চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবুর নির্বাচনী গণসংযোগ: ‘হ্যা’ ভোটের পক্ষে প্রচার

চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনার কুড়ুলগাছী ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন পাড়া মহল্লার বাজার, চায়ের দোকান সহ বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে নির্বাচনী গণসংযোগ করেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির ও  বিজিএমইএ সভাপতি চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু।

গতকাল রবিবার বেলা সাড় ১১ টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তিনি এই নির্বাচনী গণসংযোগ করেন।

গণসংযোগে মাহমুদ হাসান খান বাবু কুড়ুলগাছী ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় যান। তিনি সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং ভোটারদের কাছে ধানের শীষের পাশাপাশি ‘হ্যা’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা করেন।

গণসংযোগকালে তিনি প্রধান প্রধান বাজার ছাড়াও গ্রামের পাড়া-মহল্লার মোড়, স্থানীয় চায়ের দোকান জনসমাগমপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন এবং দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।

গণসংযোগকালে মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখতে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এই নির্বাচনের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি ভোটারদের উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘হ্যা’ মানে হলো সংস্কারের পক্ষে। অনেকগুলো বিষয় আছে যা সংস্কার করতে হবে । আপনার একটি ‘হ্যা’ ভোট, বদলে দেবে আগামীর ভাগ্য। উন্নয়ন আর অধিকারের পক্ষে, ‘হ্যা’ ভোট দিন নির্ভয়ে। সহজ কথায় ‘হ্যা’ জয়যুক্ত হলে আমার ভোটটা আমি প্রতি পাঁচ বছর পর পর নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেয়ে ভোট দিতে পারব।

এ সময় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




দামুড়হুদায় ❝ওরা বন্ধু সংঘ❞ উদ্যোগে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ 

❝হাসবো মোরা প্রাণ খুলে,থাকবো বেঁচে সবাই মিলে❞ এই স্লোগানে ❝ওরা বন্ধু সংঘ❞ দামুড়হুদার উদ্যোগে বিধবা, অসহায়, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে শীতবস্ত্র উপহার (কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে।

গতকাল রোববার বিকেল ৪ টার সময় উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের পীরপুরকুল্লা গ্রামে এই শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়।

সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মুরশেদ বীন ফয়সাল (তানজির)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,দেশ ব্রিক্সের স্বত্বাধিকারী বিশিষ্ট সমাজসেবক, হাজী. আব্দুল কাদির।

সংগঠনের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম মিরাজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইঞ্জিনিয়ার আক্তারুল ইসলাম। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উজ্জল হোসেন সুমন, জহুরুল ইসলাম সহ উপকারভোগীগণ।

প্রধান অতিথি “ওরা বন্ধু সংঘ” দামুড়হুদার বন্ধু হতে পেরে আনন্দিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, সহমর্মিতা আর মানবিকতা দিয়েই একটি সুন্দর সমাজ গঠন করা সম্ভব। এমন মানবিক কর্মসূচির আওতায় সমাজের প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত মানুষ যেন কোনভাবেই উপেক্ষিত না থাকে-এ লক্ষ্যেই সংগঠনটি প্রত্যন্ত এলাকায় সরাসরি উপকারভোগীদের খোঁজ নিয়ে সহায়তা প্রদান করেন। কাজেই সংগঠনের সকল কার্যক্রম জনকল্যাণমূলক, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

সাংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুরশেদ বীন ফয়সাল (তানজির) বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া অসহায় মানুষের কল্যাণে পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। আজকের এই উদ্যোগ কেবলি একটি বস্ত্র বিতরনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি মানুষের প্রতি আমাদের ভালোবাসা আর সহমর্মিতার বহি:প্রকাশ। সর্বোপরি তিনি উপস্থিত উপকার ভোগিদের কাছে সংগঠনসহ যে সকল গুটিকয়েক মানুষের সহযোগিতায় সংগঠনটি এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেণনা পেয়েছেন তাদের জন্য দোয়া ও সুস্থতা কামনা করেন।

প্রসঙ্গত: “ওরা বন্ধু সংঘ” দামুড়হুদায় ২০০৩ সালের ১২ই মার্চ যাত্রা শুরু করেন। প্রথম থেকে বিভিন্ন খেলাধুলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও। পরবর্তীতে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সংগঠনের সিদ্ধান্ত নেয়,খেলাধুলার সাথে সাথে সমাজের মানুষের নানা উন্নয়নে কাজের।

মূলত:সে থেকেই সমাজের অসহায়, বিধবা, প্রতিবন্ধী, এতিম, দিনমজুর সহ নিম্নবিত্ত পরিবারের একটু উপকৃত তথা কল্যাণে কাজ করে আসছেন। সংগঠনের মানবিক বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য দামুড়হুদায় একটি বিশ্বস্ত ও পরিচিতি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে ইতোমধ্যেই পরিচিতি লাভ করেছেন। কাজেই মানবসেবাকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতেও এই ধরনের কার্যক্রম আরো জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্ট সকলেই।




গাংনীতে পিএসকেএস এর উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প

গাংনীতে পলাশীপাড়া সমাজ কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রবিবার দিনব্যাপী পিএসকেএস সংস্থা কর্তৃক বাস্তবায়িত পিকেএসএফ ও অরবিস এর অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।

গাংনী উপজেলার কাজিপুর ইউনিয়নের সাহেবনগর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট ১৭৭ জনকে পরিক্ষা করে ৮৮ জন ছানি রোগী চিহ্নিত করা হয়েছে। আগামী ২৬ জানুয়ারি মেহেরপুর মক্কা চক্ষু  হসপিটালে বিনামূল্যে ছানি অপারেশন করা হবে।

রোগী শনাক্ত করেন, মক্কা হসপিটালের চিকিৎসক শাহরিয়ার ইসলাম। ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন, পলাশীপাড়া সমাজ কল্যাণ সমিতির পরিচালক কামরুল আলম সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।




আলমডাঙ্গায় চলন্ত ট্রেনের নীচে পড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু 

আলমডাঙ্গায় ট্রেনে কেটে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে আলমডাঙ্গা পশুহাট সংলগ্ন রেললাইনে উপর।

গতকাল দুপুর ১টার দিকে খেলার ছলে শিশু আইমান হোসেন রেললাইনে উপরে উঠে আসে। হঠাৎ ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সুন্দরবন এক্সপ্রেস দ্রুত গতিতে ছুটে আসে। শিশুটি পরিবারের লোকজন কিছু বুঝে ওঠার আগেই ট্রেন শিশুটির উপর দিয়ে অতিক্রম করে ছেড়ে গেলে রেললাইনের উপর তার রক্তাক্ত মৃত দেহ দেখা যায়।

জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার বেলগাছি ইউনিয়নের দোয়ার পাড়া গ্রামের ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি মোঃ সোহাগ আলীর একমাত্র ছেলে আয়মান হোসেন শামিম (২) তার মায়ের সাথে আলমডাঙ্গার রাধিকাগঞ্জ পশুহাট সংলগ্ন এলাকায় আত্মীয়র বাড়িতে কয়েকদিন আগেই বেড়াতে আসে। এবং এই দুর্ঘটনার শিকার হয়।

শিশু আয়মানের এই মর্মান্তিক মৃত্যুর খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া। ওই সময় নিহত আয়মানের অবস্থা দেখে তার মা এনি খাতুন অসুস্থ হয়ে পড়লে তার স্বজনরা দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান।

ঘটনাটি জানতে পেরে জিআরপি পুলিশ এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ওই সময় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এসে শিশু বাচ্চার লাশ দাফনের অনুমতি চাইলে তারা অনুমতি দিয়ে চলে যান। গতকাল রোববার বাদ মাগরিব নিহতের নিজ গ্রাম দোয়ার পাড়া গ্রামের গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।




মেহেরপুরের খোকসা গ্রামে অসহায়দের মাঝে কম্বল বিতরণ

মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নের খোকসা গ্রামে খোকসা যুব সংঘের উদ্যোগে শীতার্ত ও দুস্থ মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

গতকাল রবিবার রাত ৮টায় খোকসা যুব সংঘের কার্যালয় প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে সংগঠনের কার্যালয়ে কিছু কম্বল বিতরণ করা হয়। পরে সংগঠনের সদস্যরা খোকসা গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে অসহায় ও দুস্থ মানুষের বাড়িতে বাড়িতে সরাসরি কম্বল পৌঁছে দেন।

অনুষ্ঠানে খোকসা যুব সংঘের সভাপতি শামসুজ্জামান হামিদুল-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যুব সংঘের উপদেষ্টা ও খোকসা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সেক্রেটারি সামসুজ্জোহা হামিদুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লুৎফর রহমান, সহ-সভাপতি আদম, যুব সংঘের সেক্রেটারি মো. সেলিম রেজা এবং আব্দুল হামিদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের অর্থ সম্পাদক শরিফুজ্জামান টুটুল, সহ-সাধারণ সম্পাদক হেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আবিরসহ নাজমুল, আজাদ, জমিরুল ইসলাম, সুমন, জামান, মাসুম রেজা, জিহাদ, ছবেদ, তারিক, নাইম, সিজান প্রমুখ।

খোকসা যুব সংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।




বেগম খালেদা জিয়া ও মুক্তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় মেহেরপুরে দোয়া মাহফিল

সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং মেহেরপুর পৌরসভা ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার মুক্তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় হোটেল বাজার এলাকায় পৌর ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র উদ্যোগে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মেহেরপুর হোটেল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শামীমুল ইসলাম।

দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মেহেরপুর পৌর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও সাবেক ভিপি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মারুফ আহমেদ বিজন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি খাইরুল বাশার এবং জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আহসান হাবীব সোনা।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পৌর ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দ কিয়াম উদ্দিন, মামুনুর রশিদ, হিরোক, চঞ্চল শেখসহ স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণকারীরা মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আব্দুস সাত্তার মুক্তার রুহের মাগফিরাত, তাদের আত্মার শান্তি এবং দেশের গণতন্ত্র ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। মোনাজাত শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের প্রিয় নেত্রী ও প্রয়াত সহযোদ্ধার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন।




বিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার আগের দিন বিকালে নোটিশ জারি!

মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা শুরু হচ্ছে আজ ১৯ জানুয়ারি সোমবার থেকে। সকাল ৯টায় শুরু হবে প্রভাতি শাখার এবং দুপুর সাড়ে ১২টায় দিবা শাখার।

অথচ কয়েক ঘন্টা আগে গতকাল ১৮ জানুয়ারি রবিবার বিকালে বিদ্যালয় ছুটি হওয়ার পরে নোটিশ জারি করা হয়েছে। যা নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষাথী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

নাম পরিচয় গোপন রাখার শর্তে একজন অভিভাবক বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল লতিফ স্বৈরাচার মনোভাব নিয়ে যখন যা খুশি তাই করছেন। শিক্ষকদের দিয়ে মেয়েদের নানা রকম ভয়ভীতি দেখান, যে কারণে কেউ কথা বলতে রাজি হয় না। আগামীকাল (আজ) সোমবার সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা শুরু হবে আর আজ (গতকাল রবিবার) বিকালে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিযোগীতার প্রস্তুতির জন্য নুন্যতম সময় তারা দেয়নি। এ ধরণের ঔধত্যপূর্ণ আচরণের বিচার হওয়া উচিত।

বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক জানান, ‘সারাদিন বিদ্যালয়ে ছিলাম কিন্তু কিছুই জানলাম না। বিকাল বেলায় ফেসবুকে দেখলাম সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার নোটিশ। নোটিশে বলা আছে কালকে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা শুরু হবে। এটা কোনভাবেই হতে পারে না।’

বিদ্যালয়ের জারিকৃত নোটিশে বলা হয়েছে, ১৯ জানুয়ারি সকাল ৯টায় প্রভাতি শাখা ও দুপুর সাড়ে ১২টায় দিবা শাখার ছাত্রীদের রবীন্দ্রসংগীত ও দেশাত্মবোধক সংগীত প্রতিযোগীতা হবে।

২০ জানুয়ারি মঙ্গলবার একই সময় অনুযায়ী আবৃত্তি, লোকসংগীত, নজরুলগীতি ও একক অভিনয় প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হবে।

২১ জানুয়ারি বুধবার উভয় শিফট একই সঙ্গে সকাল ৯টায় প্রতিযোগীতা হবে , তবে কোন বিষয় উল্লেখ করা হয়নি।

২৬ জানুয়ারি সোমবার সকাল ৯টায় উভয় শিফটের একই সঙ্গে একক নৃত্য প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হবে।

তবে এ বিষয়ে কথা হয় মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার আহবায়ক জনি আলমের সাথে।

তিনি বলেন, হেড স্যারের নির্দেশে তড়িঘড়ি করে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আপনি যে অভিযোগ করছেন, একই অভিযোগ অভিভাবকরাও করছেন। এ ধরণের অনষ্ঠানের প্রস্তুতি হিসেবে একটু সময় দেওয়া প্রয়োজন ছিল, কিন্তু আমার কিছু করার নেই। আজ বিকালে (গতকাল রবিবার) নোটিশ জারি করা হয়েছে বলেও তিনি স্বীকার করেন।

নির্দিষ্ট ছাত্রীদের বিজয়ী করার উদ্দেশ্যে তড়িঘড়ি করে এমন সিদ্ধান্ত কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমনটি সঠিক নয় বলে ব্যস্ততা দেখিয়ে আর কথা বলতে চাননি।

মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল লতিফ বলেন, আমরা ১৩ তারিখ থেকে বাচ্চাদের (ছাত্রীদের) বলে আসছি। কিন্তু কেন যে ভুল করে আজ ১৮ জানুয়ারি নোটিশ করা হলো বুঝতে পারলাম না। এটা ভুলে হতে পারে। তবে ছাত্রীরা সব জানে কবে কখন কোন প্রতিযোগীতা হবে।




জমজমাট গুড়ের হাট; সারাদেশে যাচ্ছে ঝিনাইদহের খেজুর গুড়

ঝিনাইদহের হাট-বাজারগুলোতে মাঘের শুরুতেই বেড়েছে খেজুর গুড়ের বেচাকেনা। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার খেজুর গুড়ের মান ভালো। ভালো দামও পাচ্ছেন গাছিরা। রস সংগ্রহের পরে প্রান্তিক গাছি ও কৃষকেরা তাদের প্রস্তুত করা খেজুর গুড় বিক্রি করছেন হাটে নিয়ে।

জেলার সবচেয়ে বড় খেজুর গুড়ের হাট ‘সাফদারপুর বাজার’। কোটচাঁদপুর উপজেলার সাফদারপুর বাজারে এই গুড়ের হাট বসে। এ বাজারে সপ্তাহে দুই দিন অন্তত ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকার খেজুর গুড় বেচাকেনা হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে রেললাইন। রেললাইনের পাশেই সাফদারপুর খেলার মাঠ। ওই মাঠেই সপ্তাহের শনি ও মঙ্গলবার দুই দিন খেজুর গুড়ের হাট বসে। বেলা ১১টা থেকেই আশেপাশের গাছি ও কৃষকরা তাদের বাড়িতে উৎপাদিত খেজুর গুড় হাটে নিয়ে আসেন বিক্রি করার জন্য।

এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী এলাকা ছাড়াও দুর-দুরান্তের গাছি ও কৃষকরা দুপুরের পরপর হাটে পৌছান নিজেদের গুড় নিয়ে। বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল, ভ্যান, আলমসাধু (ইঞ্জিনচালিত) গাড়ি সহ নানা উপায়ে গাছিরা তাদের গুড় হাটে নিয়ে আসেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জমে ওঠে খেজুর গুড়ের হাট।

এরই মধ্যে সাফদারপুর খেজুর গুড়ের হাট জেলার সবচেয়ে বড় হাটে পরিণত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলার বড় পাইকারি ব্যবসায়ীরা আসেন এই হাটে। যাচাই-বাছাই, দাম-দর ও হাকডাকে মুখোর হয়ে ওঠে গুড়ের হাট। এই হাটে ঝোলা গুড়, দানা গুড়, জিড়েন রসের গুড়, পাটালি সহ বিভিন্ন ধরণের খেজুরের গুড় পাওয়া যায়। যে কারণে ব্যবসায়ী ছাড়াও সাধারণ ক্রেতারাও ভিড় জমান এ হাটে।

আশরাফুল ইসলাম নামে একজন গুড় বিক্রেতা বলেন, এই হাট অনেক পুরনো, বাপ-দাদাদের কাছে শুনেছি, আগেও ব্যবসায়ীরা ট্রেনে করে এসে এই হাট থেকে গুড় কিনে নিয়ে যেতো। এখনো খুলনা, যশোর, নাটোর, পাবনা, ঢাকার ব্যবসায়ীরা এখানে গুড় কিনতে আসেন। বাইরের ব্যবসায়ীরা হাটে আসে, যে কারণে আমরাও একটু ভালো দাম পাই।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে জেলার ৬টি উপজেলায় প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার ২৩৫টি খেজুর গাছ রয়েছে। এর মধ্যে রস আহরণযোগ্য গাছের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার ৭৬০টি। চলতি শীত মৌসুমে জেলার ৬টি উপজেলা থেকে প্রায় ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ২৪১ লিটার খেজুর রস ও প্রায় ৮৭২ মেট্রিন টন খেজুর গুড় উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। তারা বলছে, জেলায় উৎপাদিত এসব খেজুর গুড় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকা সহ বড় বড় শহরে নিয়মিত সরবরাহ করছেন ব্যবসায়ী ও গাছিরা।

দোড়া গ্রামের নাজমুল হোসেন নামে একজন বলেন, হাটে ১০/১২ কেজি ওজনের গুড়ভর্তি এক ভাড় গুড় ১৩০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৮০০ টাকায় বেচাকেনা হয়। দাম নির্ভর করে গুড়ের মানের ওপর। যাচাই বাছাই করে এখান থেকে গুড় কিনে নিয়ে যান ব্যবসায়ীরা। সাধারণ ক্রেতারাও আসেন গুড় কিনতে।

সলেমানপুর গ্রামের তাসলিমা খাতুন গিনি নামে এক ক্রেতা বলেন, অনেকের আত্মীয় স্বজনরা বিভিন্ন শহরে বসবাস করে। শীত এলেই তাদের জন্য গুড় কিনে পাঠাতে হয়। ঢাকায় মেয়েকে গুড় পাঠাবো, খুলনায় দেবর-কে গুড় পাঠাবো। গ্রাম থেকে না কিনে সরাসরি হাটে এসেছি, যেন দাম একটু কম হয়। হাটে এসে গুড় দেখে শুনে কিনতে পারলে ভালো হয়। ব্যবসায়ীরা ছাড়াও বহু মানুষ এই হাটে এসে গুড় কিনে নিয়ে যায়।

পাইকারি গুড় ব্যবসায়ী ও আড়তদার উজ্জল কুমার শাহা বলেন, একেবারেই গ্রামের সাধারণ গাছি ও কৃষকরা এই হাটে গুড় বিক্রি করার জন্য আসে। সাফদারপুর হাটে ভেজাল গুড় খুব একটা আসে না। আমরা এখানে ভালো মাল পাই, যে কারণে এই হাট থেকে নিয়মিত মাল কিনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠাই। এ বছর গুড়ের উৎপাদন বেশি, দামও ভালো।

সাফদারপুর গুড়ের হাটের ইজারাদার আবুল কাশেম বাবু বলেন, খেজুর গাছ কমছে গাছিও কমছে। সরকার যদি খেজুর গুড়ের ঐতিহ্য ধরে রাখতে উদ্যোগ নেয়, তাহলে গাছিরা বাঁচবে। শীত এলে কৃষকরা এই খেজুর গাছের রস ও গুড় বিক্রি করে ভালো আয় করেন। সরকারি সহায়তা পেলে গুড় উৎপাদন বাড়বে। যা দেশের অর্থনীতিতেও অবদান রাখতে পারে।

তিনি জানান, প্রায় ৩৫/৪০ বছরের পরনো এই হাট। প্রতি সপ্তাহের শনি ও মঙ্গলবার এই গুড়ের হাট বসে। সপ্তাহে অন্তত ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকার গুড় বেচাকেনা হয় এই হাটে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, ঝিনাইহ জেলায় প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার ২৩৫টি খেজুর গাছ রয়েছে। এরমধ্যে রস আহরণযোগ্য গাছের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার ৭৬০টি। জেলায় সবচেয়ে বেশি খেজুর গাছ কোটচাঁদপুর উপজেলায়। যে কারণে উপজেলার সাফদারপুরে খেজুর গুড়ের হাট গড়ে উঠেছে। খেজুর গাছ রোপন বৃদ্ধি ও গাছিদের পৃষ্ঠপোষকতা করা গেলে গুড়ের উৎপাদন আরও বাড়বে।




গাংনীর বামুন্দী বাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানে অগ্নিকাণ্ড, আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামুন্দী বাজারে অকটেন, পেট্রোল ও গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। জনবসতি এলাকায় দাহ্য পদার্থের অবৈধ ব্যবসা বন্ধের দাবিও উঠেছে।

জানা গেছে, বামুন্দী বাজারের জনতা ব্যাংকের নিচে অবস্থিত সামিয়া ট্রেডার্স (প্রোপাইটর আব্দুল আল হোসেন ওরফে মিঠু), যিনি যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ডিলার এবং বামুন্দী বাজারের মেসার্স আছিয়া এন্টারপ্রাইজ-এর মালিক মোখলেসুর রহমানের বিরুদ্ধে জনবসতি এলাকায় খোলা বাজারে একই স্থানে অকটেন, পেট্রোল, ডিজেল ও গ্যাস সিলিন্ডার মজুত ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

আজ রবিবার সকালে সামিয়া ট্রেডার্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে বাজারের জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সাধারণ ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত হয়ে ছুটাছুটি শুরু করেন। খবর পেয়ে বামুন্দী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, জনবসতি এলাকায় এ ধরনের দাহ্য পদার্থের দোকান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তারা এসব দোকান অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান। অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে জনবসতি এলাকায় অবৈধভাবে এসব ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে গাংনী উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

এ বিষয়ে বামুন্দী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শাহ আলম বলেন, বিস্ফোরক অধিদপ্তরের নির্দেশনা অমান্য করে খোলা বাজারে অকটেন, পেট্রোল, ডিজেল ও গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করা হচ্ছে, যা জনবসতি এলাকায় সম্পূর্ণ অবৈধ। তিনি এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

বামুন্দী বাজারের হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী মেহেরুল্লাহ বলেন, আজকের অগ্নিকাণ্ডে আল্লাহর রহমতে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। তবে জনবসতি এলাকায় এ ধরনের অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের গুরুত্বসহকারে দেখা উচিত।

জনতা ব্যাংক বামুন্দী শাখার ব্যবস্থাপক ইকবাল হোসেন বলেন, যেহেতু প্রতিষ্ঠানটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত বলে দাবি করা হচ্ছে, সেক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের নির্ধারিত সব নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে ব্যবসা করা উচিত। তিনি আরও বলেন, আগুন ছড়িয়ে পড়লে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গ্রাহকদের প্রাণহানির পাশাপাশি ব্যাংকের কোটি কোটি টাকার সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারত। প্রতিষ্ঠানটি নিরাপদ স্থানে হলে ভালো হতো বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ বিষয়ে সামিয়া ট্রেডার্সের মালিক আব্দুল আল হোসেন (মিঠু) বলেন, তিনি জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে লাইসেন্স নিয়েছেন। তবে তিনি লাইসেন্স দেখাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, কোথায় কীভাবে ব্যবসা করবেন তা তার ব্যক্তিগত বিষয়। অগ্নিকাণ্ডে কোনো ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

এ বিষয়ে গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। বামুন্দী ফায়ার সার্ভিসকে ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনবসতি এলাকায় বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্স রয়েছে কি না তা যাচাই করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




চার জেলায় দক্ষ জনশক্তি গড়ছে শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটির ‘রেইজ’ প্রকল্প

মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ এই চার জেলায় দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে ‘রেইজ’ প্রকল্পের আওতায় কাজ করে যাচ্ছে শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটি।

বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) সহযোগিতায় বাস্তবায়িত রিকভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অব ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট (RAISE) প্রকল্পের মাধ্যমে কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ জেলায় পিছিয়ে পড়া তরুণদের স্বাবলম্বী করে তুলছে শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটি।

প্রকল্পটির মাধ্যমে শতভাগ ও প্রায় শতভাগ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে বেকারত্ব হ্রাসে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে।

রবিবার সকালে মেহেরপুরের মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্স পর্যটন মোটেলে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, পিছিয়ে পড়া তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই রেইজ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এ প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে সমাজ ও দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটির উপ-সমন্বয়কারী (অগ্রসর) রাশেদ। তিনি বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে কেবল কারিগরি দক্ষতাই নয়, তরুণদের জীবনদক্ষতা ও কর্মক্ষেত্রের উপযোগী করে গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটির রেইজ প্রকল্পের প্রতিনিধি জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাস্টার ক্রাফটস পারসন উৎপল হালদার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রেইজ প্রকল্পের ইমপ্লয়মেন্ট সাপোর্ট অফিসার সবুজ হোসাইন।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষ জনশক্তি তৈরি হবে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।