সংলাপ কী রাজনৈতিক সমাধান দিতে পেরেছে?

রাজনীতিতে সংলাপ একটি চমৎকার শব্দ। যেকোন সংকট, সমস্যায় সংলাপের কথা হরহামেশাই শোনা যায়। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই সংলাপ বরাবরই সময়ক্ষেপণ ছাড়া অর্থবহ কোন সমাধান আনেনি। অতীত অভিজ্ঞতা তাই-ই বলে। দেশের রাজনীতি যখনই নির্বাচনমুখি হয়, তখনই সংলাপের কথা জোরোশোরে আলোচনা হয়।

২০০৬ সালে দেশ যখন নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে গভীর সংকটে নিমজ্জিত তখন দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল তৎকালীন ক্ষমতাসীন বিএনপি-জামায়াত জোট এবং প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী লীগের মধ্যে সংলাপ নিয়ে তুমুল আলোচনা হয়। দেশি-বিদেশি হস্তক্ষেপে ওই সময় প্রধান দুই দলের মহাসচিব ও সাধারণ সম্পাদক পর্যায়ে সংলাপ শুরু হয়।

বিএনপির পক্ষে দলের তৎকালীন মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভুঁইয়া এবং আওয়ামী লগের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল জলিলের মধ্যে সংলাপ শুরু হয়। দিনে-রাতে, সকালে-বিকালে চলতে থাকে এই সংলাপ। পুরো দেশ তাকিয়ে দুই দলের শীর্ষ দুই নেতার দিকে। সংলাপ শেষে তারা আশার কথা শুনাবেন। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা দূর হবে। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংঘাত-সংঘর্ষ এড়ানো যাবে। মানুষ হাঁসফাঁস অবস্থা থেকে মুক্তি পাবে। কিন্তু মান্নান-জলিল সংলাপে মানুষের সেই আশার প্রতিফলন ঘটেনি। দিনের পর দিন সংলাপ করে চায়ের টেবিলে ঝড় তুললেও সংকট সমাধানে কোনো কার্যকর সমাধান বের করতে পারেনি। এর প্রধান এবং একমাত্র কারণ ছিলো দুই দলের মহাসচিব ও সাধারণ সম্পাদক যার যার সিদ্ধান্তে অনঢ় থাকা।

এখানে বলে রাখা ভালো, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন করা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর দাবির মুখে বিএনপি ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটার বিহীন নির্বাচন করে মাত্র কয়েকদিনের জন্য সরকার গঠন করে। সেই সরকার বিরোধীদের দাবির মুখে সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল পাস করে। এতে বলা হয়, পর পর তিনটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে। এই বিল পাসের পর বিএনপি ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ সংসদ বিলুপ্ত করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে। বিচারপতি হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে।

এরপর যথারীতি ২০০১ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার কোনরকম বিতর্ক ছাড়াই শান্তিপূর্ণ ও স্বতঃস্ফুর্তভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে বিদায় নেয়।
২০০১ সালের ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয় অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে। পাঁচ বছর সময় পার করে যখন ক্ষমতা হস্তান্তর করবে ঠিক তার আগে নিজেদের পছন্দের প্রধান বিচারপতির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য বিচারপতির বয়স বাড়িয়ে নেয় জোট সরকার। তখনই শুরু হয় বিতর্ক। আওয়ামী লগিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো কোনোভাবেই বিএনপির এই তৎপরতাকে মেনে নিতে পারেনি। তারা তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। তীব্র আন্দোলনের মুখে ক্ষমতাসীন বিএনপি-জামায়াত জোট তাদের পছন্দের বিচারপতির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে পারেনি। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য শুরু হয় রাজনৈতিক সংলাপ। দেশি-বিদেশি হস্তক্ষেপে দুই দলের মহাসচিব ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে সংলাপ শুরু হলেও ইতিবাচক কোনো ফল আসেনি। এক পর্যায়ে খালেদা জিয়া রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দীন আহম্মদকে প্রধান উপদেষ্টা করে তার মনোনীত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। এমন পরিস্থিতি দেশে একটা অস্থিরতা তৈরি হলে ফখরুদ্দিন-মঈন ইউ আহমদের নেতৃত্বে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন হয়। যা ওয়ান-ইলেভেন নামে পরিচিত।

এই যে নিজের কোর্টে বল রেখে ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন জোট সরকার সংলাপ-সংলাপ নাটক করে শেষ পর্যন্ত সবকিছুকে ভায়োলেট যখন নিজেদের রাষ্ট্রপতি দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার করলেন, তখনই কার্যত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কবর রচনা হয়ে যায়।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিতর্কিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ছেঁটে ফেলে। ফলে এই ব্যবস্থা নিয়ে আর কোনো আলোচনা বা কথা বলার সুযোগ নেই।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বার বার বলে আসছে নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। এর বাইরে তত্ত্বাবধায়ক বা নিরপেক্ষ সরকারের কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু বিএনপিসহ সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো গত কয়েক বছর ধরেই তত্ত্বাবধায়ক বা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। সরকার তাদের সব দাবিকে আমলে নিলেও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছে।

এই অবস্থায় বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে দেশি-বিদেশিদের কুটনীতিকদের তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রাক নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল বাংলাদেশ সফর করে গিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তাতে তারা রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানে একটা অর্থবহ সংলাপের তাগিদ দিয়েছে। অপরদিকে বিএনপি নেতৃত্বও সংলাপের কথা বলছেন।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের তরফ থেকে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে, কোন সংলাপ নয়। নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ি। এর বাইরে কোনো আলোচনা হবে না। এরমধ্যে গত দুই দিন সধরে সংলাপের বিষয়টি আবারও আলোচনা এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক-নির্বাচনী প্রতিনিধি দলের প্রতিবেদনের পর। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি যদি শর্ত ছাড়া সংলাপে বসতে চায় তাহলে হতে পারে। সরকারের অন্য মন্ত্রীরাও বলেছেন, সংলাপে বসা যায়, তবে কোনো শর্ত দিয়ে নয় আর কিভাবে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন সে বিষয়ে সংলাপ বা আলোচনা হতে পারে। এর বাইরে কোনো আলোচনা হবে না।

অপরদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও বিএনপির অন্য শীর্ষ নেতারা বলছেন, তারা সসংলাপে বসতে রাজি। তবে শর্তসাপেক্ষে। বৃহস্পতিবার বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, আমরা আলোচনার পক্ষে। কিন্তু নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারসহ কয়েকটি এজেন্ডা ছাড়া আলোচনা অর্থবহ হবে না।
এই যখন অবস্থা তখন এটা স্পষ্ট যে, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার বা তত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে যদি সংলাপ হয় সেটা হবে সত্যি সত্যিই অর্থহীন। কারণ সরকার সংবিধানের বাইরে গিয়ে কোনো আলোচনা করবে না। আর বিএনপিও তাদের অবস্থান থেকে নড়বে না। তার মানে হচ্ছে- সংলাপ হবে শুধু লোক দেখানো এবং সময়ক্ষেপণ মাত্র। অতীত অভিজ্ঞা তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

২০০৬ সালে যদি বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে আনতে প্রধান বিচারপতির বয়স না বাড়াতো এবং ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ যেমন বিনাবাক্যে নির্ধারিত সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিল, সেভাবে বিএনপি-জামায়াত জোট যদিও ২০০১ এ ক্ষমতা হস্তান্তর করতো তাহলে আজকের এই পরিস্থিতি তৈরি হতো না।

তাছাড়া, তত্ত্বাবধায় সরকার ব্যবস্থা যেহেতু উচ্চ আদালতই বাতিল করে দিয়েছে সেহেতু এই ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনারও কোনো সুযোগ নেই। এখন আলোচনা হতে পারে কিভাবে নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে এবং সকল দল ও ভোটারের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ করা যায় সে নিয়ে। এর বাইরে নিরপেক্ষ সরকার বা এই জাতীয় কোনো ইস্যুতে আলোচনা বা সংলাপ গুরুত্ত্বহীন এবং কথার কথা।

লেখক: গণমাধ্যমকর্মী।




পুজার আমেজে সাজুক অন্দরমহল

কাশফুল আর শিউলির সুবাস জানান দিচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজার। তাই পূজার আগে থেকেই চারদিকে ভরে উঠেছে উৎসবের আমেজে। দুর্গা পূজায় সারাদিন বাইরে ঘোরাঘুরি পরিকল্পনা থাকলেও সারাদিনের ক্লান্তি মুছতে ঘরে ফিরতে হয়ই। তাই অন্দরমহলের সুন্দর সজ্জা উৎসবের আনন্দের মাঝে মনকে প্রফুল্ল এবং নিজের ব্যক্তিত্বকে বাড়িয়ে তুলতে পারে দ্বিগুন।পূজার দিনে বাড়ির সজ্জা কেমন হবে চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১.দুর্গা পূজায় ঘরের সাজ এর অন্যতম অনুষঙ্গ হবে দেশীয় উপাদানে তৈরি নানা জিনিস ও উজ্জ্বল রং। তাই বসার ঘরের সোফা, পর্দা ও কুশনের ফেব্রিক বাছাইয়ের সময় মানানসই উজ্জ্বল রংকেই প্রাধান্য দিন। দেশীয় সাজের সাথে আধুনিকতার মিশেল চান যারা, তারা পর্দার জন্য বেছে নিতে পারেন শুভ্র সাদা রং, তাতে ঘরে আসবে স্নিগ্ধতা ও শরতের আবহ। এর সাথে উজ্জ্বল রংয়ের কুশন কাভার আর সোফাও বেশ মানিয়ে যাবে।

২.আমন্ত্রিতরা মূলত বসার ঘরেই সন্ধ্যা কাটাবেন। তাই সেই ঘরের ওপর বেশি জোর দেন।ঘরের কোণে রাখতে পারেন শো পিস বা আলোর কোন উৎস। সেন্টার টেবিলে রাখুন কোনও সুন্দর দেখতে শো-পিস। সম্ভব হলে সোফার কভার ও পর্দা বদলে ফেলুন।

৩. বেছে নিন দেশীয় মোটিফের ডিজাইন করা ফেব্রিক বা ফ্লোরাল কোনো প্রিন্ট।পূজা উপলক্ষে যদি ঘরে আরো একটু ঐতিহ্যের ছোঁয়া আনতে চান, তবে বসার ঘরের এককোণে বিছিয়ে দিতে পারেন শীতল পাটিও। আর সেইসাথে বাঁশ বা বেতের তৈরি ল্যাম্পশেড কিংবা আধুনিক পেনডেন্ট লাইট মিলিয়ে বসার ঘরটি করে তুলতে পারেন দারুণ নান্দনিক।

৪.পূজার আড্ডায় গান হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। বড় ব্লু টুথ স্পিকার থাকলে তাতে মিউজিক প্লে পারেন। আর না হলে বাড়ির সাউন্ড সিস্টেমের যন্ত্রটি ওই দিনের জন্য বসার ঘরে লাগিয়ে নিতে পারেন।

৫.পূজায় ঘর সাজাতে প্রাধান্য দিন উজ্জ্বল রংগুলোকে। বিছানার চাদর, বালিশের কভার ইত্যাদিতে ব্যবহার করতে পারেন নিজের পছন্দের রংগুলো। বিছানায় যদি একরঙা চাদর থাকলে সাথে রাখতে পারেন ভিন্ন রঙের কিছু বালিশ। যাদের ঘরে পূজায় আলপনা আঁকার সুবিধা নেই রঙিন শতরঞ্জি তাদের ঘরে আলপনার অভাব দূর করবে। তবে যারা নানা রঙে রঙিন ঘর চান না, তারা দুর্গাপূজার চিরায়ত লাল-সাদা রঙে ঘর সাজাতে পারেন।

৬.পুজায় খাবার টেবিলকেও সাজিয়ে তুলুন অনেকভাবে। সুন্দর টেবিল ম্যাটের উপর সুদৃশ্য মোমবাতি রাখুন। তার পাশে বাহারি প্লেটে সাজিয়ে রাখুন খাবার। আলমারিতে থাকা সুন্দর চামচগুলো বের করে বাইরে রাখুন।

৭.দুর্গা পূজায় ঘরের সাজ এর জন্য মূলত মাথায় রাখতে হবে তিনটি বিষয়। দেশীয় ঐতিহ্য, উজ্জ্বল রং আর আলোর সমাহার। যে উপাদানগুলো আপনার ঘরে এনে দিবে দেশীয় আবহ, রং আর আলোর ছটা, সেসব দিয়েই চটজলদি সাজিয়ে ফেলুন ঘর।

সূত্র: ইত্তেফাক




জীবননগরে সুবিধাভোগিদের সাথে মতবিনিময় সভায় এমপি টগর

ইউনিয়ন পর্যায়ে বর্তমান সরকারের সামাজিক সুরক্ষার আওতায় সুবিধাভোগি মানুষদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে বন্দরের মাঠে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা ২ আসনের সংসদ সদস্য হাজী আলী আজগর টগর।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান, জীবননগর পৌর সভার মেয়র রফিকুল ইসলাম, সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম,সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইসাবুল ইসলাম মিল্টন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি তিত্রী মিত্র।

জীবননগর সীমান্ত ইউনিয়ানের বিভিন্ন স্তরের সাধারণ মানুষ ও সরকারী বিভিন্ন সুযোগ সুবিধাভোগি, মাতৃত্বকালিন, প্রতিবন্ধি, বয়স্ক, বিধবা ভাতাসহ সকল ভাতার আওতায় থাকা অসহায় মানুষদের সাথে এ সময় মতবিনিময় করেন চুয়াডাঙ্গা ২ আসনের সংসদ সদস্য হাজী আলী আজগর টগর।

মতবিনিময় সভায় ভাতাভোগি প্রায় ২২০০ জন নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।




ঝিনাইদহে ‘দৈনিক কালবেলা’ পত্রিকার ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

ঝিনাইদহে দৈনিক কালবেলা পত্রিকার ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ১১ টায় সময় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাব অডিটরিয়ামে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলা পত্রিকার ঝিনাইদহ ব্যুরো প্রধান মোঃ মাহামুদুল হাসান টিপু এর উপস্থাপনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ খালিদ হাসান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহীন উদ্দিন।

এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি এম. রায়হান, এটিএন নিউজের জেলা প্রতিনিধি নিজাম জোয়ার্দ্দার বাবলু।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ‘দুরন্ত প্রকাশ’র সম্পাদক মিরাজ জামান রাজ সহ ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সদস্য, সাংবাদিক, আইনজীবী ও সুশীল সমাজের প্রমূখ ব্যক্তিবর্গ।




স্নাতক পাসে নিয়োগ দেবে বিডিজবস ডটকম

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বিডিজবস ডটকম। প্রতিষ্ঠানটিতে সেলস্ এক্সিকিউটিভ / বিক্রয় প্রতিনিধি পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা সহজেই অনলাইনের মাধ্যামে আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম

সেলস্ এক্সিকিউটিভ / বিক্রয় প্রতিনিধি – সাভার , আশুলিয়া।

যোগ্যতা

প্রার্থীকে যেকানো বিষযে স্নাতক পাস হতে হবে। সর্বোচ্চ এক বছর। ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েটরাও আবেদন করতে পারেন। বয়স ২০ থেকে ২৮ বছর।

পুরুষ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। সাভার অথবা আশুলিয়ার স্থানীয় হতে হবে

সিভিতে বর্তমান ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে। ফিল্ড জব বা মার্কেট ভিসিট করার মানসিকতা থাকতে হবে।

কর্মস্থল

ঢাকা (আশুলিয়া, সাভার)।

আবেদনের পদ্ধতি

আগ্রহী প্রার্থীদের বিডিজবস অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ তারিখ

২০ অক্টোবর,২০২৩

সূত্র : বিডিজবস




কোটচাঁদপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা

“পুলিশই জনতা জনতাই পুলিশ”এই প্রতিপাদ্য শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর মডেল থানা পুলিশের আয়োজনে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে মডেল থানা চত্বরে এ মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ সৈয়দ আল-মামুন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর সভার মেয়র সহিদুজ্জামান সেলিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, বীর মুক্তি যোদ্ধা সাবেক কমান্ডার তাজুল ইসলাম, মডেল থানার তদন্ত (ওসি) জগন্নাথ চন্দ্র, পৌর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক শাহাদাৎ হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আলমগীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রিপন মন্ডল, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মীর মনিরুল আলম, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কোটচাঁদপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্রনাথ রায়,পৌর কাউন্সিলর সুব্রত চক্রবর্তী প্রমুখ। সে সময় পুজা মন্তপে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও করনীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন অতিথিরা। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন মডেল থানার উপপরিদর্শক এস আই নাজিবুল হক।

এ সময় উপজেলার ৪৫ টি পুজা মন্ডপ পরিচালনা কমিটির সভাপতি-সম্পদক, সাংবাদিক সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।




কোটচাঁদপুরে বিদুৎয়ায়িত হয়ে দুই বিদ্যুৎ মিস্ত্রির মৃত্যু

বিদুৎয়ায়িত হয়ে দ্বিতল ভবন থেকে পড়ে দুই বিদ্যুৎ মিস্ত্রি মারা গেছেন। আজ সোমবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সড়কে।

জানা যায়,বাবলু মিয়ার বাড়ির দ্বিতীয় তলায় বিদ্যুৎতের কাজ করছিল আজিম হোসেন ও মহাসিন আলী।

অসাবধানতা বশত বিদ্যুৎতের লাইনে জড়িয়ে গুরুত্বর আহত হন দুই জন বিদ্যুৎ মিস্ত্রি। এ সময় স্থানীয়রা দ্রুত তাদেরকে উদ্ধার করে,কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক আজিম হোসেন (২৭)কে মৃত ঘোষণা করেন। আর গুরুতর আহত মহাসিন আলী (৩০)কে যশোর হাসপাতালে রেফার্ড করেন। যশোর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মহাসিন আলীও।

আজিম কোটচাঁদপুরের বলুহর গ্রামের আমজাত হোসেনের ছেলে। আহত মহাসিন আলী মহেশপুরের আলামপুর গ্রামের মৃত গাজী রহমানের ছেলে।

এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক সাব্বির আহম্মেদ বলেন, বিদুৎয়ায়িত হয়ে গুরুত্বর অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই জনকে আনা হয়। এদের মধ্যে একজন কিছুক্ষন পর মারা যায়। অন্যজনের অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে যশোর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

কোটচাঁদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুজ্জামান বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিলাম। খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারলাম বিদ্যুৎয়ায়িত হয়ে মারা গেছেন। মরাদেহের সুরতহাল করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।




২৬ বছর বয়সে মারা গেলেন সাবেক মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগী শেরিকা

মাত্র ২৬ বছর বয়সে মারা গেলেন সাবেক মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগী শেরিকা দে আর্মাস। ২০১৫ সালে সুন্দরী প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে উরুগুয়ের প্রতিনিধিত্বকারী ছিলেন তিনি।

নিউইয়র্ক পোষ্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জরায়ুমুখের ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় শেরিকার।

দীর্ঘ দুই বছর ধরে জরায়ু ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি। সম্প্রতি তাকে ক্যামোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি দিতে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষমেশ এই সুন্দরীকে আর বাঁচানো যায়নি।

তাকে নিয়ে মিস উরুগুয়ে মুকুটজয়ী লোলা দে লস সান্তোস বলেন, ‌‘আমি সারা জীবন আপনাকে মনে রাখব। তা শুধু এই জন্য নয় যে আপনি আমাকে সাহস জুগিয়েছেন কিংবা আমার বিকাশে সহায়তা করেছেন; তার চেয়ে বরং আমি আপনার স্নেহ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সান্নিধ্যের জন্যই বেশি মনে রাখব।’

২০১৫ সালে চীনে আয়োজিত মিস ওয়ার্ল্ড আসরে সেরা ৩০’র মধ্যে ছিলেন না শেরিকা দে আর্মাস। তবে রেকর্ড গড়েছিলেন ওই আসরে কনিষ্ঠদের একজন হয়ে। কারণ, ১৮ বছর বয়সে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সুন্দরী ছিলেন মাত্র ছয়জন, তাদের একজন ছিলেন তিনি




১২৮ বছর পর অলিম্পিকে ফিরছে ক্রিকেট

অলিম্পিক গেমসে দীর্ঘ ১২৮ বছর পর আবারো ফিরেছে ক্রিকেট। আজ সোমবার (১৬ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অলিম্পিক। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, কেবল দুটি ‘না’ ভোট পড়েছিল এই প্রস্তাবনায়।

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির ভারতীয় সদস্য নিতা আম্বানি এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া অলিম্পিকের নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্রিকেটকে ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ১৯০০ সালে অলিম্পিকে ক্রিকেট শেষবার হয়েছিল। সেবার গ্রেট ব্রিটেন স্বর্ণ ও ফ্রেঞ্চ এথলেটিক ক্লাব ইউনিয়ন রৌপ্য জয় করে। এরপর থেকে আর ক্রিকেট খেলা হয়নি বৈশ্বিক এই প্রতিযোগিতায়। ১৯৮৬ সালে অ্যাথেন্স অলিম্পিকে ক্রিকেট রাখা হলেও পর্যাপ্ত সংখ্যক দল অংশ না নেওয়ায় শেষ পর্যন্ত মাঠে গড়ায়নি কোনো বল।




ঝিনাইদহে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

ঝিনাইদহে ভর্তুকি মূল্যে খাদ্যপণ্য বিক্রি শুরু করেছে ট্রেডিং করপোরেশন অব-বাংলাদেশ (টিসিবি)। আজ সোমবার (১৬ অক্টোবর) সকালে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সামনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক এস.এম রফিকুল ইসলাম।

সেসময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া জেরিন, টিসিবি’র সহকারী পরিচালক আতিকুর রহমান, জেলা তথ্য অফিসার আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা (ভারপ্রাপ্ত) খাদ্য কর্মকর্তা তাজউদ্দিন আহমেদসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা জানায়, এবার জেলার ৬ উপজেলায় ১০৭ জন ডিলারের মাধ্যমে ১ লাখ ২০ হাজার ১’শ ৩৩ জন ফ্যামিলি কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের মাঝে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে। প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ডে ৪’শ ৭০ টাকায় ২ কেজি মসুরের ডাল, ২ লিটার সয়াবিন তেল ও ৫ কেজি চাউল মিলবে।