মেহেরপুর মহিলা  দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে শিক্ষকের নানা অভিযোগ

মেহেরপুর শহরের মহিলা  দাখিল মাদ্রাসার সুপার রাবেয়া জামান-এর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলেছেন মাদ্রাসার ১৮ জন শিক্ষক। এসব অভিযোগ লিখিতভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বরাবর দাখিল করা হয়েছে।

অভিযোগের প্রেক্ষাপটে প্রকাশ পেয়েছে, মাদ্রাসাটির সাম্প্রতিক বছরের পরীক্ষার ফলাফলের চরম অবনতি। ২০২৫ সালের দাখিল পরীক্ষায় মাদ্রাসা থেকে অংশ নেয় ২৪ জন পরীক্ষার্থী, যার মধ্যে মাত্র ৩ জন পাস করে, ফেল করে ২১ জন। পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ১২.৫ শতাংশ।

তুলনামূলকভাবে দেখা যায়, ২০২৪ সালে ২০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৯ জন পাস করেছে, পাসের হার ছিল ৯৫ শতাংশ।

২০২৩ সালে ২০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১২ জন পাস করেছে, পাসের হার ছিল ৬০ শতাংশ।

এক বছরের ব্যবধানে ফলাফলের এমন ভয়াবহ পতন নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

শিক্ষকদের অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বেতন বইতে স্বাক্ষর না করার বিষয়ে অ্যাডহক কমিটির নির্দেশনা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো কমিটি গঠন করা হয়নি। বিষয়টি একাধিকবার জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হলেও শুরুতে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, সুপার রাবেয়া জামান ১৮৭৯ সালের চাকরি বিধি লঙ্ঘন করে ২০০৪ সাল থেকে মেহেরপুর টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন, যা বিধিবহির্ভূত। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গেলে সংশ্লিষ্টদের মামলা করার হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

এ বিষয়ে মেহেরপুর টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ জানান, একটি প্রকল্পের আওতায় তিনি সেখানে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে ক্লাস নিয়েছিলেন। বর্তমানে প্রকল্পটি বন্ধ রয়েছে।

শিক্ষকরা আরও অভিযোগ করেন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অ্যাডহক কমিটি গঠনের নির্দেশনা দিলেও সুপার এ বিষয়ে চরম উদাসীনতা দেখিয়েছেন। কয়েক মাস আগে নতুন ভবন হস্তান্তর করা হলেও বিদ্যুৎ সংযোগ ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ভবনটি এখনো ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

কমিটি না থাকায় এমপিও সংশোধন প্রক্রিয়ায় পোস্ট অফিসের নাম ভুল সংশোধন করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে মাসিক বেতন-ভাতা উত্তোলন এবং ইএফটি কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান শিক্ষকরা।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পার্থ প্রতিম শীল বলেন, “মেহেরপুর দাখিল মহিলা মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে আমরা অবগত। অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, অভিযোগগুলোর কিছু অংশ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সুপারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সুপার রাবেয়া জামান বলেন, “অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। বরং তারা আমাকে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে হেনস্তা ও লাঞ্ছিত করে।” একাধিক প্রতিষ্ঠানে চাকরির বিষয়ে তিনি দাবি করেন, তার সব নিয়োগই বৈধ।

উল্লেখ্য, মাদ্রাসাটি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত। বর্তমানে এখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পরীক্ষার ফলাফল ধারাবাহিকভাবে অবনতির দিকে যাচ্ছে। শিক্ষকরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলাই এর অন্যতম কারণ।

ঘটনাটি মাদ্রাসা অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এখন শিক্ষা বোর্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।




দেশাত্মবোধক গানে জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করলো চুয়াডাঙ্গার ছোঁয়া

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় দেশাত্মবোধক গানে জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করে চুয়াডাঙ্গা জেলার জন্য গৌরব বয়ে এনেছে তাসনিম তাবাসসুম ছোঁয়া। তিনি চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ থেকে অংশগ্রহণ করে ‘গ’ বিভাগে সারা দেশের প্রতিযোগীদের মধ্যে এই কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেন।

প্রতিযোগিতার ধারাবাহিকতায় তাসনিম তাবাসসুম ছোঁয়া প্রথমে উপজেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণ করেন। এরপর ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় অতিক্রম করে জাতীয় পর্যায়ে পৌঁছে দেশাত্মবোধক গানে তৃতীয় স্থান অর্জন করতে সক্ষম হন।

এই সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ গতকাল ২০ তারিখ সকাল ১১টায় ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির হাত থেকে সম্মাননা ও পুরস্কার গ্রহণ করেন তাসনিম তাবাসসুম ছোঁয়া। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

তাসনিম তাবাসসুম ছোঁয়া চুয়াডাঙ্গা শহরের মহিলা কলেজ পাড়ার বাসিন্দা এবং একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। তিনি মোঃ শরিফুল ইসলাম ও তুহিন সুলতানার কন্যা। ছোটবেলা থেকেই সংগীতচর্চার প্রতি তার গভীর আগ্রহ, নিয়মিত অনুশীলন ও নিষ্ঠাই এই সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

এই অর্জনের পেছনে যাঁদের সার্বিক সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা রয়েছে—শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবক, প্রশিক্ষক, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসন এবং সর্বস্তরের শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি তাসনিম তাবাসসুম ছোঁয়া ও তাঁর পরিবার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

তার এই সাফল্যে পরিবার, শিক্ষকসমাজ এবং এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও তিনি জাতীয় পর্যায়ে আরও বড় সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা জেলার মুখ উজ্জ্বল করবেন।




সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে মেহেরপুরে টিকেছে ৪৮৯ জন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন মেহেরপুর জেলার ৪৮৯ জনসহ সারাদেশের ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী।

আজ বুধবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এ ফলাফল প্রকাশ করে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ ও ১২ নভেম্বরের বিজ্ঞাপনের আলোকে ৬১টি জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর লিখিত পরীক্ষা ১ হাজার ৪০৮টি কেন্দ্রে গত ৯ জানুয়ারি একযোগে অনুষ্ঠিত হয়।




আলমডাঙ্গা যুব ফোরামের উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

আলমডাঙ্গায় যুব ফোরামের উদ্যোগে অসহায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় মাদ্রাসা পাড়ায় উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় শতাধিক অসহায় ও শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। যুব ফোরামের সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান লিমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আলমডাঙ্গার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ.এস.এম শাহনেওয়াজ মেহেদী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যুব ফোরামের উপদেষ্টা মোঃ আজিজুর রহমান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, “চুয়াডাঙ্গা জেলা যেমন গ্রীষ্মকালে দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সম্মুখীন হয়, তেমনি শীতকালে এখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করে। ফলে শীত মৌসুমে অসহায় মানুষের কষ্ট অনেক বেড়ে যায়। যুব ফোরাম সবসময় মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছে। শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘব করতেই আজকের এই উদ্যোগ। এসময় যুব ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক রাতুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক সুমাইয়া আফরোজ, কোষাধ্যক্ষ তনিমা আফরোজসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




আলমডাঙ্গায় জামায়াতে আমিরের আগমন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের চুয়াডাঙ্গা আগমন উপলক্ষে আলমডাঙ্গা উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল ৮টায় আলমডাঙ্গা উপজেলা জামায়াতের দলীয় কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় আলমডাঙ্গা উপজেলা আমীর প্রভাষক শফিউল আলম বকুলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা যুব বিভাগের সভাপতি শেখ নূর মোহাম্মদ হোসাইন টিপু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নায়েবে আমীর ইউসুফ আলী মাস্টার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, আগামী ২৬ জানুয়ারি সোমবার বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান চুয়াডাঙ্গা টাউন ফুটবল মাঠে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। তিনি আরো বলেন, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণের রায় নিশ্চিত করতে হলে আমাদেরকে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে হবে। এজন্য সকল পর্যায়ের জনশক্তিকে সঠিকভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি তরিকুল ইসলাম, অফিস সম্পাদক রফিকুল ইসলামসহ উপজেলা কর্মপরিষদের সদস্যবৃন্দ, ইউনিট সদস্য ও বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ। সভায় নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভা শেষে সকল ইউনিয়ন আমীর, সেক্রেটারি ও দায়িত্বশীলদের চুয়াডাঙ্গা নির্বাচনী অফিসে গিয়ে অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেলের দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দের আনুষ্ঠানিক অংশগ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। সভাটি সঞ্চালনা করেন, আলমডাঙ্গা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মামুন রেজা।




দর্শনা বালিকা বিদ্যালয়ের আয়োজনে পিঠা উৎসব

দর্শনা বালিকা বিদ্যালয়ের আয়োজনে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল ১১টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত পিঠা উৎসব চলে। সকাল সাড়ে ১১টায় পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন, পিঠা উৎসবের প্রধান অতিথি দর্শনা বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি শফিকুল ইসলাম সাবু তরফদার। সভাপতিত্ব করেন, দর্শনা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ন কবির।

পিঠা উৎসবে পিঠার পরসা সাজিয়ে ১১টি স্টলের মধ্যে ১ম স্থান অর্জন করে ঘ্রাণের ভেলা, পিঠার মেলা পিঠা ঘর। এ পিঠা উৎসবে বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের উদ্যোগে ১১টি স্টল অংশ নেয়। পিঠা উৎসবে অতিথি হিসাবে উৎসবের স্টলগুলো পরিদর্শন করেন, দর্শনা পৌর বিএনপি’র সমন্বয়ক দর্শনা সরকারী কলেজের সাবেক জিএস এনামুল হক শাহ মুকুল, দর্শনা পৌর সাবেক মেয়র শরীফ উদ্দিন, ইকবাল হোসেন, শিক্ষক নাহারুল ইসলাম, মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ ও দর্শনা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক অপু সুলতান।

পিঠা উৎসব শেষে পিঠা উৎসবে অংশগ্রহণকারী স্টলগুলোর মধ্যে পুরুস্কার বিতরণ করেন, দর্শনা বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি শফিকুল ইসলাম সাবু তরফদার ও দর্শনা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ন কবির। পিঠা উৎসবের অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, শিক্ষক হাসমত আলী।




দর্শনায় বার্ষিক আন্তঃক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরুস্কার বিতরণী

দর্শনা সরকারী কলেজের আয়োজনে তিনদিনব্যাপী বার্ষিক আন্তঃক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৯-২১ জানুয়ারী ৩দিনব্যাপী ক্রীড়া অনুষ্ঠানের পুরুস্কার বিতরণ করা হয় গতকাল বুধবার। ২০টি ইভেন্টে ৬০ জন ছাত্র/ছাত্রী পুরুস্কার অর্জন করে।

এছাড়া শিক্ষকদের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও ছাত্রদলের আয়োজনে স্বাক্ষর বোর্ডে দর্শনা সরকারী কলেজের বিভিন্ন সমস্যার উপর ছাত্র/ছাত্রীরা স্বাক্ষর করে। এ স্বাক্ষরের মধ্যে দর্শনা সরকারী কলেজের বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে দর্শনা কলেজ চত্বর এলাকায় ছাত্র/ছাত্রী হোষ্টেল ও শিক্ষক আবাসিক ভবন নিমার্ন, একটি মসজিদ, কলেজের সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করা ও বহিরাগতদের অবাদ চলাচল বন্ধসহ নানা সমস্যার কথা তুলে ধরে। আগামী জাতীয় সংসদ সদস্য মাহামুদ হাসান খান বাবু যদি নিবার্চিত হলে এ সকল সমস্যা সমাধানের দাবী করে ছাত্র/ছাত্রীরা।

এ সকল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি লিহাজ উদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, দর্শনা সরকারী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস এম শাহ আলম।

এছাড়া অন্যান্য শিক্ষক বৃন্দ উপস্থিত থেকে গতকাল ক্রীড়া অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণকারী বিজয়ী ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে পুরুস্কার তুলে দেন দর্শনা সরকারী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস এম শাহ আলম। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, বাংলা বিভাগের প্রভাষক মুকুল হোসেন।




শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে মেহেরপুরে শিবিরের বিক্ষোভ 

শাকসু নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ এবং নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন বাস্তবায়নের দাবিতে মেহেরপুরে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল বুধবার বাদ আছর শহরের গড় মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে কোর্ট চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে বক্তব্য রাখেন মেহেরপুর জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুস সালাম। এ সময় আরও বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমানসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মিছিলে উপস্থিত নেতাকর্মীরা বলেন, অতীতে আওয়ামী লীগ সরকার এ ধরনের নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করা এবং দিনের ভোট রাতে করার মতো কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী চরিত্রে পরিণত হয়েছিল।

বক্তারা অভিযোগ করেন, বর্তমানে স্বৈরাচারী সরকারের মতো আচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা বাংলাদেশের জনগণ মেনে নেবে না।




গণভোটে সবাই অংশগ্রহণ করুন এবং ভোট দিন

খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, সবাই যেন ভয়-ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

গতকাল বুধবার বিকেলে কুষ্টিয়া কালেক্টরেট চত্বরে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় যোগদানের আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার আরও বলেন, “২০২৪ সালে যে পরিস্থিতিতে গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল, সেই জাতীয় ঘটনা যাতে পুনরায় না ঘটে এবং দেশ স্থিতিশীল থাকে, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, জনগণ তার সঙ্গে থাকবে।”

তিনি বলেন, “গণভোটে সবাই যেন অংশগ্রহণ করেন এবং ভোট দেন। ভোটে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা যারা করবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি চিহ্নিত কোনো অপরাধী থাকে, পুলিশ আগে থেকেই তাকে আটক করবে।”

নির্বাচনি নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, “আমরা ভোটে কোনো বিঘ্ন ঘটতে দেব না, ইনশাআল্লাহ। স্থানীয় প্রশাসনও এর জন্য সহায়তা করবে। এখানে পুলিশের পাশাপাশি রেড অব সিভিল পাওয়ার আর্মি, বিজিবি এবং আনসারও থাকবে।”

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন। এ সময় বক্তব্য দেন কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।




আলমডাঙ্গায় পৃথক অভিযানে স্বামী-স্ত্রীসহ গ্রেফতার ৩

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৩০ (ত্রিশ) পিচ টাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ৪৫০ গ্রাম গাঁজা  উদ্ধার সহ গ্রেফতার ৩ জন।

মুন্সিগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্প এসআই (নিঃ) মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, সংগীয় অফিসার ফোর্সসহ ক্যাম্প এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার বিশেষ অভিযান ডিউটি করা কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলমডাঙ্গা থানাধীন মাদারহুদা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ফাঁকা মাঠ থেকে মাদারহুদা পশ্চিম পাড়ার কেরামত আলীর ছেলে  মোঃ সাগর আলী(২৪), ত্রিশ পিচ মাদকদ্রব্য টাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার করে। গতকাল ২০ই জানুয়ারি গভীর রাতে আসামি গ্রেফতার ও উদ্ধারকৃত আলামত জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করেন।

অপরদিকে আলমডাঙ্গা পুলিশের পৃথক অভিযানে ৪৫০ গ্রাম গাঁজা, মাদক বিক্রয়ের নগদ টাকা উদ্ধার সহ গ্রেফতার হয়েছে স্বামী ও স্ত্রী।

খাসকররা পুলিশ ক্যাম্পের এসআই(নিঃ) মোঃ মাসুদুর রহমান সংগীয় অফিসার ফোর্সসহ ক্যাম্প এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার বিশেষ অভিযান ডিউটি করা কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খাসকররা গ্রামের মৃত আমদ আলির ছেলে মোঃ আব্দুল খালেক(৫০), ও তার স্ত্রী মোছাঃ রেহেনা খাতুন(৩৮) কে ৪৫০গ্রাম গাঁজা যার আনুমানিক মূল্য ১৮,০০০/ টাকা, ১টি মাদক পরিমাপের ছোট দাড়িপাল্লা, মাদক বিক্রয়ের নগদ ১,৯২,৩৭০/- টাকা সহ গ্রেফতার করে।

গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাদের আটক করে উদ্ধারকৃত আলামত জব্দ তালিকা মূল্যে জব্দ করেন। ধৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে বলে থানা অফিসার ইনচার্জ বানী ইসরায়েল জানিয়েছেন।