মেহেরপুরে বসতবাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার

মেহেরপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।

পরিদর্শক বিদ্যুৎ বিহারী নাথের নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেহেরপুর সদর থানাধীন কাথুলি অটো স্ট্যান্ড সংলগ্ন কাশ্যবপাড়া ৫ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মো. সেলিমের ছেলে মো. হাবিবুর রহমানের (৩০) বসতঘরে তল্লাশি চালানো হয়।

তল্লাশিকালে শয়নকক্ষের ফ্রিজের কম্প্রেসারের উভয় পাশে লুকানো অবস্থায় Coding Phosphate & Triprolidine Hydrochloride syrup (ESKuf) লেবেলযুক্ত ২১ বোতল এবং Coding Phosphate & Chlorpheniramine Maleate syrup লেবেলযুক্ত আরও ৬ বোতল মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। প্রতি বোতল ১০০ মিলিলিটার হিসেবে মোট ২,৭০০ মিলিলিটার নিষিদ্ধ মাদক জব্দ করা হয়েছে।

অভিযান চলাকালে অভিযুক্ত হাবিবুর রহমানকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।




মেহেরপুরে ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের ২৭১তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতির জনক Samuel Hahnemann-এর ২৭১তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ডা.মুন্সী মোজাম্মেল হক, সঞ্চালনা করেন ডা.মো: সাহারুল ইসলাম অনুষ্ঠান শুরু হয় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কুররআন তেলাওয়াত করেন ডা.মোঃ শহিদুল ইসলাম। সভাপতির স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে মুল পর্ব শুরু হয় এ সময় অতিথিদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন, জেলা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক কল্যাণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক ডা.মো:আবুল কাশেম এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ডা.মোঃ মফিজুল ইসলাম ডা.মুন্সি জাহাঙ্গীর জিন্নাত, ডা.এ এইচ এম মান্নান, ডা.মোঃ খসরু আলম, ডা.মো: এম আর আলম, ডা.মো: হায়দার আলী, ডা.মোঃ মুন্সী এ এইচ এম রাশেদুল হক। 

হ্যানিম্যানের জীবন, কর্ম ও মানবকল্যাণে তাঁর অবদানের উপর আলোকপাত করেন। বক্তারা বলেন, ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যান ১৭৫৫ সালের ১০ এপ্রিল জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে হোমিওপ্যাথি পদ্ধতির সূচনা করেন। তাঁর উদ্ভাবিত “Similia Similibus Curentur” নীতির মাধ্যমে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসে, যা আজও বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।

আলোচনায় আরও উল্লেখ করা হয়, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতি নিরাপদ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত এবং তুলনামূলকভাবে ব্যয় সাশ্রয়ী হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে এর গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলে এই চিকিৎসা পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বক্তারা হ্যানিম্যানের আদর্শ অনুসরণ করে রোগীদের সেবায় নিয়োজিত থাকার আহ্বান জানান এবং হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাকে আরও বিস্তৃত ও আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও হোমিওপ্যাথি অনুরাগীরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং বিশ্ব মানবতার কল্যাণে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।




‎জমি চাষে দুশ্চিন্তায় কৃষক, তেলের অপেক্ষায় পাম্পে ট্রাক্টরের দীর্ঘ লাইন

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় সরকারিভাবে তেল সংকট না থাকলেও বৈষম্যের মাধ্যমে তেল বিক্রির  অভিযোগ তুলেছেন কৃষকরা। সিন্ডিকেট করে তেল সংকট তৈরী করছে একটি মহল।

‎মেহেরপুরে তেলের সংকটে শুধু মোটরসাইকেল নয়, জমি চাষের কাজে ব্যবহৃত ট্রাক্টরের দীর্ঘ লাইনও এখন চোখে পড়ছে পেট্রোল পাম্পগুলোতে। ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় সময়মতো জমি চাষ করতে পারছেন না ট্রাক্টর মালিকরা।

‎এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। স্থানীয় সিন্ডিকেট আর বৈষম্যের মাধ্যমে তেল বিক্রয়ের অভিযোগ করেছেন কৃষকরা। আজ শুক্রবার ভোর তিনটার সময় থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে অবশেষে হামলার শিকার হলেন গাংনী উপজেলার জোড়পুকুরিয়া গ্রামের কৃষক কামাল হোসেন।

‎কামাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আমি দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর তেল নিতে গেলে আমার সামনে চার-পাঁচজন জোরপূর্বক মেশিন কেড়ে নিয়ে  ট্যাঙ্কি ভর্তি করে তেল নিয়ে যাচ্ছিল। জোরপূর্বক তেল ‎নেওয়ার ঘটনার প্রতিবাদ করাই পাম্পে থাকা সিন্ডিকেটের লোকজন আমার উপর অতর্কিত হামলা করেছে। আমি বিএনপি করি, বিএনপির লোকজন আমাকে মেরেছে, আমি নেতা কর্মীদের অবগত করছি।

‎ট্রাক্টর চালকদের অভিযোগ, তাদের যেখানে ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেলের প্রয়োজন, সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর মিলছে মাত্র ১০ থেকে ১৫ লিটার তেল। এই সীমিত তেল নিয়ে মাঠের কাজ চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

‎তবে জেলার উপজেলা কৃষি অফিস গুলো থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ভিত্তিতে ডিজেল কার্ড দেওয়া হচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে ট্রাক্টরের জন্য একদিনে ৫০ লিটার, পাওয়ার টিলারের জন্য দুই দিনে ২০ লিটার এবং সেচ ইঞ্জিনের জন্য দুই দিনে ১০ লিটার তেল বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে। ইতোমধ্যে কৃষি অফিসগুলোতে ডিজেল কার্ড সংগ্রহ করতে ভিড়ও লক্ষ্য করা গেছে।

‎পাম্পে অপেক্ষমাণ ট্রাক্টর চালকরা জানান, সকাল থেকে লাইনে থাকলেও কখন তেল মিলবে তা নিশ্চিত নয়। তেল পেলেই মাঠে নামবেন, কিন্তু বিলম্বের কারণে কৃষিকাজ ব্যাহত হচ্ছে। তাদের মতে, সময়মতো জমি চাষ করা না গেলে বীজ বপনে দেরি হবে এবং ফসলও নামলা হয়ে যেতে পারে।

‎পাম্পে তেল নিতে আসা ট্রাক্টর চালক মহিবুল বলেন, ভোর থেকেই তিনি ট্রাক্টরে তেল নেওয়ার জন্য পাম্পে অপেক্ষা করছেন। কিন্তু দুপুর হয়ে গেলেও কখন তেল পাবেন, তা নিশ্চিত নন। প্রয়োজন ৭০ থেকে ৮০ লিটার হলেও দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১০ থেকে ১৫ লিটার।
‎এতে জমি ঠিকমতো চাষ করা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি বলেন, গম কাটা প্রায় শেষ, এখন পাট বোনার সময়, এজন্য জমি চাষ দেওয়া জরুরি। তাই দ্রুত ট্রাক্টরগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তেল দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

‎ট্রাক্টর চালক ও মালিক সাইদ জানান, সারাদিন লাইনে দাঁড়িয়ে মাত্র এক হাজার টাকার তেল পেয়েছেন, যা কাজে লাগার মতো নয়। এতে একদিকে সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে কাজও বন্ধ থাকছে। তিনি বলেন, এভাবে চললে কাজ করা সম্ভব না, এবং ট্রাক্টর চালকদের জন্য সন্ধ্যার পর তেল দেওয়ার ব্যবস্থা করার দাবি জানান।

‎ট্রাক্টর চালক শফি বলেন, পাম্পে চাহিদা অনুযায়ী তেল না পেয়ে তিনি কৃষি অফিসে ডিজেল কার্ড নিতে এসেছেন। শুনেছেন, কার্ড থাকলে একদিনে ৫০ লিটার তেল পাওয়া যাবে এবং এই কার্ডের মাধ্যমে মাঠে ট্রাক্টর রেখেই তেল সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। এতে কিছুটা হলেও ভোগান্তি কমবে বলে আশা করছেন তিনি।

‎এদিকে কৃষকরাও পড়েছেন অনিশ্চয়তায়। চাষি আলী আজগর বলেন, ডিজেলের অভাবে ট্রাক্টর চালকরা জমি চাষ করতে পারছেন না। গম কাটা শেষ হওয়ায় এখন পাট ও আউশ ধানের আবাদ শুরু করার সময়। তিনি বলেন, এই সময়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ, তাই প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

‎এ ব্যাপারে গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মতিয়র রহমান বলেন, বর্তমান সময়ে জমি চাষ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের অনুমতিক্রমে কৃষি যন্ত্রের জন্য ডিজেল কার্ড চালু করা হয়েছে। পাওয়ার টিলার, ট্রাক্টর ও সেচ পাম্প মালিকদের মাঠ পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করে এই কার্ড দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, পাম্প মালিক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। এর আগে গম কাটার কম্বাইন হারভেস্টারের জন্যও একই ধরনের কার্ড চালু ছিল।‎

‎মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায় বলেন, ট্রাক্টর চালকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তেল দেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, সব পাম্পে একসঙ্গে তেল পৌঁছায় না, তাই সকাল থেকেই তেল বিতরণ করার কথা বলা হয়েছে। তবে ট্রাক্টর চালকদের সন্ধ্যার পর তেল দেওয়ার দাবি গ্রহণ করা হয়নি, কারণ এতে আবার নতুন করে সমস্যা তৈরি হতে পারে।




ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকার গঠন দিবস আজ

ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকার গঠন দিবস আজ ১০ এপ্রিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এ দিনে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠন করা হয়। এদিনই স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য মুক্তিবাহিনী সংগঠন ও সমন্বয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন আদায় এবং নয় মাসের যুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে এই বিপ্লবী সরকার। এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। এরপর একই বছরের ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র রূপে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করা হয়।

এদিন পাকিস্তানের নির্বাচিত জাতীয় এবং প্রাদেশিক পরিষদ সদস্যরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি গোপন স্থানে মিলিত হয়ে প্রবাসী সরকার গঠন করেন। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি (অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি) নির্বাচিত করা হয়। সৈয়দ নজরুল ইসলাম পরে তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেন।

মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা হলেন, খন্দকার মোশতাক আহমদ (পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ), এম মনসুর আলী (অর্থ বাণিজ্য ও শিল্প ) এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান (স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি)।

১০ এপ্রিল সরকার গঠনের পরে ১১ এপ্রিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তাজউদ্দিন আহমদ একটি বেতার ভাষণ দেন। এতে তিনি দেশব্যাপী পরিচালিত প্রতিরোধ যুদ্ধের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন। এ ছাড়া ১৭ এপ্রিল মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের তারিখ নির্ধারিত হয়। মেহেরপুরের সীমান্তবর্তীর গ্রাম বৈদ্যনাথ তলায় হয় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।

শপথের পরেই তাজউদ্দিন আহমদ এ স্থানের নাম দেন মুজিবনগর।

পরবর্তী সময়ে প্রবাসী সরকার মুজিবনগর সরকার হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। এদিকে ১৭ এপ্রিল মুজিব নগর সরকারের মন্ত্রীরা শপথ নিলেও ১৮ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদের প্রথম সভায় মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করা হয়।

মুজিবনগর সরকারের সফল নেতৃত্বে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় অর্জনের মধ্যদিয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।




মুজিবনগরে ছাত্র বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার

মেহেরপুরের মুজিবনগরে একটি মাদ্রাসার আরবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে বোর্ডিংয়ে থাকা এক ছাত্রকে বলাৎকারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক নুর উদ্দিন (২৫)-কে গ্রেফতার করেছে মুজিবনগর থানা পুলিশ।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা সাহিদুর রহমান তার ১১ বছর বয়সী ছেলে জুবায়েরকে মুজিবনগর বাজার আইডিয়াল মাদ্রাসা ও দারুল হিফজখানার বোর্ডিংয়ে রেখে পড়াশোনা করাচ্ছিলেন।  ৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় এক সহপাঠীর অভিভাবকের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, মাদ্রাসার আরবি শিক্ষক নুর উদ্দিন তার ছেলেকে বিভিন্ন সময়ে গভীর রাতে কক্ষে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার বলাৎকার করেছে।

খবর পেয়ে ভুক্তভোগীর বাবা দ্রুত মাদ্রাসায় এসে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা লক্ষ্য করেন। পরে ছেলের সাথে কথা বলে তিনি ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে অবগত হন।

স্থানীয়দের মধ্যেও এ নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং আরও কয়েকজন ছাত্রের সাথে একই ধরনের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে বলে আলোচনা হতে থাকে।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ক্ষুব্ধ জনতা মাদ্রাসা ঘেরাও করে। এ সময় খবর পেয়ে মুজিবনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।




ঝিনাইদহে অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতার সমাপনী ও মাসব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৫-২০২৬ এর আওতায় ঝিনাইদহ জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে দিনব্যাপী (অনূর্ধ্ব-১৬) অ্যাথলেটিকস ও গ্রামীণ খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়াম মাঠে খেলার উদ্বোধন করা হয়। খেলা শেষে বিভিন্ন ইভেন্টের ১ম, ২য় ও ৩য় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

উক্ত প্রতিযোগিতায় ৮ টি স্কুল অংশগ্রহণ করে। একই দিনে মাসব্যাপী অ্যাথলেটিকস প্রশিক্ষণের (অনূর্ধ্ব-১৪) উদ্বোধন করা হয়।

উক্ত অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও মাসব্যাপী অ্যাথলেটিকস প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জেলা ক্রীড়া অফিসার আমানুল্লাহ আহমেদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা তথ্য অফিসার মো: আব্দুর রউফ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি আহসানুজ্জামান ঝন্টু, মো: আবু বকর সিদ্দিক অধ্যক্ষ, ভুটিয়ারগাতি আলিম মাদ্রাসা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ, দর্শনার্থীবৃন্দ।

মাসব্যাপী (২১ টি সেশনে) অ্যাথলেটিকস প্রশিক্ষণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৩৫ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করে।




ঝিনাইদহে চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

ঝিনাইদহে চিকিৎসকের অবহেলায় আসমা হক নামের এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, সময়মতো সঠিক চিকিৎসা ও পর্যাপ্ত নজরদারি পেলে ওই প্রসূতির প্রাণ বাঁচানো সম্ভব ছিল।

গতকাল বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জেলা শহরের শামীমা ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, গত ৪ এপ্রিল প্রসবব্যথা নিয়ে শামীমা ক্লিনিকে ভর্তি হন আসমা। পরে সেখানে তার সিজার করা হয়। সিজারের পর নবজাতক সুস্থ থাকলেও আসমার শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। এর মধ্যেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ছাড়পত্র দিয়ে দেয়।

স্বজনরা বুধবার দুপুরে তাকে বাড়িতে নিয়ে গেলে তিনি আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে আবারও রাতে শামীমা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

আসমার চাচা আমির হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ভর্তি করার পর দীর্ঘ সময় চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না। যে ডাক্তারের সিজার করার কথা ছিল, তিনি সিজার করেননি। আমার ভাতিজিকে অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এরপর সে আরও অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে আবার হাসপাতালে নিয়ে আসি। সে সময় দায়িত্বরত নার্স ও চিকিৎসকরা কোনো ব্যবস্থা নেননি। এতে রোগীর অবস্থার অবনতি হলেও দ্রুত কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ব্যবস্থা করা হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে ওই ক্লিনিকের মালিক ডা. শামীমা বলেন, “হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ওই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এখানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো দায় নেই।”

এ বিষয়ে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. কামরুজ্জামান বলেন, “প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনা আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে পরে বলতে পারবো।”

অভিযোগ উঠেছে, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের উদাসীনতায় একের পর এক প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ক্লিনিক-হাসপাতালের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নজরদারির দাবি জানিয়েছেন জেলার সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।




শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবকদের আরও সচেতন হতে হবে

দর্শনা কেরু উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়নে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে এ অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

কেরু উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিমের সভাপতিত্বে এ অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন কেরু অ্যান্ড কোম্পানির সুযোগ্য ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি রাব্বিক হাসান।

এ সময় তিনি বলেন, এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবকদের আরও সচেতন হতে হবে। প্রতিটি শিক্ষার্থীর মা যদি তাদের সন্তানের প্রতি সচেতন হন, তবে ওই সন্তানের অবশ্যই ভালো রেজাল্ট হবে। সেই সঙ্গে মাঝে মাঝে বিদ্যালয়ে এসে সন্তানের খোঁজ-খবর নিলে তারা লেখাপড়ায় ফাঁকি দিতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীর দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। যে শিক্ষার্থী যে বিষয়ে দুর্বল, তাকে অতিরিক্ত পাঠদানের মাধ্যমে অনুশীলন করাতে হবে। এতে বিদ্যালয়ের সুনাম ও মান বৃদ্ধি পাবে। এজন্য শিক্ষক-অভিভাবকদের সমন্বয়ে ৩ মাস অন্তর অন্তর এ ধরনের অভিভাবক সমাবেশ করা প্রয়োজন। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহাব্যবস্থাপক (কারখানা) সুমন কুমার সাহা, মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) আব্দুছ ছাত্তার, মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) এডিএম মির্জা গালিব।

অভিভাবকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মমিনুল ইসলাম ও ইঞ্জিনিয়ার তুহিন নাইম ইসলামসহ প্রায় ৪ শতাধিক অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন।
অভিভাবক সমাবেশের অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন রাসেল আহম্মেদ ও ফারহা জেসমিন আফরোজ।




দামুড়হুদায় মাথাভাঙ্গা নদীতে মোবাইল কোর্ট: অবৈধ জাল ও কোমড় অপসারণ

মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে দামুড়হুদা উপজেলার হাউলি ইউনিয়নের মাথাভাঙ্গা নদীর সুবলপুর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পরিচালিত এ অভিযানে নদীতে স্থাপিত ৫টি অবৈধ কোমড় অপসারণ করা হয় এবং প্রায় ২০০ মিটার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি অসাধু চক্র নদীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে কোমড় স্থাপন এবং নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করে আসছিল। এসব অবৈধ পদ্ধতির কারণে দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল এবং নদীর জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

অভিযান চলাকালে নদীর বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত অবৈধ কোমড় চিহ্নিত করে অপসারণ করা হয়। একইসঙ্গে নদীতে বিছানো বিপুল পরিমাণ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে ঘটনাস্থলেই আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় স্থানীয় জেলেদের মাঝে সচেতনতামূলক বার্তা প্রদান করা হয়, যাতে তারা ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম থেকে বিরত থাকেন।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন আলম। অভিযানে উপজেলা মৎস্য অফিসের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

অভিযান শেষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অবৈধ জাল ও স্থাপনার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি নদীতে অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে নিয়মিত তদারকি জোরদার করা হবে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রশাসনের এ উদ্যোগে স্থানীয় সচেতন মহল সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং নদী রক্ষায় নিয়মিত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।




জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক সম্মাননা পেলেন রফিকুল আলম বকুল

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে মেহেরপুর সদর উপজেলায় কলেজ পর্যায়ে (কারিগরি) শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক হিসেবে সম্মাননা পেয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা আহাম্মদ আলী টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এপেক্সিয়ান রফিকুল আলম বকুল।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে শিক্ষা সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পার্থ প্রতীম শীল এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলামের হাত থেকে তিনি সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ গ্রহণ করেন। এ সময় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রফিকুল আলম বকুল একজন দক্ষ স্কাউটার। তিনি বাংলাদেশ স্কাউটসের রোভার শাখার একজন উডব্যাজার। এছাড়া তিনি মেহেরপুর জেলা রোভার স্কাউটসের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি মুক্তিযোদ্ধা আহাম্মদ আলী টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ রোভার স্কাউটস গ্রুপের ইউনিট লিডার।

তিনি প্রতিষ্ঠানের একজন জনপ্রিয় শিক্ষক। শিক্ষার্থীদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় এই শিক্ষক ২০১৯ সালে উপজেলা পর্যায়ে, ২০২২ সালে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে এবং ২০২৪ সালেও উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত হন। তিনি কলেজের বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানে উপস্থাপক ও সঞ্চালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে থাকেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের একজন পরীক্ষক ও নিরীক্ষক।

শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি শিক্ষা ও রোভারিং বিষয়ক লেখালেখির সঙ্গেও যুক্ত। তিনি যৌথভাবে এইচএসসি (বিএম) হিসাববিজ্ঞান নীতি ও প্রয়োগ-২ (দ্বিতীয় পত্র) বই রচনা ও সম্পাদনা করেছেন।

আইসিটি ক্ষেত্রেও তিনি অত্যন্ত দক্ষ। জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি (বগুড়া) থেকে আইসিটিতে একাধিক কোর্স সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া ব্যানবেইসের অধীনে আইসিটি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং এটুআই আইসিটি ডিভিশনের মাধ্যমে বিভিন্ন অনলাইন প্রশিক্ষণও সম্পন্ন করেছেন। তিনি জাতীয় শিক্ষক বাতায়নের একজন সক্রিয় সদস্য।

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। তিনি ‘কিশোরের ডাক’, কসবা ব্লাড ব্যাংক সোসাইটি ও গাংনী পাবলিক লাইব্রেরির উপদেষ্টা। আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এপেক্স ক্লাব জেলা-০৬-এর গভর্নর ও ন্যাশনাল বোর্ড মেম্বার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। জাতীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বসুন্ধরা শুভ সংঘের মেহেরপুর জেলা সভাপতি হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।

এদিকে একই প্রতিষ্ঠান থেকে কারিগরি পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন কলেজের অধ্যক্ষ শাহী উদ্দীন এবং কলেজ পর্যায়ে (কারিগরি) শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার স্নিগ্ধা।