মেহেরপুরে গাঁজা সেবনের দায়ে যুবকের জেল-জরিমানা

মেহেরপুর সদর উপজেলায় মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের বিশেষ অভিযানে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ খায়রুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে আসামিকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে গতকাল মঙ্গলবার শ্যামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ রাকিবুল ইসলাম ডেনি (২৩) নামে এক যুবককে গাঁজাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে ০৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
আসামি রাকিবুল ইসলাম ডেনি শ্যামপুর এলাকার বাসিন্দা মৃত মোহন আলীর ছেলে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ খায়রুল ইসলাম সরাসরি আদালত পরিচালনা করে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, মেহেরপুরে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

এ ধরনের অভিযান জেলার মাদকমুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।




কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অগ্নিকাণ্ডে কৃষকের ঘরবাড়ি ভস্মীভূত

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে এক কৃষকের বসতবাড়ি ভস্মীভূত হয়েছে। প্রায় দুই ঘণ্টার আগুনে তিনটি বসতঘর, ঘরের আসবাবপত্র, টিন, নগদ টাকা, খাদ্যশস্য ও কাপড়চোপড়সহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের আব্দুলপুর ঘোগা এলাকায় বাহাদুর আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে বাহাদুর আলীর বাড়িতে আগুন দেখতে পান প্রতিবেশীরা। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত। বিদ্যুতের শকের ভয়ে প্রথমে কেউ আগুন নেভাতে এগিয়ে আসেননি। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে আগুন জ্বলতে থাকে এবং তিনটি ঘরসহ ঘরের সব জিনিসপত্র পুড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ঘটনার সময় পরিবারের কেউ বাড়িতে ছিলেন না। বাহাদুর আলী মাঠে কৃষিকাজে ব্যস্ত ছিলেন এবং তার স্ত্রী-সন্তানরা একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন।

ক্ষতিগ্রস্ত বাহাদুর আলী বলেন, “আগুনে আমার তিনটি ঘরসহ খাট, চেয়ার, টেবিল, আলনা, টিন, ড্রেসিং টেবিল, হাঁড়ি-পাতিল, বাক্স, চাল, ধান ও নগদ টাকাসহ সবকিছু পুড়ে গেছে। এখন পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই নেই। প্রায় ১০-১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।”

প্রতিবেশীরা জানান, আগুনে বাহাদুর আলীর সবকিছু পুড়ে যাওয়ায় তিনি সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। তারা দ্রুত সরকারি সহায়তার দাবি জানান।

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সরকারিভাবে সহায়তা প্রদান করা হবে।




কুষ্টিয়ার খোকসায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ভ্যানচালকের

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ঝন্টু দাস (৪২) নামে এক ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার একতারপুর (পালপাড়া) এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ঝন্টু দাস খোকসা উপজেলার কমলাপুর ঋষিপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিজ ভ্যান চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেটি উল্টে গেলে তিনি গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

হাসপাতালে নেওয়ার পর দায়িত্বরত চিকিৎসক আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আবির হোসেন সোহাগ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।




গাংনীতে বোমা সদৃশ বস্তু ও হুমকিমূলক চিরকুট উদ্ধার

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামে একটি বোমা সদৃশ বস্তু ও হুমকিমূলক চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৬ মে) ভোরে সানোয়ার হোসেন পলাশের বাড়ির মূল ফটকের সামনে থেকে বস্তুটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে হাঁটতে বের হয়ে সানোয়ার হোসেনের চাচাতো ভাই শামীম একটি কালো টেপে মোড়ানো সন্দেহজনক বস্তু

দেগাংনীতে বোমা সদৃশ বস্তু ও হুমকিমূলক চিরকুট উদ্ধারখতে পান। বস্তুটির গায়ে লেখা ছিল, “হাত দিলেই ব্লাস্ট, ভালো থাকিস, বাই বাই”—এমন হুমকিমূলক বার্তা। পরে বিষয়টি তিনি সানোয়ার হোসেনকে জানালে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে গাংনী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তুটি উদ্ধার করে। নিরাপত্তার স্বার্থে বস্তুটিকে পানিভর্তি একটি বালতিতে রাখা হয়েছে।

গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) আল মামুন জানান, উদ্ধারকৃত বস্তুটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এদিকে স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকদিন ধরেই একই এলাকায় এ ধরনের বোমা সদৃশ বস্তু ও হুমকিমূলক চিরকুট রেখে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। বিশেষ করে গাংনী উপজেলার মটমোড়া ও তেঁতুলবাড়িয়া ইউনিয়নে এ ধরনের একাধিক ঘটনার খবর পাওয়া গেছে।

ঘটনার পর এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।




আলমডাঙ্গা পুলিশের অভিযানে ৮ জন গ্রেফতার

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার ৮ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, আলমডাঙ্গা স্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক মামলার পলাতক আসামি রেজাউল ইসলামের স্ত্রী মুন্নি বেগমসহ গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত মোট ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত অন্যান্য আসামিরা হলেন আলমডাঙ্গা গোবিন্দপুর এক্সচেঞ্জপাড়ার আজিবার রহমানের ছেলে মো. রেজাউল ইসলাম, নাগদাহ পশ্চিমপাড়ার মৃত জহুরুল ইসলামের ছেলে মো. জামাল উদ্দিন, পুরাতন বাজার পাঁচলিয়া গ্রামের জহুরুল হকের ছেলে আসাদুল হক, একই গ্রামের ওসমান মণ্ডলের ছেলে তুহিন মণ্ডল, হারদী শেখপাড়ার রেজাউল করিমের ছেলে মামুনুর রশীদ, পাইকপাড়ার মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে (নাম অজ্ঞাত), আলমডাঙ্গা শিবপুর গ্রামের মৃত সাজিদুর রহমানের ছেলে জুবায়ের রহমান (২৮) এবং কালিদাসপুর উত্তরপাড়ার তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আব্দুর রহমান (২৮)।

আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ বাণী ইসরায়েল জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আদালতের রায় বাস্তবায়ন এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী পরিবারে সহায়তার হাত বাড়ালেন গাংনীর ইউএনও

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ধলা গ্রামের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ভ্যানচালক আব্দুল লতিবের পরিবারের দুর্দশার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনোয়ার হোসেন।

মঙ্গলবার বিকেলে ইউএনও আনোয়ার হোসেন নিজে আব্দুল লতিবের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের হাতে খাদ্যসামগ্রী ও নগদ ১০ হাজার টাকা তুলে দেন।

উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল গভীর রাতে লতিবের একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম ব্যাটারিচালিত ভ্যানটি চুরি হয়ে যায়। পরিবারের চার সদস্যের মধ্যে তিনজনই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়ায় তারা চরম মানবিক সংকটে পড়ে এবং অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাতে থাকে। এ ঘটনায় স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।

ইউএনও আনোয়ার হোসেন বলেন, “সংবাদটি দেখেই আমরা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্যোগ নিয়েছি। অসহায় এই পরিবারটির পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। ভবিষ্যতে তাদের জন্য স্থায়ীভাবে কিছু করার চেষ্টা থাকবে।”

এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ফারুক হোসেনসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সহায়তা পেয়ে আব্দুল লতিব কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রশাসনকে ধন্যবাদ। এতে আমাদের পরিবার উপকৃত হলো।”

স্থানীয়রা জানান, প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও পরিবারটির স্থায়ী পুনর্বাসনের জন্য একটি নতুন ভ্যান বা আয়বর্ধক সহায়তা প্রদান জরুরি।




স্ত্রীর সামনেই স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা

মেহেরপুর শহরের শেখ পাড়ায় স্ত্রীর সামনেই স্বামীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে খালাতো ভাই।

মঙ্গলবার (০৫ মে) সন্ধ্যা রাতে এ মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত গোলাম হোসেন (৪৫) পেশায় একজন রিকশাচালক। তিনি শেখ পাড়ার রিয়াসিন আলীর ছেলে। নিহত গোলাম হোসেনের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

অভিযুক্ত কালু একই এলাকার আকবর আলীর ছেলে এবং নিহতের খালাতো ভাই।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুই দিন আগে ঘটে যাওয়া একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত।

নিহতের স্ত্রী আলিয়া খাতুন জানান, তার স্বামী সন্ধ্যার পর বাড়িতে এসে গোসল করছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে কালু পিছন থেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে গুরুতর জখম করে।

গুরুতর অবস্থায় গোলাম হোসেনকে উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এলাকাবাসী জানায়, অভিযুক্ত কালুর সঙ্গে প্রতিবেশী এক নারীর পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে এলাকায় আগে থেকেই উত্তেজনা বিরাজ করছিল। গত রবিবার একটি ছোটখাটো ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোলাম হোসেনকে মারধরের ঘটনাও ঘটে, যা পরে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়। তবে সেই বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত কালু ও সংশ্লিষ্ট নারী আত্মগোপনে রয়েছে।

খবর পেয়ে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের লাশ ঘরে রাখা হয়েছে।

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




গাংনীতে ফ্রিজ কিনে মিলল ৫০ হাজার টাকার পুরস্কার

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় মার্সেলের ফ্রিজ কিনে ৫০ হাজার টাকার পুরস্কার জিতেছেন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বাসিন্দা মো. মিঠুন আলী।

মঙ্গলবার দুপুরে বামন্দী বাজারে এক আয়োজনের মাধ্যমে তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় তার স্ত্রী রিয়া খাতুন উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তাজ ইলেকট্রনিকসের স্বত্বাধিকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান ও অভিনেতা আবু হেনা রনি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মার্সেল ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

পুরস্কারপ্রাপ্ত মিঠুন আলী জানান, তিনি গত মাসে বামন্দী বাজারের তাজ ইলেকট্রনিকস থেকে ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে একটি মার্সেল ফ্রিজ ক্রয় করেন। পরে মোবাইল ফোনে একটি বার্তার মাধ্যমে জানতে পারেন, তিনি ৫০ হাজার টাকার গিফট ভাউচার পেয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রথমে বিষয়টি বিশ্বাস করতে পারিনি। পরে নিশ্চিত হয়ে পরিবারের সদস্যদের জানাই। আজ প্রিয় শিল্পী আবু হেনা রনির হাত থেকে পুরস্কার পেয়ে সত্যিই খুব ভালো লাগছে।




ঝিনাইদহে ফ্রিজ কিনে ৫০ হাজার টাকার ভাউচার জিতলেন ক্রেতা

দেশব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ওয়ালটন-এর ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ঝিনাইদহ শহরের দিশারী পাড়ার বাসিন্দা ও সাবেক সেনা সদস্য হাসান নেওয়াজ একটি ফ্রিজ কিনে ৫০ হাজার টাকার ক্যাশ ভাউচার জিতে নিয়েছেন।

জানা যায়, গত ১৬ এপ্রিল ঝিনাইদহের এইচএসএস সড়কে অবস্থিত ওয়ালটন প্লাজা থেকে ৪৩ হাজার টাকায় ৩১২ লিটারের একটি ফ্রিজ কেনেন হাসান নেওয়াজ। ফ্রিজটি কেনার পর তার নাম, মোবাইল নম্বর এবং ক্রয়কৃত পণ্যের মডেল ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হয়।

ফ্রিজটি বাসায় নেওয়ার আগেই তার মোবাইলে একটি খুদে বার্তা আসে, যেখানে জানানো হয় তিনি ৫০ হাজার টাকার ক্যাশ ভাউচার জিতেছেন।

পুরস্কারপ্রাপ্তির পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে হাসান নেওয়াজ বলেন, “ওয়ালটনের ফ্রিজ কিনে পাওয়া ৫০ হাজার টাকার ভাউচার দিয়ে আমি ফ্রিজ, এলইডি টিভি, ফ্যান, গ্রাইন্ডার, ইন্ডাকশন কুকার ও ইস্ত্রিসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক পণ্য কিনেছি। একটি ফ্রিজ কেনার সুবাদে আমার ঘরের প্রায় সব প্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা পূরণ হয়েছে। এতে আমি ও আমার পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত।”

মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে ঝিনাইদহের এইচএসএস সড়কের ওয়ালটন প্লাজার আয়োজনে এক অনুষ্ঠানে হাসান নেওয়াজের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ভাউচার তুলে দেন ওয়ালটন প্লাজার খুলনা বিভাগের চিফ ডিভিশনাল অফিসার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির এবং ঝিনাইদহ এরিয়ার রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার রিফাত হাসান খান। অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন প্লাজার ম্যানেজার মো. তোতা মিয়া।

পুরস্কার বিতরণ শেষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি এইচএসএস সড়কের ওয়ালটন প্লাজা থেকে শুরু হয়ে ঝিনাইদহ শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

উল্লেখ্য, ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪-এ দেশের যেকোনো প্লাজা, পরিবেশক, শোরুম কিংবা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘ই-প্লাজা’ থেকে ফ্রিজ, এসি, টিভি, ওয়াশিং মেশিন ও ফ্যান কিনে ক্রেতারা ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি থাকছে কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত উপহার।




সভাপতি অ্যাড. খোকন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. নাসিম

মেহেরপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম (বিএনপি সমর্থিত) বিজয় লাভ করেছে।

ফলাফলে অ্যাডভোকেট আসাদুল আযম খোকন সভাপতি এবং অ্যাডভোকেট আবু সালেহ মো. নাসিম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার আইনজীবী বিমল কুমার বিশ্বাস আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। পরে আইনজীবী ফোরামের সাবেক সভাপতি অ্যাড. মারুফ আহমেদ বিজন নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

এছাড়া সহ-সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক পদে মখলেছুর রহমান খান স্বপন, কোষাধ্যক্ষ পদে অ্যাডভোকেট সেলিম রেজা গাজী এবং লাইব্রেরি ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে সাইদুর রহমান রিপন নির্বাচিত হন।

অন্যদিকে, সিনিয়র সদস্য হিসেবে নিয়ামুল খান এবং সদস্য পদে আয়েশা সিদ্দিকা ও তারিক আহমেদ পাভেল জয় লাভ করেছেন। নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীদের সমর্থক ও আইনজীবীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।

জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা জানিয়েছেন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম দীর্ঘদিন ধরে সমিতির স্বার্থরক্ষা, সম্পদ উন্নয়ন ও আইনজীবীদের কল্যাণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে আসছে। সমিতির পতিত জমি কাজে লাগিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ, আইনজীবীদের জন্য নিজস্ব কক্ষ, লাইব্রেরি সমৃদ্ধকরণ এবং কল্যাণ তহবিল বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ এই ফোরামের নেতৃত্বে সম্পন্ন হয়েছে।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম বিচারপ্রার্থীদের আইনি সহায়তা প্রদানসহ কেন্দ্র ঘোষিত সকল কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সংগঠনটি উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।

এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেল না থাকায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।