আমঝুপিতে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নে মহান বিজয় দিবস পালন করা হয়েছে। আজ সকাল ৮টার সময় আমঝুপি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর সদর উপজেলা আওমী লীগের সভাপতি ও আমঝুপি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ বোরহান উদ্দিন আহাম্মেদ (চুন্নু), আমঝুপি ইউনিয়নের সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মতিউর রহমান, আমঝুপি ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার সাদাত, আমঝুপি ইউনিয়ন কৃষক লীগ সভাপতি মোঃ মহাবুল হক, আমঝুপি ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোঃ মিনারুল ইসলাম, ৪নং ওয়ার্ডের সভাপতি মোঃ আসাদুল হক মন্টু ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ খাইরুল আলম টুটুল।

এর আগে আমঝুপি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের জাতীয় পতাকা উত্তলন করেন প্রধান শিক্ষক মোঃ রুহুল আমিন ও সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ হাফিজুজ্জামান।

পরে সকাল ৮ টার সময় বিদ্যালয়ের ছাত্রী ও শিক্ষক ও কর্মচারী সহ আমঝুপি- চুয়াডাঙ্গা সড়কে একটি র‌্যালী বের করে র‌্যালীটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিদ্যালয়ে এসে শেষ হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আবুল হাসান, মোঃ বছির আহম্মেদ, মোঃ রাফিউল ইসলাম, মোঃ আসাদুল হক, মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ ফারাহ হোসেন লিটন, মোঃ আলহাজ্ব হোসেন, মোছাঃ সাহেদা বানু, মোছাঃ নার্গিস চৌধুরী, মোছাঃ শাহানাজ খাতুন।

এ ছাড়াও আমঝুপি বি,এ,ডি,সিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ডাল ও তৈল প্রকৃয়াজাত করন কেন্দ্রের উপ-পরিচালক মোঃ জিয়াউর রহমান ও আমঝুপি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পতাকা উত্তোলন করেন প্রধান শিক্ষক মোঃ আহাম্মদ আলী, সহাকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ কামরুজ্জদোজা পরাগসহ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রীরা।




মেহেরপুরে নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে বিজয় দিবস

মেহেরপুরে নানা আয়োজনে মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে বিজয় দিবস। শনিবার (১৬ ই ডিসেম্বর) সকালে সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়।

মেহেরপুর স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক শামীম হাসান জাতীয় সংগীতের তালে তালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় সেখানে কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শন করা হয়।

মহান স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ পুলিশ,জেল পুলিশ,ফায়ার সার্ভিস, আনসার ও ভিডিপি,বিএনসিসি সরকারি কলেজ, বিএনসিসি সরকারি মহিলা কলেজ,সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মহড়ায় অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক শামীম হাসান ও পুলিশ সুপার এস এম নাজমুল হক প্যারেড পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন।
পরে তারা শান্তির প্রতীক পায়রা ওড়ান এবং জেলা প্রশাসক মেহেরপুর বাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। পরে সেখানে মনোজ্ঞ শরীরচর্চা প্রদর্শন ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

এ সময় স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক শামীম হোসেন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক লিউজা-উল-জান্নাহ,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ আব্দুল কাদির মিয়া,সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোছাঃ রনী খাতুন, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম রাব্বানী সোহেল মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড.মোঃ রবিউল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম,সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর রফিকুল ইসলামসহ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।




মেহেরপুরে মহান বিজয় দিবস পালিত

যথাযোগ্য মর্যাদায় মেহেরপুরে পালিত হচ্ছে মহান বিজয় দিবস। শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) সূর্যদয়ের সাথে সাথে শহরের কলেজ মোড়ে অবস্থিত স্মৃতিসৌধে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদের প্রতি পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক শামীম হাসান।

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন পুলিশ সুপার এস এম নাজমুল হক। এসময় স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক শামীম হোসেন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক লিউজা-উল-জান্নাহ,সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোছাঃ রনী খাতুন, মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড.মোঃ রবিউল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

পরে একে একে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল, সিভিল সার্জন অফিস,সরকারী মহিলা কলেজ,জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।




মেহেরপুরে জেলা আওয়ামী লীগের বিজয় দিবস পালন

মেহেরপুরে বিজয় দিবস উপলক্ষে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শহীদ স্মৃতিসৌধে পুস্পমাল্য অর্পণ করা হয়েছে।

শনিবার সকালে  জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মেহেরপুর কলেজ মোড়ে অবস্থিত শহীদ স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পমালা অর্পণের সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ বাবলু বিশ্বাস,  জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. ইব্রাহিম শাহিন, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) পল্লব ভট্টাচার্য, বুড়িপোতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহজামান, শ্যামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক বারিকুল ইসলাম লিজন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুস সালাম বাঁধন, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি খন্দকার জুলকার নাইম বাইজিদ, মেহেরপুর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কুতুব উদ্দিন আহমেদ, মেহেরপুর জেলা ইয়াং বাংলা ফিউচার লিডার্সের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম আলীসহ মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ এবং ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




মেহেরপুর পৌরসভার উদ্যোগে বিজয় দিবস পালন

মেহেরপুরে বিজয় দিবস উপলক্ষে মেহেরপুর পৌরসভার উদ্যোগে শহীদ স্মৃতিসৌধে পুস্পমাল্য অর্পণ করা হয়েছে।

শনিবার সকালের মেহেরপুর পৌরসভার উদ্যোগে মেহেরপুর কলেজ মোড়ে অবস্থিত শহীদ স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার মেয়র ও জেলা যুবলীগের আহবায়ক মাহফুজুর রহমান রিটন, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী অফিসার নিখাইল ইসলাম, পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র শাহিনুর রহমান রিটন,পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সদর থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোস্তাক আহমেদসহ পৌরসভার বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।




মেহেরপুরে জেলা যুবলীগের উদ্যোগে বিজয় দিবস পালন

মেহেরপুরে বিজয় দিবস উপলক্ষে মেহেরপুর জেলা যুবলীগের উদ্যোগে শহীদ স্মৃতিসৌধে পুস্পমাল্য অর্পণ করা হয়েছে।

শনিবার সকালের জেলা যুবলীগের উদ্যোগে মেহেরপুর কলেজ মোড়ে অবস্থিত শহীদ স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণের সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবলীগের আহবায়ক ও মেহেরপুর পৌরসভার মেয়র মাহফুজুর রহমান রিটন, জেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক শহিদুল ইসলাম পেরেশান, পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সদর থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা সহ মেহেরপুর জেলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




কাথুলী ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস পালন

গাংনীর কাথুলী ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপনও শহীদ মিনারে পুষ্পঅর্পন করা হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৮ টার সময় কাথুলী ইউনিয়ন পরিষদে জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে ইউনিয়ন পরিষদের সকল ইউপি মেম্বারদের কে সাথে নিয়ে কুতুবপুর স্কুল এন্ড কলেজের শহীদ মিনারে পুষ্পঅর্পন করেন।

পুষ্পঅর্পন শেষে কাথুলী ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ আওয়মীলীগের কর্মিবৃন্দদের নিয়ে বিজয় দিবস সম্পর্কে আলোচনা করেন।

আলোচনায় কাথুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রানা জানান, ১৯৭১ সালে ১৬ ই ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধুর সুদক্ষ নেতৃত্বে আমাদের এই স্বাধীন হয়েছে এবং এই স্বাধীনতা আমাদের বাঙালী জাতির রক্তের ও মা বোনদের ইজ্জত সমভ্রমের বিনিময়ে পেয়েছি।কাজেই আজকে যাদের জন্য আমরা স্বাধীন ভাবে কথা বলার সুযোগ পেয়েছি তাদের জন্য আমরা সকলে দোয়া করবো। এবং আগামী দিনের বাংলাদেশ বিনির্মানে, বঙ্গবন্ধু তনয়া  শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে আমরা এ প্রজন্মের যোদ্ধা হিসেবে কাজ করবো।

আলোচনা শেষে মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন।




গাংনীর কুতুবপুর স্কুল এন্ড কলেজে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

গাংনীর কুতুবপুর স্কুল এন্ড কলেজে মহান বিজয় দিবস উদযাপন ও শোভাযাত্রা করেছেন। আজ সকাল ৭ টার সময় স্কুল এন্ড কলেজ ক্যাম্পাসে জাতীয় সংগীতের সাথে সাথে পতাকা উত্তোলন করে বিজয় র‍্যালির সূচনা করেন।

শোভাযাত্রায় কুতুবপুর স্কুল এন্ড কলেজের শত শত শিক্ষার্থী ও শিক্ষক শিক্ষিকাদের উপস্থিতিতে ব্যান্ড বাজিয়ে আজকের এই বিজয় দিবস উদযাপন করেন। বিজয় র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন কুতুবপুর স্কুল এন্ড কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও কাথুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রানা।

শোভাযাত্রা শেষে মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে স্বাধীনতার তীহ নিয়ে ছাত্রীদের মাঝে বক্তব্য রাখেন স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক রেজাউর রহমান রেজা। সর্বপরি কুতুবপুর স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ফলাফল ঘোষণা করেন। এই ঘোষণায় যারা প্রথম,দ্বিতীয়,তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন তাদের কে কাথুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান তার ব্যাক্তিগত উদ্যোগে প্রথম স্থান অধিকারী কে ২০০০,দ্বিতীয় স্থান অধিকারী কে ১৫০০ টাকা ও তৃতীয় স্থান অধিকারী কে ১০০০ টাকা করে পুরস্কৃত করেন।

তিনি জানান, লেখাপড়া ভালো করে করতে পারলে সকলকেই আমি পুরুষ্কৃত করবো। পরবর্তীতে ছাত্র-ছাত্রীদের কে নিয়ে বিজয় দিবসে যারা জীবন দিয়েছেন সেই সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনাই দোয়া করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি করেন।




জীবননগরে মহান বিজয় দিবস পালিত

জীবননগরে যথাযোগ্য মর্যদায় মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শনিবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সরকারি বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে র‌্যালী বের করা হয় ।

পরে জীবননগর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জীবননগর থানা পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, পুলিশ, আনসার ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের অংশ গ্রহনের মাধ্যমে কুচকাওয়াচ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসিনা মমতাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জীবননগর থানা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি গোলাম মোর্তুজা,জীবননগর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক আব্দুল লতিফ অমল, জীবননগর পৌর সভার মেয়র মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আঃ সালাম ঈশা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আয়েসা সুলতানা লাকী, উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূ’মি তিথি মিত্র, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান, দলীল উদ্দিন দলু, জীবননগর থানার ওসি জাবিদ হাসান প্রমুখ।




ঝিনাইদহে শিশুদের নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ার প্রকোপ, হাসপাতালে ভর্তি

ঝিনাইদহে বেড়েছে শিশুদের নিউমোনিয়া, জ্বরসহ শ্বাসতন্ত্রের রোগের প্রকোপ। প্রতিদিন সদর হাসপাতালে গড়ে ৪০ থেকে ৫০ জন শিশু ভর্তি হচ্ছে। হাসপাতালে শয্যা আর জনবল সংকটে বাড়তি রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা।

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে যেন তিল ধারণের ঠাঁই নেই। হাসপাতালের কক্ষগুলোর মেঝে ও বারান্দায় রেখে চিকিৎসা করা হচ্ছে শিশুদের। প্রতিদিন নতুন করে শিশু ভর্তি হওয়ায় দিন দিন জায়গার সমস্যা বেড়েই চলেছে। হাসপাতালে যত শিশু রোগী ভর্তি আছে তার বেশিরভাগই নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। ৪০ শয্যার বিপরিতে চারগুন বেশী রোগী ভর্তি থাকায় স্বল্প জনবলে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।

গত অক্টোবর মাস থেকে শিশু রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিন হাসপাতালে নতুন করে ৪০ থেকে ৫০ জন শিশু ভর্তি হচ্ছে। বেশিরভাগ শিশু রোগীর ৭০ ভাগই নিউমোনিয়া, জ¦রসহ শ^াসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত। এমন সমস্যায় আক্রান্ত শুধু সদর হাসপাতালাই নয়, সরকারি শিশু হাসপাতালসহ স্থানীয় প্রাইভেট হাসপাতাল গুলোতেও বেড়েছে এ রোগীর সংখ্যা।

হাটগোপালপুর এলাকার মশিয়ার রহমান জানান, আমার সন্তানকে হাসপাতালে আনলে দেখি রোগী রাখার কোন বেড খালী নেই। তাই কোন উপায়ন্ত না পেয়ে অবশেষে হাসপাতালের মেঝেতে রেখে চিকিৎসা করাতে হচ্ছে।

সুফিয়া নামের এক নার্স জানান, হাসপাতালে কম সংখ্যক জনবল নিয়ে এত রোগীর চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছি আমরা। তারপরও সাধ্যমত চেষ্টা করছি সকল রোগীর চিকিৎসা দিতে।

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের কনসালট্যান্ট (শিশু ওয়ার্ড) ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম জানান, শিশুকে ঠান্ডাজনিত রোগ থেকে বাঁচাতে অভিভাবকদের সচেতনতার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া তথ্য মতে, ২৫০ শয্যার হাসপাতালে বর্তমানে শিশু ওয়ার্ডে রোগী ভর্তি রয়েছে ১৪০ জন। গত এক মাসে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিউমোনিয়ার সাথে অন্যান্য সমস্যায় ২ টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মাত্র একজন শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে চলছে চিকিৎসা সেবা।