নির্বাচনকে সামনে রেখে কৌশল ঠিক করছে তৃণমূলের বিএনপি নেতারা

নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপিতে বিরোধ এখন তুঙ্গে। দলটির ভিতরে এক পক্ষ চায় নির্বাচনে অংশ নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে অন্যপক্ষ চায় নির্বাচন বর্জন করতে। এরই মধ্যে বিএনপির একাধিক নেতা যারা দীর্ঘদিন ধরে দলের ভিতরে কোণঠাসা তারা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। প্রয়োজনে তারা দল থেকে বের হয়ে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলে যোগদান করে কিংবা স্বতন্ত্র অবস্থান থেকে নির্বাচনে প্রার্থী হওযার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। যদিও কেউ প্রকাশ্যে এখনও এই আলাপ করতে চান না।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিএনপিতে বছরের পর বছর অবহেলার শিকার, বঞ্চিত, বিভিন্ন সময়ে দল থেকে নানা অজুহাতে বহিস্কার হওয়া, ওযান ইলেভেনের সময় সংস্কারপন্থি হওয়া , হতাশ সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্যসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা ইতিমধ্যে নতুন দলে যোগ দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন। কেউ কেউ নতুন দলে যোগ দিয়ে নেতৃত্বেও চলে আসছেন। বিশেষ করে প্রয়াত ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা হাতে গড়া দল তৃণমূল বিএনপির নেতৃত্বে এসেছেন বিএনপির সাবেক দুই প্রভাবশালী নেতা শমসের মবিন চৌধুরী এবং তৈমুর আলম খন্দকার। এখন তাদের দেখানো পথ অনুসরণ করার জন্য প্রস্তুত নিচ্ছেন অনেক নেতা।

সূত্র জানায়, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে বিএনপির একটি বড় গ্রুপ আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। মেজর হাফিজের সঙ্গে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহছানুল হক মিলন, কুমিল্লার সাবেক মেয়র বিএনপি থেকে বহিস্কৃত মনিরুল হক সাক্কুসহ আরও বেশ কয়েকজন গুরুত্ত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় নেতা রয়েছেন। যারা এখনই তাদের নাম প্রকাশ করতে চাচ্ছেন না। তবে একাধিক নেতা বলেছেন, সময় সবকিছু বলে দিবে।

বিএনপির ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, যারা বিএনপি ছেড়ে আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের বেশিরভাগই নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধনকৃত রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে পারেন। যাতে করে নির্বাচন করতে কোনোরকম ঝক্কিঝামেলা না হয়। আবার নিজ নিজ এলাকায় প্রভাবশালী এমন নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থীও হতে পারেন।

তবে নির্বাচনকে সামনে রেখে যারা বিএনপি ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের বেশির ভাগই নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল তৃণমূল বিএনপি বা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে (বিএনএম) যোগ দিতে পারেন। বিএনপির সাবেক নেতা ও মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার হাতে গড়া তৃণমূল বিএনপি কয়েক মাস আগে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পায়। কিন্তু এর কয়েক দিন আগেই মারা যান নাজমুল হুদা। এরপর দলটির হাল ধরেন তার কন্যা। সম্প্রতি দলটির নেতৃত্বে এসেছেন বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক কূটনীতিক শমসের মবিন চৌধুরী এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার। তারা নেতৃত্বে আসার পর তেকেই আলোচনায় ওঠে এসেছে তৃণমূল বিএনপির নাম। দলের বর্তমান নেতৃত্ব দলকে সংগঠিত করার চেষ্টা করছে।

এরই লক্ষ্য ধরে বিএনপির বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার সঙ্গে তৃণমূল বিএনপির নেতাদের কথা হয়েছে। যাদের মধ্যে অনেকেই তৃণমূল বিএনপিতে যোগদানের কথা ভাবছেন। তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগও রাখছে তৃণমূল বিএনপি।

সূত্র জানায়, বিএনপি থেকে তৃণমূল বিএনপি কিংবা বিএনএম এ যোগদানের জন্য কমপক্ষে অর্ধশত নেতা পাইল লাইনে রয়েছেন।

তৃণমূল বিএনপির নেতারা মনে করেন, বিএনপির যেসব নেতা নানাভাবে দলে উপেক্ষিত তাদেরকে দলে ভিড়াতে পারলে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৃণমূল বিএনপির গ্রহণযোগত্যা আরও বাড়বে। সে লক্ষ্যে নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন তৃণমূল বিএনপি নেতারাও সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। তারা আগামী নির্বাচনের জন্য সৎ যোগ্য এবং জনপ্রিয় প্রার্থীর সন্ধান করছেন। যারা নির্বাচনে জয়ী হয়ে আসতে পারবেন।

তৃণমূল বিএনপির মত বিএনএম- এর নেতারাও তৎপরতা শুরু করেছেন নির্বাচনকে সামনে রেখে। তারাও চাচ্ছেন বিভিন্ন দল থেকে পদ বঞ্চিত যোগ্য নেতাদের নিজেদের ভিড়াতে। এই দলেও বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকে দেখা যেতে পারে। তবে কারা কবে যোগ দিবেন সে বিষয়ে এখনই কারো নাম প্রকাশ করতে চাচ্ছেন না দলটির নেতারা।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি ছেড়ে ‘তৃণমূল বিএনপি বা বিএনএম-এ তে যোগদান করতে পারেন এমন নেতাদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহছানুল হক মিলন, যুগ্ম মহাসচিব ও সাবেক সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার, বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সাবেক সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও দলের খুলনা মহানগরের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সংস্কারপন্থি হিসেবে পরিচিত সাবেক সংসদ সদস্য সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, আলী নেওয়াজ খৈয়াম, ডা. জিয়াউল হক মোল্লা, নূরুল ইসলাম মনি, নজির হোসেন, কুমিল্লার সাবেক মেয়র মনিরুল ইসলাম সাক্কু সহ আরও অনেকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একজন কেন্দ্রীয় নেতা বলেছেন, বিএনপিতে এখন চরম সংকট যাচ্ছে। ভিতরে ভিতরে একাধিক গ্রুপ সক্রিয়। একটা বড় অংশ নির্বাচনে অংশ নিতে চায়। আবার আরেক অংশ চায় আন্দোলন। এ নিয়ে বিরোধ এখন তুঙ্গে। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসতে এই সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করবে। তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত কি হয় সেটা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

অপর একজন নেতা বলেন, দল দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ক্ষমতার বাইরে। কর্মীদের ধরে রাখা যাচ্ছে না। এই অবস্থায় নির্বাচনে যাবার কোনো বিকল্প নেই। নির্বাচনের বিষয়ে দল যদি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে আগামীতে এর চড়া মূল্য দিতে হবে। এজন্য দলের নেতৃত্বকেই দায়ি করেন এই নেতা। তিনি বলেন, এখন রাজনীতির যে পরিস্থিতি তাতে নির্বাচনে যাওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। কারণ আন্দোলন করে সরকার পতন করা যাবে না। এর প্রধান কারণ ১৭ বছরেও বিএনপি আন্দোলনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ঘটাতে পারেনি। আবার বিদেশীরা যে ক্ষমতায় বসিয়ে দিবে এমনটা ভাবারও কোনো কারণ নেই। বরং নির্বাচনে না গেলে দল হিসেবে বিএনপির অস্তিত্ব হুমকির মধ্যে পড়বে।

এই নেতা আরও বলেন, দলের ভিতরে কেন্দ্র থেকে মাঠ পর্যায়ে একাধিক নেতা রয়েছেন যারা নির্বাচনে যাওয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন। এই অবস্থায় দল কী সিদ্ধান্ত নেয় সেটা দেখার বিষয়।

এদিকে তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার জানিয়েছেন, তাদের দলে যোগদানের জন্য বিএনপিসহ বিভিন্ন দল ও শ্রেণি-পেশার অনেক নেতাকর্মী ও সমর্থকরা যোগাযোগ করছেন। বিএনপি থেকে অন্তত অর্ধশত নেতা যোগ দিতে পারেন শিগগির। যাদের প্রায় প্রত্যেকেই এমপি প্রার্থী হওয়ার লাইনে আছেন।

আর বিএনএমের আহ্বায়ক অধ্যাপক আবদুর রহমান জানিয়েছেন, আগামী নির্বাচনে তারা ৩০০ আসনে প্রার্থী দিবেন। এরমধ্যে বিএনপিসহ বিভিন্ন দল থেকে যারা বিএনএম-এতে যোগ দিতে চাচ্ছেন তাদেরকেও স্বাগত জানানো হবে।

অবশ্য বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলছেন ভিন্ন কথা। তার মতে, বিএনপির কোনো ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মী কোনো ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পা দেবেন না। তার দাবি, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ঐক্যবদ্ধ।




আদর-পূজা জুটির হ্যাটট্রিক

‘নাকফুল’, ‘লিপস্টিক’ এর পর এবার ‘দরদিয়া’ সিনেমায় জুটি বাঁধতে চলেছেন আদর আজাদ ও পূজা চেরি। এরমধ্য দিয়ে হ্যাটট্রিক পূরণ হতে যাচ্ছে এই জুটির। এখনো বড় পর্দায় এই জুটিকে দেখা না গেলেও একে একে তিনটি সিনেমায় জুটি বেঁধে ফেলেছেন তারা।

এই জুটির আলোক হাসান পরিচালিত ‘নাকফুল’ সিনেমাটি রয়েছে মুক্তির অপেক্ষায়। কামরুজ্জামান রোমানের ‘লিপস্টিক’ সিনেমাটির শুটিং চলছে। এরই মধ্যে একই পরিচালকের নতুন আরেকটি সিনেমা ‘দরদিয়া’তে চুক্তিবদ্ধ হলেন আদর আজাদ ও পূজা চেরি।

গত রোববার (২২ অক্টোবর) রাতে তারা দুজনই চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন সিনেমাটিতে। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ‘দরদিয়া’র শুটিং শুরুর কথা রয়েছে। নব্বইয়ের দশকের রোমান্টিক প্রেমের গল্পে নির্মিত হবে সিনেমাটি।

সিনেমাটি প্রসঙ্গে একটি গণমাধ্যমকে পূজা বলেন, ‘প্রায় তিন বছর আগে এই গল্প জেনেছি। অসাধারণ একটি গল্পের সিনেমা হবে এটি। চুক্তির আগে অন্য কোনো সিনেমার গল্প শুনতে বসে এতটা মুগ্ধ হইনি আমি। আমি যে চরিত্রটি করব, দারুণ একটি চরিত্র। ঠিকমতো করতে পারলে সুপারহিট হয়ে যেতে পারে ছবিটি।’ তিনি আরও বলেন, ‘“লিপস্টিক” ছবিতে যে টিমের সঙ্গে কাজ করছি, এটিও সেই একই টিমের কাজ। এ সিনেমার পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার ও নায়ক একই।’

আদর আজাদের সঙ্গে কাজ প্রসঙ্গে পূজা বলেন, ‘কাজের ব্যাপারে দারুণ আন্তরিকতা আদর ভাইয়ের। ভালো কাজের ব্যাপারে খুব চেষ্টা আছে। তাঁর সঙ্গে এর আগে একটি কাজ শেষ করেছি। আরেকটির শুটিং চলছে। সহশিল্পী হিসেবে আদর ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করতে বেশ সহজ লাগে।’




একাধিক পদে নিয়োগ দেবে টিআইবি

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। প্রতিষ্ঠানটিতে ডেটা অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম

ডেটা অ্যাসিস্ট্যান্ট (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন)

পদসংখ্যা

এই পদে সর্বমোট ২০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা

প্রার্থীকে স্নাতক পাস হতে হবে। শিক্ষা জীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ ২.৫-এর কম (৪ এর মধ্যে)/জিপিএ ৩.০-এর কম (৫ এর মধ্যে)গ্রহণযোগ্য নয়। আবেদনকারীর নিজস্ব ল্যাপটপ থাকতে হবে এবং কাজের জন্য ল্যাপটপ নিয়মিত অফিসে নিয়ে আসতে হবে। কম্পিউটার ব্যবহারের মৌলিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান থাকতে হবে, বাংলা (অভ্র ও বিজয়) ও ইংরেজি টাইপিংয়ের দক্ষতা থাকতে হবে এবং ই-মেইল, জুম ইত্যাদি ব্যবহারে অভিজ্ঞ হতে হবে। পূর্বে ডাটা এন্ট্রির কাজের অভিজ্ঞতা থাকা প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে ।

বেতন

ডেটা অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য মাসিক ২২ হাজার টাকা ভাতা হিসেবে প্রদান করা হবে। দায়িত্ব পালনের জন্য যাতায়াত ও অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যয়ভার টিআইবি বহন করবে।

আবেদনের প্রক্রিয়া

আগ্রহী প্রার্থী আগ্রহী প্রার্থীকে আবেদনের জন্য টিআইবির এইচআর অ্যান্ড ওডি ইউনিট বরাবর নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী দরখাস্ত জমা দিতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে সিভি, শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্রের অনুলিপি ও কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে সে–সংক্রান্ত ডকুমেন্টের অনুলিপি জমা দিতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে অবশ্যই পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং যোগাযোগের ঠিকানা ও ফোন নম্বর উল্লেখ থাকতে হবে। আগ্রহী প্রার্থীকে সিভি ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট vacancy1@ti-bangladesh.org ঠিকানায় ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠাতে হবে।

আবেদনের শেষ তারিখ

২৯ অক্টোবর, ২০২৩

সূত্র : বিডিজবস




ঝিনাইদহে আন্তঃবিভাগীয় মোটরসাইকেল চোর চক্রের মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ৩

ঝিনাইদহে আন্তঃবিভাগীয় মোটরসাইকেল চোর চক্রের মূলহোতা মোহাম্মদ আলী সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার ও তিনটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার সকালে ঝিনাইদহ সদর থানায় প্রেসবিফিং এর মাধ্যমে অতিরিক্ত পুলিশ মীর আবিদুর রহমান এসব তথ্য জানান।

গতকাল সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝিনাইদহ সদর থানা চৌকশ অভিযানিক পুলিশ ও সাতক্ষীরা পুলিশের সহায়তায় সাতক্ষীরার শ্যাম নগর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মোহাম্মদ আলী (৪০) সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার বংশিপুর গ্রামের মৃত মজিদ গাজীর ছেলে। সংবাদ কর্মীদের কাছে তিনি জানন, আন্তঃবিভাগীয় চোর চক্রের মূল হোতা মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতারের পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে আরো দুই জানা যায়। তারা হলো মনিরুজ্জামান (৩৩), পিতা-আজিজ গাজী, সাং-ছোট ভ্যাটখালী, থানা-শ্যামনগর, জেলা-সাতক্ষীরা এবং হেলাল উদ্দীন (২১), পিতা-হবিবুল্লাহ, সাং-চালনা, থানা-দাকোপ, জেলা-খুলনা। গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে আসামীর স্বীকারোক্তি মতে উক্ত মামলার চোরাই যাওয়া মোটর সাইকেল Passion Xpro 110cc, যার রেজিষ্ট্রেশন নং-ঝিনাইদহ-হ-১৪-৮০৫৯, নং-JA06ETKGB 13608, যাহার চেচিস PS1JAS043KJD00266 সহ আরো দুইটি চোরাই মোটরবাইক পাওয়া যায়। মোটর সাইকেল দুটির একটি লাল রংয়েরIGNITOR 125 CC মোটরবাইক এবং অন্যটি খ) একটি লাল রংয়ের hero splendor মোটরবাইক। আসামী মোহাম্মদ আলীর স্বীকারোক্তি মতে চুরির ঘটনার সাহিত তারা জড়িত।

এই মামলা ছাড়াও সিডিএমএস পর্যালোচনায় ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে ঝিনাইদহ জেলাসহ খুলনা, মাগুরা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ১৫ টি মামলা রয়েছে।




টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ

বিশ্বকাপে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) মুম্বায়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম টস জিতে বাংলাদেশকে বোলিংয়ে পাঠিয়েছেন প্রোটিয়া অধিনায়ক এইডেন মার্করাম।

জয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি টাইগাররা। টানা হ্যাটট্রিক হারে অনেকটা পিছিয়ে আছে সাকিবরা। জয়ের ধারায় ফিরতে মুখিয়ে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে এক পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ইনজুরি কাটিয়ে একাদশে ফিরেছেন অধিনায়ক সাকিব। বাদ পড়েছেন ব্যাটার তাওহিদ হৃদয়।

অপরদিকে, দারুণ ছন্দে রয়েছে দক্ষিণ অফ্রিকা। বড় জয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল প্রোটিয়ারা। শুধু নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে হোঁচট খেয়েছিল বাভুমার দল। তবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে ২২৯ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ফের ছন্দে ফিরেছে প্রোটিয়ারা। এই ম্যাচে এক পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে দক্ষিণ আফ্রিকা। লুঙ্গি এনগিডির পরিবর্তে একাদশে জায়গা পেয়েছেন লিজাড উইলিয়ামস।

বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ মুস্তাফিজুর রহমান।

দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ: কুইন্টন ডি কক, রেজা হেনরিখস, রাসি ভ্যান ডুসেন, এইডেন মার্করাম (অধিনায়ক), হেনরিখ ক্লাসেন, ডেভিড মিলার, মার্কো জানসেন, গেরাল্ড কোয়েটজে, কেশব মহারাজ, লিজাড উইলিয়ামস, কাগিসো রাবাদা।




চুয়াডাঙ্গার হিজলগাড়ী পুলিশ ক্যাম্পের এস আই ক্লোজড : তদন্ত কমিটি গঠন

চুয়াডাঙ্গার হিজলগাড়ী ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ এসআই শেখ রকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থবানিজ্যের গুরুত্বর অভিযাগ উঠেছে। অভিযোগের সত্যতা মেলায় অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে। এদিকে রকিবুল ইসলামের ক্লােজের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্যাম্পে দায়িত্ব পালন কালিন সময়ের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে বইছে আলোচনা সমালোচনা। সেই সাথে অভিযুক্ত এসআই রকিবুল ইসলামকে হিজলগাড়ী ক্যাম্প থেকে ক্লোজড করায় এলাকাবাসি চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারকে সাধুবাদ জানিয়ছেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজলার নেহালপুর ইউনিয়নের নেহালপুর স্কুল পাড়ায় কালুর বাড়িতে গত শুক্রবার ঢাকা ধামরাইয়ের মধুডাঙ্গা থেকে পিকাপভ্যান করে ৪ জন ব্যাক্তি বেড়াতে আসেন।

গত শুক্রবার দিনগত রাত ৩ টার দিকে হিজলগাড়ী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই শেখ রকিবুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স আর আরএফ’র কনোস্টবল ওয়াসিম ও সজিবকে সাথে করে নিয়ে গিয়ে সন্দেহ জনক ভাবে ৪ জনকে আটক করেন এবং পিকাপভ্যানসহ তাদরকে ক্যাম্পে নিয়ে ১৩ ঘন্টা কাষ্টরিতে আটকিয়ে রাখেন। অভিযােগ উঠেছে আটককৃত ৪ জনকে ছাড়াতে সুকশৌলে ৯৫ হাজার টাকা অর্থবানিজ্য করেছেন তিনি। আর এ অর্থ লেনদেনের মাধ্যেমে হিসাব দায়িত্ব পালন করেন নেহালপুর গ্রামের ওয়াজেদের ছেলে সাইফুল ইসলাম। বিষয়টি অতিগোপনে করা হলও তা জানাজানি হয়ে যায়।

এনিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপারের দৃষ্টিগোচর আসে।

এসআই রকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় গতকাল সোমবার তাকে হিজলগাড়ী পুলিশ ক্যাম্প থেকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করেন বলে পুলিশের একাধিক সূত্রে জানাগেছে।

অপরদিকে পুলিশের একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, আটককৃতদের ছেড়ে দেবার সময় বেশ কিছু সাদাকাগজে অনকের স্বাক্ষর করে রাখা হয়। রোববার গভির রাতে তিনি সেগুলো অফিস বসে নিজকে রক্ষা করার জন্য নিজের মত করে লেখালেখি করেন।

এদিকে নামপ্রকাশ না করার শর্তে এলাকার অনকেই অভিযােগ করে বলেন, হিজলগাড়ী ক্যাম্পের ভিতরে বেগমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মানুষের বসার জন্য একটি গোলঘর নির্মান করে দিচ্ছেন। অথচ রকিবুল ইসলাম এই গোলঘর নির্মানের অযুহাতে গণহারে মানুষের নিকট থেকে অনুদান হিসাবে অর্থ আদায় করেছেন। যা রীতিমত অনেকের মনে কষ্ট দিয়েছে। যা নিয়ে এলাকায় আলাচনা সমালাচনা অব্যাহত আছে।

অনকেই মন্তব্য করে বলেছেন, গোল ঘর নির্মান করার কথা বলে মানুষের নিকট থেকে যে টাকা আদায় করা হয়েছে তা অমানবিক। যার হিসাব তিনি ছাড়া আর কেউ জানে না। এদিকে ঘটনার পর থেকে মধ্যস্তাকারি নেহালপুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম এসআই রকিবুলের নির্দেশে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ করে গা ঢাকা দিয়েছে। সাইফুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই সঠিক তথ্য জানাযাবে টাকা কার পকেটে কত গেছে। তার সাথে কোন ভাবেই যোগাযাগ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে হিজলগাড়ী ক্যাম্প থেকে আলোচিত ক্যাম্প ইনচার্জকে প্রত্যাহার করে নেওয়ায় চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারকে সাধুবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসি।

এব্যাপারে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, এসআই রকিবুল ইসলামকে ক্যাম্প থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তদন্ত কমিটি গঠণ করা হয়েছে। তদন্ত পূর্বক পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।




দর্শনার মোহাম্মদপুরে গৃহবধুর হত্যার রহস্য উৎঘাটন, হত্যাকারি আটক

অবশেষে মাত্র ৭ ঘন্টার মাথায় উৎঘাটিত হয়েছে দর্শনার গৃহবধু মনজুরা খাতুন মিমের হত্যার রহস্য। বোনকে হত্যা করে নাটক সাজিয়ে রেহায় পেলোনা কুলাঙ্গার বড় ভাই আলমগীর।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা অকপটে স্বীকার করলে পুলিশ আলমগীরকে আদালতে নেয়। বিজ্ঞ আদালত তার স্বীকারোক্তি মৃলক জবানবন্দি রেকর্ড করে।

গত রবিবার চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় মিম আক্তার মনজুরা নামে এক নারীকে শ্বাসরোধ করে ও গলা কেটে হত্যার ঘটনায় তার ভাই আলমগীর কবীরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আলমগীর তার বোন হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে গতকাল সোমবার দুপুরে আদালতে জবানবন্দী প্রদান করেছেন।

এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে প্রেসব্রিফিং করেছে জেলা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আলমগীর কবীর (৩৮) দর্শনার মোহাম্মদপুরের মৃত আরমান আলীর ছেলে।

বিকাল ৪ টার দিকে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজিম উদ্দীন আল আজাদ (ক্রাইম এন্ড অপস্) বলেন, এক নিকট আত্মীয়ের সাথে বোনের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক জেনে যায় ভাই। সেই অবৈধ সর্ম্পক থেকে বোনকে সরে আসার জন্য বারবার সতর্ক করে ভাই আলমগীর। কিন্তু বোন মনজুরা ভাইয়ের কথা না শুনে পরকীয় প্রেম চালিয়ে যায়। এ কারণে ক্ষুব্ধ ছিল ভাই।

এরই মধ্যে আলমগীরের সাবেক স্ত্রীর আত্মীয় স্বজনের সাথে বিবাদ সৃষ্টি হয়। শ^শুর বাড়ির লোকজন মোবাইল ফোনে হুমকি দিলে তা রেকর্ড করে বোনকে হত্যার জন্য প্রেক্ষাপট তৈরি করে ভাই আলমগীর।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, পরিকল্পনা মতো গত শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বোনকে কৌশলে বাড়ীর পাশের আমবাগানে ডেকে নিয়ে যায় ভাই। এসময় কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে বোনের নিজের ওড়না দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ বেগুন ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধারালো দা দিয়ে গলাকেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে আলমগীর।

অনুসন্ধানের তথ্য থেকে পুলিশ কর্মকর্তা উদ্দীন আল আজাদ আরও জানান, হত্যার পর ঘটনা অন্যদিক প্রবাহিত করার জন্য আসামী আলমগীর ধারালো দা দিয়ে নিজের মাথায় নিজেই তিনটি পোচ দেন এবং আমগাছে থাকা রশি নিয়ে নিজেই নিজের হাত-পা বেঁধে চিৎকার করতে থাকে। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করলে অপহরণের নাটক সাজিয়ে বিভ্রান্ত করে আলমগীর। এসময় তার প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, এ ঘটনায় নিজেকে দায়ী করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন আলমগীর। এর আগে গতকাল সোমবার সকালে আলমগীরকে আসামী করে দর্শনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন বোন জামাই সুরুজ মিয়া।

পুলিশের প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারি পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) জাকিয়া সুলতানা ও ডিবি পুলিশের ইনচার্জ ফেরদৌস ওয়াহিদ।

উল্লেখ্য, গত রবিবার (২২ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫ টার দিকে দর্শনা মোহাম্মদপুরে বাড়ির পাশের একটি বেগুন ক্ষেত থেকে মিম আক্তার মনজুরার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ আলমগীরকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশের একাধিক টিম আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদে সে এ হত্যা কান্ডের ঘটনা স্বীকার করে। গতকালই মনজুরা খাতুন মিমের লাশের ময়না তদন্ত শেষে স্থানীয় কোবরস্থানে দাফন সম্পর্ন হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে বসত বাড়ির ২ কাটা জমি নিয়ে ভাই বোনের মধ্যে প্রায় ঝকড়া হতো। এ ধরনের ঘটনার জের ধরে এ হত্যাকান্ড ঘটতে পারে বলে এলাকাবাসির ধারনা।




প্রাথমিক শিক্ষায় বেড়েছে বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা, কমেছে ঝরে পড়ার হার

গত ১৫ বছরে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরণের অগ্রগতি হয়েছে। কমেছে ঝরে পড়া শিশুর সংখ্যা। বেড়েছে ভর্তির হার।

শতভাগ শিক্ষার্থীদের হাতে বছরের শুরুতে নতুন বই পৌঁছে দেওয়া, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে শিক্ষা উপবৃত্তি ব্যবস্থা চালু করার মত সাফল্য আছে এই দেড় দশকে। প্রাক-প্রাথমিক কার্যক্রম চালু করা ছিলো একটা বড় সাফল্য। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১২ গুণ। শিক্ষার্থীর পাশাপাশি সারাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যাও বেড়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেয়া প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, শিক্ষার্থী বাড়ার পাশাপাশি বছরের পর বছর অবহেলিত প্রাথমিক শিক্ষার উন্নযনে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক। আগে যেখানে একটি বিদ্যালয়ের জন্য দুই থেকে তিন জন শিক্ষক ছিলেন সেখানে এখন শিক্ষক আছেন আনুপাতিক হারে।
ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০০৬ সালে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার হাল ছিল করুন। শিক্ষার্থী থাকলে শিক্ষক পাওয়া যেতো না। আবার কোনো কোনো বিদ্যালয়ে শিক্ষক আছেন তো, শিক্ষার্থী নেই। দেশের অনেক প্রত্যন্ত এলাকার বিদ্যালয়গুলোতে লেখাপড়া হতো না বললেই চলে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ইচ্ছামত যাওয়া আসা করতো। অনেক বিদ্যালয়ে মাঠ থেকে শুরু করে শ্রেণিকক্ষের বারান্দা এমনকি শ্রেণিকক্ষগুলোতেও ছিলো গরু-ছাগলের অবাধ যাতায়াত। শিক্ষার পরিবেশ ছিলো না। খেলাধুল হতো না বললেই চলে।

সব মিলিয়ে গত দেড় দশকে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার পরিবেশ ফিরে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সারাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নেয়। এরই অংশ হিসেবে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন, নতুন শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ, ওয়াশব্লক, নলকূপ স্থাপন ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, নতুন বিদ্যালয় নির্মাণ, প্রত্যেক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার স্থাপন, দুই বছর মেয়াদী প্রাক-প্রাথমিক স্তর চালু করা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অনুপাত আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ, প্রাক-প্রাথমিকের জন্য শিক্ষক পদ সৃজন করা ও শিক্ষক নিয়োগ, সংগীত ও শারিরীক শিক্ষক নিয়োগ, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ, মাল্টিমিডিয়া ও ল্যাপটপ বিতরণ, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উদযাপন, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ, স্কুল ফিডিং ও উপবৃত্তি প্রদানসহ নানামুখি কার্যক্রম বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। যার প্রায় শতভাগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগের এক পরিসংখ্যান বলছে, ২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে সারাদেশে সবধরণের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট সংখ্যা ছিলো ৮২ হাজার ২১৮টি। গত ১৫ বছরে এই সংখ্যা বেড়েছে ব্যাপকহারে। ২০২২ সালে এসে সারাদেশে সবধরণের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা হচ্ছে এক লাখ ১৪ হাজার ৫৩৯টি। অর্থাৎ বিদ্যালয়ের সংখ্যা বেড়েছে ৩২ হাজার ৩২১টি। ১৯৭৩ সালে দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিলো ৩৭ হাজার ৬৭২টি। তারপর আর কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ হয়নি। ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৬ হাজার ১৯২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেন।

২০০৬ সালে সারাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল এক কোটি ৬০ লাখ এক হাজার ৬০৫ জন। ২০২২ সালে এসে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ কোটি ৫৪ লাখ ৬ হাজার ৯১ জনে। অর্থাৎ গত ১৬ বছরে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১২ গুণ। ২০০৬ সালে যেখানে ছেলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭৯ লাখ ১৯ হাজার ৮৩৭ জন এবং মেয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮০ লাখ ৮১ হাজার ৭৬৮ জন, সেখানে এই সংখ্যা বেড়ে উন্নীত হয়েছে যথাক্রমে ছেলে এক কোটি ২৪ হাজার ৯৫১ জন এবং মেয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক কোটি ৫২ লাখ এক হাজার ১৪০ জন।

একইভাবে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বেড়েছে। ২০০৬ সালে ছিল মাত্র ৩৩ হাজার ২৯৬ জন। বর্তমানে এ সংখ্যা ১৫ লাখ ১৭১ জন। শিক্ষার্থীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শিক্ষকের সংখ্যা। ২০০৬ সালে যেখানে শিক্ষকের সংখ্যা ছিল তিন লাখ ৬৫ হাজার ৯২৫ জন, ২০২২ সালে শিক্ষকের সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়েছে হয়েছে ৬ লাখ ২৬ হাজার ৪২ জন।

শেখ হাসিনার এই ১৫ বছরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নতুন করে সংযোজন হয়েছে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম। এটা আগে ছিল না। বর্তমানে প্রাক-প্রাথমিকে শিক্ষার্থী আছে ৩৩ লাখ ৮৩ হাজার ৭২৬ জন। প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমের জন্য নিয়োগ দেয়া হয় ৩৭ হাজার ৮৮১ জন শিক্ষক। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীর আনুপাতিক হারে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আগে প্রতি ৫২ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক ছিলেন একজন। বর্তমানে ৩৩ জন জন্য শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন শিক্ষক।

শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার বিষয়টি সরকারকে নানাভাবে ভাবিয়ে তুলেছিল। ২০০৬ সালে দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ঝরেপড়া শিক্ষার্থীর হার ছিল ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়। ফলে বর্তমানে ঝরেপড়ার হার নেমে এসেছে ১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশে। প্রাথমিক শিক্ষায় বর্তমান সরকারের অন্যতম সাফল্য হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীর হাতে শতভাগ নতুন বই তুলে দেওয়া। যা বিগত সময়ে কোন সরকারের আমলেই হয়নি। ২০০৬ সালে যেখানে মোট বিতরণকৃত বইয়ের মধ্যে ৫০ শতাংশ সাদাকালো বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হত, সেখানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রতিবছর বিতরণকৃত বইয়ের শতভাগ রঙিন এবং বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হয়।

এছাড়াও বর্তমান সরকার প্রত্যেক বছর বিদ্যালয়গুলোতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের আয়োজন করাসহ আরও অনেকগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করে। সরকারের এসব পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখি হতে উৎসাহিত করেছে।




মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতৃবৃন্দের পূজা মন্ডপ পরিদর্শন

দুর্গা পূজা উপলক্ষে নবমীতে পৌরসভা শহরে ও জেলার বিভিন্ন স্থানের পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেন পৌর মেয়র সহ আওয়ামী লীগ ও জেলা যুবলীগের নেতা কর্মীরা।

গতকাল সোমবার বিকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত নেতা কর্মীরা এসকল পূজা মন্দির পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন কালে মেহেরপুর পৌর মেয়র ও জেলা যুবলীগের আহবায়ক মাহফুজুর রহমান রিটন প্রতিটি মন্দিরে নগদ টাকা ও ব্যাংক চেক প্রদান করেন।

এসময় মেহেরপুর পৌরসভা কালীবাড়ী বড়বাজারের কালী মন্দির, নামের বাড়ী পুজা মন্ডপ, শ্রী শ্রী হরিসভা পুজা মন্ডপ, হালদার পাড়া পুজামণ্ডপ শ্রী শ্রী হরিজন (সুইপার কলোনী) বাপার পুজা মণ্ডপ, বামনপাড়া পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন নেতা কর্মীরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এড মিয়াজান আলী, মেহেরপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ মেহেরপুর জেলা শাখার আহবায়ক ও মেহেরপুর পৌরসভা মেয়র মাহফুজুর রহমান রিটন, আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান, জেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক শহিদুল ইসলাম পেরেশান সহ জেলা আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।




প্রধানমন্ত্রীর ব্রাসেলস সফরে গুরুত্ত্ব পাবে একাধিক বিষয়

আগামীকাল মঙ্গলবার ব্রাসেলস যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট ওরসুলা ভন ডার লিয়েনের আমন্ত্রণে গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামের প্রথম সম্মেলনে অংশ নিতে তিন দিনের সফরে বেলজিয়াম যাচ্ছেন তিনি।

দেশে সাধারণ নির্বাচনের আগ মুহুর্তে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের রাজনতিক, অর্থনৈতিক ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে দেশ বিরোধী বিভিন্ন মহল ও গোষ্ঠি থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) যে ভুল বার্তা দেওয়া হয়েছে, যার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সম্পর্কে ইইউ’র মধ্যে একটা নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্য দিয়ে তার পরিবর্তন ঘটবে। ইইউ’র সঙ্গে বাংলাদেশের যে পাঁচ দশকের সম্পর্ক, সেটিকে তুলে ধরে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তার অবস্থান তুলে ধরতে পারেন। যার মধ্য দিয়ে বাস্তব ও প্রকৃত চিত্র পাবেন ইইউ নেতারা। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মধ্য দিয়ে ইইউ’র সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরো গভীর ও সংহত হবে এবং দেশের ভাবমূর্তি উজ্বল হবে বলে আশা করছেন করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী আলেক্সান্দার দে ক্রো এবং লুক্সেমবার্গের প্রধানমন্ত্রী জেভিয়ার বেটেলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।

রবিবার (২২ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর বেলজিয়াম সফর নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, বিশ্বব্যাপী স্মার্ট, পরিবেশবান্ধব এবং নিরাপদ ডিজিটাল প্রযুক্তি, জ্বালানি, পরিবহন খাতে অবকাঠামো নির্মাণ এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও গবেষণা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে গে¬াবাল গেটওয়ে উদ্যোগের ঘোষণা দেয়। এ উদ্যোগের আওতায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, সদস্য রাষ্ট্র ও অন্য অংশীদাররা অগ্রাধিকার খাতগুলোতে ২০২১-২০২৭ সালের মধ্যে মোট ৩০০ বিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগ করার ঘোষণা দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকালে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ও ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের মধ্যে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ৩৫০ মিলিয়ন ইউরোর একটি ঋণ সহায়তা চুক্তি সই হবে। এছাড়া, বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে অনুদান হিসেবে প্রদানের জন্য ইউরোপিয়ান কমিশন এবং ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের মধ্যে ৪৫ মিলিয়ন ইউরোর একটি চুক্তি এবং বাংলাদেশ সরকার এবং ইউরোপিয়ান কমিশনের মধ্যে ১২ মিলিয়ন ইউরোর একটি অনুদান চুক্তি সই হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক ইতোমধ্যে বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্যক্ত করেছে। এ চুক্তিটি বাংলাদেশে ব্যাংকটির অধিকতর বিনিয়োগের পথ প্রসারিত করবে বলে আশা করা যায়। এ সফরের সময় বাংলাদেশ সরকার এবং ইউরোপিয়ান কমিশনের মধ্যে বাংলাদেশের সামাজিক খাতে ৭০ মিলিয়ন ইউরোর পাঁচটি আলাদা অনুদান চুক্তি সই হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন তাদের ৫০ বছরের অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায় উন্নীত করার ঘোষণা দেবেন বলে আশা করা যায়। ইইউ–ঢাকা সম্পর্ককে আরো সংহত করার বিষযটি বিশেষ গুরুত্ব পাবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্রাসেলসে ২৫ ও ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় গে¬াবাল গেটওয়ে ফোরামের প্রথম বৈঠকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন।

উদ্বোধনী অধিবেশনের আলোচনায় পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে উত্তরণ, শিক্ষা ও গবেষণা, গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল, যোগাযোগের করিডরের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। ২৬ অক্টোবর শেষ দিনের আলোচনায় স্বাস্থ্য পণ্য উৎপাদন এবং ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা হবে।

এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।