বিরোধী দলের অরাজকতা রুখে দিয়ে আবারো নৌকায় ভোট দিন



চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার দামুড়হুদা উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন।
শনিবার দুপুর ১ টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ সরেজমিনে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা ও জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন পরিদর্শন করেন। পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্ত বৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পূজার নিরাপত্তাসহ সার্বিক খোঁজখবর নেন।
উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গা জেলায় এ বছর ১২১টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি পূজা মণ্ডপে নিজস্ব সেচ্ছাসেবক ছাড়াও সার্বক্ষণিক পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন । এছাড়াও সাদা পোশাকে ডিবি, ডিএসবি এবং ট্রাফিক পুলিশ সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করছেন।পূজা মন্ডপ পরিদর্শন কালে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) জাকিয়া সুলতানা, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোকসানা মিতা, দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর কবীর, পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) অফিসার ইনচার্জ , সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের ইনচার্জ মাহমুদুর রহমান সহ বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসারবৃন্দ।

মেহেরপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সৌজন্যে মেহেরপুর সিনেমা হলে মুজিব একটি জাতির রূপকার চলচ্চিত্রটি প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়।
শনিবার ২১ অক্টোবর বিকালে মেহেরপুর সিনেমা হলে প্রদর্শিত সিনেমাটি মেহেরপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সকল নেতৃবৃন্দ এবং কর্মীদের নিয়ে একসঙ্গে উপভোগ করেন।
মুজিব একটি জাতির রূপকার চলচ্চিত্রটি দেখার পর মেহেরপুর জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও পৌরসভার মেয়র মাহফুজুর রহমান রিটন মেহেরপুর প্রতিদিনকে বলেন এই সিনেমাটার মাধ্যমে আমরা অনেক কিছুর শিক্ষা অর্জন করেছি। এই সিনেমার মাধ্যমে আমরা জানতে পারি একজন সঠিক নেতা হতে হলে কতটুকু পরিশ্রমী, ত্যাগী হওয়ার প্রয়োজন যা আমরা বঙ্গবন্ধুর মধ্যে খুঁজে পাই। আমি সকলকে আহ্বান করবো এই সিনেমাটা দেখার জন্য।
জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম পেরেশান বলেন প্রত্যেকটা মানুষকে আহ্বান করবো বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কে জানতে হলে তার আদর্শকে জানতে হলে এই মুজিব একটি জাতির রুপকার সিনেমাটা দেখা খুবই জরুরি ও অত্যাবশ্যক।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হাজী সাইফুল ইসলাম, মেহেরপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুনতাসির জামান মৃদুল, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা, মেহেরপুর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ সহ মেহেরপুর জেলা যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।


আলমডাঙ্গায় দিলীপ কুমার আগরওয়ালার কর্মীসভা

মুজিবনগর থানায় আটক সেলিম জাহাঙ্গীর

মানব উন্নয়ন কেন্দ্র আয়োজিত মতবিনিময় সভা
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেকসই উন্নয়নের যে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন তাতে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ।
শনিবার ২১ অক্টোবর দুপুরে মানব উন্নয়ন কেন্দ্র (মউক) এর আয়োজনে ও গণসাক্ষরতা অভিযানের সহযোগিতায় আমঝুপি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এসডিজি অর্জনে “আমরা করবো জয়” শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ শান্তির জনপদে পরিনত হবে। এস ডি জি (টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট) বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার। আমাদের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার অনুকুল পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। আর এতে নারীদের অবদান ব্যাপক। দেশের গ্রস ইকোনমির অগ্রগতিতে সিংহভাগই নারীদের অবদান।’
জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমানের সঞ্চালনায়
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক শামীম হাসান। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সিএএমপিই এর পরিচালক (ঢাকা) ড.মোস্তাফিজুর রহমান, মানব উন্নয়ন কেন্দ্র (মউক) এর নির্বাহী পরিচালক আসাদুজ্জামান সেলিম, পুলিশ সুপার রাফিউল আলম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রুহুল আমীন এবং আমঝুপি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন চুন্নু।
এছাড়াও এসময় সদর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম,জেলা তথ্য অফিস আব্দুল আল মামুন, রুপান্তর এর পরিচালক (খুলনা) মিজানুর রহমান পান্না,মানব উন্নয়ন কেন্দ্রের জেলা প্রোগ্রাম ম্যানেজার সাদ আহাম্মদ,ফাহিমা আক্তার ছবি, প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে খুলনার জনপ্রিয় সঙ্গিত গোষ্ঠী রুপান্তরের পরিবেশনায় বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে একটি পট গান পরিবেশিত হয়। পরে মউকের উদ্যাগে ২৮ টি দুস্থ পরিবারকে একটি করে ছাগল উপহার দেওয়া হয়।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালীচরণ পুর ইউনিয়নের বিরোধ পূর্ণ জমির গাছ জোরপূর্বক কেঁটে নেওয়া এবং গত ১২অক্টোবর সাংবাদিকদের কাছে ভুল তথ্যদিয়ে জমির মালিকানা দাবী করার প্রতিবাদে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজিব হোসেনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগি প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলন।

জোরপূর্বক জমির গাছ কেঁটে নেওয়ার প্রতিবাদ
শনিবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঝিনাইদহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেণ ভুক্তভোগী জমির মালিকের স্বামী প্রবাসী হাসানুর রেজা বুলু। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ১৫৬ নং কালীচরণপুর মৌজার এসএ দাগ নং ৫২৭ এবং আরএস ১৬৮৬নং দাগের ২২ শতক জমি নাবালক মসলেমের পক্ষে অভিভাবক পিতা গোলাম রব্বানী ২মার্চ ১৯৫৯ তারিখে ৩২৫২ নং দলিলের মাধ্যমে খোরশেদ আলীর স্ত্রী
আমিরণ নেছার নিকট বিক্রয় করিয়া সরেজমিনে দখল দেন। আমিরণ নেছা মারা গেলে একমাত্র কন্যা সাজেদা খাতুন ওয়ারেশ থাকে। এই ওয়ারেশ মুলে সাজেদা খাতুন নিজ নামে নামপত্তন করেন। সাজেদা খাতুন আর এস ১০৩৪ খতিয়ানে ২০
শতক রেকর্ড করিয়া ভোগ দখল করতে থাকা অবস্থায় ০২ এপ্রিল ২০১৪ সালে ২৭২২ নং আমমোক্তার নামা দলিলে মোঃ হাসানুর রেজাকে আমোক্তার নিযুক্ত করেণ। এসময় হাসানুর রেজা ১জানুয়ারী ২০১৫তারিখে ১১১১৮ নং দলিলে নাসিমা বেগমের নিকট হস্তান্তর করে সরেজমিন দখল দেন। নাসিমা দখলী সম্পত্তি হিসেবে নাম পত্তন করিয়া ১৬৭১ নং হোল্ডিং এ ১৪৪৯ নং খতিয়ানে কর খাজনা প্রদান করতে থাকেন এবং বেড়া দ্বারা ঘিরিয়া মেহগনি, কড়াই. আম গাছ লাগাইয়া ভোগ দখল করতে থাকে। এরপর মিজানুর রহমান, একরাম হোসেন ও সজিব হোসেন নালীশি জমি বেদখলের হুমকী দিলে নাছিমা বেগম চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেণ। পরবর্তিতে সজিব হোসেন গং নালীশি জমির গাছ পালা কাটিয়ে তারের বেড়া
দ্বারা ঘেরা শুরু করিলে ৯ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে পুনঃরায় বিজ্ঞ আদালত হইতে স্থানীয় পরিদর্শনে প্রতিবেদন প্রার্থনা করেণ। প্রতিবেদনের আদেশে দেখা যায়,নালিশী জমি হইতে গাছ পালা কাটিয়া তারের বেড়া দ্বারা ঘিরিয়া রাখিয়াছে। এঅবস্থায় বাদিনির ৬৪ বছরের দখলীয় জমিতে ক্ষমতার জোরে জেলা ছাত্র লীগের সভাপতি সজিব হোসেন প্রবেশ করে উক্ত জমির মেহগনী বাগানসহ অন্যান্য গাছ পালা কাটিয়া নেয় এবং জমি কাটা তারের বেড়া দিয়ে ঘিরিয়া রাখিয়াছে। ভুক্তভোগী বুলু ও তার স্ত্রী নাসিমা বেগম জমিতে প্রবেশ করতে গেলে খুন জখমের ভয় ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়। তিনি আরও বলেন ক্ষমতার জোরে সজিব হোসেন তার পরিবারের উপর বড় ধরণের হামলাসহ ক্ষয় ক্ষতি করার হুমকী দিয়ে আসছে। পরিবারের
লোকজনের নিরাপত্তার জন্য এবং গাছের ক্ষতি পূরণসহ জমির মালিকানা ফিরে পেতে সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কালীগঞ্জে পূজা মন্ডপের নিরাপত্তায় থানা পুলিশ
শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বিদের বৃহত্তম ধর্মীয় অনুষ্ঠান সারদীয় দূর্গোৎসব। কালীগঞ্জ উপজেলায় মোট ৫৩টি মন্ডপে সার্বজনীন দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে কালীগঞ্জের পূজামন্ডপগুলি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তিনস্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে ফেলেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নে ২৯টি স্থায়ী ও ২৪টি অস্থায়ী মন্ডপে এ বছর সার্বজনীন দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ১০টি, গুরুত্বপূর্ণ ১১টি ও সাধারণ ৩২টি পূজা মন্ডপ রয়েছে। পূজা মন্ডপ, পূজারী ও আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ৩৩২ জন আনসার, প্রতিটি বিটে একটি করে মোবাইল টিম ও দুইজন ইন্সপেক্টরের নেতৃত্বে ১টি করে ষ্ট্রাইকিং টিম সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালন করছে।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কালীবাড়ী মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি বাবু নিরঞ্জন চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘দূর্গাপূজা উপলক্ষে আমাদের যাবতীয় কার্যক্রম ইতিমধ্যেই সম্পন্ন করেছি। গতকাল শুক্রবার রাত থেকে ষষ্ঠি পূজার মাধ্যমে দূর্গোৎসব আরম্ভ হয়েছে। পূজা উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা প্রদান করা হচ্ছে।’
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফায়েজুর রহমান বলেন, ‘কালীগঞ্জ থানা এলাকার ৫৩টি পূজামন্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশে সনাতন ধর্মাবলম্বিরা পূজা অর্চনা করবেন। প্রতিটি মন্ডপই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ইতিমধ্যেই পূজা মন্ডপ, পূজারী ও আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তাদানে তিনস্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি পূজা মন্ডপ সিসি টিভি ক্যামেরার আওতায় একটি কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা হচ্ছে।
