চুয়াডাঙ্গায় বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা

চুয়াডাঙ্গায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার সকাল দশটার সময় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমার সভাপতিত্বে আসন্ন ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ১৬ ডিসেম্বর সূর্যোদয়ের সাথে সাথে চুয়াডাঙ্গা বড় বাজার হাসান চত্বরে অবস্থিত শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ। সকাল আটটার সময় চুয়াডাঙ্গা পুরাতন স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় অবস্থিত মুক্ত মঞ্চে আলোচনা সভা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হবে। ওইদিন সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং করা হবে। হাসপাতাল, এতিমখানায় বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হবে। বাদ জোহর দেশের শান্তি ও অগ্রগতি এবং সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শহরের বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ মোনাজাত এবং সুবিধাজনক সময়ে মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এছাড়াও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সমন্নয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

পরে ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভায় সকলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় ও নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে পালন করা হবে।

উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান পিপিএম-সেবা, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান মনজু, চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( সার্বিক) নাজমুল হামিদ রেজা, (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রিয়াজুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা জেলা শিক্ষা অফিসার আতাউর রহমান, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার শামীম ভূইয়া, সহ সকল সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সাংবাদিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




কোটচাঁদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা আদায়

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযান চালিয়ে ১৫ শত টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ বুধবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে মেইন বাসস্ট্যান্ড বেলী ফিলিং স্টেশনে এ জরিমানা করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়,নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে আজ দুপুরে এ অভিযান চালান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উছেন মে।

এ সময় তিনি বেলী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার রবিউল ইসলাম (৩৫) কে তেল বিক্রয়ের মুল্য তালিকা না থাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৮ ধারায় ১৫ শত টাকা জরিমানা করেন।

এ সময় উপজেলা স্যানেটারী ইন্সপেক্টর মনিরুজ্জামান, সুব্রত কুমার সহ উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তা কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।




দামুড়হুদায় মৎস্য চাষীদের মাঝে মাছের পোনা ও বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ

দামুড়হুদায় উত্তম ব্যবস্থাপনায় অফ ফ্লেভার মুক্ত পাঙ্গাস ও তেলাপিয়া মাছ চাষ প্রদর্শনীর জন্য মাছ চাষীদের মাঝে মাছের পোনা ও বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুর ২টার সময় ওয়েভ ফাউন্ডেশনের কোষাঘাটা ইউনিট চত্বরে আনুষ্ঠানিক ভাবে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়।

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর অর্থায়নে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা কৃষক সংগঠন(সিআইজির) সভাপতি ও দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মো সামসুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের সহকারি পরিচালক মোঃ কিতাব আলী।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের সমন্বিত কৃষি ইউনিটের মৎস্য কর্মকর্তা এ বি এম আরমান হোসাইন, সহকারি মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ সুমন আলী ও কোষাঘাটা ইউনিটের ইউনিট ম্যানেজার মোঃ নাসির উদ্দিন সহ উপকারভোগীগণ। ওয়েভ ফাউন্ডেশনের বাস্তবায়নে সমন্বিত কৃষি ইউনিটভুক্ত মৎস্য খাতের আওতায় দামুড়হুদা উপজেলায় পারকৃষ্ণপুর, মদনা, কার্পাসডাঙ্গা, কোষাঘাটা ও হিজলগাড়ি ইউনিটের মৎস্য চাষীদেরকে উত্তম ব্যবস্থাপনায় অফ ফ্লেভার মুক্ত পাঙ্গাস ও তেলাপিয়া মাছ চাষ প্রদর্শনীর আওতায় পাঙ্গাস ও তেলাপিয়া মাছের পোনাসহ বিভিন্ন খাদ্য উপকরণ, চুন ,সার , মাছ ধরার জাল ও সবজি বীজ বিতরণ করা হয়।




দ্রুতগতির মোবাইল ইন্টারনেট আইফোনে

বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট গতির তথ্য বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠান ওকলার গ্লোবাল ইনডেক্স পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে অ্যাপলের আইফোন বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গতিসম্পন্ন ডিভাইস।

মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওকলার স্পিডটেস্ট অ্যাপের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইন্টারনেটের গড় গতির পরিমাপের এক তুলনামূলক চিত্র পাওয়া যায় ‘স্পিডটেস্ট গ্লোবাল ইনডেক্স’ নামের নিরীক্ষায়।

এই সূচক অনুযায়ী, বাংলাদেশে সবচেয়ে দ্রুত গতির ইন্টারনেট উপভোগ করে থাকেন আইফোন ব্যবহারকারীরা। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য এই নিরীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিবেদন মতে, বাংলাদেশে অ্যাপলের ডিভাইসগুলো অন্যান্য প্রতিষ্ঠিত ফোনের তুলনায় স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে আছে। ইন্টারনেট ব্র্রাউজিংয়ে গতির ক্ষেত্রে শীর্ষস্থানীয় ডিভাইস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স। এই ডিভাইসের গড় ডাউনলোড স্পিড ৪৫ দশমিক ৯৩ এমবিপিএস।

এর পরের দু’টির অবস্থানেও আছে আইফোনের দুই মডেল-১৩ ও ১২। ডিভাইস দুইটির গড় ডাউনলোড স্পিড যথাক্রমে ৪৪ দশমিক ৭১ ও ৪৩ দশমিক ৮৪ এমবিপিএস।

মিডিয়ান বা মধ্যমা হচ্ছে একটি ডেটা সেটের ঠিক মাঝের মান, যা ওই ডেটা সেটের অর্ধেক মানের চেয়ে বড় এবং বাকি অর্ধেকের চেয়ে ছোট। যেমন ১ থেকে ১১ যদি একটি ডেটা সেট হয়, তাহলে ৬ হচ্ছে এর মিডিয়ান নম্বর।

ওকলার তথ্য অনুযায়ী, অ্যাপলের ডিভাইসগুলোর মিডিয়ান ডাউনলোড স্পিড ৩৪ দশমিক ৮০ এমবিপিএস, যা অন্যান্য প্রতিষ্ঠিত স্মার্টফোন ব্র্যান্ডের চেয়ে বেশি।

ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ে গতির দিক থেকে বাংলাদেশে অ্যাপলের পরের অবস্থানে আছে ওয়ানপ্লাস, স্যামসাং, শাওমি ও রিয়েলমি।

গবেষণায় দেখা গেছে, ওয়ান প্লাসের মিডিয়ান ডাউনলোড স্পিড ৩০ দশমিক ০৭ এমবিপিএস, স্যামসাংয়ের ১৮ দশমিক ৬৮ এমবিপিএস। উভয় প্রতিষ্ঠানের তৈরি ফোনই আইফোনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে আছে।

শাওমি ও রিয়েলমি ফোনের মিডিয়ান ডাউনলোড স্পিড যথাক্রমে ১৬ দশমিক ১০ ও ১৫ দশমিক ৯৭ এমবিপিএস। ওকলার ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ৩০০ ডিভাইসের ডেটা নিয়ে এই নিরীক্ষা করা হয়। তবে এর সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো, শুধু যেসব ব্যবহারকারী তাদের ফোন দিয়ে স্পিডটেস্ট অ্যাপটি ব্যবহার করছেন বা করেছেন তারাই এই সমীক্ষার আওতায় থাকেন।

তবে প্রতিষ্ঠানটির দাবি, হাজার হাজার ব্যবহারকারী অসংখ্যবার তাদের অ্যাপ ব্যবহার করে নিজ নিজ ডিভাইসের ডাউনলোড স্পিড যাচাই করেন, যার ফলে সমীক্ষার ফল বেশ বাস্তবসম্মত।

সূত্র: ইত্তেফাক




দামুড়হুদা হাউলী ইউনিয়নে টিসিবির পণ্য বিতরণ

দামুড়হুদা হাউলী ইউনিয়নে টিসিবির পণ্য বিতরণ করা হয়েছে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পণ্য বিতরণ শুরু হয়। টিসিবির পণ্য বিতরণের শুভ উদ্বোধন করেন হাউলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন। সবাই ঠিক ঠাক মতো কার্ড হাতে পেলেও টাকার অভাবে অনেকই তুলতে পারেনি পণ্য। কমপক্ষে ২ দিন আগে কার্ড দেওয়ার দাবি করেছে টিসিবির সেবা গ্রহীতারা।

দামুড়হুদা হাউলী ইউনিয়নে প্রতিমাসের মতো এবারো মোট ২২০৬ জন টিসিবির কর্ডধারীর মাঝে কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। সবাই ঠিক ঠাক মতো কার্ড হাতে পেলেও অনেকই টাকার অভাবে টিসিবির পণ্য উত্তলন করতে পারেনি। টিসিবির কার্ড ধারী বেশ কয়েকজন সেবা গ্রহীতারা বলেন, আমরা তো গরিব মানুষ বলেই জননেত্রী শেখ হাসিনা’র মহৎ উদ্যোগে আমাদেরকে কার্ড দেওয়া হয়েছে। রাত্রে কার্ড হাতে পাচ্ছি, আর সকালে টিসিবির পণ্য তুলতে হচ্ছে। অন্তত কমপক্ষে দুই দিন আগে টিসিবির কার্ড আমাদের হাতে দেয়ার দাবি জানাচ্ছি। নিত্য প্রয়োজনীয় উর্ধগতির বর্তমান বাজারে আমরা এমনিতেই খুব কষ্টে আছি, আমাদের ঘরে কোন টাকা গচ্ছিত থাকেনা। আমরা দিন আনি দিন খাই, তাই টিসিবির পণ্য বিতরণের কমপক্ষে দুই দিন আগে যদি টিসিবির কার্ড আমরা হাতে পায় তাহলে খুব ভালো হতো। আগে থেকে কার্ড হাতে না পেলে আমাদের এই পণ্য তুলতে খুবই কষ্ট হয়। অনেক সময় নিজেরা টাকার অভাবে পণ্য তুলতে পারি না, তখন প্রতিবেশীদের সেই কার্ড দিয়ে দিতে হয়। দিনশেষে অনেকেই পণ্য উত্তোলন করতে পারেনি, ফলে সেসব পণ্য রয়েই গেছে। তাই প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র মহতী উদ্যোগকে সফল করতে অন্তত কমপক্ষে ২ দিন আগে টিসিবির কার্ড, সেবা গ্রহীতাদের হাতে তুলে দেওয়া দরকার। না হলে এই মহতী উদ্যোগ ব্যাহত হতে পারে বলে মনে করেন সচেতন মহল।

এবিষয়ে হাউলী ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন বলেন, টিসিবির পণ্য যেনো সবাই উত্তোলন করতে পারে এটাই আমাদের কাম্য। আগামী বার যখন টিসিবির পণ্য বিতরণ করা হবে তখন কমপক্ষে দুই দিন আগে টিসিবির সেবা গ্রহীতাদের কাছে কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। কারো কোন অসুবিধা হোক এটা আমরা কোন সময় চাই না। আমরা চাই জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র এই মহতী উদ্যোগ যেন কোনভাবেই বিনষ্ট না হয়।




দামুড়হুদার জয়রামপুর রেলস্টেশনে গণস্বাক্ষর অনুলিপি প্রদান

দামুড়হুদা থানার একমাত্র রেল স্টেশন জয়রামপুর রেল স্টেশন। এক কথায় বলা যায় চুয়াডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী রেলস্টেশন জয়রামপুর রেল স্টেশন। নকশী কাঁথা ২৫ এবং নকশি কাঁথা ২৬ ট্রেনটি খুলনা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে সরাসরি ঢাকার উদ্দেশ্যে নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। এই নতুন রোডম্যাপে জয়রামপুর রেলস্টেশনে যাত্রা বিরতি তালিকা ভুক্ত না হওয়ায় এখানে যাত্রা বিরতি বন্ধ করা হয়েছে। জয়রামপুর রেল স্টেশনে নকশি কাথা ২৫ এবং ২৬ ট্রেনের যাত্রা বিরতি পুনর বহাল রাখার জন্য জয়রামপুর সহ আশেপাশে গ্রামের মানুষের গণস্বাক্ষর সহ অনুলিপি প্রদান করা হয় বিভাগীয় রেল ব্যবস্থাপক এর কার্যালয় পাকশী।

বিভাগীয় রেল ব্যবস্থাপক বলেন, জয়রামপুর রেল স্টেশন একটি কৃষি উদ্ভাসিত এলাকা এখানে প্রচুর পরিমাণ সবজি উৎপাদন হয় যা ট্রেনের মাধ্যমে দেশে বিভিন্ন স্থানে যায়। এ বিষয়ে আমাদেরকে অনেক আগেই অবগত করা হয়েছে, আমরা আমাদের সাধ্যমত চেষ্টা করছি জয়রামপুর রেলস্টেশনে নকশী কাঁথা ২৫ এবং নকশী কাঁথা ২৬ ট্রেনটির যাত্রা বিরতি দেওয়ার জন্য।

এ বিষয়ে হাউলি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ খোকনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জয়রামপুর স্টেশনে যদি নকশি কাথা ২৫ এবং নকশি কাথা ২৬ ট্রেনটি যাত্রা বিরতি না করে তাহলে কৃষির ওপরে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে এতে কৃষক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। সবজি সহ কাঁচামালের দাম কমতে থাকবে যা কৃষিতে ভয়ানক ক্ষতি বয়ে আনতে পারে।




মেহেরপুরের নতুন দরবেশপুরে মসজিদ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

মেহেরপুর সদর উপজেলার নতুন দরবেশপুরে জামে মসজিদের বেইজ ঢালাইয়ের মধ্য দিয়ে শুভ সূচনা করা হয়েছে নির্মাণ কাজ। আজ বুধবার সকালে নতুন দরবেশপুরে গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে এই ঢালাই কাজের উদ্বোধন করা হয়।

মসজিদের ইমাম মুফতি খায়রুল বাশারের দোয়া পরিচালনার মধ্যে দিয়ে চার কাঠা জমির উপর তিন হাজার বর্গফুট আকৃতির তিনতলা মসজিদ ভবনের বেইজ ঢালাইয়ের শুভ উদ্বোধন করেন জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ও মসজিদ কমিটির প্রধান উপদেষ্টা মাহবুব উল আলম শান্তি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মসজিদ কমিটির উপদেষ্টা শাহিনুল ইসলাম, সভাপতি ইসরাইল হোসেন, সাধারন সম্পাদক মাহবুব ইসলামসহ গ্রামের মুসুল্লিবৃন্দ।

এসময় এলাকাবাসীরা বলেন মসজিদ নির্মাণ হওয়াতে দীর্ঘদিনের একটি স্বপ্ন পুরণ হতে চলেছে আমাদের। মহল্লার সকল মুসল্লিরা এক সাথে সমবত হয়ে নামাজ আদায় করে আল্লাহর দোয়া করতে পারবে এ জন্য মসজিদ নির্মাণ কাজে মহল্লার সকলে স্বেচ্ছায়শ্রম দিয়ে যাচ্ছি।




নিয়োগ দেবে ব্যাংক এশিয়া

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড। ব্যাংকটিতে হেড অব লিগ্যাল ডিভিশন (ইভিপি টু এসইভিপি) পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম

হেড অব লিগ্যাল ডিভিশন (ইভিপি টু এসইভিপি)।

যোগ্যতা

প্রার্থীকে এলএলবি/এলএলএম পাস হতে হবে।

বেতন

আলোচনা সাপেক্ষে।

আবেদন প্রক্রিয়া

আগ্রহী প্রার্থীরা বিডিজবস অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ তারিখ

১২ ডিসেম্বর, ২০২৩।

সূত্র : বিডিজবস




ঝিনাইদহবাসীর ভালোবাসায় সিক্ত হলেন নৌকার মাঝি সমি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-২ আসন থেকে আওয়ামীলীগ মনোনিত সংসদ সদস্য প্রার্থী জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও নৌকার মাঝি তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি এমপি ঝিনাইদহ-হরিণাকুন্ডু উপজেলাবাসীর ভালোবাসায় সিক্ত হলেন।

আজ ঢাকা থেকে নিজ এলাকায় ফিরবেন শুনে সকাল থেকে হাজার হাজার মোটরসাইকেল সুসজ্জিত গাড়ি বহরে বাদ্যযন্ত্র নিয়ে একত্রীত হতে থাকে শহরের ওয়াজির আলী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে। সেখান থেকে জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হাটগোপালপুরে শোডাউন সহকারে গিয়ে অবস্থান নেয় নেতাকর্মীরা।

প্রথমে তিনি হাটগোপালপুর বাজারে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। সেখানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে আওয়ামীলীগ মনোনিত সংসদ সদস্য প্রার্থী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নৌকার মাঝি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই এমপি। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পদ্মাকর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিকাশ কুমার বিশ্বাস।

সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে হাজার হাজার মোটরসাইকেল শোডাউন সহকারে তিনি ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, কৃষক লীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দদের সাথে নিয়ে শহরের চুয়াডাঙ্গা বাসস্টান্ডে অবস্থিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ নৌকার মাঝি এমপি তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি’কে ফুলের শুভেচ্ছা প্রদাণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক, সাংগঠনিক সম্পাদক অশোক ধর, হরিণাকুন্ডু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হুসাইন, পৌর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মাসুম, জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক রাজু আহমেদ, জেলা যুবলীগ নেতা বাসের আলম সিদ্দিকী, সদর উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম খলিল রাজা, এমপির পিএস রোকনুজ্জামান রিপনসহ নেতাকর্মীরা।




স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন নিয়ে কাজ করতে চাই -ডা.নাজমুল হক সাগর

‘সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন পাওয়া একটি গুরুদায়িত্ব, যেটা দলের হাই কমান্ড থেকে আমাকে দেয়া হয়েছে। এজন্য আমি দলীয় সভানেত্রী ও দলের নীতি নির্ধারকদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমি প্রথমেই দল-মত নির্বিশেষে গাংনীর আপামর জনতা কে সাথে নিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার করতে চাই। এরপর দলের পক্ষ থেকে আমাকে জনপ্রতিনিধিত্ব করার যে সুযোগ দেওয়া হয়েছে সেটাকে আমি দায়িত্ব হিসাবে নিয়ে আমি আমার সংসদীয় আসনে বেকারত্ব দূর করতে কাজ করতে চাই। আমার সংসদীয় আসন গাংনীতে শিক্ষিত বেকারের হার অনেক বেশি। শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান ও এ লক্ষ্যে তাদের স্কিল ডেভেলপ করার উদ্যোগ নেওয়াটাই হবে আমার প্রথম কাজ। এছাড়াও আমি যেহেতু একজন চিকিৎসক সেজন্য আমার সংসদীয় আসন গাংনীসহ সমগ্র মেহেরপুর জেলার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন নিয়েও কাজ করতে চাই। অবকাঠামোগত উন্নয়ন মেহেরপুরে যথেষ্ট হয়েছে।’

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুর-২ (গাংনী) সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে যেয়ে মেহেরপুর প্রতিদিনকে এ কথা বলেন ডা: এ এস এম নাজমুল হক সাগর।

ডাঃ এ. এস. এম. নাজমুল হক মেহেরপুর জেলার গাংনী মোহাম্মদপুর গ্রামে সম্ভ্রান্ত এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছেন। তাঁর পিতা মোহাম্মদ নূরুল হক সামরিক অফিসার ও সফল প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি গাংনী থানা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা ও আজীবন সভাপতি, প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য, গণপরিষদ সদস্য ও পরবর্তিতে সংসদ সদস্য ছিলেন।

তার মেজ বোন সেলিনা পারভীন ২০১৪ সালে সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি ছিলেন।

ডাঃ এ. এস. এম. নাজমুল হক শিক্ষা জীবনে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। ১৯৯২-৯৩ সালে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ শাখার দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৪-৯৫ সালে সাধারণ সম্পাদক এবং সভাপতি হিসেবে ১৯৯৫-৯৭ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ শাখার ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

সরকারি চাকরিজীবি হিসাবে তিনি ২৩ তম বিসিএস এর স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগদান করেন। তবে সক্রিয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করতে ২০২০ সালে (চাকুরির মেয়াদ ছিল ২০৩২ সাল পর্যন্ত) সরকারি চাকুরী থেকে স্বেচ্ছা অবসর নেন।

ডঃ নাজমুল হক সাগর আরো বলেন,’ছোট বেলা থেকে রাজনৈতিক পরিমন্ডলে বেড়ে ওঠায় সকল শ্রেনীর মানুষের সাথে আমার আত্মিক সম্পর্ক আছে। তৃণমূল কর্মীদের সাথে আছে বিশ্বাস ও আস্থার সম্পর্ক। চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত থাকার ফলে সকল শ্রেণীর মানুষ নির্দ্বিধায় আমার সাথে সকল বিষয়ে বিশ্বাসের সাথে আলোচনা করতে পারেন। আমার প্রত্যাশা

আমিও আমার বাবার মতো মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বুকে ধারণ করে দলীয় সভানেত্রীকে মেহেরপুর-২ সংসদীয় আসনটি জন প্রতিনিধি হয়ে উপহার দিতে পারবো।