ঝিনাইদহে গ্রাম আদালত উৎসব অনুষ্ঠিত

জেলায় জেন্ডার সংবেদনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গ্রাম আদালত উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলার পিছিয়ে পড়া নারী জনগোষ্ঠীর মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।

রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার পোড়াহাটি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। কমিউনিটি বেতার সংস্থা ‘রেডিও ঝিনুক’ এ উৎসবের আয়োজন করে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায় উৎসব উপলক্ষ্যে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন।

রেডিও ঝিনুকের স্টেশন ব্যবস্থাপক ইমন হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা গ্রাম আদালতের ব্যবস্থাপক মো. ওহিদুর রহমান, বেসরকারি সংস্থা সৃজনী ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপক মো. রহিদুর রহমান, পোড়াহাটি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

উৎসবে কুইজ প্রতিযোগিতা, সচেতনতামূলক বইয়ের স্টল, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ভিডিও চিত্র প্রদর্শন সহ পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। এসময় বিভিন্ন এলাকার নারী, কিশোরী ও প্রান্তিক নারী সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আয়োজকরা জানান, জেলার পিছিয়ে পড়া নারী জনগোষ্ঠীর জেন্ডার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও গ্রাম আদালতের সুবিধা সম্পর্কে অবহিত করতেই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এ আয়োজনের মধ্যদিয়ে নারীরা তাদের অধিকার, গ্রাম আদালতে বিচারপ্রাপ্তি ও যাবতীয় সুবিধাদি সম্পর্কে সহজেই জানতে পারছেন।




মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সীমান্তে প্রায় ১০ হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার

মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদক ও ভারতীয় চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৪৭ বিজিবি)।

রবিবার (২৬ এপ্রিল) দিনব্যাপী পরিচালিত এসব অভিযানে ইয়াবা, মদ, গাঁজা ও নেশাজাতীয় ওষুধ উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার দুপুরে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) সদর থেকে একটি বিশেষ টহল দল মিরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় মেহেরপুর থেকে কুষ্টিয়াগামী ‘আলহাজ্ব এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ৯ হাজার ৯৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ২৯ লাখ ৯১ হাজার টাকা।

একই দিন ভোরে কাজীপুর বিওপির একটি দল কাজীপুর বর্ডারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০ বোতল ভারতীয় মদ, ৯০০ পিস ডেক্সামেথাসন এবং ৬০০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট জব্দ করে। যার বাজারমূল্য প্রায় ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

এছাড়া প্রাগপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ গরুরা মাঠ এলাকা থেকে ২ লাখ ৫৫ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের ৪ হাজার ৬৪০ প্যাকেট ভারতীয় পাতার বিড়ি এবং জামালপুর বিওপির ধর্মদাহ মাঠ এলাকা থেকে ৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক জানান, জব্দকৃত এসব চোরাচালান পণ্যের সর্বমোট আনুমানিক মূল্য ৩৭ লাখ ৪০ হাজার ২০০ টাকা।

তিনি আরও বলেন, “সীমান্ত সুরক্ষা এবং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করে আসছে।

দেশের যুবসমাজকে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”




এডুকেয়ার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. রুহুল আমিন

কুষ্টিয়ার স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এডুকেয়ার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. রুহুল আমিন। তার এ সফর প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পরিদর্শনকালে তিনি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম গভীর মনোযোগসহ পর্যবেক্ষণ করেন। শ্রেণিকক্ষের পাঠদান পদ্ধতি, ল্যাবরেটরি সুবিধা, শিক্ষার মান, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং সামগ্রিক একাডেমিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন, যা উপস্থিত সবার মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলে।

পরে অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন।

তিনি বলেন, “শিক্ষকরা যখন তোমাদের শাসন করেন বা বকাঝকা করেন, তা তোমাদের মঙ্গলের জন্যই করেন। নিয়মিত পড়াশোনা করা এবং ক্লাসের পড়া ক্লাসেই শেষ করা অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষকদের নির্দেশনা মনোযোগ দিয়ে অনুসরণ করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আজ আমি এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলছি, ভবিষ্যতে তোমাদের মধ্য থেকেই কেউ এই জায়গায় দাঁড়িয়ে কথা বলবে এই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। গ্লোবালাইজেশনের এই যুগে নিজেকে বিশ্লেষণ করে দক্ষ করে তুলতে হবে, তবেই সফলতা অর্জন সম্ভব।”

তার এই পরিদর্শনকে শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে পাঠদান পদ্ধতি উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হক, পরিচালক মো. সোহেল রানা, প্রিন্সিপাল (একাডেমিক) মিস দিলরুবা পারভিন, ভাইস প্রিন্সিপাল মো. ফায়জুর রহমানসহ সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তার পরিদর্শন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।




ময়লা-আবর্জনায় ডুবে কোটি টাকার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন

ভবনের সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠতেই চোখে পড়ে ধুলোবালি আর ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। দেখলেই বোঝা যায়, অনেক দিন এই পথে কারও পদচারণা হয়নি। ভবনের বাইরের দেয়ালে জমেছে শেওলা।

ভেতরের দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়েছে। প্রতিটি কক্ষের শাটারগুলোতে ধরেছে মরিচা। কনফারেন্স কক্ষের আসবাবপত্রেও জমে আছে পুরু ধুলোর আস্তরণ। সাংগঠনিক কাজকর্মে খোলা হচ্ছে না অফিস ভবন। ভবনটি ব্যবহূত না হওয়ায় অযত্ন-অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে কমপ্লেক্সের মূল্যবান আসবাবপত্র। যেন নীরব সাক্ষ্য। এটাই দামুড়হুদা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের ভেতরের বাস্তব চিত্র।

গতকাল শনিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে— ভাঙা জানালা, টয়লেটের, বেসিন, আসবাবপত্রেও যান্ত্রিক ডিভাইস শক্তি জেনারেটর, ভবনজুড়ে এখন কেবল দুর্গন্ধ আর কুকুর বিড়ালের বিচরণ। ভবনের চারপাশে নোংরা আবর্জনায় ভরপুর। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স এখন পরিণত হয়েছে ভুতুরে বাড়িতে। নেই মুক্তিযোদ্ধাদের পদচারণা, নেই কোনো কার্যক্রমের চিহ্ন। মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ ও বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে নির্মিত এই ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত ও অযত্নে পড়ে আছে।

তথ্যসূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার বিভাগ প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর তত্ত্বাবধানে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন এর কলেজ রোডে দক্ষিণ পাশে ৪ তলা বিশিষ্ট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হয়। ভবনের প্রাথমিক খরচ যোগান দিতে প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় দোকানঘর নির্মাণ করা হয়। এছাড়া তৃতীয় তলায় রয়েছে অফিস কক্ষ, বিশাল আকৃতির একটি কনফারেন্স রুম। অফিস কক্ষে রয়েছে উন্নত আসবাবপত্রসহ আধুনিক বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা। ভবনের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হলে ২০১৫ সালের ১১ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু ভবনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাতায়াত নেই। সারা বছর ভবনগুলো তালাবদ্ধ থাকে। মাসের পর মাস অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন অবস্থায়, ময়লা-আবর্জনায় ডুবে থাকে। তাই অযত্ন-অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার ভবনসহ মূল্যবান আসবাবপত্র।

একই সঙ্গে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভবনটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকায় বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ অপচয় হচ্ছে।

এদিকে, এলাকার সাধারণ মানুষও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সঠিক পরিকল্পনা না করে কোটি টাকা ব্যয়ে ভবন নির্মাণ করা হলেও তা ব্যবহার না হওয়ায় রাষ্ট্রের সম্পদ দেখভাল করার কেউ না থাকায় ফলে অযত্ন–অবহেলায় দিন দিন নষ্ট হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ভবনটি।

একাধিক মুক্তিযোদ্ধা বলেন, নিজেদের মাঝে অভ্যন্তরীণ বিভক্তি ও সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে। ভবনটি দামুড়হুদা উপজেলা থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে কার্পাসডাঙ্গা বাজার হওয়ায় অনেক মুক্তিযোদ্ধাই সেখানে যেতে অনীহা প্রকাশ করেন। প্রায় সকল বীর মুক্তিযোদ্ধার বয়সই ৯০-এর কোটায়, সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠা তাঁদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর। ভবনটি মাসের পর মাস তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার এটিও একটি কারণ। মুক্তিযোদ্ধারা অভিযোগ করে বলেন, সঠিক পরিকল্পনা না করে ভবনটি নির্মাণ হওয়ায় এটি আজ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। তাঁদের কল্যাণে ভবনটি নির্মিত হলেও ব্যবহার না হওয়ায় তাঁরা প্রত্যাশিত সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।এতে কোটি টাকার সরকারি সম্পদ নষ্ট হচ্ছে। অপচয় হচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: উবায়দুর রহমান সাহেল বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মী নাই এ জন্য এই অবস্থা। আমরা পরিষ্কার -পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা নিয়েছি কাজ চলছে। স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবী দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সরকারি এই সম্পদ পুরোপুরি মাদক ব্যবসায়ীদের দখলে চলে যাওয়ার আশঙ্কা।




চুয়াডাঙ্গায় তাপদাহ অব্যাহত, নিউমোনিয়ায় শিশুর মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গার উপর দিয়ে অব্যাহত রয়েছে মৃদু তাপদাহ। সেই সাথে ভ্যাপসা গরমে বেড়েছে দুর্ভোগ। বাড়ছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ গরমজনিত নানা রোগ। এদিকে, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে রাহা নামে ৬ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গতকাল শনিবার বেলা ১১ টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় শিশুটি। রাহা চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামের সম্রাট আলীর ছেলে।

গত শুক্রবার সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয় শিশু রাহাকে। গরমে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। সকাল থেকেই উত্তপ্ত হতে শুরু করছে চুয়াডাঙ্গার জনপদ। ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল হয়ে পড়েছে জনজীবন।

ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কাজকর্ম। জীবিকার তাগিদে তীব্র রোদে পুড়ে কাজ করতে হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষকে। তীব্র গরমে ঘরে-বাইরে কোথাও মিলছে না স্বস্তি। খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, গতকাল শনিবার বিকেল ৩ টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৪৭ শতাংশ।




দামুড়হুদার জয়রামপুরে তিনতলা ভবন থেকে পড়ে রংমিস্ত্রির মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুরে রংয়ের কাজ করতে গিয়ে তিনতলা ভবন থেকে পড়ে শাকিল (৩৫) নামের এক রংমিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার জয়রামপুর মাঠপাড়ার বাসিন্দা ও ওহিদুল ইসলামের ছেলে।

গতকাল শনিবার জয়রামপুর শাহপাড়ায় এক প্রবাসীর বাড়িতে রংয়ের কাজ করার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, বাড়ির উপরের তলায় বাঁশের মই বেয়ে ওঠার সময় অসাবধানতাবশত পা পিছলে নিচে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন শাকিল।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এদিকে, এ মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক বিরাজ করছে।

নিহত শাকিলের একটি পাঁচ বছর বয়সী কন্যা সন্তান রয়েছে।




আলমডাঙ্গায় প্রস্তাবিত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি পরিদর্শনে লিয়াঁজো কমিটি

প্রস্তাবিত ‘চুয়াডাঙ্গা ইউনিভার্সিটি অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (চুয়েট)’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সাইট নির্ধারণে আলমডাঙ্গায় লিয়াঁজো কমিটি স্পট ভিজিট করেছে।

জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য ঢাকাস্থ আলমডাঙ্গা কমিটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় জমি সংক্রান্ত বিষয় যাচাই ও স্থান নির্ধারণের জন্য সম্প্রতি লিয়াঁজো কমিটি এ পরিদর্শন করে।

স্পট ভিজিটে উপস্থিত ছিলেন লিয়াঁজো কমিটির উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা শাহরিয়ার মাহমুদ (লন্টু), আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. শরীফুল ইসলাম (ডিন, এগ্রিকালচার ফ্যাকাল্টি, সিটি ইউনিভার্সিটি), সদস্য প্রকৌশলী মো. আমিনুর রহমান (পরিচালক/যুগ্ম সচিব, স্রেডা, পিডিবি), সদস্য ড. মাসুদুল হক ঝন্টু (প্রকল্প পরিচালক, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, জয়দেবপুর), সদস্য সচিব ফারুক আহমেদ (পরিচালক, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মিডিয়া ডেভেলপমেন্ট), মহাপরিচালক (রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো) মো. রুহুল আমিন এবং আব্দুল্লাহ আল মামুন সোহেলসহ অন্যান্যরা।

টিমকে স্বাগত জানান আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিস পান্না আক্তার, দর্পণ থিয়েটারের সভাপতি মো. আরশাদ হোসেন সাদ, কলেজপাড়া কল্যাণ কমিটির সভাপতি খোন্দকার সহিদুর রহমান, আলমডাঙ্গা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব খোন্দকার হাবিবুল করিম চঞ্চলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

পরিদর্শনকালে টিমটি প্রাথমিকভাবে দুটি স্থান বন্ডবিল থেকে ফরিদপুরমুখী সড়কের দুই পাশ এবং মুন্সিগঞ্জ গোবিন্দপুর মাঠ এলাকা ঘুরে দেখেন। দ্রুত প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়ন করে তা ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এলাকার কৃতি সন্তান ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. রুহুল আমিন বলেন, “প্রস্তাবিত চুয়েট বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের শিক্ষা ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হবে। তাই এর বাস্তবায়নে স্থানীয়দের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রয়োজন।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিস পান্না আক্তার বলেন, “চুয়াডাঙ্গা জেলার বৃহত্তম উপজেলা আলমডাঙ্গায় প্রস্তাবিত এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ অত্যন্ত ইতিবাচক। সরকারিভাবে নির্দেশনা পেলে জমি অধিগ্রহণসহ বাস্তবায়নে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।”

পরিদর্শন শেষে বিকেল ৩টায় লিয়াঁজো কমিটি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে বৈঠক করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন বলে জানা গেছে।




মেহেরপুর প্রশিকার সাবেক কর্মী টুটুল কারাগারে

১৪ লাখ ২৪ হাজার টাকা আত্মসাতের আসামির সামসুজ্জামান টুটুলকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

গত ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার মেহেরপুর সদর আমলি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর সদর থানায় প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক ওসমান গণি বাদি হয়ে সংস্থার সাবেক কর্মী সামসুজ্জামান টুটুলের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন। যার নম্বর-২১।

মামলার বাদি ওসমান গণি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় আসামি পক্ষে অ্যাড. মারুফ আহমেদ বিজন ও বাদি পক্ষে অ্যাড. এহান উদ্দিন মনা আইনজীবীর দায়িত্ব পালন করেন।

মামলার এজাহারে জানা গেছে, আসামী সামসুজ্জামান টুটুল প্রশিকা মেহেরপুর সদর অফিসের একজন সাবেক কর্মী। আসামী চাকুরীতে যোগদান করার পরে মাঠ পর্যায়ে ঋণ বিতরণকালে বিভিন্নভাবে আর্থিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে।

আমি সহ আমার অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ তাকে অনিয়মের বিষয়ে সতর্ক করতে থাকি। তাকে আমরা কোন ভাবে নিবারণ করতে না পেরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আসামীকে নিয়ে আমাদের অফিসে ২৩ ফেব্রুয়ারি মাঠ পর্যায়ে তার প্রদত্ত লোন এবং কাগজে কলমে লোনের স্থিতির হিসাব করতে বসি।

হিসাব কালে দেখা যায় মাঠ পর্যায়ে তার প্রদত্ত লোন এবং স্থিতির মধ্যে ১৪ লাখ ২৪ হাজার ২৩৫ টাকা ঘাটতি আছে। এই পরিমান টাকা সে লোন প্রদানের নামে বিভিন্ন উপায়ে প্রতারণা পূর্বক আত্মসাৎ করেছে। আসামীকে এ বিষয়ে কাগজে কলমে বুঝিয়ে দিলে তিনি সেটি মেনে নেন এবং আত্মসাৎকৃত টাকা অফিসে ফেরত দেবার জন্য এক মাসের সময় চান।

আমি এবং আমার অফিস কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আলোচনা করে মানবিক কারণে তাকে এক মাসের সময়ে প্রদান করি এবং তার আবেদনের প্রেক্ষিতে তাকে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, এ ঘটনার প্রেক্ষিতে গত ৬ এপ্রিল ‍দুপুর পৌনে ৩টার দিকে মেহেরপুর শহরের মল্লিকপাড়াস্থ আমাম হোসেন মিলুর তিন তলা ভবণের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত প্রশিকা অফিসে আসামী এসে হাজির হয়।

তাকে অফিসের টাকা পরিশোধ করিতে বলিলে তিনি টাকা যোগাড় করতে পারেনি বলে আরো কিছু দিনের সময় চায়। আমরা তাকে সময় দিতে অপরাগতা প্রকাশ করিলে সে উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং এক পর্যায়ে চিৎকার করে বলে যে তোরা আমার কাছে কোন টাকাই পাবিনা, আমি কোন টাকাই দিতে পারবো না বলে সে টাকার কথা অস্বীকার করে দম্ভের সাথে অফিস থেকে চলে যায়।

একই ঘটনায় প্রশিকার আরেক কর্মী রীতা সাহা সামসুজ্জামান টুটুলের স্ত্রী পপি খাতুন, আবু আক্তার করণ ও রাশেদ খান মিলনের বিরুদ্ধে মেহেরপুর সদর থানায় একডি জিডি করেন। যার নম্বর-৮০৬। জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, ৬ এপ্রিলের ঘটনায় তিনি প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা তাকে অশ্লিল ভাষায় গালাগাল করেন এবং নানরকম হুমকি দেন।




মেহেরপুরে ৫০-৫৫ কোটি টাকার লিচু বিক্রির প্রত্যাশা

মেহেরপুরে দিন দিন বাড়ছে লিচুর চাষ। রসালো ও সুস্বাদু হওয়ায় জেলার লিচুর চাহিদা দেশজুড়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিটি বাগানেই চলছে পরিচর্যার কাজ।

আর এক-দুই সপ্তাহের মধ্যেই বাজারে উঠতে শুরু করবে মেহেরপুরের লিচু। তবে বাজারদর ভালো থাকলে ৫০ থেকে ৫৫ কোটি টাকার লিচু বিক্রির প্রত্যাশা করছেন চাষিরা।

গত বছর মেহেরপুর জেলায় ৭১৫ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ হয়েছিল। এসব বাগান থেকে উৎপাদিত হয় ৬ হাজার ১১০ মেট্রিক টন লিচু, যার বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৫০ কোটিরও বেশি।

এ বছর লিচুর আবাদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০০ হেক্টরে। বিগত কয়েক বছর ধরে জেলার চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে মেহেরপুরের লিচু। রসালো ও সুস্বাদু হওয়ায় বিভিন্ন বাজারে এ জেলার লিচুর কদর বেশি।

মধুমাসের এ ফলকে ঘিরে চাষিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে বাম্পার ফলনের আশা। জেলার প্রায় প্রতিটি লিচু গাছেই থোকায় থোকায় সবুজ লিচু শোভা পাচ্ছে। পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে বাগানে নেওয়া হচ্ছে বাড়তি যত্ন।

জেলায় চায়না থ্রি, বেদেনা, বোম্বাই, মাদ্রাজি, কাঠালী ও আঠি জাতের লিচু উল্লেখযোগ্য।

চাষিরা জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ লিচু উৎপাদন সম্ভব। তবে ভালো দাম পেলে তবেই তারা লাভবান হবেন।

চিৎলা গ্রামের লিচু বাগান মালিক আব্দুর রহমান বলেন, “পোকামাকড়ের আক্রমণ ঠেকাতে এবং লিচুর স্বাদ ঠিক রাখতে বাগানে বাড়তি যত্ন নেওয়া হচ্ছে।”

যুগিন্দা গ্রামের চাষি হায়াত আলি জানান, “আমার আড়াই বিঘা জমিতে লিচুর বাগান রয়েছে। গত বছর মুকুল আসার সময়ই পাইকারি বিক্রি করে দিয়েছিলাম। এ বছর বেশি যত্ন নিচ্ছি। আবহাওয়া ভালো থাকলে কয়েক লাখ টাকার লিচু বিক্রির আশা করছি।”

আরেক চাষি সিরাজ হোসেন বলেন, “গত বছরের তুলনায় এ বছর ফলন বেশি হবে। পোকামাকড় দমনে নিয়মিত ওষুধ প্রয়োগ করছি। তবে দানা আসার পর বাদুড় ও পাখির উপদ্রব বেড়ে যায়। তাই ঝুঁকি এড়াতে অনেক সময় আগাম বাগান বিক্রি করে দিতে হয়।”

জেলার বড় লিচু ব্যবসায়ী নাজমুল হোসাইন জানান, “এ বছর বাগানগুলোতে ভালো ফলন হয়েছে। আগাম কয়েকটি বাগান কিনেছি। মৌসুমজুড়ে আরও বাগান ও কাউন হিসেবে লিচু কেনা হবে। মেহেরপুরের লিচুর চাহিদা সবসময়ই বেশি।”

আরেক ব্যবসায়ী খাইরুল ইসলাম গোলাপ বলেন, “আগাম লিচু বাজারে উঠলেই পাইকারদের ভিড় বাড়ে। এ বছরও ভালো ব্যবসার আশা করছি। দাম স্থিতিশীল থাকলে ব্যবসায়ী ও চাষি উভয়ই লাভবান হবেন।”

মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সনজীব মৃধা বলেন, “গত বছরের তুলনায় এ বছর গাছে লিচুর গুটি বেশি এসেছে। ৫০-৫৫ কোটি টাকার লিচু বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তর যদি বিদেশে বাজার তৈরি করতে পারে, তবে চাষিরা আরও বেশি লাভবান হবেন।”

তিনি আরও জানান, মানসম্মত লিচু উৎপাদনে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক বাগান মনিটরিং করছেন।




মেহেরপুরে চোরাচালান ও মাদকবিরোধী অভিযান, জেল-জরিমানা

মেহেরপুরে চোরাচালান ও মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। শনিবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ, আনসার বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানটি সদর উপজেলার বুড়িপোতা ইউনিয়ন, পাসপোর্ট অফিসের সামনে, কলেজ মোড়, গোরস্থানপাড়া এবং শ্যামপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় চালানো হয়।

অভিযানকালে বিভিন্ন স্থানে যানবাহন তল্লাশি করা হয়। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ লঙ্ঘনের দায়ে দুইজন চালককে মোট ২ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

এছাড়া গোরস্থানপাড়া এলাকায় এক ব্যক্তিকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। পরে তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(৫) ধারা অনুযায়ী ১০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযান শেষে শ্যামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের রামনগর গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৭ক(ঙ) উপধারা লঙ্ঘনের অপরাধে একজনকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।