চুয়াডাঙ্গাসহ ৪ উপজেলায় বিএনপি-জামায়াতের ৩৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি-জামায়েতের ৩৮ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ২৮ অক্টোবর শনিবার রাত থেকে আজ রবিবার ভোরে জেলার বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায় নাশকতা পরিকল্পনাকারী ও নাশকতা মামলায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নয়জন, আলমডাঙ্গায় বারো জন, দর্শনায় পাঁচজন ও দামুড়হুদা মডেল থানায় তিনজন ও জীবননগর থানায় পুলিশের অভিযানে নয়জন বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রোকন (৫০), আলমডাঙ্গা পৌর জামায়াত ইসলামীর কর্মী তোফাজ্জল হক (৫৮), একই উপজেলার বাড়াদি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুন (৩৩), চিৎলা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম ঠান্ডু (৫০), হারদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার (৫৫), খাসকররা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আব্বাস আলী (৩৫),২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, নজরুল ইসলাম (৪৫), ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ফারুক আহমেদ (৫৫), ৪ নং ওয়ার্ডের জামায়াতের সেক্রেটারি হারুন অর রশিদ (৪০),আইলহাস ইউপি, ৯ ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম (৫০), কালিদাসপুর ইউনিয়নের জামায়াতের আমির রবজেল আলী (৬০) ও সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক (৫০)।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতাররা হলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর থানা যুবদল ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহবুব (৩৫), চুয়াডাঙ্গা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম(৩৬), সদর থানা ছাত্রদল যুগ্ন আহবায়ক বিল্লাল হোসেন (৩৮), কুতুবপুর ইউপি ৮ নং ওয়ার্ডের সেক্রেটারি(বিএনপি) হাবিল উদ্দিন (৪২), কুতুবপুর ইউপি ৬ নং ওয়ার্ডের দপ্তর সম্পাদক (বিএনপি) ডালিম হোসেন (৪৩), বিএনপি সমর্থক ইমদাদুল হক মজনু(৪৪) আকাশ(৩২) সোহেল(৪২) জামাত ইসলাম সমর্থক রাজন উদ্দিন(৩৫)।
দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন দামুড়হুদার সদর ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কুতুব উদ্দিন ও জামায়াত কর্মী রফিকুল ইসলাম।

দর্শনা থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতাররা হলেন, মদনা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক ইকবাল চঞ্চল (৫১), নেহালপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ফরজ আলী (৪৮) ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলী (৩৫), দর্শনা পৌর এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক মন্টু মন্ডল (৪৫) ও দর্শনা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক আব্বাস আলী (২২)। এসময় তাদের নিকট থেকে সাতটি বোমা সদৃশ বস্তু, নয়টি বাঁশের লাঠি ও চারটি লোহার রড উদ্ধার করে পুলিশ।

জীবননগর থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন জীবননগর পৌর কৃষক দলের সভাপতি ইউনুচ আলী (৫৫), জেলা বিএনপির সদস্য আবুল হোসেন (৫৮), পৌর বিএপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাজাহান আলী (৩৬), বিএনপি কর্মী সূজা উদ্দিন (৪৯), হাবিবার রহমান (৪৫), আমজাদ হোসেন (৫৮), আমিনুল ইসলাম (২৬), মিলন (৪৩), শাহিন উদ্দিন (৩৬) ও ইসরাফিল হোসেনকে (২৫) গ্রেফতার করেন। এসম তাদের কাছে থাকা ৪ টি অবিস্ফোরিত ককটেল সাদৃশ্য বস্তু এবং বিস্ফোরিত ককটেলের জোয়ার্দ্দার কৌটার অংশ বিশেষ ২ টি টুকরা উদ্ধার করেন।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, জেলায় আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী, নাশকতা পরিকল্পনাকারী, বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মানুষের জান-মালের ক্ষতি সাধনকারী হিসেবে চিহ্নিত ৩৮ জনকে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদেরকে আজ দুপুরের পর বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।




হরতাল শেষে ৩ দিন অবরোধের ডাক দিল বিএনপি

মহাসমাবেশ ও একদিনের হরতাল শেষে এবার টানা তিন দিন অবরোধের ডাক দিয়েছে বিএনপি। হরতাল কর্মসূচি শেষে আজ রবিবার সন্ধ্যায় দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন।

রিজভী বলেন, দেশের সীমাহীন বঞ্চনা, অব্যাহত দুর্নীতি-লুটপাট, ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশে হামলা, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গ্রেপ্তার, নেতাকর্মীদের বাড়িতে তল্লাশির নামে ভাঙচুরের প্রতিবাদে ৩১ অক্টোবর, ১ ও ২ নভেম্বর দেশব্যাপী সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে। রেলপথ, নৌপথ, রাজপথ সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে।

তিনি আরো বলেন, ‘সারা দেশে আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মী কারাগারে। অনেকেই গুম-খুন হয়েছেন। আমাদের নেত্রী, গণতন্ত্রের মাতা বেগম খালেদা জিয়া মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। তাকে বিদেশে পাঠানোর মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দিচ্ছে না। তাকে সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।’

এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সহ-অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন প্রমুখ ।




মেহেরপুরে জেলা আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ ও মিছিল

বিএনপি’র অগ্নিসন্ত্রাস,নৈরাজ্য সৃষ্টি ও সহিংস ঘটনার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মেহেরপুরে জেলা আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে‌।

আজ রবিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি শহীদ সামসুজ্জোহা পার্ক থেকে শুরু করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসন কার্যালয় প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিল শেষে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন,মেহেরপুরের এই রাজপথ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আমরা দখলে রাখবো সন্ত্রাস ও বিএনপির অপকর্মের বিরুদ্ধে। যেখানেই ষড়যন্ত্র দেখবো সেখানেই প্রতিবাদ করবো।

তিনি আরো বলেন,বিএনপির এই ষড়যন্ত্রীরা কোনরকম মুখ দেখিয়ে অলি গলি দিয়ে আজকে পালালো। ওরা পালানোর দল,ওরা পরাজিত অতএব আমরা জানি যারা অপরাধ করে,দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র করে তাদের কোনো মনোবল থাকে না।

এছাড়াও এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুস সামাদ বাবলু বিশ্বাস,যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম শাহিন,সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল ইসলাম,বাংলাদেশ যুব মহিলালীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সহ-সভাপতি সৈয়দা মোনালিসা, বুড়িপোতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ জামান,শ্যামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতিন,কুতুপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সেলিম রেজা, আমদাহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রওশন আলী টোকন,জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর সালাম বাঁধন প্রমুখ মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।

মিছিলটির আগে শহীদ সামসুজ্জোহা পার্কে শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।




বিএনপি জামাতের হরতালের প্রতিবাদে ইয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে মিছিল

বিএনপি জামাতের হরতালের প্রতিবাদে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে মিছিলের আয়োজন করা হয়।

রবিবার বিকেলে পুরাতন বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ফিন টাওয়ারের সামনে থেকে বিএনপি-জামাতের হরতালের প্রতিবাদে মিছিল বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মেহেরপুর পৌরসভার সামনে এসে শেষ হয় পরে সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও মেহেরপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়ারুল ইসলাম বলেন জামাত-বিএনপি শান্তিপূর্ণ তথাকথিত মহাসমাবেশের নামে তারা যে ওরাজগতা করেছে তারা তাদের কথার সাথে এবং জাতির সাথে বেইমানি করে সারা ঢাকা শহরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর হামলা সহ তাদের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও সাধারণ গাড়িতে অগ্নিসংযোগ আমরা লক্ষ্য করেছি তারপরেও তারা থেমে থাকে নি। কাকরাইলে পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগ এর মধ্য দিয়ে তারা তাদের অতীতের চেহারা অতীতের চরিত্র পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছে এটা আজকে জাতির কাছে কর্মকাণ্ডের উপর আমরা ধিক্কার জানাই।

প্রতিবাদ মিছিলে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক জেলা যুবলীগের সেক্রেটারি সাজ্জাদুল আলম, মেহেরপুর পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সদর থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, বুড়িপোতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রেজা, আমঝুপি ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য আক্তার হোসেন, শ্যামপুর ৫নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আশরাফুল আলম, ৪নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা সুমন, মেহেরপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শোভন সরকার, মেহেরপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মাবুদ সহ মেহেরপুর জেলা উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা কর্মীর উপস্থিত ছিলেন।




দামুড়হুদায় হরতালের প্রতিবাদে শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

হরতালের নামে বিএনপি-জামায়াতের হত্যা, অগ্নি সংযোগ, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাদুল ইসলাম আজাদ ও দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান মনজুর সার্বিক দিক নির্দেশনায় চুয়াডাঙ্গা-২ আসন থেকে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশি আওয়ামী লীগের ঐক্যবদ্ধ নেতাদের পক্ষ থেকে দামুড়হুদায় শান্তি সমাবেশ করা হয়েছে।

আজ  রবিবার বিকেলে দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের ব্যানারে বাসস্ট্যান্ডে শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ড থেকে হরতাল বিরোধী এক বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে বাসস্ট্যান্ডে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে শান্তি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক চুয়াডাঙ্গা জেলা জজকোর্টের এপিপি অ্যাড. আবু তালেব, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, নতিপোতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল হক মমিন মাস্টার, জুড়ানপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব, কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কাফি উদ্দীন টুটুল, আওয়ামী লীগ নেতা মহাসিন আলী ও যুবলীগ নেতা ফজলুর রহমান ফজু।

উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা আশা মোল্লা, যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল মালেক ভূইয়া, স্বপন মালিথা, সরোয়ার সিদ্দিক মামুন, পিন্টু, মোমিন, আবুল কাশেম, উপজেলা ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক বুলবুল আহমেদ, নতিপোতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ, বশিরসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।




আবারও বাসে আগুন, পুড়ে প্রাণ গেলো ঘুমন্ত হেলপারের

আবারও শুরু হয়েছে আগুন সন্ত্রাস, ফের সেই পুরনো চিত্র। ঢাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে দেওয়া আগুনে পুড়ে ছারখার হয়ে গেছে বাসের হেলপারের দেহ। নিহত হেলপার নাঈম (২২) ওই বাসে রাতে ঘুড়িয়ে ছিলেন। এসময় দগ্ধ হয়েছেন রবিউল (২৫) নামে আরেক হেলপার।

ডেমরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জহিরুল ইসলাম জানান, রোববার রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ডেমরা পশ্চিম দেইল্লা পাকা রাস্তার ওপর থামিয়ে রাখা অছিম পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেয় দুষ্কৃতিকারীরা। ওই সময় বাসের মধ্যে ঘুমিয়ে ছিলেন ওই পরিবহন দুই হেলপার নাঈম ও রবিউল। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস রাতেই আগুন নির্বাপণ করে। আর এই আগুনে ঘটনাস্থলেই মারা যান নাঈম। মরদেহটি উদ্ধার করে মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আর দগ্ধ রবিউলকে চিকিৎসার জন্য শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত নাঈমের বাবার নাম আলম চৌকিদার ও মা পারভীন বেগম। তার বাড়ি বরিশালের কোতোয়ালি থানায়। বর্তমানে ডেমরা হাজিনগর এলাকায় থাকতেন।

আর দগ্ধ রবিউলের বাড়ি নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জে। সেও ডেমরায় থাকেন। তার বাবার নাম হযরত আলী। বার্ন ইন্সটিটিউটের চিকিৎসকরা জানান, রবিউলের শরীরে ১৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।




দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম টানেল নিয়ে উচ্ছ্বাস

সাধারণ যাত্রীদের জন্য খুলে গেল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল। ইতিহাসের সাক্ষী হতে রাত থেকেই টানেলে দুই প্রান্তে অপেক্ষা করেছেন অনেক যাত্রী। তবে প্রথম যাত্রী হিসেবে ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলে পাড় হয়েছে মুন্সিগঞ্জের জুয়েল রানা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার টানেল উদ্বোধন করার পর রোববার ভোর ছয়টা থেকে যান চলাচল শুরু হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলে প্রথম যাত্রী হিসেবে যাবেন এই ইচ্ছে থেকে কয়েকজন বন্ধু নিয়ে বের হয়ে পড়েন মুন্সিগঞ্জের জুয়েল রানা। শনিবার রাত তিনটার সময় তাঁরা চট্টগ্রামের আনোয়ারা প্রান্তে পৌঁছে যান। এরপর আজ রোববার ভোর ছয়টার সময় প্রথম যাত্রী হিসেবে তিনি টোল দেন।

ওই গাড়ির চালক মো. শাহেদ বলেন, ‘সারা জীবন গাড়ি চালালাম সেতু আর ফেরি পার হয়ে। এবার নদীর নিচ দিয়ে যাব, খুব উত্তেজনা কাজ করছে।’

শুধু জুয়েল রানা ও শাহেদ নয়, প্রথম টানেলে প্রবেশ করে অনেকেই আনন্দিত।

আনোয়ারা প্রান্তে এরপর সাতকানিয়ার চালক শফিক আলম। তিনি মো. জাকারিয়া নামের যাত্রীকে নিয়ে বিমানবন্দরে যাচ্ছিলেন। শফিক আলম বলেন, ‘এত তাড়াতাড়ি এয়ারপোর্টে পৌঁছে যাচ্ছি, আশ্চর্যের বিষয়!’

প্রথম যাত্রীবাহী বাস হিসেবে টোল দেয় বিডি বাস লাভার গ্রুপের একটি বাস। তাঁরা বাসটি ফুল ও কাপড় দিয়ে সাজিয়ে নিয়ে টানেলে প্রবেশ করেন।

নিজে গাড়ি চালিয়ে চট্টগ্রাম নগরী থেকে আনোয়ারায় যাচ্ছিলেন আনিতা মুবাশ্বিরা। তিনি বলেন, ‘অনেক অপেক্ষা করেছি টানেল চালুর জন্য। তাই টানেল পার হওয়ার সময় নিজেকে নিয়ে গর্ব হচ্ছিল বাংলাদেশি হিসেবে। কারণ, দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম টানেল আমাদেরই।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের উপপ্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম আজাদ জানান, ভোর ছয়টার সময় যান চলাচলের জন্য টানেল খুলে দিয়েছি। এখন থেকে রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা টানেল চালু থাকবে। তবে গভীর রাতে যান চলাচল কমে গেলে টোলের লেন কমিয়ে আনা হবে। টানেলে ৬০ কিলোমিটার গতি রাখার নির্দেশনা আছে এবং টানেলের ভেতর যেন যানবাহন না দাঁড়ায়, সে ব্যবস্থাপনা আছে বলে তিনি জানান।

২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিন পিং প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। আর শনিবার ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সুড়ঙ্গ নির্মাণে ব্যয় ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা। ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিন পিং এর ঢাকা সফরে কর্ণফুলী টানেল নির্মাণে ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তি অনুযায়ী চীনের এক্সিম ব্যাংক ২০ বছর মেয়াদি ঋণ হিসাবে দুই শতাংশ সুদে ৫ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা দিয়েছে। বাকি অর্থায়ন বাংলাদেশ সরকার করেছে।




শীতের সবজিতে রোগ নিরাময় ও পুষ্টি সংরক্ষণ

শীতের সবজিতে রয়েছে বহুবিধ ঔষধি গুণ। এগুলো স্বাদ ও পুষ্টিমানেও অনন্য। এ জন্য প্রতিদিনের খাবারে শীতের সবজিকে প্রাধান্য দিতে হবে। সচেতনভাবে যদি এ সবজি খাওয়া হয়, তাহলে এর পুষ্টি উপাদান নষ্ট হয় না।

বাঁধাকপি : খ্রিষ্টপূর্ব চারশ শতক থেকেই বাঁধাকপি ঔষধি হিসাবে স্বীকৃত। রোমানরা উৎসবের দিনে অতিরিক্ত মদ্যপানের আগে বাঁধাকপি কচিপাতা চিবিয়ে খেত মাতাল না হওয়ার জন্য। এটি ক্যাফেটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে এবং যকৃতের উপকার করে। বাইরে ও ভেতরের পাতার চেয়ে একেবারে মাঝামাঝি অংশের পাতায় পুষ্টি বেশি। কারণ এতে ক্যারোটিন বেশি থাকে।

বাঁধাকপির সালফার উপাদান দিয়ে টনিক তৈরি করা হয়। যা কিনা শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণে সাহায্য করে। ভিটামিন কে, ভিটামিন বি, ভিটামিন সি-এর দারুণ উৎস এ বাঁধাকপি। এ ছাড়া এতে ম্যাঙ্গানিজ, কপার, পটাশিয়াম, আঁশ ও ফলিক অ্যাসিড আছে।

বিভিন্ন ধরনের অসুস্থতা যেমন হৃদরোগ, ভেরিকোজ ভেইন, পায়ের ক্ষত, পেপটিক আলসার, ত্বকের শুষ্কতা, অ্যাকজিমা, মানসিক চাপ প্রতিরোধ করে বাঁধাকপি। স্কার্ভি রোগে এটি ফলদায়ক। রক্তের প্রোথ্রোম্বিন তৈরিতে সহায়তা করে বাঁধাকপি। আমাদের দেশে কিছু কিছু বেগুনি বাঁধাকপি পাওয়া যায়। এটি ফাইকোসিয়ানিন সমৃদ্ধ। ত্বকের সুস্থতা, ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ, চোখের সুস্থতা ছাড়াও আটিস্টিক শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য বেগুনি বাঁধাকপির রস খুবই উপকারী।

পুদিনাপাতা : বর্তমানে পশ্চিমা ও চীন দেশে নানা ধরনের রোগ সারাতে পুদিনা ব্যবহার হচ্ছে। এটি যন্ত্রণা নিবারক হিসাবে কাজ করে। পুদিনা বদহজম দূর করেও রক্তবাহী নালিকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া দূর ভ্রমণে অসুস্থতা, বমিভাব, পেটের অসুখ, জ্বর, রক্তস্বল্পতা, মাথার যন্ত্রণা ইত্যাদি কমাতে পুদিনা সিদ্ধ পানি বেশ উপকারী। সারা বিশ্বে মিন্ট টি’ বেশ জনপ্রিয়। সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে গেলে পুদিনার পাতা ফুটন্ত পানিতে ফেলে ভাপ নিলে উপকার পাওয়া যায়। দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষা ও ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমে পুদিনা ভালো কাজ করে।

টমেটো : টমেটোর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লাইকোপিন ক্যানসার রোধে বড় ভূমিকা পালন করে। টমেটো রান্না করে খেলে এর লাইকোপিন শরীর ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারে। এতে প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড আছে বলে পায়ের ও হাতের তালু জ্বালা করলে এর ব্যবহারে সুফল পাওয়া যায়। চুলপড়া ও হাঁপানিতে টমেটো উপকারী।

ব্রকলি : ব্রকলিতে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম, মেলেনিয়াম, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ব্রকলি ত্বক, চুল, চোখ ভালো রাখে। এটি আর্থ্রাইটিসের ব্যথা কমায়। ক্যানসাররোধী হিসাবে পরিচিত। এ ছাড়া অ্যালার্জি ও প্রদাহের সমস্যা কমায়।

পেঁয়াজ : প্রাচীনকাল থেকেই ঠান্ডাজনিত অসুবিধায় পেঁয়াজ ব্যবহার হয়ে আসছে। আয়ুর্বেদিক ওষুধ প্রস্তুতকারীরা পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধুমিশ্রিত করে সিরাপ তৈরি করে। এ সিরাপ কফের ওষুধ হিসাবে ভালো কাজ করে। দেহের অস্বস্তিভাব, ঝিমানো, স্নায়ুবিক দুর্বলতা ও বদহজমে পেঁয়াজ উপকারী। এটি রক্তচাপ, কলস্টেরল কমায় ও রক্তজমাট বাঁধা দূর করে।

ফুলকপি : এটি ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটাডমিন সি, ভিটামিন কে ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। ফুলকপি দেহের রক্ত প্রবাহ ঠিক রাখে। এর মধ্যে বিশেষ যৌগ যেমন-সালফেরাপেন, গ্লুকো-ব্রাসিমিন, গ্লুকোরাফামিন-এর জন্য লিভার সুস্থ থাকে। ফুলকপি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। অন্ত্রের ক্যানসার ও সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে। সন্তান প্রসবের পর কোনো কোনো স্ত্রীলোকের মুখে মেছতার দাগ পড়ে। যদি কয়েকদিন ফুলকপি, বাঁধাকপি ও গাজরের জুস খাওয়া হয় তবে তা ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়।

গাজর : ভিটামিন এ অর্থাৎ ক্যারোটিন সমৃদ্ধ সবজি। শিশুকে ছয় মাস পর থেকে এক চা-চামচ গাজরের রস খাওয়াতে পারলে ভালো হয়। শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণ, চোখ ও ত্বকের সংক্রমণে গাজর খুবই উপকারী। এতে চোখের দীপ্তি বাড়ে, শুষ্ক ত্বক ও চুল সজীব হয়। গাজর ক্যানসার ও হার্টের সমস্যার প্রতিরোধক। কাঁচা গাজর চিবিয়ে খেলে দাঁতে একটা চকচকে ভাব আসে।

লেটুস পাতা : সালাদের অন্যতম অনুষঙ্গ। কাঁচা খাওয়া হয় বলে সম্পূর্ণ পুষ্টি পাওয়া যায়। এতে আছে প্রচুর আঁশ, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন বি১, ভিটামিন বি২ ও ভিটামিন বি৩, ভিটামিন বি১২। এটি দেহের রক্ত কণিকা গঠন করে ও হজমশক্তি বাড়ায়। লেটুসপাতা কোস্টকাঠিন্য দূর করে। এ ছাড়া দেহে অতিরিক্ত পানি জমতে দেয় না। সানবার্নের ফলে ত্বকে যে কালচে ভাব পড়ে তা দূর করে।

বিট : বিটে রয়েছে পর্যাপ্ত লৌহ, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন এ ও নাইট্রিক অ্যাসিড। কাঁচা বিটের রসদ্ধ রক্ত পরিষ্কারক ও শক্তিবর্ধক। এটি লিভারকে ভালো রাখে, রক্তস্বল্পতা দূর করে এবং হজমে সহায়তা করে। বিটের রস দেহের অক্সিজেন ধরে রাখতে সাহায্য করে। এটি রক্তচাপ ঠিক রাখে।

ক্যাপসিকাম : লাল-সবুজ-হলুদ এ তিন রঙের ক্যাপসিকাম অথবা বেলপেপার পাওয়া যায়। এটি পেশি সচল রেখে পিঠ ও কোমরের ব্যথা দূর করে। মাথাব্যথা, ত্বকের সুরক্ষা ও পাকস্থলীর অসুস্থতায় বেশ কার্যকর। এটি হজমশক্তি বাড়ায়। চোখের সুস্থতা বজায় রাখে ও অ্যাজমা প্রতিরোধে ভালো ফল দেয়। সবুজ ক্যাপসিকামের চেয়ে লাল-হলুদ ক্যাপসিকামের গুণাগুণ বেশি।

পালংশাক : এ শাক অক্সালিক অ্যাসিড ও লৌহ সমৃদ্ধ। পালংশাক রক্তস্বল্পতায় বেশ উপকারী। কোষ্ঠবদ্ধতা ও মানসিক অবসাদে পালংশাক বেশ ফলদায়ক। অক্সালিক অ্যাসিডের জন্য এর ক্যালসিয়াম তেমন কাজে লাগে না।

লালশাক লৌহ সমৃদ্ধ ও সহজে হজম হয়। এটি রক্তস্বল্পতা রোধে উপকারী।

মুলা : এতে আছে ফসফরাস, লৌহ ভিটামিন বি কমপ্লেক্স। পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, সালফার ও ভিটামিন এ। মুলার রস পিত্তাশয়কে গরম করে পিত্তক্ষরণে উদ্দীপনা জোগায়।

পুষ্টি সংরক্ষণ

সবজি কেটে দীর্ঘ সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এর সবটুকু ভিটামিন নষ্ট হবে। এক সমীক্ষায় দেখা যায়, ব্রকলি পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ৭৪-৯৭ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষয় হয়। বেশিরভাগ সবজি ফ্রিজে পাঁচ দিন পর্যন্ত ভালো থাকে। এ ছাড়া খবরের কাগজ মুড়েও সবজি রাখলে ভালো থাকবে। কম পানিতে কম সময়ে সবজি সিদ্ধ করলে অথবা ভাপিয়ে শীতের সবজি খেলে এর পুষ্টিগুণ বজায় থাকবে। আবার যাদের তেল প্রয়োজন, তারা সিদ্ধ সবজিতে সামান্য তেল মিশাবেন। যাতে অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি এসিডের কোনো ঘাটতি না হয় এবং হজমেও অসুবিধা না হয়।

লেখক : চিফ নিউট্রিশন অফিসার (এক্স), বারডেম হাসপাতাল, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শ্যামলী, ঢাকা




ইউটিউব থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তোলা যাবে ভিডিওর ছবি

ইউটিউবে ভিডিও দেখার সময় পছন্দের দৃশ্যের ছবি সংরক্ষণের জন্য স্ক্রিনশট নেন অনেকেই। তবে স্ক্রিনশট নেওয়া ছবির রেজল্যুশন কম থাকায় মান ভালো হয় না। এর ফলে ছবিগুলো চাইলেই সব কাজে ব্যবহারের সুযোগ মেলে না। এ সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তৈরি ব্রাউজার এক্সটেনশন ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোর তৈরি এক্সটেনশন ব্যবহার করলে তথ্য চুরিসহ সাইবার হামলার ঝুঁকি থাকে। আর তাই ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা দিতে বিল্ট ইন স্ক্রিনশট সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে ইউটিউব। নতুন এ সুবিধা চালু হলে কোনো ব্রাউজার এক্সটেনশন ব্যবহার না করেই ইউটিউবে চালু থাকা ভিডিওর নির্দিষ্ট অংশের ভালোমানের ছবি তোলা যাবে।

স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিওর নির্দিষ্ট অংশের ছবি তোলার জন্য প্রথমে ইউটিউবের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নির্দিষ্ট ভিডিও চালু করতে হবে। এরপর পছন্দের দৃশ্য পর্দায় দেখা গেলে ভিডিও থামিয়ে মাউসের ডানে ক্লিক করে ‘সেভ ভিডিও ফ্রেম অ্যাজ’ অপশন নির্বাচন করলেই কম্পিউটারে স্ক্রিনশটটি সংরক্ষণ হয়ে যাবে। স্ক্রিনশট নেওয়া ছবিগুলোর রেজল্যুশন উন্নতমানের হওয়ায় চাইলেই সেগুলো বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আদান-প্রদান করা যাবে।

নতুন এ সুবিধা এর মধ্যে নির্দিষ্টসংখ্যক ব্যবহারকারীদের ওপর পরখ করছে ইউটিউব। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের ধারণা, ইউটিউবের বিল্ট ইন স্ক্রিনশট সুবিধা প্রাথমিকভাবে কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য চালু করা হতে পারে। পর্যায়ক্রমে ইউটিউবের সব ব্যবহারকারীদের জন্য এ সুবিধা উন্মুক্ত করা হবে।

সূত্র: ম্যাশেবল




ঝিনাইদহে বিএনপি-জামায়াতের ২৬ নেতাকর্মী আটক

ঝিনাইদহে নাশকতা প্রতিরোধে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীসহ ২৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, জেলার ৬টি উপজেলায় নাশকতাবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু করা হয়েছে। এরই অংশ হিসাবে সদর ৭, হরিণাকুণ্ডু ৩, কালীগঞ্জ ৫, কোটচাঁদপুর ২ ও মহেশপুর উপজেলা থেকে ৯ জন বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ সদস্যরা।

এর মধ্যে সদরে ১ জন ও মহেশপুরে ২ জন জামায়াত কর্মী রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট অফিসার ইনচার্জ নিশ্চিত করেন।