বিরোধী দলের অরাজকতা রুখে দিয়ে আবারো নৌকায় ভোট দিন

দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সামাজিক সুরক্ষা ও সুবিধাভোগীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়েছে।এ সময় এমপি হাজী মোঃ আলী আজগার টগর বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অসহায় মানুষের কথা চিন্তা করে দেশে সকল প্রতিবন্ধি, বিধবা, বয়স্ক ও শিশু ভাতাসহ অসংখ্যক ভাতা প্রদান করছে সরকার। শেখ হাসিনা দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে। দেশের উন্নয়নের কথা ভাবে।
অতীতে কোনো সরকার প্রতিবন্ধীদের কথা ভাবেন নাই, গর্ভধারণ নারীদের নিয়ে চিন্তা করেন নাই, গরীবদুঃখী শিশুদের পুষ্টির কথা ভাবেন নাই, অবহেলিত বয়স্ক বৃদ্ধ-বাবা মায়েদের কথা ভাবেন নাই, তাঁরা কিভাবে জীবন যাপন করেন। কোন সরকার দুস্থ রোগীদের চিকিৎসার কথা ভাবেন নাই, শেখ হাসিনার সরকার ভেবেছে।
কোন সরকার ভাবেন নাই, কিভাবে অসহায় পরিবারের শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করবে, শেখ হাসিনা সরকার ভেবেছে। বঙ্গবন্ধুর নাতনি জননেত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াাজেদ পুতুল আজ প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করছেন। তিনি সারাদেশের প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থান ও তাদের জীবন মান উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছেন।
তিনি আরো বলেন, আমি আপনাদের সন্তান আপনাদের ভাই, আপনাদেরই ছেলে আরেকবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট চাইছি এবং ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে এবং রাষ্টিয় ক্ষমতায় আবারো শেখ হাসিনাকে বসাতে হবে। আপনারা সবাই নৌকায় ভোট দিবেন।
তিনি আরো বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যদি আপনারা ভুল করেন তাহলে বিএনপি জামাত আবারো মানুষকে জিম্মি করবে। সন্ত্রাসের রাজত্বকায়েম করবে। সকল প্রকার ভাতা বাতিল করবে। যদি আরো সুবিধা পেতে চান তাহলে নৌকায় ভোট দিতে হবে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জন্য দোয়া কামনা করে বক্তব্য শেষ করেন। এর আগে তিনি ভাতাভোগীদের নিকট থেকে সরকারের উন্নয়ন কথা মনোযোগসহকারে শুনেন তিনি।
দামুড়হুদা উপজেলায় ইউনিয়ন পর্যায়ে গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে  উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বর্তমান সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগী ব্যাক্তিদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেন উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ও নাটুদা ইউনিয়ন পরিষদ।
দামুড়হুদা উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার তোফাজ্জেল হকের সঞ্চালনায়, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহি অফিসার রোকসানা মিতা। অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন নাটুদা ও কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শফি উদ্দীন ও আব্দুল করিম বিশ্বাস।
এ অনুষ্ঠানের আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ডা.কিচিঞ্জার চাকমা বলেন, আজকে যতো উন্নয়ন দেখছেন এসব আ,লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার কারণে হয়েছে। সরকার আপনাদের কথা চিন্তা করে যাতে ঠিকমতো তিনবেলা খেতে পারেন। মাথা গোজার ঠাই থাকে, অসুখে বিসুখে ওষুধ কিনতে পারেন, তার জন্য সব ব্যবস্থা নিয়েছেন। আপনাদের জন্য সরকার আরো সুযোগ সুবিধা যাতে পান তারজন্য আপনাদের ভাবতে হবে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে এগিয়ে যাচ্ছেন, দেশের সকল জনগোষ্ঠিকে সাথে নিয়ে।
অনগ্রসর সকল জনগোষ্ঠির জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে এবং তা চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী অসহায় মানুষের কথা চিন্তা করে দেশে সকল গৃহহীন পরিবারকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে ঘর, প্রতিবন্ধি, বিধবা, বয়স্ক ও শিশু ভাতাসহ অসংখ্যক ভাতা প্রদান করছেন বর্তমান সরকার।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও দর্শনা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলী মুনছুর বাবু, দামুড়হুদা উপজেলা ভুমি কর্মকর্তা সজল কুমার দাস, দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর কবির, দামুড়হুদা উপজেলা আ, লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মোঃ শহিদুল ইসলাম, দর্শনা পৌর মেয়র আতিয়ার রহমান হাবু, জীবননগর উপজেলা আ,লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম মর্তুজা, জীবননগর উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান, সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর, জীবননগর পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম, কেরু কোম্পানির লি: এর সাবেক এডিম শাহাবুদ্দিন, দর্শনা পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক আরিফ, দামুড়হুদা উপজেলা মহিলা বিষায়ক অফিসার হোসনে জাহান, কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন আ, লীগের সভাপতি এম হাবিবুল্লাহ বাহার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সরোয়ার হোসেন, দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলার সকল ইউপি চেয়ারম্যানগন, চুয়াডাঙ্গা ২ নির্বাচনি এলাকার প্রতিটি ইউনিয়ন আ,লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ। দামুড়হুদা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল হান্নান ছোট, জীবননগর উপজেলার সভাপতি আব্দুস সালাম এশা, দামুড়হুদা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রিংকু প্রমুখ।



দামুড়হুদার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার দামুড়হুদা উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন।

শনিবার দুপুর ১ টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ সরেজমিনে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা ও জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন পরিদর্শন করেন। পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্ত বৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পূজার নিরাপত্তাসহ সার্বিক খোঁজখবর নেন।

উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গা জেলায় এ বছর ১২১টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি পূজা মণ্ডপে নিজস্ব সেচ্ছাসেবক ছাড়াও সার্বক্ষণিক পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন । এছাড়াও সাদা পোশাকে ডিবি, ডিএসবি এবং ট্রাফিক পুলিশ সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করছেন।পূজা মন্ডপ পরিদর্শন কালে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) জাকিয়া সুলতানা, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোকসানা মিতা, দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর কবীর, পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) অফিসার ইনচার্জ , সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের ইনচার্জ মাহমুদুর রহমান সহ বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসারবৃন্দ।




মেহেরপুর জেলা যুবলীগের সৌজন্যে মুজিব চলচ্চিত্র প্রদর্শনী

মেহেরপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সৌজন্যে মেহেরপুর সিনেমা হলে মুজিব একটি জাতির রূপকার চলচ্চিত্রটি প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়।

শনিবার ২১ অক্টোবর বিকালে মেহেরপুর সিনেমা হলে প্রদর্শিত সিনেমাটি মেহেরপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সকল নেতৃবৃন্দ এবং কর্মীদের নিয়ে একসঙ্গে উপভোগ করেন।

মুজিব একটি জাতির রূপকার চলচ্চিত্রটি দেখার পর মেহেরপুর জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও পৌরসভার মেয়র মাহফুজুর রহমান রিটন মেহেরপুর প্রতিদিনকে বলেন এই সিনেমাটার মাধ্যমে আমরা অনেক কিছুর শিক্ষা অর্জন করেছি। এই সিনেমার মাধ্যমে আমরা জানতে পারি একজন সঠিক নেতা হতে হলে কতটুকু পরিশ্রমী, ত্যাগী হওয়ার প্রয়োজন যা আমরা বঙ্গবন্ধুর মধ্যে খুঁজে পাই। আমি সকলকে আহ্বান করবো এই সিনেমাটা দেখার জন্য।

জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম পেরেশান বলেন প্রত্যেকটা মানুষকে আহ্বান করবো বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কে জানতে হলে তার আদর্শকে জানতে হলে এই মুজিব একটি জাতির রুপকার সিনেমাটা দেখা খুবই জরুরি ও অত্যাবশ্যক।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হাজী সাইফুল ইসলাম, মেহেরপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুনতাসির জামান মৃদুল, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা, মেহেরপুর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ সহ মেহেরপুর জেলা যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।




মুজিবনগরে ইটভাটা মালিক সমিতির বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত

মুজিবনগর উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠান হয়েছে।
শনিবার ২১ অক্টোবর দুপুরে মুজিবনগর কমপ্লেক্স সূর্যদয় রেষ্ট হাউজ হলরুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন মুজিবনগর উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি ও মহাজনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ আমাম হোসেন মিলু এবং অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুজিবনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী রাসেল।
অনুষ্ঠান উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক তসলিমুল ইসলাম সজলের সঞ্চলনায় বক্তব্য রাখেন মুজিবনগর উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সহসভাপতি ফজলুল হক, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও মুজিবনগর উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির যুগ্নসম্পাদক আজিমুল বারী মুকুল, অর্থসম্পাদক মিজানুর রহমান চঞ্চল, হীরা ব্রিক্স্র এর মালিক অ্যাডভকেট রুমুনুজ্জামান রুমুন, ও ভাটা মালিক মশিউর রহমান প্রমুখ।
সভা শেষে প্রীতি মধ্যাহ্ন ভোজ ভোজ অনুষ্ঠিত হয়।



আলমডাঙ্গায় দিলীপ কুমার আগরওয়ালার কর্মীসভা

আলমডাঙ্গায় দিলীপ কুমার আগরওয়ালার কর্মীসভা

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য দিলীপ কুমার আগরওয়ালার পক্ষে আলমডাঙ্গার জামজামি ইউনিয়নে এক কর্মি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার ২১ অক্টোবর বিকেলে জামজামি বাজারে দিলীপ আগরওয়ালার সমর্থক গোষ্টির ব্যানারে এ  কর্মি সভা ও  শান্তি  সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মি সমাবেশে দিলীপ কুমারর  আগরওয়ালা বলেন-দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে বিএনপি-জামাতের আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। বিএনপি-জামায়াত এদেশে  র উন্নয়নে বাঁধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্র লিপ্ত। তারা আবারও দেশে জ্বালাও পোড়াওয়ের রাজনীতি শুরু করতে চাই।
মনে রাখবেন সঠিক সময়ে সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। বিএনপি-জামায়াত কিন্তু বানচাল করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। যদি তারা নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করে  তাহলে জনগণ বিএনপি-জামায়াতের এই চক্রান্ত প্রতিহত করবে।
আপনারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের মাঝে তুলে ধরবেন।  আজকে সাধারণ মানুষ কেনো নৌকায় ভোট দিবে? কারণ এই সরকারের আমলে দেশ উন্নয়নেন রোল মডেল হিসেবে পৃথিবীর বুকে এগিয়ে চলেছে।
 উন্নয়নের এই ধারা অব্য্হত রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। আমি বলি উন্নয়নের সরকার,বার বার দরকার। শেখ হাসিনার সরকার, বারবার দরকার।
তিনি বলেন,আমি কেনো আপনাদের কাছে এসেছি। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন মানুষের মাঝে তুলে ধরতেই আপনাদের কাছে এসেছি। এবং নৌকার পক্ষে ভোট চাইতে এসেছি।
নৌকা যেই পাক আমি নৌকার পক্ষের মানুষ। যিনি নৌকা পাবেন আমি তাঁকে বলবো তিনি যেনো স্মার্ট চুয়াডাঙ্গা গড়ে।
যদি আমি সুযোগ পাই,যদি জনপ্রতিনিধি হতে পারি তাহলে আপনাদের সাথে নিয়ে স্মার্ট চুয়াডাঙ্গা গড়তে কাজ করবো।
কর্মী সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ নেতা এস এম আশরাফুল করিম রিপন শাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক কাউসার আহমেদ বাবলু, ৭১’র অগ্নিসেনা বীর মুক্তিযোদ্ধা মঈনদ্দীন পারভেজ,পদ্মবিলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু তাহের বিশ্বাস,মোমিনপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক জোয়ার্দ্দার,কুতুবপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাখাওয়াত হোসেন টাইগার, গাংনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান। ডাউকি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম দিপু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ন সম্পাদক হাজী রবিউল হক,জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক চিৎলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান, জেলা মৎসজীবি লীগের সভাপতি শাহাবুল হক,  খাদিমপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম ,জামজামি ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক কামাল হোসেন প্রমুখ।



মুজিবনগরে ভারতীয় পেঁয়াজবীজ সহ আটক-১ 

মুজিবনগর থানায় আটক সেলিম জাহাঙ্গীর

মেহেরপুরের মুজিবনগরে ভারতীয় পেঁয়াজের বীজ সহ সেলিম জাহাঙ্গীর নামের এক চোরাকারবারিকে আটক করেছে মুজিবনগর থানা পুলিশ।
শনিবার (২১ অক্টোবর) ভোর সাড়ে চারটার সময় মুজিবনগর উপজেলার মাঝপাড়া গ্রাম থেকে সেলিম জাহাঙ্গীরকে সাত বস্তা ভারতীয় পেঁয়াজের বীজসহ আটক করেছে মুজিবনগর থানা পুলিশ। উদ্ধারকৃত পিঁয়াজ বীজের আনুমানিক বাজার মূল্য ২ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা।
মুজিবনগর থানা সূত্রে জানা গেছে, গোপন খবরের ভিত্তিতে মুজিবনগর থানার এসআই ইসরাফিলের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বিশেষ অভিযানে মুজিবনগরের মাঝপাড়া গ্রামের মৃত ছমীর উদ্দিনের ছেলে বাবর আলীর বাড়ির সামনে থেকে সাত বস্তা ভারতীয় পেঁয়াজবীজ সহ সেলিম জাহাঙ্গীর নামের এক চোরাকারবারীকে আটক করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেলিম জাহাঙ্গীরের ৩-৪ জন সহযোগী পালিয়ে যায়।
এ সময় তাদের মাধ্যমে চোরাচালান হয়ে আসা ৫৬ কেজি পেঁয়াজ বীজ জব্দ করে মুজিবনগর থানা পুলিশ।
মুজিবনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী রাসেল জানান, ‘সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ বীজের একটি চালান অবৈধভাবে আসছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে একজন চোরা কারবারিকে আটক করা হয়েছে। তার সহযোগীদের আটকের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের পূর্বক সেলিম জাহাঙ্গীরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।’



এসডিজি অর্জনের নারীরা ব্যাপক ভূমিকা রাখছে- জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

মানব উন্নয়ন কেন্দ্র আয়োজিত মতবিনিময় সভা

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেকসই উন্নয়নের যে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন তাতে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ।

শনিবার ২১ অক্টোবর দুপুরে মানব উন্নয়ন কেন্দ্র (মউক) এর আয়োজনে ও গণসাক্ষরতা অভিযানের সহযোগিতায় আমঝুপি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এসডিজি অর্জনে “আমরা করবো জয়” শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ শান্তির জনপদে পরিনত হবে। এস ডি জি (টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট) বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার। আমাদের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার অনুকুল পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। আর এতে নারীদের অবদান ব্যাপক। দেশের গ্রস ইকোনমির অগ্রগতিতে সিংহভাগই নারীদের অবদান।’

জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমানের সঞ্চালনায়
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক শামীম হাসান। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সিএএমপিই এর পরিচালক (ঢাকা) ড.মোস্তাফিজুর রহমান, মানব উন্নয়ন কেন্দ্র (মউক) এর নির্বাহী পরিচালক আসাদুজ্জামান সেলিম, পুলিশ সুপার রাফিউল আলম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রুহুল আমীন এবং আমঝুপি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন চুন্নু।

এছাড়াও এসময় সদর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম,জেলা তথ্য অফিস আব্দুল আল মামুন, রুপান্তর এর পরিচালক (খুলনা) মিজানুর রহমান পান্না,মানব উন্নয়ন কেন্দ্রের জেলা প্রোগ্রাম ম্যানেজার সাদ আহাম্মদ,ফাহিমা আক্তার ছবি, প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে খুলনার জনপ্রিয় সঙ্গিত গোষ্ঠী রুপান্তরের পরিবেশনায় বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে একটি পট গান পরিবেশিত হয়। পরে মউকের উদ্যাগে ২৮ টি দুস্থ পরিবারকে একটি করে ছাগল উপহার দেওয়া হয়।




ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালীচরণ পুর ইউনিয়নের বিরোধ পূর্ণ জমির গাছ জোরপূর্বক কেঁটে নেওয়া এবং গত ১২অক্টোবর সাংবাদিকদের কাছে ভুল তথ্যদিয়ে জমির মালিকানা দাবী করার প্রতিবাদে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজিব হোসেনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগি প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলন।

জোরপূর্বক জমির গাছ কেঁটে নেওয়ার প্রতিবাদ

শনিবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঝিনাইদহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেণ ভুক্তভোগী জমির মালিকের স্বামী প্রবাসী হাসানুর রেজা বুলু। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ১৫৬ নং কালীচরণপুর মৌজার এসএ দাগ নং ৫২৭ এবং আরএস ১৬৮৬নং দাগের ২২ শতক জমি নাবালক মসলেমের পক্ষে অভিভাবক পিতা গোলাম রব্বানী ২মার্চ ১৯৫৯ তারিখে ৩২৫২ নং দলিলের মাধ্যমে খোরশেদ আলীর স্ত্রী
আমিরণ নেছার নিকট বিক্রয় করিয়া সরেজমিনে দখল দেন। আমিরণ নেছা মারা গেলে একমাত্র কন্যা সাজেদা খাতুন ওয়ারেশ থাকে। এই ওয়ারেশ মুলে সাজেদা খাতুন নিজ নামে নামপত্তন করেন। সাজেদা খাতুন আর এস ১০৩৪ খতিয়ানে ২০
শতক রেকর্ড করিয়া ভোগ দখল করতে থাকা অবস্থায় ০২ এপ্রিল ২০১৪ সালে ২৭২২ নং আমমোক্তার নামা দলিলে মোঃ হাসানুর রেজাকে আমোক্তার নিযুক্ত করেণ। এসময় হাসানুর রেজা ১জানুয়ারী ২০১৫তারিখে ১১১১৮ নং দলিলে নাসিমা বেগমের নিকট হস্তান্তর করে সরেজমিন দখল দেন। নাসিমা দখলী সম্পত্তি হিসেবে নাম পত্তন করিয়া ১৬৭১ নং হোল্ডিং এ ১৪৪৯ নং খতিয়ানে কর খাজনা প্রদান করতে থাকেন এবং বেড়া দ্বারা ঘিরিয়া মেহগনি, কড়াই. আম গাছ লাগাইয়া ভোগ দখল করতে থাকে। এরপর মিজানুর রহমান, একরাম হোসেন ও সজিব হোসেন নালীশি জমি বেদখলের হুমকী দিলে নাছিমা বেগম চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেণ। পরবর্তিতে সজিব হোসেন গং নালীশি জমির গাছ পালা কাটিয়ে তারের বেড়া
দ্বারা ঘেরা শুরু করিলে ৯ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে পুনঃরায় বিজ্ঞ আদালত হইতে স্থানীয় পরিদর্শনে প্রতিবেদন প্রার্থনা করেণ। প্রতিবেদনের আদেশে দেখা যায়,নালিশী জমি হইতে গাছ পালা কাটিয়া তারের বেড়া দ্বারা ঘিরিয়া রাখিয়াছে। এঅবস্থায় বাদিনির ৬৪ বছরের দখলীয় জমিতে ক্ষমতার জোরে জেলা ছাত্র লীগের সভাপতি সজিব হোসেন প্রবেশ করে উক্ত জমির মেহগনী বাগানসহ অন্যান্য গাছ পালা কাটিয়া নেয় এবং জমি কাটা তারের বেড়া দিয়ে ঘিরিয়া রাখিয়াছে। ভুক্তভোগী বুলু ও তার স্ত্রী নাসিমা বেগম জমিতে প্রবেশ করতে গেলে খুন জখমের ভয় ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়। তিনি আরও বলেন ক্ষমতার জোরে সজিব হোসেন তার পরিবারের উপর বড় ধরণের হামলাসহ ক্ষয় ক্ষতি করার হুমকী দিয়ে আসছে। পরিবারের
লোকজনের নিরাপত্তার জন্য এবং গাছের ক্ষতি পূরণসহ জমির মালিকানা ফিরে পেতে সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।




তিন স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টিত কালীগঞ্জের পূজা মন্ডপগুলি

কালীগঞ্জে পূজা মন্ডপের নিরাপত্তায় থানা পুলিশ

শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বিদের বৃহত্তম ধর্মীয় অনুষ্ঠান সারদীয় দূর্গোৎসব। কালীগঞ্জ উপজেলায় মোট ৫৩টি মন্ডপে সার্বজনীন দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে কালীগঞ্জের পূজামন্ডপগুলি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তিনস্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে ফেলেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নে ২৯টি স্থায়ী ও ২৪টি অস্থায়ী মন্ডপে এ বছর সার্বজনীন দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ১০টি, গুরুত্বপূর্ণ ১১টি ও সাধারণ ৩২টি পূজা মন্ডপ রয়েছে। পূজা মন্ডপ, পূজারী ও আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ৩৩২ জন আনসার, প্রতিটি বিটে একটি করে মোবাইল টিম ও দুইজন ইন্সপেক্টরের নেতৃত্বে ১টি করে ষ্ট্রাইকিং টিম সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালন করছে।

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কালীবাড়ী মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি বাবু নিরঞ্জন চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘দূর্গাপূজা উপলক্ষে আমাদের যাবতীয় কার্যক্রম ইতিমধ্যেই সম্পন্ন করেছি। গতকাল শুক্রবার রাত থেকে ষষ্ঠি পূজার মাধ্যমে দূর্গোৎসব আরম্ভ হয়েছে। পূজা উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা প্রদান করা হচ্ছে।’

কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফায়েজুর রহমান বলেন, ‘কালীগঞ্জ থানা এলাকার ৫৩টি পূজামন্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশে সনাতন ধর্মাবলম্বিরা পূজা অর্চনা করবেন। প্রতিটি মন্ডপই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ইতিমধ্যেই পূজা মন্ডপ, পূজারী ও আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তাদানে তিনস্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি পূজা মন্ডপ সিসি টিভি ক্যামেরার আওতায় একটি কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা হচ্ছে।




দর্শনায় গাঁজাসহ গ্রেফতার-২

দর্শনার হিজলগাড়ী ক্যাম্প পুলিশ মাদক বিরােধী অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ তুহিন হােসেন ও রাজু আহম্মেদকে গ্রেফতার করেছে।
শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে দর্শনা-হিজলগাড়ী সড়কের জােবালনুর মসজিদের সামনে হিজলগাড়ী ক্যাম্প পুলিশ মাদক বিরােধী অভিযান চালায়। এসময় পুলিশ একটি মাটরসাইকেলের গতিরােধ করে আরহীদের দেহতল্লাশী করে ৫শ গ্রাম গাঁজা পেয়ে,নেহালপুর ইউনিয়নের কষ্ণপুর স্কুল পাড়ার শফিকুল ইসলামের ছেলে তুহিন হােসেন (৩০) ও কােটালী গ্রামের আব্দুল মমিনের ছেলে রাজু আহম্মদকে (৩৫) গ্রেফতার করে।
দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার সাহা জানান,  গােপন সংবাদের ভিত্তীতে  হিজলগাড়ী ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ এসআই শেখ রকিবুল ইসলাম এবং সঙ্গীয় ফাের্স নিয়ে শুক্রবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে  তুহিন ও রাজুকে ৫শ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের ব্যবহৃত মােটরসাইকলটি জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে দর্শনা থানায় মামলা দায়ের পূর্বক আদালতে সােপর্দ করা হয়েছে।