গাংনীতে প্রবাসীর বাড়িতে হামলা, মোটরসাইকেল ভাঙচুর

গাংনীর চৌগাছায় প্রবাসীর স্ত্রীর ওপর হামলা, ভাঙচুর এবং সাংবাদিককে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নারী ও সাংবাদিকসহ তিনজন আহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে মোটরে পানি তোলাকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, মাইলমারী গ্রামের সৌদি প্রবাসী বুলবুল আহমেদের চৌগাছা মসজিদপাড়ার বসতবাড়ির একটি কক্ষ ভাড়া নেন একই পাড়ার কাটুর ছেলে জয় ও তার স্ত্রী মালা খাতুন। ভাড়াটিয়া হিসেবে জয় ও তার স্ত্রী মালা খাতুন বসবাসরত অবস্থায় মাঝে-মধ্যে জয় স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে বাড়ির মালিক বুলবুলের স্ত্রী নারগিস পারভীন, তার মেয়ে সুমি এবং জামাতা সুমন আলীকে হুমকি-ধামকি দিতে থাকে।

গত বৃহস্পতিবার মোটর মেরামত করাকে কেন্দ্র করে জয় ও তার বন্ধু ও আত্মীয়-স্বজন মিলে রড ও দেশীয় রামদা দিয়ে বুলবুলের ঘরে ঢুকে জামাতা সুমন, তার স্ত্রী ও শাশুড়িকে মারধর করে। এসময় সুমনের একটি এপাচি ফোরভি মোটরসাইকেল ও ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং তাদের ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশ গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আহত সুমন আলী দৈনিক সময়ের চিত্র পত্রিকার মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। জয় একজন কিশোর গ্যাং সদস্য হিসেবে এলাকায় পরিচিত হওয়ায় সাংবাদিকের ওপর তার দীর্ঘদিনের আক্রোশ ও ক্ষোভ থাকায় সুমন আলীর ওপর হামলা চালিয়েছে বলে জানান সুমন আলী।

এ ঘটনায় নারগিস পারভীন গাংনী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। জয়ের অব্যাহত হুমকিতে প্রবাসীর পরিবার এখন বাড়িছাড়া।

গাংনী থানার ওসি উত্তম কুমার বলেন, সাংবাদিক ও তার স্ত্রী ও শাশুড়ির ওপর হামলার ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ পাঠানো হয় এবং পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে, বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




নাটোরে ট্রাক-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে মেহরপুরের চালক নিহত

নাটোরের বড়াইগ্রামে ট্রাক ও প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে মেহেরপুরের সাগর হোসেন (২৯) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেট কারটির চালক ছিলেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) ভোরে বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের থানা মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনায় আহতদের একজন ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার আমিরগাড়ী গ্রামের আব্দুর সালামের ছেলে নোমান তরফদার। আহত অপরজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বনপাড়া হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান ঢাকা পোস্টকে জানান, ঢাকা থেকে মেহেরপুরগামী একটি প্রাইভেট কার (ঢাকা মেট্রো-গ ২২-২২৯২) বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের থানা মোড় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী একটি ট্রাকের (ঢাকা মেট্রো-ট ১৮-৪৬৯) সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেট কারের চালক নিহত হন।

তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় সড়ক আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।




দামুড়হুদায় স্বাধীনতা দিবসে ৮ কবর স্মৃতিসৌধে জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় বিএনপির ক্ষোভ

দামুড়হুদা উপজেলায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ২৬ মার্চ ৮ কবর স্মৃতি সমাধিতে আয়োজিত স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নাটুদাহ এলাকার আট কবর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও পতাকা উত্তোলন কর্মসূচির সময় এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, সকাল সাড়ে ৭টায় শহীদদের স্মরণে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এতে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন নাটুদাহ হাই স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক ও জামায়াতের রোকন আবু সাদেক।

উপস্থাপনার সময় তিনি উল্লেখ করেন যে, ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচার করা হয়। তবে কে সেই ঘোষণা দেন—তার নাম উল্লেখ না করায় স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ জানান এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করার দাবি তোলেন।

এ সময় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে উপস্থিত জামায়াত নেতাদের কথা কাটাকাটির সৃষ্টি হয়। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ এই তথ্য এড়িয়ে যাওয়া উদ্দেশ্যমূলক এবং তা গ্রহণযোগ্য নয়।

স্থানীয় বিএনপি নেতারা বলেন, “১৯৭১ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এই সত্য গোপন রেখে বক্তব্য দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা চাই, ভবিষ্যতে এ ধরনের অনুষ্ঠানে সত্য তথ্য তুলে ধরা হোক।”

দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু বলেন,

“২৬ মার্চ ১৯৭১ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এই বিষয়টি উল্লেখ না করে স্বাধীনতার চেতনাকে অবমাননা করা হয়েছে। এটি জাতির জন্য লজ্জাজনক।”

অন্যদিকে, দামুড়হুদা উপজেলা জামায়াতের আমির নায়েব আলি বলেন, স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় উপস্থাপনাকারীর কিছুটা ত্রুটি ছিল। এ কারণে সামান্য বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হলেও পরে সুষ্ঠুভাবেই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেসবাহ্ উদ্দিন বলেন,

উপস্থাপনার সময় স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে কিছুটা কথা কাটাকাটি হয়। তবে পরবর্তীতে শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

এ বিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান সাহেল বলেন, স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করবেন উপজেলা প্রশাসন ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা। একজন স্কুল শিক্ষক মাইকে অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছিলেন। সেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।




দর্শনায় ৫জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার

দর্শনা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪ ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীকে গ্রেফতার করেছে।

বৃহস্পতিবার ভোর রাতে দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে, বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত হলো দর্শনা থানার চাকুলিয়া গ্রামের আপন তিন ভাই নুর আলমের ছেলে সাদ্দাম হোসেন(৩০), শহিদুল ইসলাম(৪০), সিরাজুল ইসলাম(৩৫) ও দর্শনা আকন্দবাড়িয়া নতুন পাড়ার মোজাম্মেল হক পচার ছেলে সাইফুল ইসলাম ফিল্টু (৩৫), দর্শনা থানার তিতুদহ ইউনিয়নের খাড়াগোদা গ্রামের মুকুল হোসেনের ছেলে মতিয়ার রহমান ওরফে হৃদয় (২৩)’কে নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ জানায়, তাদের ৫ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্ট ছিলো। গতকালই তাদের ৫ জনকে চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে




হরিণাকুণ্ডুতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিনম্র শ্রদ্ধায় ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন করা হয়েছে।

দিবসের প্রথম প্রহরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে উপজেলা চত্বরে অবস্থিত শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

​বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে প্রথম পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ। এরপর একে একে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

​শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে উপস্থিত জনতা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়ার শপথ নেন।

​অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিদারুল আলম, ​সহকারীকমিশনার (ভূমি) সৈয়দজাদী মাহবুবা মঞ্জুর মৌনা, ​উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলমগীর হোসাইন, উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ তিতুমীর, ​হরিণাকুণ্ডু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম কিবরিয়া, ​উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার কুন্ডু সহ প্রশাসনের অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সংগঠনের সভাপতি আবুল হাসান মাস্টার ও সাধারণ সম্পাদক তাইজাল হোসেন। এসময় যুবদলের আহবায়ক আব্দুস সামাদ, যুগ্ম আহবায়ক নাজমুল হুদা রিপনসহ পৌর বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষে হরিণাকুণ্ডু প্রিয়নাথ স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে পুলিশ, আনসার-ভিডিপি এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

শহরের প্রধান প্রধান সড়কে আলোকসজ্জা এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।




মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্সের ভাস্কর্যগুলো প্রতিস্থাপনে গড়িমসি

২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন বিকালে দূর্বৃত্তদের হামলায় মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্সের সকল ভাস্কর্য ভেঙে ফেলা হয়। ঘটনার দেড় বছর অতিবাহিত হলেও ভাস্কর্যগুলো প্রতিস্থাপনে জেলা ব্যবস্থাপনা কমিটি চাহিদা পাঠালেও এখনও কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়। এ ঘটনার পর থেকে মুজিবনগরে পর্যটকরা এসে হতাশায় ভুগছেন।

ভাস্কর্যগুলো মহান মুক্তিযুদ্ধের নানা ইতিহাস তুলে ধরতো পর্যটকদের কাছে। ভাস্কর্যগুলো ভাংচুর হয়েছে শুনে রক্তক্ষরণ হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধাদের। তাঁরা এ দূর্বত্তায়ানের বিচার দাবি করেছেন। তবে এ ঘটনায় কোন মামলা হয়নি।

২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট বিকাল থেকে রাত প্রায় ১০ টা পর্যন্ত দূর্বৃত্তরা দফায় দফায় এ হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে।

ওই সময় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সরকার পতনের খবর ছড়িয়ে পড়ার কিছুক্ষণ পর থেকে প্রায় দুই শতাধিক র্দর্বৃত্ত রড, বাঁশ ও হাতুড়ি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্সে প্রবেশ করে। প্রথমে তারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যটির মাথা ভেঙে ফেলে। একই সময়ে এলোপাতাড়িভাবে আঘাত করে ‘১৭ এপ্রিলের গার্ড অব অনার’ ভাস্কর্যটিতে। আরও একটি দল ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের আত্মসমর্থনের ভাস্কর্যগুলোতে আঘাত করে। তবে সেখানে খুব বেশি ভাঙচুর করতে পারেনি তারা। পরে কমপ্লেক্সের মধ্যে দেশের মানচিত্রের আদলে তৈরি করা মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টরে যুদ্ধের বর্ণনা সংবলিত ছোট ভাস্কর্যগুলো ভেঙে আশপাশে ছুড়ে ফেলে। আরও একটি দল শহীদ স্মৃতিসৌধের প্রধান ফটকটি ভেঙে নিয়ে যায়।

ওই সময়ে মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্সের দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য সুমন আহমেদ বলেছিলেন, ‘তিন শতাধিক ছোট-বড় ভাস্কর্য ভেঙে ফেলা হয়েছে। আমরা প্রথমে তাদের বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করলে আমাদের ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিয়ে তারা ভাস্কর্যগুলো ভাঙতে শুরু করে। এসময় আমাদের এক সদস্য পড়ে গিয়ে আহত হন। একদল এসে কিছূ ভাস্কর্য ভেঙে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর আবার আর একদল এসে স্মৃতি কমপ্লেক্সের মানচিত্র ও গ্যালারির সকল ভাস্কর্য ভেঙে ফেলে। দূর্বৃত্তরা সীমনা রেলিং, স্মৃতিসৌধের প্রধান ফটক, পানির পাম্পসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করেও নিয়ে গেছে।’

মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্সে স্থাপিত আনসার ক্যাম্পের তৎকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবেদার রবিউল ইসলাম বলেন, ‘যখন দুর্বৃত্তরা এখানে হামলা শুরু করে, তখন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মুঠোফোনে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল। তিনি কোনো নির্দেশনা দিতে পারেননি। এ কারণে আনসার সদস্যরা নিজেদের জীবন ও অস্ত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যারাকে অবস্থান নেন।’

সম্প্রতি সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ভিতরে প্রবেশ করে মনে হলো যেন এক বিরানভূমি। দর্শনার্থীদের পদভারে মুখরিত মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্সটি আজ নির্বীকার হয়ে দাড়িয়ে আছে। মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্সের মধ্যে রয়েছে পর্যটন মোটেল, মসজিদ ও রাষ্ট্রীয় অতিথিদের বাংলো। এগুলো ভাংচুর করা হয়নি। এগুলো পেরিয়ে স্মৃতি কমপ্লেক্স। কমপ্লেক্সের সামনে সারি সারি ভাস্কর্য। সেখানে সব ভাস্কর্য কমবেশি ভাঙচুর করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যটির মাথা ভেঙে ফেলা হয়েছে। তাজউদ্দীন আহমদের ভাস্কর্যটিকে আঘাত করা হয়েছে। গার্ড অব অনারের ভাস্কর্যগুলোতে এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয়েছে। ভাস্কর্যগুলো ভেঙে পড়ে আছে। চেনার উপায় নেই সেগুলো। বাংলাদেশের মানচিত্রের ওপরে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধকালীন ১১টি সেক্টরের আদলে তৈরি ছোট ভাস্কর্যগুলো একেবারে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কমপ্লেক্সের পেছনে জয় বাংলা তোরণের ‘জয় বাংলা’ লেখাটি খুলে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। তবে অক্ষত রয়েছে মসজিদ, এতিমখানা, বাংলোগুলো।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠনের লক্ষ্যে নিরাপদ স্থান বিবেচনায় আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা (বর্তমান মুজিবনগরে) সমবেত হন। সেখানে মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তার পরে ওই স্থান নামকরণ করা হয় মুজিবনগর।

ওই অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়। এম এ জি ওসমানীকে সরকারের প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়। মুজিবনগরে তৎকালীন সাবডিভিশনাল পুলিশ কর্মকর্তা মাহবুব উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের নেতৃত্বে ১২ জন আনসার সদস্য বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। এই অস্থায়ী সরকারের নেতৃত্বে ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জিত হয়।

পরে ১৯৮৭ সালে মুজিবনগর আম্রকাননে নির্মাণ করা হয় স্মৃতিসৌধের। ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ স্থানকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলতে ১৯৯৬ সালে ওই স্থানে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরবর্তি আওয়ামী লীগ সরকার মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্সটিকে আন্তর্জাতিক মানের মুক্তিযুদ্ধ পর্যটন কেন্দ্র করে গড়ে তুলতে ৪০৯ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করেন।

মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ স্বেচ্ছাশ্রমে দীর্ঘদিন ধরে পরিচ্ছন্ন করে আসছেন সুভাস মল্লিক। তিনি বলেন, মুজিবনগরের সৌন্দর্য সব শেষ হয়ে গেছে। আর ভালো লাগছে না। পর্যটকরা এসে আর কী দেখবেন?

মুজিবনগরে বেড়াতে যাওয়া স্কুল শিক্ষক ইয়ামিন হাসান বলেন, ‘রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু ইতিহাসের উপর আঘাত করা মোটেও কাম্য নয়। ইতিহাসের টানে বারবার মুজিবনগরে আসি। কিন্তু আগের সেই মুজিবনগর আর পাই না। বর্তমান সরকারের উচিত খুব্র দ্রুত সময়ের মধ্যে ইতিহাস রক্ষার প্রয়োজনেই মুজিবগর স্মৃতি কমপ্লেক্স পুনর্গঠণ করা।’

বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অব.) আব্দুল মালেক বলেন, ‘মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমেপ্লেক্সের একেকটি ভাস্কর্য স¦াধীনতার প্রতীক। যারা এগুলো ভেঙেছে তারা গর্হিত কাজ করেছে। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এ ঘটনার শোনার পর থেকে আমার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। বর্তমান সরকারের কাছে দাবি করি সুষ্ঠ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য এবং ভেঙে ফেলা ভাস্কর্যগুলো নতুন করে প্রতিস্থাপন করার দাবিও জানান তিনি।’

মেহেরপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা মুজিবনগরে পরিদর্শন করে একটি চাহিদা পাঠাতে বলেছিলেন। তারপরই আমরা ভাস্কর্যগুলো নতুন করে প্রতিস্থাপন, অবকাঠামো ও ইলেকট্রিক কাজগুলো মেরামত করার জন্য মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন প্রতি উত্তর আসেনি।’

মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল হুদা বলেন, ‘জেলা ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্সের ভাস্কর্যের ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণ করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে আমি যোগদান করার আগেই। তবে এখনো মন্ত্রণালয় থেকে কোন নির্দেশনা আসেনি।’

মুজিবনগর থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্সের ভাস্কর্য ভাংচুরের ঘটনায় থানায় কোন মামলা হয়নি।’




তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র উযায়ের আযমানের কৃতিত্ব

মেহেরপুর জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি আয়োজিত মহান স্বাধীনতা  ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত চিত্রাংকন ও কবিতা আবৃতি প্রতিযোগিতায় ক বিভাগে  উযায়ের আযমান প্রথম হয়েছে।

এছাড়াও জেলা প্রশাসন মেহেরপুর আয়োজিত ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদ কার্ড বানানো প্রতিযোগিতায় সে প্রথম হয়েছে। উযায়ের আযমান মেহেরপুর জিনিয়াস ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজর তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র। মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবীর, পুলিশ সুপার উজ্জল কুমার রায় উপস্থিত থেকে উযায়ের আযমান সহ বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।




আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার-২

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ২০ পিচ টাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার ২। গত বুধবার রাত ১০ টার সময় এই অভিযান পরিচালিত হয়।

আলমডাঙ্গা থানার এসআই(নিঃ) মোঃ আলমগীর কবীর ও সংগীয় অফিসার ফোর্সসহ তদন্ত কেন্দ্র এলাকায় বিশেষ অভিযানে আলমডাঙ্গা থানাধীন বেলগাছি গ্রামের কাশিপুর কেদারনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এর মাঠের বট গাছের নিচে হতে আনিসুল রহমানের ছেলে মোঃ মনিরুল ইসলাম (৩৫) ও মোশারিফ আলির ছেলে মোঃ সুজন(৩০) গ্রেফতার করা হয়। তাদের হেফাজত হতে সর্বমোট ২০পিচ মাদকদ্রব্য টাপেন্টাডল ট্যাবলেট, মাদক বিক্রয়ের নগদ সর্বমোট ৯৩০ টাকা, মাদক বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ০১টি কালো রংয়ের স্যামফনি বাটন ফোন উদ্ধার করা হয় ।

গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানার মামলা নং-৩২, তাং-২৫/০৩/২০২৬ খ্রিঃ ধারা- ২০১৮ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন ৩৬(১) সারণির ২৯(ক) মামলা রুজু করা হয়েছে।




মেহেরপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে মেহেরপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রজনীগন্ধার ফুলের স্টিক দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. শেখ বখতিয়ার উদ্দীন, পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তরিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদ, সিভিল সার্জন ডা. আবু সাঈদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম সোনা, ক্যাপ্টেন (অব.) বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস হোসেন প্রমূখ।




আলমডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

আলমডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্যদিয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়েছে। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচীর সুচনা করা হয়।

সকালে সরকারী ও বেসরকারী ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৯টায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মাজারে পুস্পমাল্য অর্পন শেষে আলমডাঙ্গা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মাজারে ফাতেহা পাঠ ও মুনাজাত করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পান্না আক্তার, বীরমুক্তি যোদ্ধা এ্যাডঃ আব্দুর রশিদ,আলমডাঙ্গা মুক্তি যোদ্ধা সংসদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান ,বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউদ্দিন,বীর মুক্তিযোদ্ধা নবাব আলী ,বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াজেদ আলী,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান ধুনা,বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার শাহাবুদ্দিন, ওসি বানি ইসরাইল, উপজেলা প্রকৌশলী তাওহিদ, শিক্ষা অফিসার আলাউদ্দিন, জনস্বাস্থ প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জিয়াউল হক, আইসিটি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

এছাড়াও পুস্পমাল্য অর্পন করেন আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজ, মহিলা কলেজ, ওজোপাডিকো, এমসবেদ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, পল্লিবিদ্যুত, আলমডাঙ্গা থানা, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পৌরসভা, উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন।

পরে উপজেলা চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পতাকা উত্তোলন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পান্না আক্তার ও ওসি বানি ইসরাইল।স্বাধীনতা দিবসের বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পান্না আক্তার। শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে হয় এবং বেলুন ওড়ানো হয়। এরপর কুজকাওয়াজ পরিচালনা করেন, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, আনছার ভিডিপি, সরকারি পাইলট মাধ্যমিক স্কুল, মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, এরশাদপুর একাডেমি, আলমডাঙ্গা ব্যামাগার, এম সবেদ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আলমডাঙ্গা একাডেমি, ব্রাইট মডেল স্কুল, গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,জেএন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,গোবিন্দপুর এরশাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

বেলা ১১ টায় উপজেলা মঞ্চে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পান্না আক্তার । উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার সাজ্জাদ হোসেনের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড,আব্দুর রশিদ ,বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউদ্দিন,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার শারমিন আক্তার , থানার অফিসার ইনচার্জ বানি ইসরাইল।আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দদুল কুদ্দদুস, আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি খন্দকার শাহ আলম মন্টু,সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার হামিদুল ইসলাম আজম,বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলাম, সমাজ সেবা কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন,উপজেলা শিক্ষা অফিসার আলাউদ্দিন,প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মাহবুবুর রহমান,মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জিয়াউল হক,আইসিটি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান,জনস্বাস্থ প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ,ভিডিপি কর্মকর্তা আজিজুল হক,তথ্য কর্মকর্তা স্নিগ্ধা দাস প্রমুখ।

অন্যদিকে আলমডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে সকাল ১০টায় দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন ও শহীদ জিয়ার প্রতিকৃতিতে মাল্যদান শেষে র‍্যালি সহকারে শহীদ মাজারে গিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান পিন্টু।সাংগাঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আক্তার হোসেন, সাধারন সম্পাদক আমিনুল হক রোকন,,উপজেলা বিএনপির সাংগাঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন,পৌর বিএনপির সাংগাঠনিক সম্পাদক কাজী আলী আসগার সাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রাশেদুল ইসলাম ,সহ-সাংগাঠনিক সম্পাদক খন্দকার হাসিবুল ইসলাম,যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল হক মাষ্টার,মখলেছুর রহমান মিলন,আসিফ আল নুর,নির্বাহী সদস্য খন্দকার রুবায়েত ফেরদৌস বাপ্পি,উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মীর আসাদুজ্জামান উজ্জল,সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক নাজিম মোল্লা।