সভাপতি অ্যাড. খোকন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. নাসিম

মেহেরপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম (বিএনপি সমর্থিত) বিজয় লাভ করেছে।

ফলাফলে অ্যাডভোকেট আসাদুল আজম খোকন সভাপতি এবং অ্যাডভোকেট আবু সালেহ মো. নাসিম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার আইনজীবী বিমল কুমার বিশ্বাস আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। পরে আইনজীবী ফোরামের সাবেক সভাপতি অ্যাড. মারুফ আহমেদ বিজন নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

এছাড়া সহ-সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক পদে মখলেছুর রহমান খান স্বপন, কোষাধ্যক্ষ পদে অ্যাডভোকেট সেলিম রেজা গাজী এবং লাইব্রেরি ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে সাইদুর রহমান রিপন নির্বাচিত হন।

অন্যদিকে, সিনিয়র সদস্য হিসেবে নিয়ামুল খান এবং সদস্য পদে আয়েশা সিদ্দিকা ও তারিক আহমেদ পাভেল জয় লাভ করেছেন। নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীদের সমর্থক ও আইনজীবীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।

জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা জানিয়েছেন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম দীর্ঘদিন ধরে সমিতির স্বার্থরক্ষা, সম্পদ উন্নয়ন ও আইনজীবীদের কল্যাণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে আসছে। সমিতির পতিত জমি কাজে লাগিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ, আইনজীবীদের জন্য নিজস্ব কক্ষ, লাইব্রেরি সমৃদ্ধকরণ এবং কল্যাণ তহবিল বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ এই ফোরামের নেতৃত্বে সম্পন্ন হয়েছে।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম বিচারপ্রার্থীদের আইনি সহায়তা প্রদানসহ কেন্দ্র ঘোষিত সকল কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সংগঠনটি উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।

এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেল না থাকায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।




কুষ্টিয়ায় পল্লী চিকিৎসকের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পল্লী চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, কুপিয়ে জখম ও টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী ও পল্লী চিকিৎসকরা।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে উপজেলার আল্লারদর্গা জয়ভোগা এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচি থেকে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে দৌলতপুর উপজেলা পল্লী চিকিৎসক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাহীন বলেন, “আমাদের সমিতির সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের ওপর হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয়। দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত না হলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করবো।”

সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মো. সুমন আলী বলেন, “জাহাঙ্গীর আলম একজন সৎ ও ভালো মানুষ। রাতে আঁধারে তার ওপর হত্যাচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, ঘটনার পরও আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, কিন্তু তাদের গ্রেফতারে এখনো দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই, যা অত্যন্ত দু:খজনক।

এদিকে পল্লী চিকিৎসক আবু সাঈদ অভিযোগ করে বলেন, “ঘটনার পরও আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং আমাদের হুমকি দিচ্ছে। মামলা হলেও পুলিশ এখনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না, যা উদ্বেগজনক।”

এলাকাবাসী আবদুর রশীদ মাস্টার দ্রুত বিচার দাবি করে বলেন, এ ধরনের ঘটনা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ছাড়া বন্ধ হবে না।

উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল রাতে আল্লারদর্গা বাজার থেকে নিজ বাড়ি ফেরার পথে জয়ভোগা চাররাস্তার মোড়ে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে পল্লী চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে গুরুতর জখম করে এবং তার কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় ১ মে দৌলতপুর থানায় ভুক্তভোগীর ভাই আবু সাঈদ বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। আহত জাহাঙ্গীর আলম জয়ভোগা গ্রামের মৃত ফজলুল হকের ছেলে।




দর্শনায় নাশকতাসহ ১০ মামলার আসামি গ্রেফতার

দর্শনা থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে নাশকতাসহ একাধিক মামলার আসামি রাশেদুজ্জামান রাশেদকে (৩৩) গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃত রাশেদ দর্শনা পৌরসভার বড় মসজিদপাড়ার মাদক ব্যবসায়ী সানিরুলের ছেলে। মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) ভোরে দর্শনা থানা পুলিশ তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ জানায়, রাশেদ দর্শনা এলাকায় কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। এলাকাবাসী তার ভয়ে সবসময় আতঙ্কিত থাকেন। তার বিরুদ্ধে পূর্বে বিভিন্ন সময়ে মাদক, নাশকতাসহ প্রায় ৮ থেকে ১০টি মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারের পর তাকে চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।




গাংনীর কাথুলীতে ঘরের বেড়া ভেঙে মোটরসাইকেল চুরি

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাথুলী ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর ধলা গ্রামে গভীর রাতে ঘরের বেড়া ভেঙে একটি অ্যাপাচি আরটিআর মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রামকৃষ্ণপুর ধলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে বসবাসকারী জুয়েল রানা (২৮), পিতা জাহিদুল ইসলামের একটি অ্যাপাচি আরটিআর মোটরসাইকেল (নম্বর: টাঙ্গাইল ল-১১-৭৭১৮) নিজ বাড়ির একটি কক্ষে রাখা ছিল। মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৩টার দিকে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা ঘরের বেড়া ভেঙে মোটরসাইকেলটি চুরি করে নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী জুয়েল রানা জানান, রাতে মোটরসাইকেলটি ঘরের ভেতরে রেখে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন ঘরের বেড়া ভাঙা এবং মোটরসাইকেলটি নিখোঁজ। পরে তিনি বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও মোটরসাইকেলটির কোনো সন্ধান পাননি।
তিনি আরও জানান, এলাকায় মাদকের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় অপরিচিত ব্যক্তিদের চলাচল বৃদ্ধি পেয়েছে। মাদক কারবারি ও মাদকাসক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এ ধরনের অপরাধ আরও বাড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

এ ঘটনায় এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা আতঙ্কে রয়েছেন। দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) আল মামুন জানান, আজ সকালে একটি নীল রঙের মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং একটি বিশেষ টিম ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছে।

এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে এলাকায় পুলিশ টহল জোরদার ও মাদকবিরোধী অভিযান বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।




মেহেরপুর নার্সিং কলেজে চালু হয়নি শিক্ষা কাযর্ক্রম

নার্সিংয়ে উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে মেহেরপুরে নির্মিত হয়েছে মেহেরপুর নার্সিং কলেজ। নির্মান শেষ হওয়ার দুই বছর অতিবাহিত হয়েছে কিন্তু অর্থনৈতিক কোড চালু না হওয়ায় প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও শিক্ষা কাযর্যক্রমও চালু করা যাচ্ছে না।

কলেজটি চালু হলে মেহেরপুরসহ সারাদেশ থেকে বিএসসি ইন নার্সিংয়ে উচ্চ শিক্ষার জন্য ভর্তি হবে শিক্ষার্থীরা। ফলে স্থানীয়সহ দেশের স্বাস্থ্য সেবায় মেহেরপুর নার্সিং কলেজ অবদান রাখবে।

জানা গেছে, নার্সিংয়ে উচ্চ শিক্ষার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধিনে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের পাশে মেহেরপুর সরকারি কলেজ সড়কে ৩ একর ৬৩ শতক জমির নির্মাণ করা হয়েছে মেহেরপুর নার্সিং কলেজ। কলেজটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে চারতলা বিশিষ্ট হোস্টেল ভবন, চারতলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন, দুই তলা গ্যারেজ এবং একটি সাবস্টেশন। ২০১৯ সালের ৩০ এপ্রিল প্রকল্পর কাজ পায় সিরাজগঞ্জের ডিএমসিএল এন্ড পিসি-জেভি নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে ২০২৪ সালের ২৭ জুন কাজ শেষ করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি। সিডিউল মোতাবেক কিছু ত্রুটি থাকায় সেগুলো পুন:মেরামত শেষে চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও আহবায়ক কমিটির কাছে হস্তান্তর করে প্রতিষ্ঠানটি।

কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নার্সিং কলেজটি চালু না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্বাস্থ্য সেবার সাথে সংশ্লিষ্টরা। এটি দ্রুত চালু হলে নার্সিং সেবায় দক্ষ জনবল পাবে এলাকার হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো। স্বাস্থ্য সেবার মান বাড়ার সঙ্গে এলাকার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখবে প্রতিষ্ঠানটি।

কলেজ ভবনটি নির্মাণ শেষ হলে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাছে থেকে বুঝে নেওয়ার জন্য নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর ৫ সদস্যর একটি আহবায়ক কমিটি গঠণ করে।

নার্সিং ও মিডউয়াফারি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (প্রশিক্ষণ) সাহানা ইসলাম আহবায়ক করা হয়েছে। মেহেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার আজিরন নেসাকে সদস্য সচিব, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের (শিক্ষা ) মুক্তার হোসেনকে প্রশাসনিক কর্মকর্তা করা হয়েছে। বাকি দুই জন সদস্য হলেন মেহেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স আসাদুল হক ও শারমিন নাহার।

মিরাজুল ইসলাম নামে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে সুন্দর একটি নার্সিং কলেজ নির্মাণ করা হয়েছে। কলেজেটি দ্রুত চালু না হলে এ চত্বরে মাদকসেবীদের আখড়ায় পরিণত হবে। কলেজের মূল্যবান মালামাল চুরি ও নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

রাফি হাসান নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, মেহেরপুরে বিএসসি নার্সিং পড়ার কোন প্রতিষ্ঠান নেই। বিএসসি লেভেলের নার্সিংয়ের জন্য মেহেরপুর নার্সিং কলেজ চালু হলে শিক্ষাথীরা এখানে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে এবং স্বাস্থ্য সেবা অবদান রাখতে পারবে।

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ সহকারী প্রকৌশলী ইউসুফ হোসেন বলেন, গত জানুয়ারি মাসে আমরা কলেজটি হস্তান্তর করেছি। এখন দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিক্ষা কাযর্যক্রম চালু না হলে কলেজটি রক্ষণাবেক্ষণ করা কঠিন হবে। এছাড়া মাদকসেবীরা মূল্যবান মালামাল চুরি করে নিয়ে যাওয়া আশংকা রয়েছে।

মেহেরপুর নার্সিং কলেজের আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব ও মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার আজিরন নেসা বলেন, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিপ্তর থেকে এ কলেজ নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে। আহবায়ক কমিটি হিসেবে আমরা দায়িত্ব বুঝে নিয়েছি। দ্রুত তম সময়ের মধ্যে চালু করার জন্য অধিপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আশা করছি আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে কলেজের শিক্ষা কাযর্যক্রম চালু হবে।

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিপ্তদরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (শিক্ষা) মো: মুক্তার হোসেন বলেন, কলেজটির এখনো অর্থনৈতিক কোড তৈরি হয়নি, যার ফলে জনবল নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না। জনপ্রশাসন, অর্থ ও স্বাস্থ্য এই তিন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে অর্থনৈতিক কোড তৈরি কাজ চলমান রয়েছে। স্থানীয়ভাবে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সুপারিশ থাকলে অর্থনৈতিক কোড দ্রুত পাওয়া সম্ভব হবে। তারপরও আশা করছি আগামী ২০২৭ শিক্ষা বর্ষ থেকে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হবে।




বোনের মামলায় তিন ভাই কারাগারে

মায়ের সম্পত্তি বোনদের নাদিয়ে জাল করে নিজেদের নামে রেজিস্ট্রি করে নেওয়ায় বোনের মামলায় কারাগারে গেলেন ৩ ভাই। আরেক ভাই ইংল্যাণ্ডে পলাতক রয়েছেন।

গতকাল গাংনী আমলী আদালতে হাজির হয়ে দুই ভাই জামিন চাইলে বিচারক নাসিম উদ্দিন ফারাজি তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন। এক ভাই রবিবার রাতে পুলিশের হাতে আটক হন। ঘটনাটি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার গাড়াবাড়ীয়া গ্রামে।

তিন ভাই হলেন, গাড়াবাড়ীয়া গ্রামের মৃত সামুসজ্জোহা বিশ্বাসের ছেলে সামসুল ইসলাম খোকন, ইমদাদুল হক ও হেলাল। মামলা বাদি তাদের বোন আখতার বানু। মামলা নম্বর-১১৩৫/২০২৪।

বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান ও তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার আরজিতে বাদির অভিযোগ, আসামিরা বাদীনির আপন সহদোর ভাই। মৃত মজিরা খাতুন বাদীনি বিবাদীদের মা হইতেছে। তাদের মা গত ইং ০৪/০৫/২০২৩ তারিখে মৃত্যু বরণ করেন। তাদের মা মারা যাওয়ার পর বাদীনি ও বিবাদীগন ওয়ারিশ থাকেন। ওয়ারিশ সনদপত্র অনুযায়ী বিবাদীরা ৪ ভাই ও বাদীনিরা তিন বোন বাদীনি নিজেসহ মোছাঃ মোমেনা খাতুন, মোহাঃ আরিফা খাতুন। তারা সকলে বিবাহিত।

প্রত্যেকের স্বামী, সন্তান ও সংসার রহিয়াছে। বাদীনির মা জীবিত থাকাকালীন অবস্থায় আসামিরা গত ২০০৪ সালেল ১ এপ্রিল ২৭৭৫ নং হেবা দলিল মূলে রেজিঃ করিয়া দিয়া নিঃস্বত্ববান হন। বাদীনির মা হেবা দলিল মুলে নিম্ন তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি পাওয়ার পর স্বত্ব দখল থাকাবস্থায় গত ২০২৩ সালের ৬ মে মৃত্যুবরণ করিলে আমরা ৩ বোন ও আসামীরা ওয়ারিশ থাকে। মা মৃত্যুর পর বাদীনির ৩ বোন নিম্ন তফসিল বর্ণিত সম্পত্তির ওয়ারিশ সুত্রে নালিশী জমি ১২ শতক জমির অংশ থাকে। বিবাদীরা বোনদের ন্যায্য অধিকার হইতে বা তাদের ৩ বোন এর অংশ ফাঁকি দেওয়ার জন্য প্রতারনা ও আত্মসাৎ করিবার কু-মতলবে বোনদের অংশ না দেখাইয়া তাহা সংশ্লিষ্ট রেজিঃ অফিসের কর্মচারী কর্মকর্তাকে গোপন করিয়া সম্পূর্ণরুপে জালিয়াতির মাধ্যমে আসামিরা যোগসাজস মূলে ভুল বুঝাইয়া বিবাদীরা ৪ ভাই একে অপরকে ৪ খানা ভুয়া দলিল সৃষ্টি করিয়া সমম্পূর্ণরূপে তঞ্চকি মুলে রেজিঃ করিয়া নিয়ে উল্লেখিত বাদীনি সহ ৩ বোনের প্রাপ্য ১২ শতক জমি জবর দখল করে এবং ৪ খানা ভুয়া দলিল কাথুলি ভূমি অফিসে দাখিল করিয়া নামজারি করে নেয়। বিষয়টি অবগত হওয়ার পর গাংনী সাব-রেজিঃ অফিস হইতে কপি উত্তোলন করিয়া নাম জারি কেসে আপত্তি জানাইলে বিবাদীরা বোনদের আপন ভাই হওয়ায় তাহারা আপোষে তাদের হিস্যা মতো নিম্নে তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি ফেরত দিতে চাহিয়া ফেরৎ না দিয়ে ঘুরাইতে থাকে এবং এক পর্যায়ে তারা ফেরত দেবে না বলে জানিয়ে দেয়।

এদিকে, আদালতের নির্দেশে কুষ্টিয়া পিবিআই মামলাটি তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনের পিবিআই বলেন যে, বাদীনি আখতার বানুর বাবার পরিবারে ৪ ভাই (বিবাদী) ও ৩ বোন। বর্তমানে সবাই বিবাহিত, তাদের পৃথক-পৃথক সংসার আছে। ৩ বোনের মধ্যে মেঝো বোন আরিফা খাতুন ২০২৪ সালে মৃত্যু বরণ করেছে। নালিশী জমি রেকর্ডীয় মালিক ও তার ওয়ারিশদের মধ্যে সুষম বন্টনের নিমিত্তে ০১.০৪.২০০৪ খ্রি. তারিখে ২৭৭৫ নম্বর পারিবারিক বন্টন দলিলের মাধ্যমে তাদের বর্ণিত তফসিলের জমি বন্টন দলিল সম্পাদিত হয়। উক্ত দলিল মুলে বাদীনির মা মোজিরা খাতুন, স্বামী-শামসুজ্জোহা বিশ্বাস ২নং গাড়াবাড়িয়া মৌজার ৩১৪ নম্বর খতিয়ান ভুক্ত ৬০৮ নম্বর দাগের শ্রেণি ধানী ০.৭৪০০ একরের মধ্যে ০.৬৬০০ একর জমির মালিকানা অর্জন করেন। অবশিষ্ট ০.০৮০০ (৮শতক) একর জমি শামসুল আলম প্রাপ্ত হন। ইসলামী উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েজ) মোতাবেক বাদীনির মা মোজিরা খাতুনের ০.৬৬০০ (৬৬ শতক) একর জমির ন্যায্য হিস্যা মোতাবেক প্রত্যেক ভাই চার জনে ১২ শতক করে মোট ৪৮ শতক এবং প্রত্যেক বোন ৬ শতক করে তিন বোন মোট ১৮ শতক জমি পাবে।

প্রতিবেদনে পিবিআই উল্লেখ করেন, আসামিরা দন্ডবিধির ৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৪০৬/৪২০/৫০৬ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

অপরদিকে, মেহেরপুর পৌর ভূমি কর্মকর্তা পৃথক প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

আদালতের বিচারক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে গত ২৭ এপ্রিল আসামি আপন চার ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

গত ৩মে রবিবার পুলিশ সামসুল ইসলাম খোকনকে আটক করে। গতকাল বুধবার সামসুল আলমের অপর দুই ভাই ইমদাদুল হক ও হেলালখান সহ তিনজন জামিন আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলায় বাদি পক্ষে অ্যাড. কামরুল হাসান এবং আসামী পক্ষে রফিকুল ইসলাম, পল্লব ভট্টাচার্য, মারুফ আহমেদ বিজন, মোখলেসুর রহমান স্বপন আইনজীবীর দায়িত্ব পালন করেন।




গাংনীর কাথুলিতে জমি দখল নিয়ে দ্বন্দ্ব, ১৪৪ ধারা জারি

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাথুলী গ্রামে ৫১ শতক জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছে। এ ঘটনায় আদালতে একাধিক মামলা ও রায় হলেও নতুন করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগকারী ইলিয়াস হোসেন জানান, প্রায় ৩৫ বছর আগে আরএস ৮১০ ও ৬১০ দাগভুক্ত দুই খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত ৩ বিঘা জমি তিনি ক্রয় করেন। জমিটির মালিকানা পূর্বে মঙ্গল খাঁ থেকে কিনারুন্নেসা, পরে আশরাফুল ইসলামের মাধ্যমে তার কাছে আসে। ক্রয়ের পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমিতে চাষাবাদ করে আসছেন।

তিনি আরও বলেন, শামসুদ্দিন নামের এক ব্যক্তি সামেদ আলীর দলিল দেখিয়ে জমির দাবি করেন। এ নিয়ে আদালতে মামলা হলে শামসুদ্দিন পরাজিত হন এবং রায় তার পক্ষেই যায়। এরপরও সামেদ আলীর ছেলে পুনরায় জমির দাবি করে আদালতে ১৪৪ ধারা জারির আবেদন করেন। এতে জমিতে থাকা ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে, প্রতিপক্ষ শহিদুল ইসলাম বলেন, ইলিয়াস হোসেনের কাছে তাদের ৫১ শতক জমি পাওনা রয়েছে। এ কারণে তারা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। তার অভিযোগ, ইলিয়াস হোসেন পেশিশক্তি প্রয়োগ করে জমিতে চাষাবাদ চালিয়ে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) আল মামুন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আদালত থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, উভয় পক্ষকেই সংশ্লিষ্ট জমিতে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।




দেশের প্রত্যেকটি জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ গড়ে তোলা হবে

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, পর্যায়ক্রমে দেশের প্রত্যেকটি জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ গড়ে তোলা হবে। এরই মধ্যে মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে খেলার মাঠ গড়ে তোলার জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শুরুর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে অংশগ্রহণকারী ক্ষুদে ক্রীড়াবিদরা আগামীতে বিকেএসপিতে অন্তর্ভুক্ত হবে। সারাদেশের সবগুলো জেলায় একযোগে ৮টি ইভেন্টে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস চলছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই প্রতিযোগিতার সার্বিক খবর রাখছেন।

সোমবার সন্ধ্যায় ঝিনাইদহের শৈলকূপায় বিকেএসপির সম্ভাব্য আঞ্চলিক ক্যাম্পাসের স্থান পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ নতুন অধ্যায়ের পথে হেঁটে চলেছে। তরুণ প্রজন্মের মাঝে ক্রীড়া ইভেন্টগুলো পৌঁছে দিতে সরকার নানা ভাবে

কাজ শুরু করেছে। বিগত দিনের ইতিহাস আমাদের ভুলে যেতে হবে। আগামীর বাংলাদেশ হবে স্পোর্টসের বাংলাদেশ।

পরিদর্শনস্থলে পৌঁছালে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ, শৈলকূপা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ প্রমুখ।

এছাড়া রাত ৮টায় জেলা শহরের একটি রিসোর্টে সোনালী অতীত ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত জেলার বর্তমান ও সাবেক খেলোয়াড়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় জেলার খেলাধুলার সার্বিক অবকাঠামো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জেলায় একটি জিমনেসিয়ামসহ সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।




আলমডাঙ্গায় ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার

আলমডাঙ্গায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় মাদক বিক্রয় ও সংরক্ষণে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পাঁচকমলাপুর পুলিশ ক্যাম্পের এসআই (নিঃ) আহম্মদ আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলার রংপুর বিলপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে রংপুর গ্রামের মৃত মিনারুল মণ্ডলের ছেলে মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, উদ্ধারকৃত গাঁজা বিক্রয়, সংরক্ষণ ও হেফাজতে সহযোগিতার অভিযোগে আরও দুইজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




কার্পাসডাঙ্গায় মাদ্রাসা শিক্ষককে বিরুদ্ধে ছাত্র বলাৎকারের অভিযোগ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের হুদাপাড়া দারুল কোরআন হাফেজিয়া মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের জেরে ক্ষুব্ধ জনতা ওই শিক্ষককে জুতার মালা পরিয়ে চুল কেটে ন্যাড়া করে দেয়।

অভিযুক্ত শিক্ষক নুরুল ইসলাম মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার বাগোয়ান গ্রামের বাসিন্দা। জানা গেছে, মাদ্রাসার এক ছাত্র (ছদ্মনাম: সারাফাত), যার বাড়ি জীবননগরের ডুমুরিয়া এলাকায়, তাকে কয়েক মাস আগে বলাৎকার করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

ছাত্রটি ছুটিতে বাড়ি গিয়ে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানায়। পরে গত রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি স্থানীয়দের জানানো হলে ওই রাতেই ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসায় গিয়ে শিক্ষক নুরুল ইসলামকে ডেকে এনে তার গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেয় এবং চুল কেটে ন্যাড়া করে দেয়।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ দাবি করেন, নুরুল ইসলাম আগে বিভিন্ন মাদ্রাসায় বাবুর্চির কাজ করতেন। তিনি কীভাবে শিক্ষক হলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, নুরুল ইসলাম শিবনগর এলাকা থেকে ছাত্র সংগ্রহ করে হুদাপাড়ায় মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার বিরুদ্ধে আগেও নানা অভিযোগ ছিল।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নুরুল ইসলাম বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, আগে বিভিন্ন মাদ্রাসায় বাবুর্চির কাজ করলেও পড়াশোনা করে পরবর্তীতে শিক্ষক হয়েছেন।

এদিকে, স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন এবং প্রকৃত দোষীদের শাস্তির আহ্বান জানিয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রের পরিবার মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।