতের ধানের বীজ বিতরণ করা হবে। এছাড়াও ৮১০ জন কৃষককে ১০ কেজি উফশী জাতের বীজ, ১০ কেজি এমওপি সার এবং ১০ কেজি ডিএপি সার বিনামূল্যে দেওয়া হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াহেদ, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, সোহরাব হোসেন, বজলুর রহমান, মামুন-অর-রশিদ, নাজমুল হুসাইন, মুকুল হোসেন, জান্নাতুল ফেরদৌস, আসমা আকতার, চাঁদনী খাতুন এবং মুইন নাদিম।




মেহেরপুরে সার বিক্রি নীতিমালা সংশোধনের দাবিতে খুচরা সার ডিলারদের মানববন্ধন

খুচরা সার বিক্রেতা আইডি কার্ড বহাল রাখা, টিও লাইসেন্স চালু রাখা এবং সার সংরক্ষণ নীতিমালা-২০২৫ সংশোধনের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ মেহেরপুর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা।

রবিবার বিকেল ৩টায় মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। কর্মসূচি শেষে খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন মেহেরপুর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কাছে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।

সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন মেহেরপুর জেলা শাখার সভাপতি শাহিনুল ইসলাম শাহীনের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। সভাপতিত্বের বক্তব্যে তিনি বলেন, আপনারা যে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেটা কি কখনো বুঝতে পেরেছেন এর দ্বারা কি হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ , এদেশে কিছু যদি সচল না থাকে কোন কিছুই সচ্ছল থাকবে না। আপনার এত বড় একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমার মনে হয় বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে এত বড় আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত এ পর্যন্ত কোন সরকার নিয়েছে বলে আমার জানা নাই। কারণ এই লাইসেন্স নিয়ে যারা ব্যবসা করেছে মেহেরপুরবাসী জানে এই খুচরা ডিলার, কার্ড ধারী ডিলার এটা কত বড় লাঞ্ছিত এই বিসিআইসি ডিলারদের কাছ থেকে । দুর্নীতি যদি করে থাকে সিন্ডিকেট যদি করে থাকে তারা করেছে।

মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রধান উপদেষ্টার কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি সার সংরক্ষণ নীতিমালা-২০২৫ অবিলম্বে সংশোধন করুন। এই নীতিমালা বহাল থাকলে সারা দেশের ৪৫ হাজার খুচরা সার বিক্রেতা পরিবার এবং তাদের সঙ্গে জড়িত হাজার হাজার কর্মচারীর পরিবারের সন্তানেরা পথে বসবে। যারা সিন্ডিকেট করেছে, কেবল তাদেরই শাস্তি দিন। নীতিমালা সংশোধন না হলে কৃষক ও আমাদের পরিবারকে নিয়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সহ-সাধারণ সম্পাদক হুসাইন এরশাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল করিম, গাংনী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা মাসুদ রানা, ইলিয়াস হোসেন, মুজিবনগর উপজেলা সভাপতি বিপ্লব হোসেন, কলিমুদ্দিনসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত শত শত খুচরা সার বিক্রেতা ও নেতৃবৃন্দ।




খোকসা যুব সংঘের উদ্যোগে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান

মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নের খোকসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খোকসা যুব সংঘের উদ্যোগে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার দুপুর সাড়ে বারোটায় বিদ্যালয়ের নিজস্ব হল রুমে এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশে এ বিদায় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

বিদায় অনুষ্ঠানে খোকসা যুব সংঘ সভাপতি সামসুজ্জামান হামিদুল সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোকসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষিকা উলফাতুন নাহার, এছাড়া আরো  উপস্থিত ছিলেন খোকসা যুব সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা, অর্থ সম্পাদক শরিফুজ্জামান টুটুল, সহ সাধারণ সম্পাদক হেলাল শেখ, খাদ্য বিষয়ক সম্পাদক মোশারফ হোসেন, নির্বাহী সদস্য মাসুম রেজা, জিহাদ, সাইফুল ইসলামসহ সংগঠনের আরও নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, বিদায় মানে শেষ নয়, এগিয়ে যাওয়ার নতুন পথচলা। তোমরা পরবর্তীতেও মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করবে এবং বিদ্যালয়ের সুনাম ধরে রাখবে।

সংগঠনের সভাপতি বলেন, শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে আমাদের সমাজের প্রতিটি মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। পঞ্চম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তারা যেন সৎ, আদর্শবান ও জ্ঞানী নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

 অনুষ্ঠানে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের উপহার এবং শুভকামনা জানিয়ে বিদায় দেয়া হয়। শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করা হয় এবং এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।




দর্শনা সীমান্তে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টায় একজন আটক

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় রাজ্জাক (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বিজিবি। আটক রাজ্জাক দর্শনা পৌরসভার জয়নগর গ্রামের জেহের আলীর ছেলে।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত ৯টার দিকে দর্শনা ক্যাম্পের হাবিলদার মিজানুর রহমান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে টহলে বের হন। এ সময় জয়নগর এলাকার সীমান্ত পথে রাজ্জাককে ভারতের দিকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করতে দেখে তাকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় হাবিলদার মিজানুর রহমান বাদী হয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে দর্শনা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পরে দর্শনা থানা পুলিশ তাকে চুয়াডাঙ্গা আদালতে পাঠিয়েছে।




ঝিনাইদহে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের কর্মবিরতি

১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছেন ঝিনাইদহে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা। রোববার (৩০ নভেম্বর) সকালে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে এ কর্মসূচির আয়োজন করে ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদ জেলা শাখা। সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত দুই ঘন্টা কর্মবিরতি পালন করেন আন্দোলনকারীরা। কর্মবিরতিতে ডিপ্লোমা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টে অধ্যয়ণরত শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

সেসময় ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি রেজাউল আলম, সহ-সভাপতি মাজহারুল ইসলাম, প্রবীর কুমার কুন্ডু, সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামানসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা বেতন বৈষম্যের শিকার। অন্য ডিপ্লোমাধারীরা ১০ম গ্রেড পেলেও তাদের দাবী মানা হচ্ছে না। তাই দ্রুত তাদের দাবী মেনে নেওয়ার আহবান জানান তারা।

এদিকে কর্মবিরতির কারণে ভোগান্তিতে পড়ে হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীরা। সকাল থেকেই ফার্মেসী ও প্যাথলজির সামনে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে ভূক্তবোগীদের।

জেলা সদর হাসপাতাল ছাড়াও জেলার সকল সরকারি স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র ও হাসপাতালগুলোতে এক যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।




কোটচাঁদপুরে এক রাতে সাতটি গরু চুরি, দিশেহারা কৃষক

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে একই রাতে সংঘবদ্ধ চক্রের হাতে সাতটি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে।

গতকাল রবিবার গভীর রাতে পৌর এলাকার সলেমাপুর উত্তর পাড়ার কৃষক রমজান আলীর গোয়ালঘর ভেঙে পাঁচটি গরু চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

একই রাতে উপজেলার কাগমারী গ্রামের কালিতলা পাড়ায় রবিন হালদারের গোয়াল থেকেও দুটি গরু চুরি হয়। চুরি হওয়া সাতটি গরুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় সাত লাখ টাকা বলে জানা গেছে।

গরুগুলোই ছিল কৃষক দুই পরিবারের চাষাবাদের প্রধান অবলম্বন। এক রাতেই সব হারিয়ে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

এ ঘটনায় কোটচাঁদপুর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, চোরচক্রকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।




মাদক ব্যবসায়ীদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না

মুজিবনগরের মতো ঐতিহাসিক স্থানে এসে নিজেকে ধন্য মনে করছি। মেহেরপুরের মুজিবনগরের জন্য প্রথমেই একটি উদ্যোগ নিতে চাই মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। এই উপজেলায় কারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আমরা তাদের শনাক্ত করবো এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদক ব্যবসায়ীদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

রবিবার দুপুরে মুজিবনগর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা ও সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন নবাগত মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবির।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, আপনারা মুজিবনগরের বিভিন্ন সমস্যা দূরীকরণ ও সম্ভাবনা নিয়ে যেসব মতামত দিয়েছেন, সেগুলোর সমাধান ও উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়া হবে। সর্বোপরি, আমি একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে চাই। তরুণ ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে সে ধরনের পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে। এজন্য আপনাদের সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে সহযোগিতা করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যেকোনো কাজ সফল করা সম্ভব।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পলাশ মণ্ডল। সভায় মুজিবনগরের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরে বক্তব্য দেন মুজিবনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মোমিন, মুজিবনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিরুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের পেশাজীবী বিভাগের সেক্রেটারি আল আমিন ইসলাম বকুল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রশিদ, উপজেলা জামায়াতে ইসলামের সাধারণ সম্পাদক খায়রুল বাসার, জাতীয় নাগরিক পার্টির জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফ হোসেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মেহেরপুর জেলা মুখ্য সংগঠক শাওন শেখ, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও মোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক রকিব উদ্দীন, মুজিবনগর প্রেসক্লাব সভাপতি ওমর ফারুক প্রিন্স, বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান আলী খান, মুজিবনগর উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম, গোপালনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলাম, দারিয়াপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আওলিয়া।

অনুষ্ঠানের শুরুতে একাডেমির সুপারভাইজার হাসনাইন করিমের সঞ্চালনায় মুজিবনগর উপজেলার বিভিন্ন ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করেন উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার মাসুদ রানা।

অনুষ্ঠান শেষে অসহায় ব্যক্তি ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের মাঝে টিন ও সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।




খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ঝিনাইদহে মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা

বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ঝিনাইদহে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার রাত ১০টার দিকে শহরের চাকলাপাড়া সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দিরে জেলা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট এ প্রার্থনার আয়োজন করে।

প্রার্থনা সভায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা কীর্তন পরিবেশন, গীতা পাঠ ও বিশেষ প্রার্থনায় অংশ নেন। তারা সৃষ্টিকর্তার কাছে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ নাগরিকরা এককভাবে ও সম্মিলিতভাবে প্রার্থনায় অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক তপন বিশ্বাস, সদস্য সচিব প্রহ্লাদ সরকার, জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক দীপঙ্কর কুমার ঘোষ, সদস্য সচিব বিজন কুমার ঘোষ, যুগ্ম আহ্বায়ক দিবস দেবনাথ, প্রদীপ রায়, জেলা আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক নীলকান্ত বিশ্বাসসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।




ঝিনাইদহে খুচরা সার বিক্রেতাদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

ঝিনাইদহে খুচরা সার বিক্রেতা আইডি কার্ডধারীদের বহাল রাখা, টি.ও লাইসেন্স এবং সার সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৫ সংশোধনের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

রোববার সকালে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

এতে ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে জেলার ছয়টি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের খুচরা সার বিক্রেতারা অংশ নেন। ঘণ্টাব্যাপী চলা এ কর্মসূচিতে সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি সায়েদুল আলম বাদশা, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ, সদর উপজেলা শাখার সভাপতি তরিকুল ইসলাম টিপু, কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি জিল্লুর রহমান, হরিণাকুন্ডু উপজেলা শাখার সভাপতি শামীম আহমেদ (চাঁন), শৈলকুপা উপজেলা শাখার সভাপতি বাবুল আক্তার, মহেশপুর শাখার সভাপতি উজ্জ্বল হোসেন, কোটচাঁদপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ওবাইদুল মিয়াসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

এসময় বক্তারা বলেন, ২০০৯ সালে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী উপজেলা পর্যায়ে খুচরা সার বিক্রয়ের অনুমতি ও অনুমোদন (টি.ও লাইসেন্স) দেওয়া হয়। কিন্তু ২০২৫ সালে এসে এ নীতিমালার খসড়া অনুমোদন স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এ সুবিধা সম্পূর্ণ স্থগিতের নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

এই নির্দেশনার ফলে খুচরা সার ব্যবসায়ী ও ডিলাররা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। তাই ২০০৯ সালের নীতিমালা বহাল রাখার দাবি বর্তমান সরকারের কাছে জোরালোভাবে তুলে ধরেন বক্তারা।