আলমডাঙ্গা পৌরসভার উদ্যোগে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আলমডাঙ্গা পৌর সভার উদ্যোগে শহরের বিভিন্ন স্থানে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। পৌর প্রশাসকের আয়োজনে পৌরসভা কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন।

অভিযানের সময় শহরের রাস্তা, ড্রেন ও নালা পরিস্কার রাখা হয়েছে এবং মশার বংশবিস্তার রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জনসচেতনতা মূলক প্রচারণা চালানো হয়েছে।

আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক পান্না আকতার বলেন, “শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে এবং মশা বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। নাগরিকদের সচেতন হতে হবে এবং নোংরা আবর্জনা স্তূপ না বানিয়ে নিজ নিজ জায়গা পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।”

অভিযানে অংশ নেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শারমিন আক্তার। তিনি বলেন, “মশা বাহিত রোগ থেকে রক্ষা পেতে আবর্জনা স্তূপ ও নোংরা পানির জমার জায়গা পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। যাতে মশা ডিম পাড়তে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।”




মেহেরপুরে ডায়াবেটিস হাসপাতালের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন

মেহেরপুরের পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সংলগ্ন এলাকায় মেহেরপুর ডায়াবেটিস হাসপাতালের নিজস্ব জায়গায় হাসপাতালের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলার জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবির।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: খায়রুল ইসলাম, হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।

ডায়াবেটিস হাসপাতালের এই উদ্যোগের মাধ্যমে মেহেরপুরে রোগীদের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।




মেহেরপুরে বাজার মনিটরিং ও জরিমানা আদায়

মেহেরপুর সদর উপজেলার শোলমারী নতুনপাড়া এলাকায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ তৌহিদুল কবীরের নেতৃত্বে পুলিশ ফোর্স ও আনসার ব্যাটালিয়ন সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়। আনসার স্টোর নামক দোকানে লাইসেন্সবিহীন ডিজেল মজুদ ও বিক্রির অভিযোগে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর ৪(খ) ধারার লঙ্ঘনের জন্য ২০(১) ধারায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

জেলা প্রশাসন এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার মাধ্যমে বাজারে ন্যায্য মূল্য ও ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সচেষ্ট রয়েছে।
অন্যদিকে, মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার আনন্দবাস বাজারে জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্স ও মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

খুচরা পর্যায়ে বেগুন, শসা, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, মরিচ, পেঁপে, ফুলকপি, কাঁচাবাজার, মাছ ও মাংসসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে অধিকাংশ দোকানে ক্রয়-বিক্রয়ের পাকা ভাউচার সংরক্ষণ ও মূল্য তালিকা প্রদর্শনের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এসময় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪০, ৩৮ ও ৫২ ধারার লঙ্ঘনের অভিযোগে তিনজন ব্যবসায়ীকে মোট ৮,৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।




ঝিনাইদহে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন, বাজারে নেই ন্যায্য দাম

দেশের অন্যতম পেঁয়াজ উৎপাদনকারী এলাকা ঝিনাইদহের শৈলকুপায় এ বছর পেঁয়াজের ভালো ফলন হলেও ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরম হতাশায় পড়েছেন চাষিরা। মাঠভর্তি পেঁয়াজ থাকলেও বাজারে দাম কম থাকায় উৎপাদন খরচই তুলতে পারছেন না অধিকাংশ কৃষক। ফলে লাভ তো দূরের কথা, অনেকেই লোকসানের আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

কৃষকেরা জানান, এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করতে বীজ, সার, সেচ ও শ্রমিকসহ অন্তত ৩৫ থেকে ৪৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। কিন্তু বাজারে দাম কম থাকায় সেই খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন, আবার কেউ কেউ দাম বাড়ার আশায় ঘরে মজুত করে রাখছেন।

জানা গেছে, চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে শৈলকুপা উপজেলায় পেঁয়াজের উৎপাদন বিগত বছরের তুলনায় বেশ ভালো হয়েছে। তবে বাজারে সরবরাহ বেশি হওয়ায় শুরুতেই দাম পড়ে গেছে। পাইকারি বাজারে প্রতিমণ পেঁয়াজের দাম অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদন খরচের নিচে নেমে এসেছে। এতে করে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকরা।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, এ বছর শৈলকুপা উপজেলায় ১২ হাজার ৮৪৬ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের চাষ করা হয়েছে। প্রতিমণ পেঁয়াজ উৎপাদনে আকারভেদে খরচ হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬৫০ টাকা পর্যন্ত। সম্প্রতি উপজেলার বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিমণ পেঁয়াজ ৮০০ থেকে ১ হাজার ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আওধা গ্রামের কৃষক আব্দুর রহিম বলেন, “এত কষ্ট করে এ বছর পেঁয়াজ চাষ করলাম, কিন্তু বাজারে এসে দেখি দাম নেই। খরচের টাকাই উঠছে না। পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সংরক্ষণ ব্যবস্থা বাড়ানো এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় কার্যকর উদ্যোগ সরকারকে নিতে হবে। তা না হলে আগামী বছর থেকে আর পেঁয়াজ চাষ করব না।”

লাঙ্গলবাঁধ বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করতে আসা কৃষক রমজান আলী বলেন, “সার, বীজ, কীটনাশক ও সেচ খরচ মিলিয়ে প্রতিমণ পেঁয়াজে প্রায় ১ হাজার ৫০০ টাকা খরচ হয়েছে। এখন বাজারে এসে বিক্রি করতে হচ্ছে ৯৫০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকায়। এই লোকসান নিয়ে আমাদের মতো কৃষকদের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।”

শৈলকুপার ভাটইবাজারের আড়তদার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “বর্তমানে পেঁয়াজ কিনে দেশের বিভিন্ন মোকামে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে আমাদের। সেখানে মোটা অঙ্কের টাকা লোকসান দিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে। এ বছর চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজ বেশি উৎপাদন হয়েছে। ফলে যত দিন যাচ্ছে দাম কমছে। তবে সামনে ঈদুল ফিতরে চাহিদা বাড়বে বলে আশা করছি। সেই সঙ্গে পেঁয়াজের দামও কিছুটা বাড়তে পারে।”

এ ব্যাপারে শৈলকুপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান স্বদেশ প্রতিদিনকে বলেন, “আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু ন্যায্যমূল্য না পেয়ে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বাজার ব্যবস্থাপনা অনেকগুলো বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। চাষিদের সুবিধার্থে উৎপাদিত পণ্যের একটি নির্ধারিত মূল্য থাকা প্রয়োজন। তা না হলে এ উপজেলায় পেঁয়াজের উৎপাদন ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।”




আলমডাঙ্গায় সুদ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর সংবাদ সম্মেলন

আলমডাঙ্গার নাগদাহ ইউনিয়নের ব্যানাগাড়ি গ্রামের গ্রামবাসী সুদ ব্যবসায়ীর দ্বারা হয়রানির অভিযোগে শনিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। গ্রামবাসীর উদ্যোগে ব্যানাগাড়ি মোড়ে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ তুলে তারা প্রশাসন ও সাংবাদিকদের সতর্ক করেছেন।

ভুক্তভোগীদের পক্ষে ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রনি মাহমুদ লিখিত বক্তব্যে বলেন, “হিংসার বশবর্তী হয়ে গ্রামে বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে, বিশেষ করে ইউপি চেয়ারম্যান, আমি রনি মাহমুদ, গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী পিন্টু রহমান, সমাজসেবক আরজ আলী, টাবলু ও চাকরিজীবী মুকুল হোসেনসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তাকে প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।”

লিখিত বক্তব্যে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২০ সালে গ্রামের ইসরাইল হোসেনের ভোলারদাড়ি মোড়ে একটি মুদি দোকান ছিল। সেই দোকানে সুদে কারবার চলত। ২০২২ সালে জমির মালিক বাড়ি নির্মাণের জন্য দোকানটি ভেঙ্গে দেন। দোকান ভাঙার পরও তার সুদের ব্যবসা থেমে যায়নি। ‘ডেইলি সমিতি’ নামে গ্রামে অসহায় দরিদ্র ও দিনমজুরদের টাকা আত্মসাৎ করেছে এবং বিভিন্নভাবে সুদের মাধ্যমে আরও মানুষকে অর্থদণ্ডের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। এতে অনেক দরিদ্র পরিবার তাদের জমা করা টাকা ফেরত না পেয়ে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে।

তিনি জানান, ইসরাইল হোসেনের কাছে গ্রামবাসীর কালাম অনুযায়ী সাড়ে ৫ লাখ টাকার পাওনা রয়েছে। কোর্টে অভিযোগের পূর্বে চেয়ারম্যান, মেম্বর ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে কয়েকবার বসার চেষ্টা করা হলেও ইসরাইল হোসেনের অসহযোগিতা, অনিয়ম ও হিসাবের গরমিলের কারণে কোনো সমাধান সম্ভব হয়নি। পরে ২০২৩ সালে কোটে ইসরাইল হোসেনের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির মামলা দায়ের করা হয়। মামলার ফলশ্রুতিতে কালামের দুই বছরের জেল হয়।

সংবাদ সম্মেলনে গ্রামবাসীরা আরও বলেন, ইসরাইল হোসেনের দাবি যে তিনি চেয়ারম্যান, মেম্বরসহ স্থানীয় কিছু মানুষের বিরুদ্ধে প্রাণ নাশের হুমকি পেয়েছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি মোবাইল বা অন্য কোন মাধ্যমে হুমকির প্রমাণ দেখাননি। গ্রামবাসী ইতিমধ্যেই তার একঘর আচরণ থেকে বিরত হয়েছে এবং ঈদে তার সঙ্গে আর কোনো লেনদেন করতে চায় না।

গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার যদি সুদখোর বা মাদক সেবীদের সামাজিকভাবে বয়কট করে, তবে তারা মুসলিম বা বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সেই উদ্যোগকে সমর্থন করবে।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা প্রকৃত ঘটনা প্রকাশের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন।




দর্শনা প্রেসক্লাবের সভাপতির ওপর হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ সভা

দর্শনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল হক পিপুলের ওপর হামলার প্রতিবাদে দর্শনা প্রেসক্লাবে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার ইফতার মাহফিল শেষে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আওয়াল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

ইকরামুল হক পিপুল জানান, প্রয়াত সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লিয়াকত আলীর ছেলে টুটুল শাহ তাকে গালিগালাজ ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘ওসি-এসপি আমার পকেটে থাকে’ বলেও হুমকি দেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, শ্যামপুর গ্রামের শিলনের ছেলে ইমনকে (১৫) এসির তার চুরির অভিযোগে টুটুল শাহ দর্শনা থানায় নিয়ে যান। তবে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ না থাকায় পুলিশ সামাজিকভাবে মুচলেকা নিয়ে তাকে তার দাদা ফয়েজ উদ্দিনের কাছে হস্তান্তর করে। একই সঙ্গে তাকে দর্শনা ছেড়ে তার মামার বাড়ি ফরিদপুরে চলে যাওয়ার শর্ত দেওয়া হয়। এ সময় ইকরামুল হক পিপুল উপস্থিত ছিলেন।

পরে এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে টুটুল শাহ ও তার চাচাতো ভাইরা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল হক পিপুলের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় দর্শনা থানায় মৌখিক অভিযোগ করা হয়েছে। পরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে বলে জানান ইকরামুল হক পিপুল ও প্রেসক্লাবের সদস্যরা।

প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন দর্শনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান ধীরু, সভাপতি ইকরামুল হক পিপুল, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান সুমন, সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব মামুন, চঞ্চল হেমমুদ, ওয়াসিম রয়েল, সাংবাদিক রাজিব মল্লিক, ইমতিয়াজ রয়েল, হাসমত আলী, মোস্তাফিজুর রহমান কচি, কামরুজ্জামান যুদ্ধ, রিফাত রহমান, শ্রী সুকমল বাঁধন, সাব্বির আলিম, ফারাদ হোসেন ও আব্দুল হান্নান।

এ বিষয়ে দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসান জানান, ইমনকে থানায় আনা হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ইকরামুল হক পিপুলের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনার বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে ইমনের দাদা ফয়েজ উদ্দিন তাকে থানায় দিলে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।




দর্শনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

দর্শনা প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক সমিতির আয়োজনে গতকাল শনিবার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আওয়াল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন দর্শনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান ধীরু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দর্শনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল হক পিপুল, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান সুমন, সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব মামুন, চঞ্চল হেমমুদ, ওয়াসিম রয়েল, সাংবাদিক রাজিব মল্লিক, ইমতিয়াজ রয়েল, হাসমত আলী, মোস্তাফিজুর রহমান কচি, কামরুজ্জামান যুদ্ধ, রিফাত রহমান, শ্রী সুকমল বাঁধন, সাব্বির আলিম, ফারাদ হোসেন ও আব্দুল হান্নান।




গাংনীর বামন্দীতে রমজানের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও বিশ্বাস পরিবারের উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বিকেলে বামন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশিদুল ইসলাম সোহাগের পারিবারিক চত্বরে ইফতারপূর্ব আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রাশিদুল ইসলাম সোহাগ। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান, গাংনী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলফাজ উদ্দিন কালু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আওয়াল, গাংনী পৌর বিএনপির সভাপতি মকবুল হোসেন মেঘলা, মেহেরপুর জেলা জাসাসের সভাপতি বাকা বিল্লাহ, গাংনী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দাল হক এবং জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বিপ্লব।

ইফতার মাহফিলে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশ নেন।

উল্লেখ্য, বামন্দী বিশ্বাস পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতিবছরই এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়ে থাকে।




কুষ্টিয়া পৌরবাজারে তিন প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

কুষ্টিয়ায় বাজার তদারকির অংশ হিসেবে অভিযান চালিয়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

শনিবার জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে সদর উপজেলার পৌরবাজার এলাকার বঙ্গবন্ধু সুপার মার্কেটে তদারকিমূলক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে কাপড়ের দোকান ও কসমেটিকসের দোকান মনিটরিং করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মাসুম আলী।

তিনি জানান, একদর নীতি অনুসরণের কথা থাকলেও কাপড়ের গায়ে মূল্যতালিকা উল্লেখ না থাকায় পৌরবাজারের থ্রি পিস কর্নারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া বিদেশি কসমেটিকসের ক্রয় রশিদ না থাকা এবং পণ্যের মোড়কে আমদানিকারকের নাম ও দেশীয় মূল্য উল্লেখ না থাকায় পৌরবাজারের ইমন ভ্যারাইটিজ স্টোরকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই অপরাধে বিদেশি কসমেটিকসের মোড়কে আমদানিকারকের নাম ও দেশীয় মূল্য উল্লেখ না থাকায় জ্যোতি কসমেটিকসকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানের সময় এসব জরিমানা আদায় করা হয়।

বাজারে ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের তদারকি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

এ সময় অভিযানে সহযোগিতা করেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক।

এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশের একটি চৌকস টিম এবং র‌্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের একটি টহল দল উপস্থিত ছিল।




কোটচাঁদপুরে কৃষকের গোয়ালঘর ভস্মীভূত, আগুনে পুড়ল তিনটি গরু

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার বলুহর ইউনিয়নের এড়ান্দাহ পূর্বপাড়া গ্রামে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মশা তাড়ানোর ‘ধূপ’ থেকে সূত্রপাত হওয়া আগুনে মো. উমবাত আলী নামে এক কৃষকের গোয়ালঘর ভস্মীভূত হয়েছে এবং গবাদিপশুর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত আয়ুব আলীর ছেলে মো. উমবাত আলী প্রতিদিনের মতো গত রাতেও তার গোয়ালঘরে মশা তাড়ানোর জন্য শুকনো গোবর বা নেড়ি দিয়ে ধূপের (কুণ্ডলী) ব্যবস্থা করেন। রাত আনুমানিক ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে হঠাৎ ওই ধূপের আগুন থেকে পুরো ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা গোয়ালঘরটি গ্রাস করে নেয়।

আগুনে ঝলসে ঘটনাস্থলেই প্রায় ১ লাখ টাকা মূল্যের একটি গরু মারা যায়। এছাড়া আগুনে মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছে আরও দুটি গরু, যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। গরুর ঘরসহ সব মিলিয়ে ওই কৃষকের প্রায় ৪ লাখ টাকার সমপরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে।